বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
হাইজ্যাকার হামিদ-১
"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)
X
★লেখকঃ মিম★
আমরা তখন ক্লাস টেনে পড়ি। সামনে পরীক্ষা। সবাই পড়া নিয়ে অস্থির। কিন্তু আমাদের ক্লাসমেট হামিদ ব্যতিক্রম। তাকে দেখি সামনে দুই হাতে বাংলা গান আর সিনেমার সংলাপ লিখে যাচ্ছে ।
এক সপ্তাহের মধ্যে একটা সিনেমা শেষ করে ফেলল। নাম হাইজ্যাকার। হাইজ্যাকারের পান্ডুলিপি নিয়ে হামিদ রাতের লঞ্চে চড়ে চলে গেল ঢাকায়।
এফডিসিতে চাকরি করেন আমাদের গ্রামের এক লোক। তাকে জোকের মত ধরল হামিদ, সিনেমা বানানোর একটা ব্যবস্থা করে দিতেই হবে। কিন্তু স্ক্রিপ্ট দেখে তিনি হতাশ, এই মাল পরিচালকদেের খাওয়াতে টাকা ঢালতে হবে কমপক্ষে ২৫ হাজার।
কিন্তু হামিদ মিনমিন করে বলল,কিন্তু আমিতো শুনেছি, সিনেমা লিখলে টাকা পাওয়া যায়। সেই লোকটা বলল,সবাইকে প্রথমে টাকা ঢালতে হয়। এখন ২৫ হিজার ঢালো। পরে লাখ লাখ কামাইতে পারবি।
এক বুক কষ্ট নিয়ে হামিদ রওনা দিল পটুয়াখালির উদ্দেশ্যে। পটুয়াখালি দেশের বৃহত্তম ক্যাসেটের বাজার। উদ্যেশ্য, বিখ্যাত এক সুরকারের সাথে দেখা করা। অনেক খোজাখুজির পর এক ক্যাসেটের দোকানি বলল,ওই সুরকারের সাথে দেখা করার ব্যবস্থা করতে পারবে। তবে ৫ হাজার টাকা লাগবে।
যেখানেই যাই শুধু টাকা চাই। বিদ্ধস্ত হামিদ বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়। সদরঘাটে আসার পথে বাল্যবন্ধু গিয়াসের সাথে দেখা হয়। বাংলাবাজারে একটা বইয়ের প্রকাশনীতে চাকরি করে গিয়াস।
হাদিদকে চা খাওয়ায় গিয়াস। হামিদ গিয়াসকে তার মনের কষ্টের কথা খুলে বলে। সঙ্গে হাইজ্যাকার সিনেমার গল্পটাও। গিয়াস বলল,তোর গল্পে পাওয়ার আছে। দর্শক পছন্দ করবে। তবে দোস্ত লেখকরা প্রথমে যে পুরস্কার পায় সেটা হল অপমান। এটা নিয়ে কষ্ট পেলে তুই বিখ্যাত হতে পারবি না।
তুই একটা উপন্যাস লিখে ফেল। যেটার পাতায় পাতায় থাকবে গান আর গান। লাইনে লাইনে অ্যাকশান। এই গল্প হবে একটা দুর্ধর্ষ প্রেমের উপন্যাস।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now