বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হামিং কংকল

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ আল-মামুন আলম আরজু (০ পয়েন্ট)

X সংগৃহীত:Tasfiya tanha jhum(.ব্লগ রাইটার)ঘুম থেকে জাগতেই আমি থ হয়ে গেলাম।একি আমি নড়তে পারছি না কেন।আমার হাত পা তো বাধাই আবার মুখেও কাপড় দিয়ে বাধা।ওহ নো তাহলে কি কেউ আমাকে কিডন্যাপ করলো রাতে ঘুমের ঘোড়ে। ,,আমি এতোখন চোখ বুজেই বিড়বিড় করে চলেছি মনে মনে। চোখ খুলে তো আমার চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে গেলো। হে আল্লাহ এ আমি কোথায়।আমার মতোই আমার আশেপাশে পরে আছে এরা কারা।কাউকে তো চিনিও না। ,, সব চেয়ে বেশি অবাক হলাম হাত পা আর মুখের নিজে নজর দিয়ে।কোনো কিছু দিয়েই বাধা নেই।কিন্তু মনে হচ্ছে কাপড় দিয়ে বাধা।বাকিদের ও একি অবস্থা।এবার তো মনে হয় হাই পেশার উঠে গেলো। বাকিরা কেউ জেগে নেই কাউকে নাগালেও পাচ্ছি না যে গুতা দিয়ে জাগাবো। অনেক কষ্টে উঠে বসলাম।উঠে দেখি আমার পাশে আরো চারজন আছে।দুই জন মেয়ে আর দুই জন ছেলে।একবার ভালো করে সারা রুমে চোখ বুলিয়ে নিলাম।রুমটা সিনেমায় দেখানো পুরানো দিনের রাজবাড়ির রুমের মতো। কিন্তু রুমের সব ফার্নিচার সিলভারের মতো সাদা।ফার্নিচার বলতে শুধু সোফারসেট, কর্ণার র‍্যাক আর একটা বড় আলমারি। দরজা জানালায় বড় বড় সাদা রঙের পর্দা ঝুলছে।যেন সাদার সমারোহে বন্দী। মেঝেতে বসা অবস্থায় একটু ছেচরিয়ে পাশের এক মেয়ের দিকে গেলাম।হাত দিয়ে না পারায় বাধ্য হয়ে পা দিতেই গুতাতে লাগলাম।কয়েকবার গুতালাম। কিন্তু কি ঘুম রে বাবা কোনো নড়চড় নেই।রাগে এবার দুই পা দিয়ে দিলাম এক ছেড়ে লাথি।লাথি খেয়ে হুরমুরিয়ে উঠতে গেলো কিন্তু আমার মতোই পারলো না। শুয়ে থেকেই আমার দিকে অবাক আর রাগ নিয়ে তাকালো।এটা বুঝতে পারছি যে ও আমাকে দেখে ভেবেছে আমিই অকে এখানে এনেছি। কিন্তু এটা দেখে ও ও অবাক যে অদৃশ্য কিছু দিয়ে আমাদের হাত পা মুখ বাধা।আমিও নড়েচড়ে অকে বুঝালাম যে ওর মতোই একি অবস্থা আমার ও।আমি আর ও ছাড়াও যে আমাদের পাশে আরও ২ জন আছে সেটা অকে চোখের ইশারাই দেখালাম।আমার ইশারাই মেয়েটা দুই পাশেই তাকিয়ে দেখলো।আমি চোখ আর পায়ের ইশারাই মেয়েটা কে বুঝাতে চাইলাম যে ওদের ও ডাকি। কিন্তু মনে হয় ও আমার কথা বুঝতে পারলো না তাই আমার দিকে তাকিয়েই রইলো। আমি পাশের একজন কে পায়ে পা দিয়ে বার বার লাফি দিচ্ছিলাম।ছেলেটা উল্টো দিক হয়ে পরে ছিলো।লাথি খেয়ে নড়ে উঠল। মেয়েটা এবার বুঝেছে যে আমি।তখন ইশারাই কি বলেছিলাম তাই সে অন্য জন কে আমার মতো করে লাথি দিয়ে ডাকলো।