বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যখন মন খুব খারাপ হতো তখন হুমায়ুন আহমেদ এর বই পড়তাম। কিন্তু যখন বই ও মন ভালো করতে না পারে তখন কী করবো আর ভেবে পাই না। শরীরটাও একদম ভালো নেই। হাতে কলম নিয়ে কাগজে কিছুক্ষণ খোঁচাখুঁচি করার পর বুঝলাম এই কাজ আমার দ্বার সম্ভবপর হবে না। এর থেকে পুরনো মোবাইল টা নিয়ে দেখি কিছু লেখা যায় কিনা।এটাকে গল্প বলা যায় কিনা জানি না তবে আশা করি গল্পের থেকে খারাপ হবে না।
কয়েকদিন ধরেই শরীরটা বেশ খারাপ যাচ্ছে। শরীরের দুর্বলতাকে পাত্তা নিয়ে চলতে চলতে এখন বুঝলাম যে আমি ব্যর্থ। বিছানা হতে উঠবার শক্তি টুকু পাচ্ছি না। মনে পড়ে গেলো কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। মাঝেমধ্যে নিজেকে বিরাট দৈত্য মনে হয় আবার ক্ষুদ্র কোনো জীবও। ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম তার আর কোনো হদিস পেলাম না। কয়েকদিন ধরেই খুব দুঃস্বপ্ন দেখছি। কোনো এক মরুভূমিতে পড়ে আছি,মুখটি কাগজের মতো সাদা। দেখেই উঠিলাম। আহ্! এরকম হওয়াটা বুঝি অনেক সাধের। জানালার পাশেই শুয়ে রয়েছি, জানালা থেকে পায়রা দেখতে পাচ্ছি। শুনেছি পায়রা নাকি চিঠি বহন করতে পারত।
মোবাইল থাকার পরও কেনো যেনো আজ পায়রা দিয়ে চিঠি পাঠাতে ইচ্ছে করছে। ধুর্ ছাই!! ঘোরে পরে আবোল তাবোল ভাবি। এর থেকে সুকুমার রায়ের কবিতা পড়া ভালো। শরীরের অবস্থা এতটা নিচ না হলে জানতেই পারতাম না যে অসুস্থ থাকলে চোখে অনেক কিছু দেখা যায়। রূপকথার রাজ্যে চলে যাওয়ার পর আর হয়ত ফেরা হবে না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now