বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হৃদয়ের মাঝখানে-৫

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)

X ♥হৃদয়ের মাঝখানে♥ . পার্ট-০৫ . আদি :আমি জানিনা ভাবিজি ওনার কি হইছে,,, কিন্তু আমার মনে হইতেছে ওনি Sence হারিয়ে পেলেছে জলদি হসপিটালে নিতে হবে,,,, নিঝুম :হে তারাতারি গাড়িতে ওঠান,,,, উপমাকে ধরে তিনজনে গাড়িতে উঠিয়ে,,,, হসপিটালে নিয়ে আসলো,,,,, আদি gjoctor, Doctor Emergency,, Please,, Doctor :কি হয়েছে উপমা,, Sister, Sister,, তারাতারি এসো,,,, ওকে একটা বেডে নেও,,, আদি :I Don’t Know Doctor,,, ওনি কাদতেঁ কাদতেঁ হঠাৎ ই Sence হারিয়ে পেলে,,, নিঝুম gjoctor, একটু তাড়াতাড়ি ওর কি হয়েছে বলুন,, Doctor :You Don’t worry ,,, আমি দেখছি,, উপমাকে একটা বেডে দুজন Sister এসে নিয়ে গেল,,,, । । নিঝুম উপমার বাবাকে ফোন করলো,,, নিঝুম :হেলো,, আসসালামু ওলাইকুম আঙ্কেল, উপমার বাবা :ওলাইকুম সালাম,, নিঝুম কি হইছে তোমার তোমার কণ্ঠ এমন লাগছে কেনো? কিছু হয়েছে কি? নিঝুম :হে আঙ্কেল,,, উপমা হঠাৎই sence হারিয়ে পেলেছে,,, ওকে নিয়ে একটা হসপিটালে এখন আছি,,, উপমার বাবা :what? কোন হসপিটালে তারাতারি বলো,,, কি হয়েছে আমার Princess এর,, । । নিঝুম উপমার বাবাকে হসপিটালে নাম বললো,, কিছুক্ষণ পরই উপমার বাবা ও মা দুজনি উপস্থিত,,,, উপমার মা :কি হয়েছে আমার মামুনি তার কোথায় ও?(দৌড়ে নিঝুমের কাছে এসে হাপাতে হাপাতে,) নিঝুম :জানিনা আন্টি,,, তুমি চিন্তা করোনা, উপমা ঠিক হয়ে যাবে,, উপমার মা :তুমি বলছো চিন্তা করবো না, মেয়েটাকে নিয়ে আমার কতো চিন্তা হয়,, একটা কথাও শুনে না নিজের মর্জি মতো চলে,, যা মন চায় তাই করে,,,, । । উপতার মা নিঝুমকে ধরে কান্না করতে লাগলো,, নিঝুম :আন্টি কাঁদবেন না প্লিজ,, আঙ্কেল প্লিজ আন্টিকে সামলান,,, আঙ্কেল :তুমি বঙ্গে পারছো কেন? নিজেকে সামলাও উপমার কিচ্ছু হবে না,,,, আল্লাহর উপর ভরশা রাখো,,,, আন্টি :আচ্ছা, আমার মেয়েকে হসপিটালে আনলো কে? নিঝুম :ওই যে আদি ভাইয়া,,, ওনিই উপমাকে হসপিটালে আনছে,,(আদিকে দেখিয়ে) আদির মাঝেও একটা ভয় ডুকে গেছে,,, কি হয়েছে মেয়েটার,, উপমার মা :তোমাকে অনেক ধন্যবাদ বাবা,,, তুমি আমার মেয়েকে হসপিটালে এনেছো,, (আদির দু হাত নিজের হাতে মুস্টি বদ্দ করে) আদি :No No আন্টিজি,, এভাবে বলছেন কেনো,,, ওকে এভাবে দেখলে যে কেউ হসপিটালে নিয়ে আসতো ঠিক তেমনি আমি ও নিয়ে