বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হৃদয়ের দভন (পর্ব১২)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Ifat Eva (০ পয়েন্ট)

X ইসরাত ঘরে এসে বিছানায় বসে পড়লো।কোলের ওপর দুই হাত রেখে আংটির দিকে চেয়ে থাকলো।সবকিছুই কেমন যেন খুব তাড়াতাড়ি হয়ে গেলো।রিফাহ ইসরাতের পাশে বসে ইসরাতকে জড়িয়ে ধরে বললো,"কি ভাবিস এত?রনি ভাইয়ার কথা?" ইসরাত রিফাহর দিকে তাকিয়ে বললো,"এ মুহূর্তে তো এসব ভাবনায় আসবে।" "তুই খুশি হসনি?" "কিন্তু না জানিয়ে হঠাৎ করেই।তুই কি জানতি রনির এই প্লানটা?" "নারে।" "মিথ্যা বলিস না কিন্তু।" "আরে মিথ্যা না আল্লাহর কসম আমি কিছু জানি না।" "তাহলে?" "তাহলে আঙ্কেল আন্টিকে বলে দে।" "তুই বল গা আমি পারবো না।" "লজ্জা পাচ্ছিস নাকি?দেখি মুখটা কেমন লজ্জা।" ইসরাত ওড়না দিয়ে মুখ ঢেকে বলল,"চুপ কর যা এখান থেকে।" "যাচ্ছি ভাবি।" ইসরাত বারান্দায় গেলো।রিফাহ বললো,"তুই কোনো কিছু ভাবিস না।" রনি বারান্দায় একা একা দাঁড়িয়ে ।স্মৃতি এসে বললো,"আপনার ভালোবাসা দেখে আজ আমি আমি সত্যিই মুগ্ধ!!" রনি স্মৃতির দিকে রাগান্বিতভাবে তাকালো।স্মৃতি বললো,"আপনি আমার ওপর রাগ করে আছেন।রাগ করার কথায়।আসলে আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাইনি আর চাইনা।আমার বিয়ে আগেই ঠিক হয়ে গেছে।আপনার ভালোবাসা কেমন কতটুকু এটা বোঝার জন্য আপনার মা বা বোন আমাদের ফ্যামিলি সবাই মিলে এই প্লান করেছিলাম।" রনি অবাক চোখে স্মৃতির দিকে তাকালো। স্মৃতি বলল,"আয়শা আমার বান্ধবী।আপনি একজন সত্যিকারের প্রেমিক যে কিনা প্রেমিকার জন্য এতকিছু করতে পারে।দোয়া করি আপনারা যেন অনেক সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করেন আর কোনো শক্তিই যেন আপনাদের আলাদা করতে না পারে।" "হুমম আমিও দোয়া করি আপনারাও যেন সুখী হন।" "আমরা আজকে যাবো না কালকে চলে যাবো।" "ওহ ঠিক আছে।" ইসরাত এখনো ভাবছে সেই কথা।রিফাহ বলল,"ইস তুইও না।তোকে পায়েল দিয়েছে তাহলে।" "দেখছিস না?" "হুমম।ভাইয়া তোকে অনেক ভালোবাসে রে।জানিস ভাইয়া আগে তো বিয়ে করতে রাজিই হয়নি।সবাই কত করে বলতো বিয়ে কর।ভাইয়া রাজি হয়নি।বলে যে বিয়ের বয়স হয়নি হিহিহি।আর তুই আসার পর থেকে থেকেই যে বিয়ের বয়স হয়েছে।হিহিহিহিহি" রিফাহর হাসি দেখে ইসরাতও হেসে ফেললো। পরদিন বিকেলে ইসরাত ছাদে দাঁড়িয়ে আছে। "কিযে শূন্য শূন্য লাগে তুমি হিনা হৃদয় হারাইছে না ঠিকানা দুচোখে পুলে নীলচে জলে পলক থাকে আনমনা....." রনি পিছনে দাঁড়িয়ে গান শুনছিল।হাত তালি দিয়ে বলল,"বাহ কি সুন্দর সুর!!কি সুন্দর গান!!কি সুন্দর তার অর্থ!!" ইসরাত পিছন ফিরে বললো,"তুমি?কখন এলে?" "এইতো এখনি।"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now