বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হৃদয়ের দভন ( পর্ব ১১)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Ifat Eva (০ পয়েন্ট)

X রাতে বাবা রনিকে ডাকলেন।রনি বাবার সামনে এসে বললো ,"কি বলো?" মা পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।বাবা বললেন,"তোর বিয়ে স্মৃতির সাথেই হবে।" রনি বললো,"কখনো না কোনদিনও না।আমি ইসরাতকে ভালবাসি ইসরাতও আমাকে।আমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নিজেকে কষ্ট দিবো না বিশেষ ইসরাতের সাথে বেইমানি করতে পারবো না।আমি বিয়ে করলে ইসরাতকে করবো নয়তো চিরকুমার হয়ে থাকবো। তুমি তো বলেছিলে ইসরাত তোমার খুব পছন্দ।তাহলে এমন ছলনায় ফালাচ্ছ কেন বাবা?" বাবা ধমক দিয়ে বললেন,"চুপ কর।কি এক শব্দ শিখছে চিরকুমার।তুই বিয়ে করবি তো তোর বাপসহ এ বিয়ে করবে।" রনি বললো,"বাবা এসব কি বলছো?মা দেখো বাবা কি বলছে।ঘরে একটা বউ রেখে বিয়ের বয়সী একটা ছেলে রেখে মেয়ের বয়সী একটা মেয়েকে বিয়ে করার কথা বলছে।মা কিছু বলছো না কেন তুমি?" রনি মা এবার মুখ খুললেন।বললেন,"হ্যা তুমি এসব কি বলছো?আমাকে রেখে তুমি- বাবা বললেন,"এই আমি কি সত্যি বলছি!!আমি তো এমনি কথায় কথায় বলছিলাম।" তারপর রনির দিকে তাকিয়ে বললেন,"বিয়ে করতে হবে।যা" রনি রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল।ঠিকই যাকে সে এতো ভালোবাসে তাকে ছেড়ে কি করে কি হয়।রাতে আর ফিরলো না। পরদিন বিকেলে রনি পার্কে গেলো।এখনো বাড়ি যায়নি।ইসরাতের জন্য অপেক্ষা করছে।অপেক্ষার মুহূর্ত যায় কষ্টে আর মনে হয় সময় যায় না কেন।কিন্তু তবুও মানুষ অপেক্ষা করে।পিছন থেকে কে যেন ডাক দিল।রনি পিছন ফিরে দেখলো ইসরাত। "ইসরাত" "হুম।আমার পায়েল দাও।" "পরিয়ে দেই?" ইসরাত বাম পা বাড়িয়ে দিয়ে বললো"দাও।" রনি পায়েল পরিয়ে দিচ্ছে।ইসরাত বললো,"তুমি যে কি পাগলামি করছো।" রনি ইসরাতের দিকে না তাকিয়ে পায়েল পড়াতে পড়াতে বললো,"পাগলামির কি দেখছো তুমি।পাগলামি তো কেবল শুরু।" পায়েল পরিয়ে দিয়ে রনি উঠে দাঁড়ালো।ইসরাতের দিকে তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে।ইসরাত বললো,"এমন করে তাকিয়ে থাকবে না তো।আমার লজ্জা করে।" "উফ লজ্জা।বেশি বেশি তাকিয়ে থাকবো।আমার প্রিয়াকে দেখবো।আচ্ছা এই তোমার হাতের আংটিটা কার।" "আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে।" বিয়ে ঠিক হবার কথা শুনে রনির মুখ কালো হয়ে গেল।বললো,"মানে?" "মানে বুঝো না?" রনি কিছু বলছে না শুধু ইসরাতের দিকে তাকিয়ে আছে।ইসরাত আরেকটু কাছে এসে ফিক ফিক করে হেসে উঠলো।বললো,"ভয় পেয়েছো বুঝি?আমি তোমাকে ভালোবাসে।এই আংটি দেখছো এটা আমি যখন ক্লাস নাইনে তখন আব্বু আমাকে দিয়েছিলেন।সেদিন হাতে প্রথম দিয়েছিলাম আর খুলিনি।যেদিন এনগ্রিজমেন্ট হবে সেদিন খুলবো।সবসময় পড়ে থাকি।" "উফফ তুমিও না শুধু ভয় দেখাও আমাকে।" ইসরাত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলল "এই শোনো।" "হুমম বলো।এখন বাসায় যাবো।রাতে ফোনে কথা হবে।" "যাও।" রনি বাসায় ফিরলো।দেখলো স্মৃতিরা।রনি তাদেরকে এড়িয়ে চলে যাচ্ছিল।কিন্তু বাবা ডাক দিলেন।বাধ্য হতে যেতে হলো।বাবা বললেন,"আজ তোর এনগ্রিজমেন্ট।" রনি বললো,"ওহ তাহলে তো খুব ভালো।দাও আংটিটা।" বাবা আংটিটা রনির হাতে দিলো।রনি আংটিটা নিয়ে চলে যাচ্ছিল।বাবা বললেন,"কোথায় যাস রে?" রনি একটুখানি দাঁড়িয়ে বললো,"কেন?তোমার ছেলের বউকে আংটি পরিয়ে দিতে।" রনি বেরিয়ে পড়ল।ইসরাতের বাসার সামনে আসলো।ইসরাতকে নিচে আসতে বললো।ইসরাত নিচে এসে বললো,"কি হলো এখন কেন?" "তোমার হাত দাও" "কেন?" রনি কিছু না বলে ইসরাতের বাবার আংটিটা খুলতে লাগলো।ইসরাত বললো,"কি হলো এই আংটি কেন খুলছো?" রনি তার আংটিটা পরিয়ে দিতে দিতে বললো,"তুমিই তো বলেছো যেদিন তোমার এনগ্রিজমেন্ট হবে সেদিন তোমার আব্বুর আংটি খুলবে।" রনি আংটি পরিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছিল।ইসরাত পিছন থেকে বলে বললো,"কি হলো এটা?" রনি পিছন ফিরে তাকিয়ে বলল,"তোমার সাথে আমার বিয়ে ঠিক হলো।" এবার ইসরাত রনিকে থামালো।রনির চলে যাওয়া দেখছিল যতদূর পর্যন্ত দেখা যায় দেখছিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হৃদয়ের দভন ( পর্ব ১১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now