ছেলে দুইটাও জেগে উঠে আমাদের মতো ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলো। দড়ি বা কাপড় দিয়ে বাধা থাকলে খুলতে পারতাম কিন্তু মায়াবলে বাধা এই বাঁধন কি করে খুলবো। একে অপরের দিকে বার বার তাকাচ্ছিলাম।তখন ভালো করে খেয়াল করিনি কিন্তু এখন মনে হচ্ছে এদের আগেও কোথাও দেখেছি চেনা চেনা লাগছে।পাশের চিকনা লম্বা ছেলেটার সাথে কথা বলার জন্য মেয়েটা কেমন ছটফট করছিল।পাখির চাপা ডাকের মতো হু হু হু উম উম আওয়াজ করে চলেছে ছেলে মেয়ে দুইটা আর আমি আর আরেক জন ছেলে ওদের দেখে যাচ্ছি।খুব কাঁদতে ইচ্ছে করছে কি করে কি হলো আমাদের।তখনি কারো আসার আওয়াজ পেলাম।বরাবরি আমি ভয় পেলে সাথে কেউ থাকলে তাদের পিছে লুকাতাম তাই এখনো এমন বাধা অবস্থায় হামাগুরি দিয়ে তাড়াতাড়ি করে মেয়ে টার পিছে গিয়ে লুকালাম।আমার এমন কান্ড দেখে মনে হয় ওরা হাসছে মনে মনে।তাতে আমার কি মরলে আগে যে আছে সে আগে মরবে।খট করে দরজা খুলে গেলো। ইয়ায়ায়া লম্বা কালো জুব্বা পরা একটা লোক এসে আমাদের সামনে দাঁড়ালো। পা থেকে মাথা অব্দি ঢাকা শুধু মুখ দেখা যাচ্ছে।কেমন অদ্ভুত দেখতে।মনে হচ্ছে না খেয়ে খেয়ে শুকায় গেছে।আমাদের দিকে কেমন অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে।লম্বা হাতটা আমাদের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে একটু নাড়ালো আর সাথে সাথে মনে হলো আমাদের হাত, পা, মুখের বাঁধন খুলে গেছে।আমরা ৪ জনেই উঠে দাঁড়িয়ে এক জায়গায় হলাম।মেয়েটা ভাইয়া ভাইয়া বলতে ঐ ছেলের দিকে গেলো। এবার বুঝতে পেরেছি তখন কেনো ওরা পাখির বাচ্চার মত চ্যাও চ্যাও করছিল।আমি আবারো ওদের ৩ জনের পিছে লুকাইলাম। আমাদের এমন ভয় পাওয়া দেখে লম্বা জুব্বা পরা লোক টা হো হো হো করে হেসে উঠল। হাসিটা যেন বজ্রপাতের মতো খেলে গেলো কানে। , কি হ্যা এমন ভয় পেলে চলে নাকি সোনামণিরা।কোথায় আমাকে ধন্যবাদ দিবে তা না আমাকে দেখে ভয় পাচ্ছো।(জুব্বা পরা লোক) , আ আ আপনি কে।আমাদের এখানে এভাবে ধরে রেখেছেন কেন।(আমি ওদের পিছে থেকে বলে উঠলাম) , হু (রেগে উঠল লোকটা)একেই বলে মানুষের জাত। উপকার করলেই সন্দেহ আর অভিযোগ করে। আচ্ছা শিনহা তুই বল কেউ যদি তোর মনের ইচ্ছা পূরণ করে তাহলে তুই কি করবি। (মেয়েটার দিকে উদ্দেশ্য করে বললো লোকটা।শিনহা নাম টা খুব পরিচিত লাগছিল কিন্তু মনে করতে পারছিলাম না কার নাম।) , এয়া আপনি আমার নাম জানলেন কি করে(শিনহা) , আরে শুধু তোর নাম বা আমি তোদের চার জনেরই নাম জানি। ঐ যে তোর পিছে লুকিয়ে আছে ওটা তো ভিতুর ডিম ঝুম।আর তোর পাশে ওটা রিদু। রিদু তোর ভাই।আর এ হচ্ছে নাজমুল।(লোকটা) , আমরা ৪ জন হা করে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইলাম ৪ জনের দিকে।এবার বুঝতে পারলাম কেনো এদের চেনা চেনা লাগছিল।