বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকাল সাড়ে 6টায় উঠে আমার লাখ টাকার ঘুমটাকে বিসর্জন দিয়ে কবির স্যারের কাছে রসায়ন প্রাইভেট পড়তে গেলাম কিন্তু গিয়ে শুনি SSC পরীক্ষার জন্য নাকি তিনি প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না , আর আমাদের স্কুল জেলার সবথেকে বড় স্কুল তাই নাকি আরো কড়া নির্দেশ আছে।।।
যাইহোক মন খারাপ করে সবাই স্কুলের দিকে আসছিলাম , সবার ললাটেই চিন্তার ছাপ কিন্তু মনে আনন্দ কেননা একমাস সবাই মনখুলে ঘুমাতে পারবো।।
হাঁটতে হাঁটতে সবাই আমাদের স্কুলের সামনে এসে পড়লাম। আমাদের স্কুলের একেবারে সামনেই জেলার সবথেকে বড় কবরস্থান, কবরস্থান আর আমাদের স্কুল একদম মুখোমুখি ।। প্রায়শই ওখানে যাই আমরা , সেটা বল আনার জন্যই হোক আর অন্য কোনো কারণেই হোক।। তবে আমি একটু বেশিই যাই ওখানে কারণ এখানে আমার মনের মধ্যে এক অজানা অনুভূতি সৃষ্টি হয় যে অনুভূতির কথা আমি কাউকে বলে বোঝাতে পারব না।।
তাই বন্ধুদের বললাম চল কবরস্থান থেকে ঘুরে আসি। ওঁরাও একবাক্যে রাজি হয়ে গেলো। ঢোকার আগে আমরা সবাই ওজু করে নিলাম এবং দেখি কবরস্থানের খাদেম কবর পরিদর্শনের জন্য বের হচ্ছেন । আমরাও তাই উনার সাথেই ঘুরতে লাগলাম।। কবরস্থানে যে এতো রকমের ফুল আর গাছ আছে সেটা কেউ কোনোদিন কবরস্থানে না গেলে বুঝতে পারবেন না।। অনেকক্ষণ ধরে ঘোরার পর কবরস্থানের সিঁড়িবাধা পুকুরের ওখানে এসে আমরা সবাই বিশ্রাম নিতে লাগলাম আর খাদেম সাহেব ওজু করার জন্য পুকুরের পানি তুলতে লাগলেন।।
আমি বসে বসে চারদিকে চোখ বুলাচ্ছিলাম।। তখনি একটা কবর চোখে পড়ে আমার যেটা কারো মোজাইক পাথরে বাধানো ছিলো। একটা কৌতুহল বসতই আমি ওদিকে এগিয়ে যাই কিন্তু এগিয়ে যেতেই দেখি........... (চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now