বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
♥হৃদয়ের মাঝখানে♥
.
পার্ট-১৩
.
উপমা টান দিয়ে আদিকে আরো কাছে নিয়ে আসে,,,,
আদি উপমার মুখে আবিরের নামটা শুনে মোটেও সহ্য হচ্ছিল না,,,,
তাই উপমার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে সেখান থেকে চলে আসে।
উপমাকে আদি ভালোবাসে এটা কী আদি বলবে আর বললেও উপমা কী কনপার্ম করবে। করবে কীভাবে ওতো আজও আবিরকে ভুলতে পারেনি।
লোকে ঠিকই বলে প্রথম ভালোবাসা কখনো ভুলা যায় না, যা উপমার ক্ষেএে ও,,,,
আদি উপমার রুম থেকে চলে গেল নিচে ভালো লাগছে না কিছু সেখানে তাই নিজের রুমেই চলে গেল।
পরেরদিন সকালে,,,,,
উপমা :ওহ, মাথাটা এতো ভারি লাগছে কেনো,,,,
আর আমি তো ডান্স প্লোরে ছিলাম সবাই ওখানে ডান্স করছিল আমি দেখছিলাম।
এখানে আনলো কে,,,
আচ্ছা যাই হোক উঠে পরি এটাই ভালো একটু এদিক ওদিক দৌড়ে এক্সারসাইজ ও করে নেই…..
.
উঠে ফ্রেশ হয়ে উপমা একটা গেন্জি আর স্ক্যান ফ্যান পড়লো কানে হেডফোন লাগিয়ে বাড়ির বাইরে চলে গেল………..
রাস্তা দিয়ে আস্তে আস্তে দৌড়াতে লাগলো,,,,
আদি :গুড মর্নিং,,,,
উপমা :এই কে কে………..
আদি :আমি আদি,,
ভয় পেলে নাকি,,,
উপমা :পিছন থেকে যেভাবে বললেন গুড মর্নিং ভয় না পাওয়ার কি আছে,,,,
আদি :সরি, আমি বুঝতে পারিনি।
উপমা :হুম হইছে, গুড মর্নিং 2………
তো এতো সকাল কি করেন এখানে এই রাস্তায়?
আদি :একটু জগিং করতে বের হলাম,,,
বাসায় বসে খেয়ে খেয়ে আমি ভুরি বানাতে চাচ্ছি না, আর এমনিতেও আমার ভুরি বেড়ে যাচ্ছে,,,,
উপমা :ভালো ভালো গুড ডিসিশন,,,,
পথে যখন আপনার সাথে দেখাই হয়ে গেল,,
তখন চলেন দুজনই একসঙ্গে সামনে এগোই ……..
আদি :হুম চলো……….
.
দুজনে সামনের দিকে হাটা ধরলো,,,,
উপমা :একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
আদি :হুম, বলেন,,,
উপমা :আপনার গার্লফ্রেন্ড আছে,,,
আদি :না,,,
উপমা :বিশ্বাস হয় না আমার। আপনার মতো এতো হ্যান্ডসেম ছেলের গার্লফ্রেন্ড নাই।
ব্লিভ হয় না……….
আদি :সত্যি বলছি আমার গার্লফ্রেন্ড নাই। এইসব প্যারা তাই করিনা,,,
উপমা :এইতো গুড বয়…………
আদি :আচ্ছা তোমার তো বয়ফ্রেন্ড নাই……
উপমা :হুম তো……
আদি :তোমায় যদি এখন কেউ প্রপোজ করে তাহলে তুমি তাকে কি করবে,,,,
উপমা :তার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকবো যখন ফুল হাতে নিয়ে আমায় প্রপোজ করবে।
তার চোখগুলো দেখবো মায়া আছে কিনা তাতে তার ঠোঁটের দিকে দেখবো গোলাপী কিনা,
সে হ্যান্ডসাম কিনা, তার মনের মাঝে আমার জন্য কতোটুকু ভালোবাসা আছে। সে ভবিষ্যতে আমায় কতোটা ভালোবাসবে এইসব দেখবো। তারপর যদি এমন হয় তাহলে এক্সচাপ্ট ………
.
আদি :এতো কিছু দেখবে ভালো কথা। আবার গোলাপী ঠোঁট দিয়ে কি করবে,,,
উপমা :আমার কাছে খুব সুন্দর লাগে তাই।
আদি :ওহ,,,,,
আচ্ছা দেখোতো আমার এইসব আছে কিনা তাহলে তোমায় আমি প্রপোজ করবো,,,,
উপমা কিছুক্ষণ আদির দিকে তাকিয়ে থেকে,,,
উপমা :ওমম……….