এতো দিন সবাইকে ছবিতে দেখেছি ফেসবুকে কিন্তু আজ বাস্তবে দেখে চিনতে পারিনি।রিদু আর নাজমুল আমার ফেসবুকের বন্ধু আর শিনহা রিদুর বোন। , সবার হা বন্ধ কর মাছি ঢুকে যাবে মুখে।(লোকটা) , আমরা হলাম এ ঐ ও ঔ কিন্তু আপনি কে আর আমাদের এখানে এনেছেন কেন।(রিদু) , হিহিহাহা হিহিহাহা আমি হলাম হামিং কংকল রাজা। মনোষ্কংলপুরের রাজা হামিং কংকল।আমার কাজ কিছু কিছু মানুষের মনের ইচ্ছে পূরণ করা।তবে আমি সবার ইচ্ছে পূরণ করিনা।কিন্তু তোদের আমি দুইটাই করেছি(হামিং কংকল) , কি দুইটাই করেছেন।(নাজমুল) , উপকার অপকার (হামিং কংকল) , আ আ আ আমাদের কি উপরকার করেছেন আর কি অপকার করেছেন জা আ আনতে পারি কি।(ঝুম) , কোনটা শুনবি বল আগে(হামিং কংকল) , মানুষ তো আগে ভালো কথায় শুনে তাই উপকার কি সেটায় শুনি আগে।(রিদু) , উপকারটা হচ্ছে তোরা সারা দিন রাত আমার কংকলপুরের উঠানে ঘুরাফেরা করিস।কিন্তু কংকলপুরের প্রাসাদে ঢুকতে পারিস না তাই আমি আজ তোদের কংকলপুরে আসার জন্য দাওয়াত করতে গেছিলাম কিন্তু তোরা আমাকে রাগিয়ে দিয়েছিস তাই তোদের শাস্তি দিতে নিয়ে এসেছি আমি এখানে(হামিং কংকল) , আমি এই ভুতের কথা শুনে টাশকি খেলাম গত ১ জনমে আমি কংকলপুর নামের কোনো গ্রামে যায়নি আর এই বেটা বলছে উঠানে ঘুরাফেরা করেছি তাও রিদু শিনহা আর নাজমুল ও ছিল।(এতক্ষণ মনে মনে বিড়বিড় করলো ঝুম।কিন্তু ভয় কে কিছুটা জয় করে পিছে থেকে এবার সামনে আসলো ঝুম) আপনার মাথায় কি সিট আছে হ্যা।আমরা কংকলপুরে গেছি মানে।(ঝুম) , আমরা কেউ যায়নি কংকলপুরের উঠানে বুঝেছেন(রিদু) , ???????? আবার রাগাচ্ছিস আমায় হ্যা কি বললি আমার মাথায় সিট আছে।ভেবেছিলাম রাগেই হক আর যা করেই তোদের যখন এনেইছি তো আর কিছু বলবো না।কিন্তু না তোরা মানুষ মানুষী না।এখনি শাস্তির ব্যবস্থা করছি তোদের।(হামিং কংকল) , পিছন থেকে কেউ যেন গুতা দিলো। পিছে তাকিয়ে দেখি রিদু, নাজমুল আর শিনহা এক সাথে জোড় হয়ে আছে।আমি ও গিয়ে ওদের পাশে দাঁড়ালাম। (ঝুম) , কি রে কি করলি রাগালি কেন হামিং কে তুই। এখন কি করবো। আর ও যা বলছে সেটাও তো সত্যি না।আগে আমাদের এখান থেকে বের হতে হবে। (নাজমুল) , কিন্তু কি করে বের হবো। (রিদু) , কি এতো গুজুরগুজুর ফুসুরফাসুর করছো।বুঝতে পারছো না কংকলপুরের উঠান কোথায়।কংকলপুরের উঠান হলো #ভূত_গোয়েন্দা_(ভৌতিক_গল্প) গ্রুপ।(হামিং কংকল) , আবারো অবাক হয়ে হা করে রইলাম সবাই। ভূত গোয়েন্দা (ভৌতিক গল্প) গ্রুপ হলো কংকলপুরের উঠান।তার মানে আমরা যে গল্প পোষ্ট করি গ্রুপে গল্প পড়ি সেটাকেই হামিং উঠানে ঘুরাফেরার কথা বলছে।মনে মনে কথাটা ভেবে বাকিদের দিকে তাকালাম ওদের মুখের ভাব দেখে বুঝতে পারলাম যে আমার মতোই ওরাও বুঝতে পেরেছে হামিংয়ের কথার মানে।