বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হ্যাকার বউ (( পার্ট 1))

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান SOHAG RANA(দুষ্টু পোলা) (০ পয়েন্ট)

X ????#হ্যাকার_____বউ???? . #____হিমেল . #part___1 ⬇ ⬇ ⬇ ⬇ ➡কলেজে বসে বসে ফেসবুকিং করছিলাম হঠাৎ.. একটা অপরিচিত মেয়ে মেসেজ দিলো.. আইডির নাম নীলিমা আক্তার নীলা.. আসলে আমি টুকটাক গল্প লিখি.. আমার গল্প খুব একটা সবাই পড়ে না.. কিন্তু যারা পড়ে তাড়া গল্প দেওয়া একটু লেট হলেই অনেকেই মেসেজে দিয়ে গল্পের কথা জিজ্ঞেস করে.. আজ সকালে গল্প দেওয়া একটু লেট হয়েছিল তাই ভাবলাম মেয়েটা হয়তো গল্পের জন্য মেসেজ দিছে.. সো আমিও ম্যাসেজের রিপ্লাইতে হ্যালো দিলাম.. নীলা:কেমন আছেন?.. আমি:ভালো আপনি.. নীলা:ভালো তা কী করেন?.. আমি:এই তো বাসায় যাবো আর আপনি.. নীলা:বসে আছি.. তো আপনি প্রেম করেন নাকি.. প্রশ্ন টা আমার কাছে স্বাভাবিক কারণ প্রতিদিন এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়.. আমি:হুমম করি কেনো.. নীলা:কয় টা করেন?.. আমি:২ টা চলতেছে ????????.. নীলা:আজ থেকে ওদের সাথে ব্রেকআপ করে দিবেন আর কোনো মেয়ে মেসেজ দিলে আপু বলে ডাকবেন.. আমি:কেনো ব্রেক আপ করব ????????(অবাক হয়ে) নীলা:আমি বললাম তাই আর যদি তা না করেন তাহলে আপানার ফেসবুক পাসওয়ার্ড সবার কাছে দিয়ে দেবো.. আমি:হাহাহাহা আপনি আমার ফেসবুক পাসওয়ার্ড কই পাবেন.. নীলা:পাবো যেখান থেকেই হোক আর আপনার আইডি হচ্ছে তিনটা তাই না.. এবার একটু অবাক হয়ে গেলাম কারণ আমার যে তিনটা আইডি আছে তা কেও জানে না ওই দুইটা আমি শুধু এমনি ব্যাবহার করি.. কিন্তু ওগুলোর বিষয়ে কেওতো জানে না তাহলে এই মাইয়া কেমতে জানলো.. আমি:কে বলল আমার তিন টা আইডি.. নীলা:একটা ভদ্র ভাইরাস নাম একটা পাগলীর পাগল আর একটা নীল আকাশ নাম.. আর এগুলোর পাসওয়ার্ড হলো ১ম টারgj****** ২য় টারgj****** ৩য় টারgj****** ???????? এইটা কি হলো আমার ফেবু এর পাসওয়ার্ড কেমতে জানলো????.. তাড়াতাড়ি সব গুলা আইডির পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ওই আইডিটাকে ব্লক দিয়ে দিলাম.. ওহ্ আপনাদের তো আমার পরিচয় টাই দেওয়া হয় নাই.. আসুন বাসায় যেতে যেতে পরিচয় টা দেই.. আমি হিমেল বাবা মায়ের আদরের ছোট ছেলে আর আমার এক বড় আপু এবং এক বড় ভাই আছে.. বড় আপুর বিয়ে হয়েছে এক বছর হলো আর ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে দেড় বছর.. এখন আব্বু আম্মু আমার বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে.. এখন আপনারাই বলুন আমার কী বিয়ের বয়স হয়েছে মাত্র অর্নাস ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি আর এখনই বিয়ে দিতে চাইছে????.. আমিও সেই লেভেলের ভালো ছেলে বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গেলেই আমি তাকে আন্টি বা খালা বলে ডাকি ব্যাস কাহিনি শেষ ????????.. এই তো কিছু দিন আগে আব্বুর বন্ধুর মেয়েকে দেখতে গিয়েছিলাম বাকিটা আপনারাই জেনে নিন.. সেদিন সকালে ঘুমাচ্ছি হঠাৎ করে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো.. আরে আমি তো রুমের মধ্যে আছি তাহলে বৃষ্টি পড়ছে কেমতে আর শীতের সকালে বৃষ্টি পড়ছে????????.. তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে বসলাম.. সামনে তাকিয়ে দেখি আপু বসে আছে হাতে জগ.. তারমানে এটা বৃষ্টি নয় আপু আমার উপর পানি ফেলল.. আমি:আপু তুই কখন এলি.. আপু:অনেক সময় আগেই আর উঠে রেডি হয়ে নে.. আমি:????কেনো কোথাও যাবি নাকি(অবাক হয়ে) আপু:তোকে যা বলছি তাই কর তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিচে আয়.. আমি:কারণ না বললে আমি নিচে যাবো না আর বিনা কারণ আমার মতো শিশু বাচ্চার উপর এই ঠান্ডা বরফ কেনো ফেললি????.. আপু:তুই আসবি নাকি????????..(রেগে গিয়ে) আমি:ওকে যা আমি আসতেছি.. গোসল করে ফ্রেস হয়ে নিচে গেলাম.. নিচে গিয়ে তো আমি অবাক.. আপু দুলাভাই ভাইয়া ভাবি সবাই সেজেগুজে বসে আছে.. আমি নিচে যাবার সাথে সাথে দুলাভাই বলল.. দুলাভাই:কি ব্যাপার শালা বাবু রাতে কী হবু বউ কে নিয়ে স্বপ্ন দেখছো যে এতো সময় ধরে ঘুমাচ্ছো.. আমি:হবু বউ মানে????(অবাক হয়ে) দুলাভাই:তুমি জানো না????(অবাক হয়ে বলল) আমি:না তো কেন কি হয়েছে( কন্ফিউজ) দুলাভাই:তোমার জন্য মেয়ে দেখতে যাওয়া হচ্ছে আর আব্বু আম্মু তো ওকে পছন্দ করে আসছে এখন আমার পছন্দ হলেই বিয়ে ঠিক.. আমি:মানে ????কী আমার পছন্দের কোনো দাম নাই(অবাক হয়ে).. আব্বু: না নাই আর ওর সাথেই তোমার বিয়ে হবে.. আল্লাহ আমারে এক ছিপি পানি দাও ডুবে মরে যাই না হয় পিংক কালারের বিষ দাও খাইয়া মরে যাই.. কি আর করমু মাইয়া দেখতে গেলাম.. মাইয়ার বাড়িতে বসে আছি এখন আমার একটাই চিন্তা যেভাবেই হোক কেচাল একটা লাগামুই????.. একটু পর মাইয়ারে আমার সামনে নিয়ে আসা হলো.. সবার মেয়ে পছন্দ.. আমারও যে পছন্দ হয় নাই তা কিন্তু নয়.. আসলে মেয়ে এতোটাই কিউট যে মনডায় চাইতাছে থাপড়াইয়া থাপড়াইয়া মুখ লাল করে দেই????.. কি দিয়া কেচাল লাগামু এই টাই বুঝতে পারছি না.. কিন্তু কথায় আছে না ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়.. মেয়েকে আর আমারে কথা বলার জন্য মাইয়ার রুমে পাঠানো হলো.. বাহ্ রুমটা অনেক সুন্দর করে সাজানো.. রুম দেখতে দেখতে ড্রেসিন টেবিলের সামনে গেলাম.. বাহ্ কত সাজার জিনিস.. এই তো পাইছি এইটা দিয়েই হবে..(একটা সেন্টের বোতল হাতে নিয়ে) আমি:তো জান্নাত(মাইয়ার নাম) আন্টি আপনি কী শীতের দিনে গোসলা না করে এইটা দিয়েই কাজ চালান..