বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পূজো আসছে। হ্যা, বাঙালীর সেরা উৎসব। এটা সত্যই যে কোনো বাঙলীর কাছে খুব বড় বাপ্যার। যখন গত সপ্তাহে vashi তে ইনঅরবিট মল এ ঘুরছিলাম, মনে হচ্ছিল যেন পুরো বাঙলী কমিউনিটি মল এ ভীড় জমিয়ে ছিল। বঙ্গভূমি টাকে মিস করছি।
যাই হোক, পুজোর কথা যখন উঠল, তখন মনে পরে যাচ্ছে, পুজোর সাথে জুড়ে থাকা কিছু স্মৃতি।
পুজো মানে নতুন জামাকাপড়, পুজো মানে খেলনা পিস্তল, পুজো মানে আনন্দমেলা, পুজো মানে বিকেল বেলা ঠাকুর দেখতে যাওয়া আর বাড়ী ফিরে টিভি র সামনে বসে পড়া পুজো পরিক্রমা দেখা। এটা ছিল সেই বয়সে যখন জীবন মানে ছিল পুরোপুরি মুক্তি। না কোনো ভাবনা আর না কোনো চিন্তা। আসলে তখন ত কোনো দুংখ ছিল না। তবে একটা জিনিস দেখে খারাপ লাগত যখন দেখতাম যে অনেকে পুজো তে ও নতুন জামা পড়তে পারত না। তখন কারন হয়ত বুঝতাম না, কিন্তু খুব ভাবতাম।
গ্রামের বাড়িতে তখন পুজোর সময় দেখতাম যে বিজয়া দশমী র পর সবাই রা কেমন বড় দের প্রনাম করত। যদিও আমি জানি না কোন কারনে আমি কাউকেই প্রনাম করতাম না, কিন্তু খুব ভাল লাগত এই বাপ্যারটা। আমি জানিনা আর অন্ন কোন জাতিতে এই প্রথা প্রচলিত আছে।
এরপর যখন একটু বড় হলাম, মানে যখন আড্রিনালিন হরমোন Active হয়ে উঠল, তখন পুজো তে জানি না কেন বেশ প্রেম প্রেম ভাব জাগত আর নিজেকে খুব ভাল দেখতে লাগার বাপ্যার প্রখর হত। আমার মনে পড়ে, কোন এক বছর, টিভি তে কোন বিজ্ঞাপন বিশেষ কোন T-Shirt এর Design দেখে আবদার জুড়ে ছিলাম যে আমার ও সেই রকম T-Shirt চাই। ত, তখন এই জন্য পুজো দেখার পরিধি বাড়ত। তখন সঙ্গী হত নতুন কেনা বাইক।
সেই বাইক আজও আছে এবং আমার সঙ্গী যখন আমি ছুটিতে বাড়ী যাই।
এরপর যখন প্রেম হল, তখন পুজোর আগে আমাদের কত পরিকল্পনা থাকত যে কিভাবে আমরা দেখা করব। গ্রামে বাড়ি হওয়ায় দেখা করার খুব সমস্যা ছিল কারন প্রেম বাপ্যার টা গোপন রাখার বাপ্যার ছিল। তাই পুজোর সময় হস্টেল থেকে যখন বাড়ি ফিরতাম, শুধু একটু দেখা করার জন্য কতবার ওর বাড়ির সামনে চক্কর কাটতাম।
এই ভাবে গ্রাডুয়েশন শেষ, টারপর ভোপাল। First Year এ পুজোর ছুটিতে বাড়ি এসেছিলাম এবং ষষ্টীর দিন বাড়ি ফিরে ছিলাম। ট্রেন পৌছেছিল সকালে, আর সেই সময় যখন বাসে করে বাড়ি ফিরছিলাম, সদ্য পাঠ ভাঙা শাড়ীতে সদ্য কিশোরীদের, যারা বোধহয় অঞ্জলি দিতে যাচ্ছিল, সত্তি বলছি, মনে হচ্ছিল অপ্সরা। এই বাংলা ছাড়া কোথায় এটা দেখা যায়।
মুম্বাই এর পুজো এক বছর দেখেছি, মনেই হয়নি পুজো হচ্ছে। দশমী ছাড়া প্রত্যেক দিন অফিস। ভাবা যায়।
তাই এবার ও বাড়ি চললাম এবং আনেক প্লান আছে খুব মস্তি করার আর most imporatntly তোর সাথে অনেক অনেক সময় কাটানোর।
একটা অনুরোধ, যারা এখন ও টিকিট book করাও নি, তাড়াতাড়ি করে নাও
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now