(ঝুম) , রিদু আবার প্রশ্ন ছুড়ে দিলো হামিংয়ের দিকে। , আচ্ছা আচ্ছা এই কথা। ঠিক আছে মেনে নিলাম যে আমরা উঠানে ঘুরি তাই আমাদের মনের ইচ্ছে পূরণ করতে দাওয়াত দিতে গিয়েছিলে।কিন্তু আমরা ৪ জন এক সাথে কি এমন কাজ করলাম যাতে তুমি রেগে গিয়ে আমাদের ঘুমের মধ্যে এখানে নিয়ে এসেছো। (রিদু) , সব কিছুর ভালো মন্দ আছে।শেষ শুরু আছে ঠিক তেমনি আমাদের ও শেষ শুরু আছে ভালো মন্দ আছে। আমাদের সব সয্য হয় কিন্তু দুষ্টু বায়ু সয্য হয় না।মানুষের দুষ্টু বায়ুর শব্দে আমাদের কানেরপোকা নড়ে যায়। দুষ্টু বায়ুর গন্ধে আমাদের প্রাণ যায় যায়। (হামিং কংকল) , দুষ্টু বায়ু (রিদু) দুষ্টু বায়ু ( ঝুম) দুষ্টু বায়ু (শিনহা) দুষ্টু বায়ু (নাজমুল) , সবাই এক সাথে বলে উঠল দুষ্টু বায়ু মানে। , উমহ আমার বলতে ভয় লাগছে যদি আবার তোরা দুষ্টু বায়ু ছাড়িস।(হামিং কংকল) , সবাই এক সাথে হেসে উঠল হামিংয়ের এমন ভয় পাওয়া দেখে। , এই চুপ (ধমকের সরে হামিং কংকল)হাসির কি হলো হ্যা। (হামিং কংকল) , হামিংয়ের ধমকে চুপসে গেলো সবার হাসি। , সরি সরি আর হাসবো না এবার তো বলো দুষ্টু বায়ু কি।(ঝুম) , ইইইই????????এটা মানুষের ভাষায় হলো গিয়ে পাদ????।????????যেটা আমার মতো কংকল বাসি সয্য করতে পারেনা।আমি যখন প্রথম নাজমুলের রুমে ঢুকি অকে পাইনাতারপর ওর কাজের জায়গায় গিয়ে দেখি বেটা কাম চোর ঘুমাচ্ছে। আমি ওর কাছে গিয়ে ডাকতে যাবো তখনি ও এতো বিকট একটা পাদ দিলো আমি ধারাম করে গিয়ে সুতার মেশিনের সাথে আটকে গেলাম।অনেক কষ্টে নিজেকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে রাগে চলে গেলাম রিদুর বাড়ি। ভাবলাম রিদু আর শিনহা কে দাওয়াত দিবো ঐ ফাজিল নাজমুল কে দিবো না।রিদুর রুমে হাসি হাসি মুখ নিয়ে ঢুকে দেখি রিদু কোলবালিশ জড়িয়ে ঘুমাচ্ছে।এক পাশ থেকে আরেক পাশ হয়ে আবার ঘুমে ডুবে গেলো। হঠাৎ তিব্র গন্ধে নাক ঝালাপালা হয়ে আসছিল।বুঝতে বাকি রইলো না রে এটা ফুচকা খাওয়া পাদের গন্ধ।পরি কি মরি জান যেন হাতের তালু করে নিয়ে ছুটে বাইরে বেরিয়ে এলাম।পাশের রুমে ভাবলাম একটু জিরিয়ে নিবো ঢুকে দেখি কম্বল দিয়ে মুখ মাথা ঢেকে কেউ একজন ঘুমাচ্ছে।বসার মতো কোনো চেয়ার না পেয়ে বিছানার এক পাশে চুপটি করে বসলাম একটু পর কেউ যেন আমাকে সজোরে লাথি মেরে খাট থেকে ফেলে দিলো। ব্যাপার খানা কি সেটা দেখার জন্য মেঝেতে বসা অবস্থাতেই ঘুরে তাকালাম পিছে।তাকিতে দেখি কম্বলের ভেতরে কেউ হাত পা ছুড়াছুড়ি করছে।মরে হয় দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই আমি তাড়াতাড়ি করে উঠে কম্বল সরাতে যাচ্ছিলাম তখনি একটা মেয়েলী গলায় কেউ বলে উঠল উম হুম নিজের পাদের গন্ধে নিজেই মরলাম উফ।