গঙ্গা:-আরে তুমাদের কত বুদ্ধি
পিপড়া:-মি:গঙ্গা তুমিও জোগাড় করে রাখ।
গঙ্গা:-না,, আমি মহা শক্তিশালী আমি শীতের আগের দিনই জোগাড় করে নিব
পিপড়া:-বাঃ
এবারও তারা তাদের কাজে মন দিল।হঠাৎ একটি পিপড়া পড়ে গেলে
ছোট পিপড়া:-আঃ পড়ে গেলাম।পায়ে খুব লেগেছে গো।
পিপড়া:-চল আমরা তুমাকে নিয়ে যাব
ছোট পিপড়া:-না তুমরাও তুমাদের জন্য কাঠ জোগাড় করবে আমাকে নিয়ে গেলে তুমাদের দেরি হবে তুমরা চলে যাও আমি যেকোনোভাবে আসব।
পিপড়া:-আচ্ছা। আমরা যাই। চলে এসো কিন্তু পরে তুমার বাবা-মা তুমার জন্য কাদবে।
ছোট পিপড়া:-আচ্ছা। হোহোহো ওরে বাচা রে
গঙ্গা:-কি হয়েছে তুমার ছোট বাবু??
ছোট পিপড়া:-আমার পায়ে খুব লেগেছে গঙ্গা ভাইয়া
গঙ্গা :-তাহলে আমার পিঠে বসে যাওও আমি তুমার বাড়ী দিয়ে আসব
ছোট পিপড়া:-সত্যি! নিয়ে যাবে?
গঙ্গা:-আরে হ্যা
গঙ্গা ছোট পিপড়াটাকে তার বাড়ী পৌছে দিয়ে আসো। ধীরে ধীরে পাতা ঝরে পড়ছে,পানি শুকিয়ে পড়ছে। গঙ্গা তবুও শীতের প্রস্তুতি নিল না।কয়েকদিন দিন পর এমন ঠান্ডা পড়লো যে সবাই মরার অবস্থায় গঙ্গাও ঘরহীন হয়ায় কাঁপতে শুরু করে। আর পিপড়ার বাসার কাছে আর তাদের ডাকে আর বলে.......
গঙ্গা:-আমাকে একটু সাহায্য করো আমি মারার যাচ্ছি খু খুব ঠান্ডা
পিপড়ারা:-তুমি যে বললে তুমি মহা শক্তিশালী তাহলে তুমার ঠান্ডা লাগছে কেন??
গঙ্গা :-প্লিজ একটু জায়গা দাও
রাণী পিপড়া:-তুমি তো নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ব করতে। কোথায় গেল এসব গর্ব?? আমরা পরিশ্রম করেছি ফলও পাচ্ছি তুমি করোনি তুমি পাবে ও না
গঙ্গা:-আআআআব (বলে মাঠিতে পড়ে গেল ও বেহুশ হয়ে গেল এসময় সেই ছোট পিপড়া গঙ্গা তাকে কিভাবে সাহায্য করেছে তা তার রাণী বলে আর ওকে এখন বাচানোর কথা বলে)
ছোট পিপড়া:-ওকে বাচাতে হবে রাণী
রাণী:-হ্যা!! তুমরা ওকে একটি ঘর বানিয়ে দাও আর কিছু কাঠও দিও যাতে সে তাপ পায়। আর হ্যা তুমাকে এবার সাহায্য করছি পরের বার তুমি নিজে পরিশ্রম করে শীত কাঠাবে
গঙ্গা:-আচ্ছা, আমার ভুল হয়েছে আমি বুঝতে পেরেছি "পরিশ্রম সৌভাগের প্রসূতি"
-----------




-----------