ঠিকই আছে সবকিছু বাট আপনার মনের ভেতর অনেক মেয়ের বসবাস,,,,
সারাক্ষণ খালি মেয়েদের সাথে চেটিং যা আমার মোটেও পছন্দ না।
আদি :এমা তাই………
উপমা :হাহাহা………….
আমি ফাজলামো করছি কিছু মনে করবেন না,
উপমা আদির দিকে তাকিয়ে হাসছিল,
তখনই সামনে থেকে একটা গাড়ি উপমাকে ধাক্কা দিতে যাচ্ছিল তার আগেই আদি দেখে উপমাকে টান দিয়ে নিজের বুকের ভেতর নিয়ে নেয়,,,,
আদি :গাড়ি যখন চালাতেই পারিস না,
তখন রাস্তায় নামিস কেনো তোদের মতো লোকদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া উচিত সালারা………….
উপমা এই কথাটি শুনে তো অবাক এই কথাটা পাস্ট আদি যখন উপমাকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেয় তখন উপমা বলেছিল,,,,
আর আজ আদি ও সেম ওই লোকটাকে বলেছে।
উপমা আদির দিকে তাকালো,,,
একহাত দিয়ে ধরে বুকে জরিয়ে আছে উপমাকে,,
কি আরাম লাগছে, শান্তি লাগছে উপমার।
আজ দু বছর হলো কেউ এভাবে তাকে আলতো করে জরিয়ে ধরেনি।
আর আদির শরীর থেকে ও কি মিষ্টি একটা গন্ধ বের হচ্ছে। যা উপমাকে পাগল করে দিচ্ছে আদির প্রতি তার মন টানছে,,,
.
আদি :এই যে চলুন,
এভাবে রাস্তায় হাঁটবেন না যখন তখন কেউ গাড়ি চাপা দিতে পারে,,,,
আর এখন আমি না টান দিয়ে আনলে আজ আল্লাহ না করুক হসপিটালে ঠিকানা হতো।
এই খুশির দিনে …………….
উপমা :হুম ধন্যবাদ আপনাকে…..
আদি :ধন্যবাদ দেওয়ার দরকার নেই। যে কেউ হলেই আমি এমনটাই করতাম,,,
আর আজকে তো মেহেন্দির অনুষ্ঠান রাতে ……….
উপমা :হ্যাঁ তাইতো আমার মনে নেই,
সবাইকে নিয়ে নাচ প্রেকটিস করতে বসতে হবে
জলদি চলুন…………..
আদি :হ্যাঁ চলো…………………..
বাসায় এসে ছাদে বসলো তারা নাচ প্রেকটিস করতে,,
আদি ছেলেদের দেখিয়ে দিচ্ছে দেন উপমা মেয়েদের……..
আজ যে যায়গায় উপমাকে আদি দেখবে সে যায়গায় উপমা আদিকে দেখছে,,,,
আদির মাঝে আলাদা একটা মায়া আছে,
ও যেমনি হোক না কেন। একনজর কেউ যদি আদির দিকে তাকিয়ে থাকে তার আদির জন্য মন গলে যাবে।
উপমাও এক নজরে তাকিয়ে আছে আদির দিকে,
নীলা :এই কিরে কি দেখছিস এভাবে ওই চানগ্লাসের দিকে?
উপমা :ক…ক.ই কই আমি কি দেখছি, আমি ওদের নাচ দেখছিলাম হচ্ছে কিনা।
নীলা :আমার কাছে লুকাচ্ছিস না তুই যে এই চানগ্লাসের দিকে তাকিয়ে আছিস আমি 200%সিউর করে বলতে পারবো।
উপমা :একটা থাপ্পড় দিবো যা নাচ প্রেকটিস কর গিয়ে ফাজিল মেয়ে……..
নীলা চলে গেল,,,,,
নিঝুম আর অন্তর দুজনকে একই পাশে বসানো হলো,,
উপমা বাচ্চাদের মেহেন্দি দিয়ে দিতে দিতে টায়ার্ড হয়ে গেছে,,
কিন্তু বাচ্চারা ছাড়ছেই না,
পরে আদি বাচ্চাদের সামলিয়ে নিয়ে গেলো।
উপমা নিঝুমের আর অন্তরের হাতে মেহেন্দি লাগাতে বসলো,
আদি :আমাকে ও লাগিয়ে দিন না,,
উপমা :আপনি কি বিয়ে করবেন যে মেহেন্দি লাগাতে যাবো আপনাকে………..
আদি :না, আর দিয়ে দিলে এমন কি হয়……….
কথা বলতে বলতেই গান বেজে উঠলো,,,
খুশিতে প্রথম উপমা নাচে জয়েন করলো ”
তারপর আদি………………..
.
