বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্পটা তোমার অামার

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . সাকিব টানা কল করেই যাচ্ছে কিন্তু পায়েল তা দেখেও রিসিভ করছে না। অপর পান্তে বসে থাকা সাকিব খুব অপেক্ষা করছে ওপাশ থেকে পায়েল তাঁর কল রিসিভ করে মিষ্টি কন্ঠে কথা বলবে কিন্তু গত তিন ধরেই পায়েলের সাথে তাঁর কোন যোগাযোগ নেই। . সাকিব ও পায়েলের পরিচিত টা যেনো রুপকথার গল্পকেও হার মানাবে। তাঁদের রিলেশন শুরু হয় মার্ক জুকার বার্গের ফেইসবুক দুনিয়া থেকে তাই তো সাকিব যদি জুকার বার্গ কে ডিনারের অামন্ত্রন করে সেটা কিন্তু ভুল হবে না অপরদিকে পায়েল জুকার বার্গ কে একটা বড় সড় ধন্যবাদ দিতেই পারে। কেননা এই ফেইসবুকের কল্যানেই তাঁরা পেয়েছে তাঁদের প্রকৃত ভালবাসা। . সাকিব একটু সাহিত্যিক টাইপের ছেলে লেখালেখি করতে ভালো লাগে অার তারই দ্বারা অব্যাহত রাখতে ফেইসবুকে নিয়মিত গল্প লিখতো অার তাঁরই গল্পের প্রেমে পড়ে যায় পায়েল। . চলতি বছরের শুরুর দিকে সাকিব তাঁর গল্প লিখার ক্যারিয়ারে শততম গল্প লিখেছিল নাম সুরমা পাড়ের মেয়েটি! সিলেটের সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে বেয়ে চলা সুরমা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত সুরমা ব্রিজের সাথে দুটি ছেলে মেয়ের প্রেমের স্মৃতি বিজড়িত একটা গল্প ছিল। অার পায়েল তাঁর লেখা সেই গল্পটি প্রথম পড়ে! সেই একটা কাল্পনিক গল্প থেকে সাকিব অার পায়েলের সত্যিকার অর্থে একটা সত্য প্রেমের গল্প তৈরি হবে সে কি পায়েল কখনো জানতো? . সেদিন পায়েল গল্পটা পড়ে এতোটাই মুগ্ধ হয়েছিল যে তাই তো সে লেখকের অাইডি খোজতে লাগলো গল্পের শেষে লেখকের নাম ছিল Shakib Hasan Ruyel অতঃপর পায়েল এই নাম টি লিখে সার্চ দেয় এবং একটি অাইডি অাসে সেই সাথে সাথে রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দেয়। . রিকুয়েস্ট গ্রহন এরপর ধীরে ধীরে পরিচয়। অবশেষে ভালবাসা নামক এক বন্ধনে অাবদ্ধ সাকিব ও পায়েল। . একদিকে পায়েল ছিল সাকিবের লেখার প্রতি ক্রাশ অার সাকিব ছিল পায়েলের প্রতি ক্রাশ। ক্রাশে ক্রাশে ক্রাশিত হয়ে অাজ তাঁরা অনলাইন ছাড়িয়ে তাঁদের গল্পটা চলে অাসলো অফলাইনে। . একটা রিলেশনে যা যা দরকার ছিল সেটা ছিল ওদের মাঝে! তাই তো গ্রামীন নেটওয়ার্কের মতো তাদের ভালবাসা হতে লাগলো শক্তশালী ও চলতে থাকলো বহুদুর। . পায়েলের নাম দিয়ে সাকিব অসংখ্য গল্প লিখেছে ডেডিকেটেড করেছে অসংখা লেখা কিন্তু পায়েল এতে যতটা খুশি হতো তার চেয়ে বেশি খুশি হতো তাঁদের কে নিয়ে তাঁদের ভালবাসা নিয়ে একটা গল্প লিখলে। সাকিব কে বারবার বলা সত্তেও সাকিব গল্পটা লিখছে না। সাকিব ভাবছে না লেট করা চলবে না! গল্পটা লিখার