আসছি,, । । উপমার বাবা :আচ্ছা, তুমি আমার Princess টাকে কীভাবে দেখেছো আর তুমি কোথায় পেয়েছো ওকে? আদি একবার নিঝুমের দিকে তাকায়,,, চোখ দিয়ে ইশারা দিয়ে বলছে,, রেসের কথাটা বললে কি ঠিক হবে,, নিঝূম :মাথা নাড়িয়ে বললো না যেনো না বলে রেসের কথা,,,, আদি আবার চোখ দিয়ে বলছে না মিথা বলা ঠিক না যা সত্য তাই বলি,, আদি সব কিছু খুলে বললো উপমার বাবাকে,, উপমার বাবা :আবার আমার মেয়েটা পাগলামি শুরু করেছে,,, কি করবো মেয়েটাকে,, নিজের যা খুশি তাই করে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছে,,কে সামলাবে ওকে, কে দেখবে, আদি :আঙ্কেল, উপমা কি আবি নামের কোনো ছেলেকে পছন্দ করতো, I mean Love করতো,, । । উপমার বাবা :তুমি আবিরের কথা বলছো,, আদি :হয়তো আবিরই হবে,, ওনি আবিরের নাম ধরেই কাদতেঁ কাদতেঁ মাথা গুরে পরে যায়,,, উপমার মা :দু দুটো বছর কেটে গেলো,, এখনো ও নিজের মন থেকে আবিরকে মুছতে পারেনি,,, ওতো আবিরকে হারানোর পর থেকেই কেদে কেদে আরও একবার এই অবস্থা করে ছিল,, আচ্ছা, উপমার বাবা, তোমার মনে আছে Doctor আমাদের বারন করেছিল যেনো আমরা আর উপমাকে কখনো কাদতেঁ না দেই,, কিন্তু কি হলো সেই আবার হলোই? । । কিছুক্ষণ পর Doctor এলো,, Doctor :জাফর তুই চিন্তা করিস না উপমা ঠিক আছে,, ও কান্না করার ফলে,, Sence হারিয়েছে (উপমার বাবার কাদে হাত দিয়ে) আদি :Thank God, ওনি তাহলে ঠিক আছে,, উপমার বাবা :আচ্ছা, আমরা কি ভিতরে যেতে পারি,,, DOCTOR :হুম, যা শুন বেশি জোরে আওয়াজ করিস না, ওর সমস্যা হবে, ঘুমের ইঞ্জেকশন দিয়ে ঘুম পারিয়ে রেখেছি,, আদি উপমার দিকে এক নজর তাকিয়ে দেখে,, ও নিশফাপ বাচ্চাদের মতো ঘুমিয়ে আছে,, যেনো কিছুই বুজে না, কাদতেঁ কাদতেঁ মেয়েটার চোখ গুলো পুরো লাল হয়ে পুলে গেছে,, আদি :আচ্ছা, আঙ্কেল আমরা তাহলে আসি, উপমার বাবা :ঠিক আছে, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ বাবা, আমাদের বাসায় এসো ঠিক আছে,, আদি gjkey আঙ্কেল, । । আদি আর অন্তর দুজনেই চলে গেল, নিঝুম থেকে গেলো,, আজকে যাবৎ তিনদিন উপমা ভার্সিটিতে আসছে না,, আদি :আচ্ছা, ভাবিজি মিসেস রাহমান ভার্সিটিতে আসছেনা কেনো ওনি তো এখন সুস্থ আছেন,, নিঝুম :হুম, ওর বাবাই আসতে দিচ্ছে না! আরো কিছুদিন বাসায় থাকুক তারপর আসবে,, ভার্সিটির সামনেই তিনজন দাড়িয়ে,, অন্তর :তা আদি, তুই হঠাৎ আজ আমার সালিশ সাহেবাকে কি মনে করে খোঁজ নিলি? তুই তো ওকে দেখতেই পারিস না,, আদি :তুই