প্রথম (Proper Petola) এই গানটা দিয়ে ছেলে একদল মেয়ে একদল হয়ে নাচলো।তারপর (Ishara)গানটা দিয়ে সবাই একজোট হয়ে নাচলো। নিঝুম আর অন্তরকে আদি উপমা গিয়ে টেনে আনলো……………..
পরেরদিন মেয়ে পক্ষের গায়ে হলুদ ছেলে থাকা নিষেদ তাই কোন ছেলেরা নাই,
সবগুলো মেয়ে আজ হলুদের কাপড় পরেছে,,,,
অন্তর চুরি করে হলুদ নিয়ে এসে নিঝুমকে লাগাতে গেলো রুমে
আর আদি পাহাড়া দিচ্ছে। তখনই উপমা আসছিল হলুদের বাটি হাতে করে নিয়ে।
উপমা :এমা আপনি এখানে আজকে না আপনাদের আসা নিষেদ,
আদি :তো কি হইছে। আমিও তোমায় হলুদ লাগাইতে আসছি,,
বলেই বাটি থেকে কিছু হলুদ নিয়ে উপমার গালে লাগিয়ে দেয়……………
উপমা :মাম্মা ও আমাকে গায়ে লাগিয়েছে………..
বলে নেকা কান্না করতে করতে চলে গেল।
.
উপমা নেকা কান্না করতে করতে চলে গেল……
আদি :যাহ একটু হলুদ লাগালাম বলে কেঁদেই দিলো কি আজব মেয়েরে বাবা,,,,
উপমা কিছু দূরে গিয়ে দেওয়ালের উপর সাইডে গিয়ে দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো। যাতে আদি নিঝুমের রুমের সামনে থেকে না দেখে তাকে ……..
উপমা এক হাত দিয়ে গাল থেকে হলুদ নিয়ে হাতে তাকিয়ে থেকে একটা মুছকি হাসি দিল,,,
তারপর আবার যেটুকু হলুদ হাতে নিলো অন্য গালে লাগিয়ে নিলো নিজে নিজেই ……..
কি অদ্ভুত পাগলী একটা আদির প্রতি এই দুদিনে কেমন জানি হয়ে গেলো। আদি মনে হয় উপমা ভালোবেসেই পেলেছে ……..
আদেও কি উপমা ভালোবেসে পেলেছে নাকি একবার আদি জানতে পারলে তো তার আনন্দের সিমা রইলো না তাহলে ……..
উপমা লুকিয়ে দেখতে লাগলো আদিকে সাদা পান্জাবীতে বেশ লাগছে আদিকে। একটা ছেলে এতো সুন্দর হয় কীভাবে,,,,
আদির সাদা পান্জাবী গায়ে হাতে একটা কালো ঘড়ি চুল গুলোর কী স্টাইল ভাবে কাটা।
খুব সুন্দর লাগছে। আদি আর অন্তর সেখান থেকে চলে গেলে উপমা দৌড়ে নিঝুমের কাছে যায়………..
.
নিঝুম :এই উপমা তোর গালে হলুদ কে লাগিয়েছে রে …….
উপমা :কই কেউ না তো ……
নিঝুম :কেউ না তো মানে আয়নায় দেখ নিজেকে তোর দু গালেই তো হলুদ লাগানো, কে লাগিগেছে বল আদি ভাই নাকি……
উপমা :মাইর চিনিস ……
এটা ইলফা আপু আসার সময় আমাকে দেখে বাটি থেকে নিয়ে লাগিয়েছে বুঝেছিস গাধীঁ…….
নিঝুম :ওহ আমিতো ভাবলাম ভাইয়া লাগিয়েছে,
উপমা :আমার তো আর খেয়ে দেয়ে কাজ নাই ওই কালো চানগ্লাসের কাছে হলুদ লাগাতে যাবো হুহ…………..
তা আপনার গালে কে লাগাইছে হুহ………
নিঝুম :কে তুই জানিস না,,
উপমা :ওহ আমার জিজু কতো রোমান্টিক কতো ভালোরে। আর তোকে কতো ভালোবাসে দেখছিস ………..
নিঝুম :হুম হইছে বাদ দেন,,,
আপনার জামাই আমাদের জিজু আরো রোমান্টিক হবে দেখবেন সারাক্ষণ কী করবে জানেন তো……….
উপমা :ওতো জানার আমার দরকার নেই। এবার চলেন যাই …………
.
