বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হোক না কিছু ভালোবাসা দুটি মনের অজান্তে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD.Belal Hosan (০ পয়েন্ট)

X শেষ দুটি কদম বর্ষার,আজ শোভা পাচ্ছে আবৃতের হাতে। স্থান কাল পাত্র ভেদে এগুলো থাকার কথা ছিল অহনার হাতে। আবৃত জানে এগুলো যাবে না অহনার হাতে।হয়তো এই কদম দুটির শেষ আশ্রয় হবে এই অচেনা শহরের কোন ও এক রাস্তায়। এসব ভাবতে ভাবতে অহনার কলেজ ছুটি হল।ঐতো অহনা আসছে। অহনাকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে।হালকা সাজুগুজু তে ঠিক আবৃতের মনের ক্যানভাসে আঁকা নীল পরির মত লাগছে। -কি আজকে ও দাঁড়িয়ে আছেন। -হুম,দেখতেই তো পারছেন। -প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকেন কেন? -আপনি জানেন না। -আমাকে দেখার কি আছে? হুম। -ভাল লাগে তাই। -উফ্ফ। আপনাকে নিয়ে আর পারলাম না। -হুম। -তা আপনার হাতে ঔটা কি। কদম গুলো লুকোনোর বৃথা চেষ্টা করে আবৃত বলল, -না কিছুনা।আচ্ছা একটা কথা বলব? -বলেন। -আপনাকে আজকে অনেক সুন্দর লাগছে। -হুম জানি,সাজুগুজু করছি তো তাই। -আচ্ছা কলেজে কিছু বলে নাই।সাজুগুজু করা তো নিষেধ। -হুম জানি। আসলে আজকে একটা গাধার সাথে ঘুরবো তো তাই। -ওহ্, আচ্ছা গাধাটা কে? -আমার জামাই হইছে, অসহ্য। -ওহ, আচ্ছা আমরা হাটতে হাটতে কই যাচ্ছি? -জাহান্নামে,হইছে। -ওহ, আমি আগে যাই নাই ওইখানে।কেমন জায়গাটা। -উফ্ফ,আপনি এমন কেন। বেশি কথা না বলে হাটেন। হাটতে হাটতে দুজনে রমনা পার্কে এ আসল।পাশাপাশি বসে আছে দুজনেই। কিন্তু কারো মুখে কোনও কথা নেই। সব নিরবতার অবসান ঘটিয়ে অহনা বলল -প্রতিদিন কেন দাঁড়িয়ে থাকেন কলেজের সামনে? -এমনি। -এমনি মানে আপনার লেখাপড়ার ক্ষতি হয় না নাকি। -হয় -তাহলে, আর দাঁড়াইয়েন না। -কেন, -আমার খারাপ লাগে। -খারাপ লাগে কেন? -জানিনা,উফ্ফ। -আর কিছু বলবেন -না কি বলব, ভাবছিলাম আমার গাধাটা আসবে তাঁর সাথে আপনার পরিচয় করাইয়া দিব। বাট গাধাটা আসল না। -আচ্ছা গাধা টা কে? -বল্লাম না আমার জামাই। -বলছেন,বাট এই বয়সে বাল্যবিবাহ করছেন।পুলিশ কিছু বলে নাই-না পুলিশ আমার শ্বশুর তো তাই। -ও -আচ্ছা আপনি এত গাধা কেন।কিছু বুঝেন না। -না।আচ্ছা আমি যাই। অহনাকে রেখে একাই হাঁটা দিল আবৃত। পিছন থেকে একটা নরম হাতের স্পর্শে পিছন দিকে ঘুরে তাকালো আবৃত। অহনার চোখ দুটি ছলছল করছে। -আমার কদম ফুল কই, হুম। -আপনি জানেন কিভাবে। -আমার পছন্দের ফুল আমাকে না দিয়ে কারে দিতে নিয়া যাইতাছেন। -না আসলে আপনি বললেন কোন এক গাধা আসবে আপনার সাথে দেখা করতে।তাই চলে যাচ্ছিলাম। -আপনার চেয়ে বড় গাধা আর কেউ আছে নাকি। কথাটা বলেই আবৃতের প্রশস্থ দুই হাতের মাঝে নিজের আপন নীড় খুঁজে পেল অহনা। হোক না কিছু ভালবাসা দুটি মনের অজান্তে।গোপনে দুটি মনকে এনে দিক আরো কাছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হোক না কিছু ভালোবাসা দুটি মনের অজান্তে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now