(সেন্ট দেখিয়ে) জান্নাত:হ্যালো মিস্টার কী বললেন... আমি:বললাম যে আন্টি আপনি শীতকালে গোসল না করে এই সেন্ট দিয়েই গায়ের দূর্গন্ধ দূর করেন.. জান্নাত:রাবিশ আমি সেন্ট দিয়ে গোসলের কাজ কেনো সারতে যাবো আর আমাকে আন্টি বলছেন কেনো ভূলে গিয়েছেন যে আপনার আর আমার বিয়ের কথা চলছে.. আমি:আসলে হয়েছে কী আন্টি আমার দুইটা বউ চর চারটা বাচ্চা আছে.. তাই আরকি????.. আর আমার ইচ্ছে আছে তিনটা বিয়া করমু আর মোট ছয় টা বাচ্চা নিবো????.. এখন আপনি যদি আমারে বিয়ে করেন তাহলে বিশ্বাস করেন আপনি হবেন আমার শেষ স্ত্রী আর মাত্র একবছরের আমার পাঁচ নম্বর টাও চলে আসবে????????.. ব্যাস আমার কাম শেষ মাইয়া বাইরে যাইয়া তো ডাইরেক্ট বিয়েতে না করে দিলো????.. এই যা আপনাদের সাথে কথা বলতে বলতে বাসায় চলে আসছি.. আসা করি আমার ওই একটা উদাহরণেই বুঝতে পারছেন আমি কতটা কিউট ভদ্র একটা ছেলে.. কিন্তু আফসোস সেটা আমার আব্বা আম্মা বুঝলো না????.. ওকে এখন বাইরে দাঁড়িয়ে আর বেশি কথা বলব না আসুন বাড়ির ভেতরে যাই.. বাসায় গিয়ে ফ্রেস হয়ে নিচে আম্মুর কাছে গেলাম.. আমি:আম্মু আম্মুওওওওও.. আম্মু:কিরে ষাঁড়ের মতো চিল্লাছিস কেনো.. আমি:খুূদা লাগছে.. আম্মু:তাই আমি কি করব.. আমি:কি করবা মানে ???? খেতে দাও.. আম্মু:আমি পাড়ব না.. পাড়লে বিয়ে করে এনে বউকে খেতে দিতে.. আর না হলে নিজে ভাত নিয়ে খেয়ে নে.. আমি:আম্মা গো এইডা কিয়া কও আমার মতো বাচ্চার ঘাড়ে শাক চুন্নি আনতে চাও.. আম্মু:কি কইলি????.. আমি:কই আম্মা কিছু কই নাই তো.. আম্মু:তুই কি মনে করেছিস আমি বয়রা কিছু শুনতে পাড়ি না.. আমি:না তো????.. আম্মু: না তোর কথা শুনে তো তাই মনে হলো.. আমি: ???????? তাহলে আমি 1 2কা 4.. মানে পালামু এখন টাটা????.. এখন আম্মুর সামনে থাকলে নিশ্চিত হাতে থাকা চামচ দিয়ে বাড়ি মারতো.. আম্মুর থেকে এসে সোজা ভাবির কাছে গেলাম.. আমি: ভাবি ও ভাবি☺(কিউট ভাবে ডাকলাম) ভাবি:কি হয়েছে রে এতো ন্যাকামি কেন করছিস.. আমি:ন্যাকামি কখন করলাম????..(কান্না করার ভাব নিয়ে বললাম) ভাবি:দেখ কী বলবি বল না হলে যা এখান থেকে.. কী ব্যাপার ভাবির গলা আজ এতো করা কেন.. আমি:ভাবি কি হয়েছে তোমার আজ এতো রাগ কেনো.. ভাইয়া কিছু বলছে নাকি.. ভাবি:না সে কী বলবে তাঁর কী আমার সাথে কথা বলার সময় আছে.. আমি:এখন বুঝতে পারছি যে কেনো আমার এতো সুইট ভাবি রেগে আছে কেনো????..(একটু পাম দিলাম) ভাবি:এখন যদি কিছু বলার থাকে তাহলে বলো ভাই না হলে আমি রান্না ঘরে যাবো মা একা একা রান্না করছেন.. আমি:ভাবি আসলে আমার না খুদা লাগছে.. ভাবি:খিদে লাগছে তাতে আমি কী করব.. আমি:তুমি খেতে দিবা????????.. ভাবি:কিন্তু মা তো তোমাকে খেতে দিতে বাড়ন করে দিয়েছে.. আমি:ভাবি গো আমার মতো শিশুর উপর এমন অতচ্যার করো না আল্লাহ সহ্য করবে নাম দেখো আল্লাহ এর বিচার করবেই আমার মতো শিশুকে খেতে দিচ্ছো না ????.. ভাবি:আমরা যা করছি তোমার ভালোর জন্যই করছি তুমি একটা বিয়ে করে নাও তাহলেই বুঝতে পাড়বা.. আমি:ইতিহাস স্বাক্ষী যত দিন পর্যন্ত ক্যাটরিনা কাইফ.. রচনা ব্যানার্জী.. আর পূনিমা বুড়ি হবে না ততদিনে আমার এই টাটকা মনটা বিয়ে করতে রাজি হবে না????.. ভাবি:জয় এটা একদম ইর্য়াকি নয় তুমি বিয়ে করতে চাইছ না কেনো বলোতো.. আমি:ভাবি লাইফটা আগে ইনজয় করি তারপর বিয়ে নিয়ে ভাবো.. ভাবি:সেই শুভ দিন টা কতদিন পরে আসবে.. আমি:এি তো ভাবি বেশি না ধরো যে চল্লিশ বছর পর ????.. ভাবি:জয়য়য়য়য়..