বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
s.s.c পরিক্ষা পরবর্তীকালিন লম্বা
ছুটিটায় কেউ কেউ ঢাকা দৌড়লো
ভালো কোচিং এর আশায়...
কিন্তু আমরা চার বন্ধু ( মানে আমি,
সোহান, রবি, এবং তন্ময় ) এলাকার
কলেজে ভর্তি হবো। তাই কেউই
টেনশিত ছিলাম না! ফলে গোটা
তিনেক টুর করে, আড্ডা দিয়ে,
সাইকেল নিয়ে ঘোরা ঘুরি করে, দু-
একটা কৃকেট ব্যাডমিন্টন টুনামেন্ট
খেলে ছুটিটা পার করলাম।
এবং বেশ ভালই উপভোগ করলাম
জীবনের প্রথম পাওয়া দীর্ঘতম ছুটি
টা।
ভর্তি পরিক্ষার আগে কয়েকটা দিন
বই পত্র ঘাটলাম, এবং মোটামুটি পাশ
নিয়ে কলেজ লাইফ শুরু..!
বন্ধুদের মধ্যে রবিউল ওরুফে রবি একটু
আলাদা ছিলো।
ছোটবেলা থেকে মাসুদ রানা,
তিন গোয়েন্দা, সত্যজিৎ ওর প্রিয়।
সেই সু'বাদে চশমা পরার অনিচ্ছাকৃত
অভ্যেস ওর হয়ে গেছে। এবং রবি কে
আমরা কানা বলে ডাকতাম।
দেখতে সুন্দর হওয়ায় ওকে মাঝে
মাঝে হিরো বলেও ডাকা হয় পাম
সরূপ। যেটা ওর একেবারেই অপছন্দ।
গল্পের মূল চরিত্র বলে ওকে একটু হাই-
লাইট করতে হলো।
তন্ময় কানজুশ, সোহান ঢিলা, এবং
আমি....(---) বলা নিষেধ। আরে
নিজের খেপা কি কেউ ঢোল
পিটিয়ে বলে নাকি..? পারলে
বুঝে নিয়েন....
.
এবার মূল ঘটনায় আসি...
রবি হঠাৎ একদিন আমাদের চার বন্ধু
সহো আরো দুজনকে (কলেজের নতুন
ফ্রেন্ড শিমুল, আরিফ) মুড়ি-চানাচুর
পার্টির অফার করলো। আমরা
ভাবলাম কলেজে নতুন, তাই মনেহয় এই
আয়োজন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত
হয়ে বুঝলাম যে ব্যাপারটা ভিন্ন....
রবি প্রেম ঘটিত কিছু সমস্যা অনুভব
করছে। মানে একটা মেয়ে রবি'কে
চিরকুট দিয়েছে। যেটায় ১টা ফোন
নাম্বার, এবং টাইম লেখা।
আমরা প্রথমে ইয়ার্কি হিসেবে
নিলেও পরে বুঝলাম যে রবি
সিরিয়াস। নাম্বারটায় দুবার রিং
করে আরিফ নিশ্চিত করলো যে এটা
মেয়ের নাম্বার।
তখন পুর্বাভিজ্ঞতা সম্পন্ন শিমুল কিছু
টিপ্স দিলো। আমরা যেহেতু এ
ব্যাপারটায় অপরিচিত, তাই সবাই
শিমুলের
কথায় সায় দিলাম। এবং সেগুলো
পূজি করে রবি প্রেমের পথে পা
বাড়ালো।
পরদিন রবি আমাদের সাথে নিরা
নামের একটা সিমসাম সুন্দরি
মেয়েকে পরিচয় করিয়ে দিলো।
এবং নিরা চলে যাবার পর ওর কাছ
থেকে জোর পূর্বক চটপটি খেলাম
সবাই মিলে।
কিন্তু সপ্তাহ ঘোরার আগেই রবি
ফাঁটা ঠোট নিয়ে আমাদের সামনে
হাজির।
নিরার কাজিন নাকি এই কলেজেই
সেকেন্ড ইয়ারে, এবং তার
বদৌলতে রবির এই হাল। ঠোটের
সাথে চশমার ফ্রেমটাও গেছে....
ওকে রিক্সা করে বাসায় দিয়ে
আসলাম। আমার বা হাতে ছোট্ট ১টা
ব্যান্ডেজ বেধে নিয়েছিলাম।
আন্টিকে বললাম খেলার সময় মারা
মারি হয়েছে। এবং আন্টির কিছু
বকা শুনে শান্ত ছেলের মতো
বাসায় ফিরে এলাম। কিন্তু ভুলে
ব্যান্ডেজ না খোলায় বাসায়
আরেক ধমক বকা জুটলো। শাস্তি স্বরূপ
রাতের খাবার বন্ধ। অবশ্য ফ্রিজ
থেকে ঠান্ডা খাবার
খেয়েছিলাম রাত ২টায় উঠে।
পরদিন রবির জরুরি তলবে আবার
পরামর্শ সভার আয়োজন করা হলো। (চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now