বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
হযরত ফাতেমা (রা) এর চাদরের ঘটনা
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Samir♥ (০ পয়েন্ট)
X
হযরত ফাতেমা (রা)-এর গোটা জীবনে অনেক আলৌকিক কার্যাবলী প্রকাশ পেয়েছে তার মধ্যে হতে চাদরের ঘটনা ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।কোন একদিনের ঘটনা।নবী কন্যা হযরত ফাতেমা (রা)-এর স্বামীগৃহে খাবার মতো কিছুই ছিলনা।
পূত্র কন্যাগণ ক্ষুধার তাড়নায় কাতর হয়ে পড়লেন।নবী জামাতা হযরত আলী (রা) উপায়ন্তর না দেখে কাজের সন্ধানে গৃহ থেকে বের হয়ে পড়লেন কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় হল অনেক কষ্ট করে ও কোথাও কাজ মিলাতে পারলেন না।
হযরত আলী (রা) কাজের সন্ধান করতে না পেয়ে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে হযরত ফাতেমা (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলেন।হযরত ফাতেমা (রা) হযরত আলী (রা) মুখে সকল কথা শুনে কিছু না বললেও স্বাভাবিক ভাবে মন খারাপ করেও মনে মনে ভাবলেন দুঃখ নেয়া কোন ভাবেই ঠিক হবে না।
কেননা আল্লাহ তায়ালার খুশীতেই সন্তুষ্টি থাকতে হবে।যাই হোক হযরত ফাতেমা কোন কিছু উপায় না দেখে নিজের ব্যবহৃত চাদর-খানা নবী জামাতা হযরত আলী (রা)-এর হাতে দিয়ে বললেন আল্লাহ তায়ালার ওপর বিশ্বাস রেখে চেষ্টা করে দেখুন চাদর খানা বন্দক রেখে কিছু খাবারের ব্যবস্থা করা যায় কি-না।
হযরত আলী (রা) কোন পথ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত হযরত ফাতেমা (রা)-এর দেওয়া চাদর নিয়ে বের হলেন।ঐ চাদর খানা এক ইহুদীর নিকট বন্ধক দিয়ে কিছু আটা নিয়ে মনের খুশিতে ফাতেমার কাছে ফিরলেন।
আটা পাওয়া মাত্রই রুটি বানায়ে আদরের পূত্র কন্যাকে খেতে দিলেন।ঐ দিকে হযরত আলী (রা) নবী কন্যা হযরত ফাতেমা (রা) দেয়া চাদরখানা যে ইহুদীকে বন্ধক দিয়ে আটা এনে ছিলেন সেই ইহুদী হযরত আলী (রা) দেওয়া চাদরখানা অতি যত্নের সাথে একটি কক্ষে রেখে দিল।
ইহুদী পত্নী বিশেষ প্রয়োজনে চাদর রক্ষিত কক্ষে প্রবেশ করলেন।কক্ষে প্রবেশ করেই দেখতে পেলেন হযরত আলীর দেওয়া চাদরখানা জ্যোতির্ময় হয়ে উঠেছে।কেবল চাদরই জ্যোতির্ময় হয়ে উঠেনি বরং তার তীব্র আলোতে সারা কক্ষ আলোকিত হয়ে গেল।ঐ মুহূর্তেই এহেন বিষ্ময়কর কান্ড দেখে ইহুদীর পত্নী তার স্বামীকে ডেকে আনলেন ও বিষ্ময়কার দৃশ্য দেখালেন।
ইহুদীর বুঝতে মোটেই বাকী রইলনা।সে মনে মনে ভাবলো এটা অবশ্যই নবী মুহাম্মদের (স) আদরের কন্যা হযরত ফাতেমার (রা} ঐশী ক্ষমতার নিদর্শন ছাড়া আর কিছুই না।উক্ত ঘটনার মধ্যে দিয়ে ইহুদী পরিবারের সকলের মধ্যেই ভাবান্তর সৃষ্টি হল।তারা কেবল ভাবনার জগতে পড়লেন তা নয় বরং তারা আল্লাহর মনোনোত ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন।
ইহুদী পরিবারের সকলেই পাগল পারা হয়ে সেই পবিত্র বরকত ওয়ালা চাদরখানা নিয়ে হযরত ফাতেমা (রা) পিতা নবী (স)-এর কাছে প্রাণ খুলে বললেন।তার পরে তারা ঐ মুহূর্তেই সকলেই আল্লাহ তায়ালার পবিত্র কালেমা পড়ে ইসলামে অমীয় সূধা গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে গেলেন।তার পরে মুসলিম পরিবারটি গৃহে ফেরার পথেই পবিত্র চাদর খানা নবী কন্যা হযরত ফাতেমা (রা) গৃহে পৌছায়ে দিলেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now