(রাগি ভাবে) আমি:ভাবি রাগ টার সাথে যদি কিছু খেতে দিতা????খুদা লাগছে.. ভাবি:আমি পারব না তুমি নিজেই খাবার নিয়ে খাও.. আমি:তোমার নিজের ভাই হলে আমার সাথে এমন টা করতে পাড়তা????..(ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল) ভাবি:হয়েছে ভাই আর বলতে হবে না তুমি খাবার টেবিলে বসো আমি মা কে ম্যানেজ করছি.. যাক বাব্বা বাঁচা গেলো যেহেতু বলেছে ব্যাবস্থা করছি তারমানে শিউর কাজ হবে.. খাবার টেবিলে বসে আছি ভাবি খাবার দিয়ে গেলো.. ???????????? কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা খাবার গুলো খেয়ে বাইরে গেলাম আড্ডা দিতে.. বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে.. সন্ধ্যায় বাসায় আসলাম.. বাসায় এসে পড়তে বসলাম.. রাত দশটার দিকে ভাবি খেতে ডেকে গেলো.. খাবার টেবিলে গিয়ে বসতেই দেখি আব্বু রাগি লুক নিয়ে তাকিয়ে আছে.. পরিস্থিতি সুবিধার নয় দেখে চুপচাপ খেতে লাগলাম.. আব্বু: হিমেল কিছু দিন আগে আমার বন্ধুর মেয়ে জান্নাতকে দেখতে গিয়ে তুমি কী বলছ.. এইরে হালার মাইয়া সব কইয়া দিছে নাকি.. আমি:কই আব্বু কিছু বলি নাই তো..(এমন ভাবে বললাম যেনো ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানি না) আব্বু:তুমি জান্নাতকে আন্টি বলছ আর বলছ যে তোমার দুইটা বউ আছে.. এটা কি সত্যি.. আমি:না আব্বু আমি এটা বলি নাই আমি তো বলছিলাম যে আমি তুমি থাকতে আর দ্বিতীয় কোনো মেয়ের দিকে তাকাবো না আর তোমাকে সবাই আন্টি বললেও তুমি তখনও আমার কাছে এখনকার মতোই থাকবে.. আর মেয়েটা শুনতে ভূল করে আমার দোষ দিচ্ছে.. (ডাহা মিথ্যা কথা) আব্বু:চুপ করো তুমি যে কত বড় বেয়াদব তা আমার জানা আছে.. এখন আর বেশি কথা না বলে গিয়ে ঘুমাও.. আমি আর কিছু কইত্তাম নো.. আর এখন যদি কিছু বলি তাহলে আব্বা আমার বারোটা বাজিয়ে দিবে????????.. এর থেকে ভালো গিয়ে ঘুমাই????.. রাত 1 টা 10 মিনিট তখন আমার জানুটা আমায় ডাকা শুরু করে দিয়েছে.. মানে আমার ফোনটা বাজছে.. আমি:হ্যালো কে?.. ওপাশে:ওই তুই আমারে ব্লক দিলি কেন?????????.. ওপাশ থেকে একটা সুন্দর মেয়ের কন্ঠ ভেসে আসলো.. আমি:আপনি কে?.. ওপাশে:তোর জম ????.. আমি:ওহ্ তাহলে পরে আসুন আমার সময় হয় নাই☺.. ওপাশে:তোর সাথে আমি ফাজলামো করছি না.. তুই আমারে ব্লক দিয়ে ভালো করিস নাই.. এখন তোর আইডিতে ডুকে দেখ.. বলেই ফোন কেটে দিলাম.. আমি সাথে সাথে ফেসবুকে গেলাম আর গিয়ে যা দেখলাম তাতে আমার মাথা ঘুরে গেলো.. . . . . . . . . . Waiting for next part..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হ্যাকার বউ (( পার্ট 1))

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now