বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফুয়াদ এক মনে লিখছে। উপন্যাসটা শেষের পথে। এইসময় লেখকদের কোন হুঁশ জ্ঞান থাকেনা। ফুয়াদদের ও নাই। আজ যে নটার সময় মাহবুব ভাইয়ের মামার সঙ্গে তাদের দেশের বাড়িতে বেড়াতে যাবে বলেছে, সে কথাটা একদম ভুলে গেছে।
ফিরোজা বেগম ছেলের রুমে দরজার কাছে এসে বলেন, কিরে তুই এখনো লিখছিস,বান্দুরা যাবি না?
ফুয়াদের তখন মায়ের কথার উত্তর দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। মা কি বলছেন ভালো করে শুনতেও পায়নি।
ফিরোজা বেগম ছেলের হাল হকিকত জানেন। রুমে। রুমে ঢুকে তার কাছে এসে কাঁধে একটা হাত রেখে বললে, এবার লেখা বন্ধ কর বাবা, প্রায় নয়টা বাজে।
মায়ের হাতের স্পর্শ ফুয়াদ বাস্তবে ফিরে এল। লেখা থামিয়ে তার মুখের দিকে চেয়ে বলল, কিছু বলছ আম্মা
নটা বাজতে যায়, গোসল করে নাস্তা খাবি কখন? মাহবুবের মামা মুক্তার সঙ্গে তোর আজ নটার সময় বান্দুরা যাওয়ার কথা না?
তাই তো, সে কথা আমার একদম মনে নেই। তুমি যাও আমি লেখাটা শেষ করে আসছি।
ফিরোজা বেগম যেতে যেতে ভাবলেন, ফুয়াদ লেখা পড়া বন্ধ করে সংসারের হাল যদি না ধরতো, তা হলে কি হতো আল্লাহ মালুম। মনোয়ারাকে দেখতে পেয়ে বলল যাতো মা, তোর ভাইয়ার কাপড়- চোপড় ব্রিফকেসে গুছিয়ে দে। আর তাকে তারাতাড়ি গোসল করে নাস্তা খেতে আসতে বল।
চলবে..........
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now