বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"গুন্ডী গার্লফ্রেনন্ড"

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Oliver Queen(ShuvO) (০ পয়েন্ট)

X ক্লান্ত দুপুরে অতি প্রিয় চায়ের দোকানটায় বসে আছি।হাতে জ্বলন্ত নিকোটিনের ধোঁয়া।পড়ে আছি কিছু একটার ঘোরে।এমন সময় কানে কারো হাতের স্পর্শ পেলাম। আতংকে ঘার ঘুরাতে দম মোর যায় যায়।লালো চোখে নিধী আমার দিকে চেয়ে আছে।ভয়ে সিগারেট হাত থেকে ছুটে গেলো। নিচু হয়ে সেটা তুলতে যাবো আর বালিকা কলার টেনে দাড় করিয়ে গালে "ঠাসস" করে চর মেরে বলতে শুরু করলো "ওই শালা তুই মানুষ হবিনা?আর কতো বলবো সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার কথা?নিজের টাকা ধোঁয়া বানিয়ে উড়ানো ছাড়া আর কোনো কাজ নাই?এর আগে আমার মাথায় হাত রেখে বলছিস সিগারেট খাবিনা।তাও আজ কোন সাহসে এখানে এভাবে মনের সুখে সিগারেট টানছিস!মনে কি ভয় নাই!মন চাচ্ছে আগুন দিয়ে তোর চোখ কানা করে দিই।" এমন দৃশ্যে চারিপাশে সবাই অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।কারো মুখে টু "শব্দ" নেই।ভাগ্যক্রমে তখনি দোকানদার বললো "আপনে কে আফা?দোকানে এভাবে ঝামেলা করছেন কেনো?যা করার বাইরে গিয়ে করেন।" ব্যস শুরু হয়ে গেলো ঝড়।চায়ের কেতলি রাস্তার মাঝে উড়ে গিয়ে পড়লো।চিনি-চাপাতি সব দোকানদারের মাথায়।স্ট্রোপের ওপর কলস ভরতি পানি।এক কথায় যাকে বলে সবকিছু "তামাতামা।" অবস্থা খারাপ দেখে দোকানদার দিলো ভৌ দৌড়।সাথে তাল মিলালো স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা সকল মানুষ।কিছুক্ষণে চারিপাশ পুরো ফাঁকা।বুঝতে বাকি রইলোনা এবার আমার পালা।তাই আগেভাগে মুখটা মলিন করে কাকুতিমিনতি শুরু করে দিলাম "সরি সোনা,এমনটা আর হবেনা।আজ ভুল করে সিগারেট খেয়ে ফেলেছি।জিবনে আর এমন ভুল হবেনা।ক্ষমাশীল সবচেয়ে মহান হয়।প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দাও।" ম্যাডাম পেটে একটা লাথি মেরে বললো "ক্ষমা হ্যা!আমি এতো ক্ষমাশীল নই।তুই বড্ড বাড় বেড়েছিস।আজ শায়েস্তা না করলে ঠিক হবিনা।এর আগে অনেক সুযোগ দিছি,এবার আর না।তুই আজ শেষ।" শুরু হয়ে গেলো দ্বিতীয় ঝড়,নাকে ধুম করে এক ঘুসি।ব্যথায় নাকে হাত দিতে কলসি তুলে পায়ে ধুমধাম আঘাত। কিছুনা কড়ার না থাকায় চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলাম "সরি আর হবেনা,বাঁচাও,প্ লিজ সরি,সরি,সরি,মাফচাই,সরি,আআআআ,সরি...." কে শোনে কার কথা।আঘাতের চোটে একসময় জ্ঞান হারালাম। . যখন জ্ঞান ফিরে পেলাম তখন আমি হাসপাতালের বেডে শুয়ে।পা থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যান্ডস।পাশে নিধী,আম্মু,আব্বু দাঁড়িয়ে। আমার চোখ খুলা দেখে আব্বু নিধীর উদ্দেশ্য করে বললো "কি মারলি মা!চব্বিশ ঘণ্টাও তো অজ্ঞান থাকলোনা।" আম্মু তাল মিলিয়ে বললো "হাত কেটে দিলিনা কেনো?না থাকতো আঙুল না পারতো সিগারেট খেতে।' নিধী জবাবে বললো "আপনারা বাসায় যান এখন।ছোটো দেবর একা রয়েছে।আমি দেখছি এখানটায়।" তারপর আব্বু আম্মু উঠে চলে গেলো।অপরদিকে গলা মোর শুকিয়ে যায় অবস্থা। এবার নিধী পাশে এসে হাতে হাত রেখে ধীর স্বরে বললো "খুব লেগেছে তাইনা।" বুঝলাম ম্যাডামের রাগ কমেছে।তাই আস্তে করে আমিও বললাম "সত্যি অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে।জানো আমি অনেক আগে সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলাম কিন্তু আজ ওই দোকানদার জোর করে দিলো।নিতে চাইনি পরে তোমার কসম দিয়েছিলো।তখন কোন পথে যাবো বলো?" - থাক আর মিথ্যা বলতে হবেনা।জানো তো আমি তোমায় হারাতে চাইনা।তবুও হাবিজাবি খেয়ে কেনো নিজের ক্ষতি করো বলো।তোমায় মেরে আমি কত কষ্ট পেয়েছি জানো। - সরি,সত্যি আমি খুব খারাপ।জেনেশুনে তোমায় শুধু কষ্ট দেই।দেইখো এমনটা আর হবেনা। - হুম,এখন একটু আদর করে দাও। - আচ্ছা,তুমি আমার বুকে মাথা রাখো আমি হাত বুলিয়ে দিচ্ছি। অতঃপর বালিকা বুকের মাঝ বরাবর মাথা রাখলো।পাগলো করা চুলের ঘ্রাণ ভেসে আসতে লাগলো আমার নাকে।ঘ্রাণে যেনো দ্বিতীয়বার জ্ঞান হারানো অবস্থা। তবুও নিজেকে সজাগ রেখে মাথার মাঝটায় ঠোঁটের স্পর্শ দিয়ে আলতো ভাবে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম। সে চুপচাপ,কিছু বলতে নারাজ।এখন যে তাঁর আদর নেবার সময় লেখক:- অলিভার কুইন(শুভ)।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "গুন্ডী গার্লফ্রেনন্ড"

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now