বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আল্লাহর রাহে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর :
হযরত হাসান বসরী (রহঃ)-এর ঘটনাঃ-
হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ ছাকাফী যখন ইরাকের ক্ষমতাভার গ্রহণ করলেন এবং সীমালঙ্গন ও স্বৈরাচারী কাজ শুরু করলেন, তখন হাসান বসরী (রহঃ) সেই অল্পসংখ্যক লোকদের একজন ছিলেন, যারা তার সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে বিরোধিতা করেছিলেন; বলিষ্ঠভাবে মানুষের মাঝে তাঁর অপর্কমের ঘোষণা করেছিলেন এবং সত্যের বাণীকে তাঁর মুখের উপর বলে দিয়েছিলেন।
হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ একটি প্রাসাদ নির্মাণের পর লোকদের মাঝে এই মর্মে ঘোষণা করলেন, তাঁরা যেন তাঁর প্রাসাদের দীর্ঘস্থায়িত্বের এবং বরকতের দু’আ করে। হযরত হাসান বসরী (রহঃ) লোকদের এই সমবেত হওয়ার সূবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইলেন না। তিনি তাঁদের উদ্দেশ্য বের হয়ে গেলেন, তাঁদের #উপদেশ দেয়ার জন্য তাঁদেরকে বোঝানোর জন্য এবং পার্থিব সম্পদের ব্যাপারে তাঁদের উদাসীন করার জন্য ও পরলৌকিক সম্পদের ব্যাপারে তাঁদের আগ্রহ জন্মানোর জন্য।
লোকজন হাজ্জাজের আকাশচুম্বী প্রাসাদ প্রদক্ষিণ করছে। প্রাসাদের সৌন্দর্য উপভোগ করছে। প্রাসাদের চাকচিক্যের পূর্ণতা দেখে থমকে যাচ্ছে। তখন তিনি তাঁদের মাঝে বক্তব্য রাখার উদ্দেশ্যে দাঁড়ালেন, যার সারাংশ হল—
‘যদি আমরা সর্বাদিক নিকৃষ্ট ব্যক্তির তৈরি করা প্রাসাদের দিকে তাকাই, তবে দেখতে পাই, ফেরাউন এর চেয়ে কঠিন মজবুত এবং আকাশচুম্বী উঁচু প্রাসাদ তৈরি করেছিল।’ তারপর আল্লাহ তা’আলা ফেরাউনকে ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং তাঁর আকাশছোঁয়া প্রাসাদকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছেন।
হাজ্জাজ যদি বুঝতে পারত যে, আকাশের অধিবাসীরা তাঁকে অপছন্দ করছে এবং পৃথিবীর অধিবাসীরা তাঁর থেকে উপদেশ গ্রহণ করছে। পরদিন হাজ্জাজ যখন তাঁর সভাকক্ষে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি রাগে ফেটে পড়ছিলেন। তিনি তাঁর সভাসদদের বললেন—
‘তোমাদের ধ্বংস হোক, তোমরা দূর হও.......
.........
একসাথে পুরাটা লেখা সম্ভব নয়.....অপেক্ষা করুন বাদের পর্বে পেয়ে যাবেন......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now