কিন্তু, বেশী করিস অন্তর, ওকে আজকে তিনদিন যাবৎ ভার্সিটিতে আসতে দেখছিনা তাই জিজ্ঞেস করলাম,,, এতে মনে করার কি হলো আজব,, অন্তর :না এমনিতেও তোকে দেখছি তুই উপমাকে খুব চোখে হারাচ্ছিস,, ওর প্রেমে পরে যাসনি তো,,, তোর তো আবার একটা মেয়ে দারা হয় না 100 টার সাথে প্রেম করিস,,, আদি :Just Chill bro,, আমি কই ওদের প্রেমে পরি,, ওরাইতো আমাকে Proposed করে,, আমার আর কি করার তাদের propose accept না করলে Mind করবে, কষ্ট পাবে তাই আমি ওদের সাথে একটু ফাজলামো করি And ওরাও করে,, আমার ও সময় কাটে ওদের ও,, । । অন্তর :হুহ ভালো,, আচ্ছা, আমি আর তোর ভাবি একটু বের হই,, তুই বাসায় চলে যা,, আদি :দূর বাসায় আমার একটুও ভালো লাগে না, আর এখানে আমার তুই ছাড়া আর কেউ নাই যে একটু আড্ডা দিবো,, নিজে তো বউ নিয়া বিজি থাকিস আমার নেই বলে আজ আমি অসহায়,,, (একটু কান্না ভাব নিয়ে) অন্তর :হা হা এভাবে বলছিস কেনো,, একটা কাজ কর তুই উপমার বাসায় চলে যা ওর মনটা একটু ভালো করার চেষ্টা কর, আর তোর সময় ও কাটবে, ওর সাথে Friend Ship করার চেষ্টা কর,, ওর অতিতের কথাগুলো ভুলাই দে,,, নিঝুম :হে ভাইয়া অন্তর ঠিকিই বলছে,, প্লিজ একটু করুন,,,, । । আদি :আ…আ…আমি (ঠোক গিলতে গিলতে) ভাবারে যেই রাগি মেয়ে আমাকে আবার খুন করবে না তো,,,, নিঝুম :আরে না কিযে বলেন,, ও দেখতে রাগি হলেও মনের দিক থেকে অনেক ভালো,, আপনি যান কিচ্ছু করবে না, ও আদি :এতো করে যখন বলছেন তাহলে যেয়েই দেখি, আর আমাকে আঙ্কেল ও বলছে জাইতে,, ওর সাথে আড্ডা দিয়ে একটু Friend ship ও করি,, কিন্তু ……………... . কিন্তু Bro,,, আমি তো ওদের বাড়িই চিনিনা। কোথায় অবস্থিত তাদের বাড়ি? অন্তর :তোর বাড়ির দক্ষিণ পাশ দিয়া অবস্থিত ফাজি কোথাকার,,,, . নিঝুম :হা হা হা ………. আদি :ওই এভাবে বলছ কেন,,,, জানস না এইখানে লাগে,,,,(বুকের বা – পাশে হাত দিয়ে) নিঝুম :wait,,, এই তানিয়া,,,, শুন এদিকে আয় ………… তানিয়া :হে বল? নিঝুম :তুই তো এখন বাসায় যাবি তাই না? তানিয়া :হুম, কেন,,, নিঝুম :এই যে ভাইয়া (আদিকে দেখিয়ে) উপমাদের বাসায় যাবে,,,, তোদের বাসা আর ওদের তো কাছেই তাই ভাইয়াকে একটু উপমাদের বাসাটা দেখিয়ে দিস,,, । । তানিয়া :তানিয়া Don’t Miss,, চলে যা এই Crush Boy টাকে মিস করিস না,, কি হেন্ডসেম, ও….