আমার তো চক্ষু চড়ক গাছ তার মানে মেয়েটা এতোক্ষণ কম্বল থেকে পাদের গন্ধ ছেড়ে বের করছিল।রাগে কম্বল ধরে দিলাম টান দেখি মেয়েটা অন্য কেউ না শিনহা।রাগে গলা টিপে ধরতে যাচ্ছিলাম তখন আবারো হতচ্ছারি শিনহা গন্ধ ছড়ালো।আমি দিলাম ভৌঁ দৌড়।এক দৌড়ে চলে আসলাম ঝুমের বাড়ি এঘর ও ঘর খুঁজে দেখি ঝুম ঝুমের মা আর দাদী এক রুমে এক বিছানায় ঘুমাচ্ছে।কাছে যেতে ভয় লাগছে যদি এরাও দুষ্টু বায়ু ছাড়ে।কিন্তু বাকি রুম ফাকা রেখে এক রুমে কেন গাট্টা বেধেছে এরা।মনে অনেক সাহস যুগিয়ে ঝুমের রুমে ঢুকে বিছানার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। কিছু বুঝে উঠার আগেই মিলিটারির যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো ঝুমের বিছানায় একটা না দুইটা না পর পর ৪ টা পাদ।মনে হলো বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।আগে দুঃখে অপমানে আমি সইতে না পেরে তোদের ৪ জনকেই তুলে এনেছি।আমাকে এমন হেনস্তা করার জন্য তোদের সবাই কে কংকলপুরের ডাস্টবিনে পুরে রাখবো দশদিন(হামিং কংকল) , হামিংয়ের কথা শেষ হতে না হতেই ঝুম,রিদু,নাজমুল আর শিনহা ফিসফিস করে কি যেন বুদ্ধি করলো। , দেখো হামিং যা হয়েছে তোমার সাথে সেটা আমরা ইচ্ছে করে করিনি।তুমি আমাদের যেখান থেকে এনেছো সেখানে রেখে আসো।(রিদু) , মু হাহা মুহাহা হাহা আগে শাস্তি তারপর রেখে আসবো নাকি দুষ্টু বায়ুর মরণ ঘটাবো সেটা দেখা যাবে।(হামিং কংকল) , আচ্ছা আচ্ছা তাই না।ভালো তো ভালো না বলো।যদি ঘুমের ঘরে এতো টা কষ্ট তোমাকে দিতে পারি তাহলে জেনে শুনে কেন দিতে পারবো না শুনি।এই তোরা শুরু কর এক এক করে(রিদু, শিনহা আর নাজমুল কে উদ্দেশ্য করে)দুষ্টু বায়ু ছাড়া।হামিং সহ উড়িয়ে দিবো কংকলপুর।(ঝুম) , ঝুমের কথা শুনে হামিং অনেক ঘাবড়ে গেলো। , এই না না এটা করো না বলে দিচ্ছি ভালো হবে না কি কি কিন্তু(হামিং কংকল) , হামিংয়ের কথা শেষ হয়ে না হতেই দুষ্টু বায়ু ছাড়ার জন্য রেডি হয়ে গেলো নাজমুল আর রিদু। মূহূরতেই সারা ঘর ধোয়ায় ভরে গেলো। মাথা ঘুরতে লাগলো ঝুমের।চোখ ঝাপসা হয়ে আসছিল।মনে হচ্ছিল উপর থেকে কেউ ধপ করে নিচে ফেলে দিলো। চমকে উঠে বসে পরলো ঝুম। , আরেহ আমি তো নিজের বিছানাতে।রিদু, শিনহা, নাজমুল কই গেলো। হামিং কই। অকে তো দুষ্টু বায়ু দেওয়া হলো না।আমি কি স্বপ্ন দেখছিলাম এতোক্ষণ। দেখিতো ফেসবুকে ঢুকে রিদু নাজমুল শিনহা কি করছে।হাতে ফোন নিয়ে রিদু রিদু টাইমলাইন সহ গ্রুপে পোষ্ট করেছে,,,ঘুরে এলাম সাধের কংকলপুরে,,,,মুই পুরাই থ।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হামিং কংকল

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now