এভাবে পরপর গায়ে হলুদ হয়ে যায়,,,
বিয়ের দিন চলে আসে নিঝুম আর অন্তরের,,,
উপমা আর নীলা মিলে নিঝুমকে খুব সুন্দর করে সাজিয়েছে নিচে নিয়ে যাবার পালা,,,,
সিড়ি দিয়ে যখন উপমা নিঝুমকে ধরে নামতেছিল তখন আদি দেখে তো উপমাকে হা করেই তাকিয়েছিল……………
আজকে উপমাকে অনেক সুন্দর লাগছে,,,,
উপমা সিড়ি দিয়ে নেমে নিঝুমকে অন্তরের পাশে বসালো,,,,
অন্তর ও নিঝুমকে দেখে পুরো হা করেই তাকিয়ে ছিল, পরে উপমা বলাতে লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে নেয়………..
তিনবার কবুল পরে বিয়ে হয়ে যায় তাদের,,,
আজকেই নিঝুমকে এই বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হবে……….
যখন নিঝুমকে বিদায় দিবে নিঝুম সবাইকে ধরে কাদতেঁ থাকে,,,,
উপমাকে খুজে ও পায়না আদি খুজতে গিয়ে দেখে উপমাকে বাড়ির পিছনে দোলনাটায় বসে আছে………..
আদি সামনে যেয়েই দাড়াতে দেখে উপমা কাঁদছে,,,,
আদি :এই পাগলী এভাবে কাদছো কেন,,,,
উপমা আদির কণ্ঠ শুনা মাএই অন্যদিকে মুখ পিরিয়ে চোখের পানি মুছে পেললো,,,
উপমা :কো..কো.থায় আমি কাদছি,,,,
আদি :আমার কাছ থেকে লুকাতে এসোনা, তোমার চোখে এখনো পানি আছে আর তোমাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে তুমি কাদছো…….
আচ্ছা যাই হোক নিঝুম ভাবি তোমায় খুজছে আর তুমি এখানে কেনো,,,,
.
উপমা :ও এখনো যায়নি…….(বলার সময় গলাটা আটকে এসেছিল)
আদি :তুমি ওর বন্ধু কতো বছরের ও তোমাকে না দেখেই না বলেই চলে যাবে………..
উপমা আদির দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল,
আদি :প্রতিটি মেয়ের জীবনেই এমন একটা দিন আসে, একদিন তাদের স্বামীর ঘরে যেতেই হয়,
আর যে যায়গায় নিঝুম ভাবি কাদবে আজ সে যায়গায় তুমি কাঁদছো এটা কেমন হলো,
মনে হচ্ছে তোমারই বিয়ে হয়েছে আজ,,
উপমা :আপনি বুঝবেন কীভাবে,
ও আমার ১০ বছর আগের বন্ধু, সবসময় স্কুলে, কলেজে এমনকি ভার্সিটিতেও একই সাথে থেকেছি একই টেবিলে বসেছি। যার সুখে দুঃখে দুজন দুজনের পাশে থেকেছি। আজ ওর বিয়ে হয়ে গেছে আমার সাথে আর তেমন দেখা হবে না, ফোনে মাঝে মধ্য কথা হবে,,,
ওর সাথের থাকা আগের সৃতিগুলো মনে করে আজ খুব কষ্ট হচ্ছে কান্না আসছে।
ওর সামনে গেলে তো আমি নিজেকে সামলাতে পারবো না। তাই চাচ্ছি না ওর সামনে যেতে,,,,
আদি :আমি বুঝতে পারছি তোমার কষ্টটা,
কিন্তু ভাবি তো তোমায় না দেখে যাবেনা,
এ সময় ওর তোমাকে পাশে পাওয়া জরুরি,
সো, প্লিজ চল,,,,
.
আদির অনেক বলাতে উপমা গেলো। যেয়ে উপমা নিজেকে সামলাতে পারেনি কেঁদেই দিলো নিঝুমকে ধরে, দুজন দুজনকে ধরে কেঁদেই চলছে। ওদের কান্না দেখে সবাই কেদে দিলো,,,
অন্তর কোনো রকমে নিঝুমকে ছাড়িয়ে গাড়িতে বসালো,
উপমাতো গাড়ির পিছু পিছু ছুটতে চাইছিল,,
কিন্তু আদি আর নীলা ওকে আটকিয়ে রেখেছে।
মেয়েদের জীবনে কেনো এইদিনটা আসে যে বন্ধু বান্ধব, মা -বাবা সবাইকে ছেড়ে স্বামীর বাড়িতে চলে যেতে হয়। সত্যি এইদিনটি খুব কষ্টের হয়। মেয়েদের জীবনটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাণ কবিতার মতো,
আর বিয়ের বিদায়ের দিনের মতোই এই চরনটি অনেক মিল রয়েছে ………..
“হাসি মুখে নিয়ো ফুল, তার পরে হায়,
ফেলে দিও ফুল যদি সে ফুল শুকায়।”
.
চলবে……………
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now