বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভ্রমন গল্প
হাতিরঝিল
বর্তমানে হাতিরঝিল সবাই চেনেন। না দেখলে বিশ্বাস হবে না যে এই হাতিরঝিল ছবির তুলনায় বাস্তবে এতটাই সুন্দর। হাতিরঝিলের এই প্রকল্পটি ২০০৭ সালে অনুমোদিত হয় মূলত রাজধানীর বাড্ডা, মৌচাক, গুলশান, রামপুরা, তেজগাঁও এবং মগবাজারের যানজট কমানোর জন্য। কিন্তু প্রকল্পটি এমন সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে যে অনেক ঢাকাবাস্ইী বর্তমানে তাদের অবসর সময় কাটাতে এই হাতিরঝিলে ছুটে যান। আপনার যদি সত্যিই মন খারাপ হয়ে যায় কোনো এক সময় আপনিও চলে যেতে পারেন এই হাতিরঝিলে। এর সুমধুর খোলা বাতাস আপনার মনকে নিমেষেই ভালো করে দিতে পারে।
ভাবছেন, কী এমন দেখার আছে এই হাতিরঝিলে? কী নেই?
এখানে গেলে চমৎকার একটি লেক দেখতে পাবেন আপনি। বসে থাকতে পারবেন প্রিয় মানুষের সাথে লেকের গা ঘেঁষে। ইচ্ছে করলে লেকের পাশে রাখা বসার স্থানেও বসতে পারেন। আপনার বিনোদনের জন্য এখানে আছে সুদৃশ্য সব ছোট ছোট বোট। সেগুলোতে চড়ে খানিকটা নিরিবিলি সময় কাটিয়ে দিতে পারেন আপনি পানির বুকে।
হাতিরঝিলে এখন গড়ে উঠেছে বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট। ইচ্ছে হলে সেখানে উঁকি মেরে আসতে পারেন। সেইসাথে পাশে বসে থাকার আর দাবা খেলার আয়োজন তো আছেই। লেকের পাড়েই রাখা আছে দাবা খেলার ঘরসহ কিছু টেবিল। আপনি শুধু সেখানে দাবার গুটি নিয়ে যাবেন আর খেলবেন- ব্যস!
বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্যেও যথেষ্ট ভালো স্থান হাতিরঝিল। বেশ কিছুদিন হয়ে গিয়েছে হাতিরঝিলের বয়স। তবু, এখনও একে নিয়ে মানুষের উত্তেজনার অন্ত হয়নি। সন্ধ্যা হলেই মানুষের ঢল নামে হাতিরঝিল প্রকল্পে। আপনিও সঙ্গী হতে চান এই উত্তেজনার? তাহলে এক্ষুণি চলে যান!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now