বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১-
রাত পোহালে আলো,সূর্য ডোবলে আধার।কথাটা আমার মতো হিমুদের ক্ষেএে ঠিক মানায় না।কারন আমার কাছে রাত পোহালে আধার, আর সূর্য ডোবলে আলো।কেননা আমাদের মতো হিমুদের কাজ হলো রাত দুপুরে একা একা হাটা।আর এই দিনের বেলায় আমার কাজ নাই তাই শূয়ে শূয়ে এই কথা ভাবতে ভাবতে কোন একসময় ঘুমিয়ে পড়লাম।হঠাৎ দেখি আমার সামনে সন্নাসী বেশে এক লোক দাড়িয়ে।আমার চিনে কোন কাজ নাই তাই বললাম তুমি যেই হও না কেন চলে যাও আমার সামনে থেকে।লোকটা আবার বলল হিমু উঠ।আমি তর বাবা।উঠ.উঠ.উঠ।দানে দানে তিন দান তাই এমন সময় ঘুম ভেঙে গেল আমার।ঘুম থেকে উঠে সবাই একটু স্হির থাকে কিন্তুু আমি ত হিমু তাই সরাসরি দিলাম এক দৌড়। এক দৌড়ে বাইরে বেড়িয়ে আসলাম আর আমারত কোন জিনিস নেই ঘরে যে তালা মারতে হবে।হিমুত জুতো পড়ে না আর হলুদ পান্জাবি আমার পরাই ছিল।সরাসরি গেলাম দোকানে এক কাপ চা খাওয়া যাক রাত বেশি হয় নাই।এখানে বাকিতে চা দেয় কারন দোকানদার একান্ত বক্ত আমার।চা শেষ করে ভাবলাম এখন কী করা যায়।রূপার সাথে কথা বলা যায়!মনে পড়ল এখন সে বাড়িতে নাই।কাজের মেয়েটা হ্যালো হ্যালো করে রেখে দেয়।তাই আপাতত তা স্হগিত রেখে রাস্তায় হাটা শূরু করলাম।কিছুদূর যেতে একজায়গায় দেখলাম অনেক লোক একসাথে কী যেন দেখছে।আমারও কৌতূহল হলো দেখার।তখনি মনে হলো আমার বাবার আদেশ:
শোন বৎস হিমুরা কখনও কোন কিছুতে কৌতূহল করে না।কিন্তূ তাদের কাজে মানুষ কৌতূহল হয়।তাই আমি তা দেখা বাদ দিয়ে অপর দিক ফিরে দাড়িয়ে রইলাম তাও মানুষের ভিরের মধ্য।হিমুর কজই হলো উল্টটা করা।এমনসময় একজন লোক বলল ভাই সমস্যা কী?এভাবে অনেক লোক জরো হয়ে গেল।এখন সবাই আমাকে দেখছে।ভালোই লাগছে আমার।এখন ভাবলাম এদের চমকিয়ে দিয়ে বিস্নিত করলে কেমন হয়।তাই আমি সেখানে এক লোককে টাস করে চড় মেরে চলে এলাম।আর ভাবলাম মানুষ আজকাল কত কিছু আবিষ্কার করেছে আর এসব কারনে মানুষের ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে।তখন মনে হলো আরে আমি ত হিমু এসব ভাবা ত আমার কাজ না।তাই সে চিন্তা বাদ দিয়ে চিন্তত হয়ে চলতে থাকলাম কারন মহাপূরুষ হওয়ার প্রথম লক্ষন এটি।
চলবে............
হোমায়ুন আহমেদের হিমু গল্পের জন্য উৎসর্গিত।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now