সময় হয়েছে। তাই তো তাঁর প্রিয় মানুষ পায়েলের কথা রাখতেই নিজেদের ভালবাসা কে নিয়ে নিয়ে লিখে ফেললো এই গল্পটি যে গল্পটি অাপনি এখন পড়ছেন। . সাকিব খানিকটা চিন্তিথ কেননা হঠাৎ কি হলো গত তিন দিন ধরেই পায়েল তাঁর সাথে কোন যোগাযোগ করছে না। ফোন করেও সাড়া পাচ্ছে না মেসেজের রিপ্লে অাসছে না। গত তিন দিনে সাকিব অসংখা কল করেছে মেসেজ করেছে কিন্তু ওপাশের ব্যাক্তি থেকে কোন সাড়া পেলো না। চিন্তাশীল সাকিব ভাবছে হঠাৎ সে এমন করছে কেনো? তাঁর কোন সমস্যা হয়নি তো? এসব কথা ভাবতে ভাবতেই সে ঘুমিয়ে পড়ে। . অপর পান্তে বসে থাকা পায়েল হাসছে ছেলেটার পাগলামি দেখে এতোবার কেউ কল করে? পায়েল যদিও ইচ্ছা করেই কল রিসিভ করছে না। কেননা সে ভাবছে সাকিব কে একটা বড়সড় সাপ্রাইজ দিবে অার সেটা হলো তাঁর রেজাল্ট। অাগামিকাল তাঁর ভর্তি পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশ হবে। পায়েল ভাবছে ভালো একটা নিউজ দিয়েই সাকিব কে চমকে দিব কেননা তাঁর এই ভর্তি পরিক্ষায় সাকিব অনেক সাহস জুগিয়েছে অার সেটারই প্রতিফলন অাগামিকাল পেতে যাচ্ছে। . সাকিব ঘুমিয়ে অাছে হঠাৎ ফোনের স্কিনে ভেসে উঠলো পায়েলের নাম্বার রিংটোন বেজেই চলছে কিন্তু ঘুম পাগল ছেলে সাকিব টেরই পেলো না তাঁর ফোন বাজছে! দ্বিতীয় বার কল অাসায় পায়েলের নাম্বার দেখে সাকিব যেনো মৃত্য থেকে বেঁচে উঠলো। কল রিসিভ করতেই পায়েল কেঁদে দিল কেননা হাজার হাজার পরিক্ষার্থীর মাঝে পায়েল তাঁর সেরাটা দিয়েও ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ন হতে পারেনি। পায়েল এই ভেবে কান্না করছে ভেবেছিল ভালো একটা ফলাফল নিয়ে তাঁর প্রিয় মানুষ কে সাপ্রাইজ দিবে কিন্তু সেটা অার হলো না। . পায়েলের কান্না সাকিব কে যেনো বিরক্ত করে তুলছে কেননা অার কেউ জানুক অার না জানুক পায়েল তো জানে তাঁর কান্না তাঁর কষ্ট সাকিব কখনোই সহ্য করতে পারে না। . সাকিব তখন সাহস জুগিয়ে বলতে লাগলো অারে বোকা কাঁদার কি অাছে? সুযোগ হয়নি তো কি হয়েছে ন্যাশনালে ভর্তি হবে। তুমি কখনোই টেনশন করিও না তোমার পাশে সবর্দাই অামি রয়েছি। সাকিবের কথা শুনে পায়েল যেনো একটু ভরসা পেলো শুধু পায়েল নয় পৃথিবীর প্রতেক্যটি মেয়েই চায় তাঁর প্রিয় মানুষটি তাঁর পাশে থাকুক তাঁর খারাপ সময়ে একটু ভরসা সাহস দিবে। জীবনের প্রতিটা মুহর্তে যেনো প্রিয় মানুষটার হাত ধরে বাঁচতে পারে। রিলেশন যেখান থেকেই শুরু হোক অনলাইন বলুন অার অফলাইন বলুন দুজনের প্রতি দুজনের শ্রব্ধা অার বিশ্বাস থাকলে রিলেশনের ঠিকে থাকে অাজীবন। এভাবেই বেঁচে থাকুক পায়েল অার সাকিবের ভালোবাসা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্পটা তোমার অামার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now