হ বলে বুঝানো যাবে, গায়ে পড়া, Black Shirt, চোখে সানগ্লাস, হাতে ব্রেস্লেট, পরনে ছেলেদের Scene Chocolate color পেন্ট,, গলায় ছেলাদের পরা চেইইন. ওহ দেখতে যে কি লাগছে না,, তানিয়া এতোক্ষন মনে মনে বলছে,,, নিঝুম :আরে কই হারালি আমি তোকে কিছু জিজ্ঞেস করছি,, (সামনে একটা হাত দিয়ে বাজি ফাটিয়ে) তানিয়া :ওওওওও……হে, কি বলছিলি যেন তুই, নিঝুম :তুই কি যাবি ভাইয়ার সাথে? তানিয়া :আচ্ছা, ঠিক আছে, সামনে তো আমারই বাসা যেতে সমস্যা কই, (একটা হাসি দিয়ে) । । আদি :বাবারে এই মেয়ে যেভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, মনে হয় প্রেমে পরে গেছে,, পরারই তো কথা, এতো Smart, একটা ছেলেকে দেখলে যে কোন মেয়েই প্রেমে পরবে,, হে সবাই পরবে, শুধু ওই কি যেন নাম মিসেস রাহমান ই পরবেনা হুহ। (মনে মনে) অন্তর :তো তুইই এর সাথেই চলে যা! আদি :এর সাথে ঠিক আছে, । । তানিয়া :ও…হ এভাবে তাকায় কেন? ও বুঝেনা, Hay Re mey marjaba, ay larka to muje marne ke liye plen karta hy, না না বাবা আমি জিনধা থাকতে মরতে চাই না। । । আদি :চলেন Sister, তানিয়া :হুহ, আরে এই Larka to muje sister bana diya, বলছে তো কি হইছে, একটা ধরে বলছে তো, YOU Mera janer Jigar, Tum jo name py muje bolaye gi, Me sunle ki liye tayer ho, এই আমি এতো হিন্দি বলি কেন থোরি, আমি তো রোমান্টিক সিনেমার Dialogue মারি, মাথা ঝাকিয়ে মনে মনে, গাড়িতে উঠে বসে। । । আদি :Bro, I go to Khan Industry, Please prey to God, যেনো ওই মিসে উপমা থুক্কু রাহমান, আমার সাথে ঝগড়া না করে, অন্তর :হে তুই যা, আমরা Pray করবো, তোকে যেনো আমার শালি এমন মার মারে জন্মের সাধ ভুলে যাস,, । । আদি :দূর হারামজাদা, তোর কথা শুনে টা কে? দিলাম গাড়ি Start,, গাড়ি চালাতে চালাতে,, আচ্ছা, আমি এই হারামজাদা, Language টা কই শুনছি, নিশ্চয়ই মিসে রাহমান এর কাছ থেকে কেননা ওনিই এই সব কিছু প্রতিটি কথায় বলে,, এগুলো, আমাকে বাদ দিতে হবে, না হলে Mom, আমার কানটা টেনে ছিরবে,, । । তানিয়া :আচ্ছা, আপনার নাম কি? আদি :কার আমার, তানিয়া :নিশ্চয়ই এখানে আপনি আর আমি ছাড়া অন্য কেউ নেই, আদি :ওহে আমার তো মনেই ছিলোনা, AM Adi Chowdury, From Australia, বেকার কিচো করিনা, আপনি? তানিয়া :আমি তানিয়া আক্তার, বি.এ Final. Year, আচ্ছা, আপনি বেকার কেনো? আদি :হিহিহি, পড়াশুনা শেষ তো এখন বেকারই তো,, কিছুদিন পর Dad এর অফিসে Join করবো,, আর কতো দূর বলবেন প্লিজ? তানিয়া :এই তো রাখেন চলে আসছি,,, তানিয়া নেমে পরলো,,, । । তানিয়া :সামনে গিয়ে বা -পাশে যাবেন, আর একটা বড় বাড়ি দেখবেন, ওইটাই,, আদি gjkkk, আদি চলে গেল। তানিয়া :কি ছেলে একটা Thanks ও দিলো না, কথাও অনেক পাকা, দূর এতো কি ভাবছি ওর সাথে কথা বলার সুযোগ পাইছি এটাই অনেক। । । আদি :Wow Amusing,, কি সুন্দর বাড়িটা। বাড়ির বারান্দায় ফুলের গাছ, ওইদিকে তো বাগান ও আছে দেখছি, ওহ…হ এই বাড়ির যদি জামাই হয়ে আসতাম আমি,, তাহলে আমার বউটার সাথে রোজ বিকালে এই বাগানে দোলনায় বসে বসে দুলতাম আর সুন্দর বিকেল টা উপভোগ করতাম। দেখতে হবে এই বাড়িতে অন্য কোনো সুন্দরী আছে কি না, মিসেস রাহমান তো যা এক মেয়ে মনে হয় কোনোদিন আমার বউ হইবে না। । । কথা না বাড়িয়ে বাড়ির মেইইন দরজার সামনে গিয়ে গিয়ে দাড়িয়ে কলিং বেল বাজালাম,,, আদি :আরে কি আজব, দরজা খুলতে সময় লাগে কেন? আচ্ছা, আমি বাড়িতে ডুকলে যদি মিসেস রাহমান জিজ্ঞেস করে কেনো কেন আসছি তখন কি বলবো,, দ দুর বলে দিবো, আন্টি & আঙ্কেল আমাকে আসতে বলছে, তাই আর হাত ছাড়া করলাম না। । । বাড়ির ভেতরে ………… উপমা :মাম্মা …………মাম্মা, কে আসছে? দেখো না কতক্ষন ধরে বেল বাজাচ্ছে,, উপমার মা :আমি একটু রান্না করছি তোর জন্য, তুই খোল না, তোর আন্টি কই? উপমা :আন্টি, উপরে আমার রুম ঠিক করছে,, থাক আমিই দেখি,,, দরজাটা খুললাম, আদি :আরে আরে, মেয়েটা বাসায় এসোব কি পরে আছে,,, আমার মাথা তো গেছে এখনকার যুগে তো এইসব পোশাক ই পরে,, পায়ের নিচ থেকে তাকে আমি দেখছি,, । । মেয়েদের জিঞ্চের ছোট পেন গুলা পরা, আর গায়েও একটা মেয়েদের গেঞ্জি,, দেখতে কিন্তু অসম্ভব সুন্দরী লাগছে,, উপরে মুখের দিকে তাকাতেই দিলাম এক চিৎকার,, আদি :আহ…………..আহ……… উপমা নিজে ভয় পেয়ে তার সাথে চিল্লানো শুরু করলো,,,, উপমার মা :এই কি হইছে কি তোমরা চিল্লাচ্ছো কেন? উপমা :মাম্মা, কে আসছে? কণ্ঠ টাও কেমন চিনা চিনা লাগে,, আদি :হাই আন্টি,, উপমার মা :হেলো, তুমি আসছো বাবা, আদি :জি, আন্টি, আপনি বললেন আর আমি চলে আসলাম,, আচ্ছা, ওনি মুখে এটা কি দিয়েছে তাই দেখেই তো আমি ভয় পেয়ে গিয়েছি,,,, উপমা :আপনি এখানে আসছেন কেনো? । । উপমার মা :ও মুখে একটু Dry করছিলো,, দিনদিন কালো হয়ে যাচ্ছে তো তাই,,, আদি :বাবা, মেয়েরা মুখে যে কতো কি মাখতে পারে,,, ওই সব কিছু আমার মনে থাকে না। উপমা :মাম্মা, ওনাকে বারন করো,, কি বলছে কি? . চলবে………………………..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হৃদয়ের মাঝখানে-৫

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now