বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : রাগী মেয়ে আর একটা কিউট বোকা ছেলে !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : রাগী মেয়ে আর একটা কিউট বোকা ছেলে !!! Writer : Pantha Shahria !!! - কলেজে ঢুকতেই একটা ইটের সাথে ধাক্কা খেলাম ... পরে যাবার উপক্রম কিন্তুু নিজেকে সামলে নিলাম । সাইটে থাকা ছেলে মেয়ে অনেকেই হেঁসে একাকার করে দিচ্ছে । আমি ওই সব হাঁসিতে আর পাত্তা দেই না , কারণ আমাকে বোকা পেয়ে সবাই মজা করে । নিজের মতো করে ক্লাস এর দিকে হেঁটে যাচ্ছি .. হঠাৎ মেয়েলী কণ্ঠে কেউ ডাক দিলো । কারণ আমাকে বোকা পেয়ে সবাই মজা করে । নিজের মতো করে ক্লাস এর দিকে হেঁটে যাচ্ছি .. হঠাৎ মেয়েলী কণ্ঠে কেউ ডাক দিলো । - এই যে সাদা চশমা এই দিকে এসো । - আমি সিওর যে আমাকে ডাকা হচ্ছে কারণ আমি ছাড়া আসে পাশের কেউ সাদা চশমা পরে নেই । এদিক ওদিক তাকালাম । - এই যে সাদা চশমা এইদিকে তাকাও । - হাতের বাম সাইটে তাকাতেই দেখি কয়টা মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে হাঁসছে , তাঁদের মধ্যে একটা মেয়ে হাতের ইশারা দিয়ে ডাক দিলো । - জ্বী আমাকে ডাকছেন । - না না আপনাকে কেন ডাকবো , ওই যে সাদা চশমা পড়ে কবুতর গুলো আছে তাঁদের ডাকছি । - আচ্ছা সরি আমি ভাবছি আমাকে ডাকছেন , তাহলে আমি গেলাম । - কীরে নীলা এই বলদ টাকেই আজকে পেলি (মেয়ে গুলোর মধ্যে একজন) - ওই তোরা থাম দেখছিস না বাবু এমনিতেই শুকাই গেছে । - আচ্ছা বাবু তোমার নাম কী ? (নীলা) । - সাহরিয়া ....। - ওলে বাবা দেখছিস কেমন বাচ্চা দের মতো করে তাকাইতেছে । - আচ্ছা আমি যাই আমার ক্লাস আছে । - ওই তোরে যাইতে বলছি একবার ও এক পা সামনে দিলে তোর পা ভেঙ্গে দিমু । - আচ্ছা ....। - আবার আচ্ছা মানে কী হুমমমম , কলেজে নতুন । - হুমমমমমমম । - ঠিক আছে আজকের মতো নতুন বলে মাফ করে দিলাম , আমরা তোর বড় আপু । কলেজে এসে প্রথমে আমাদের এই খানে আসবি আর সালাম দিয়ে যাবি । মনে থাকবে ...। - আচ্ছা মনে থাকবে ... এবার তাহলে যাই । - ঠিক আছে এবার যা । তারপরে এক দৌড়ে চলে আসলাম । - কলেজ শেষ করে বাসাই আসতেছি । কয়েকটা ছেলে আমাকে ঘিরে ধরে মাথাই পানি ঢেলে দিয়ে চলে গেলো । চশমাটা খুলে চোখটা মুছতে ছিলাম । সাইট দিয়ে দেখি নীলা আপু আমাকে দেখে হাঁসতে হাঁসতে চলে গেলো । - বাসাই গিয়ে ফ্রেশ হয়ে শুয়ে আছি । আগে থেকেই আমার লেখালেখি করার অভ্যাস । হাতের লেখা তেমন ভালো না বলে কম্পিউটার এ সব লিখে রাখতাম । প্রতিদিনের সব ঘটনা লিখতাম , আমি কোনদিন মেয়েদের দিকে তাকাতাম না , কারণ মেয়েদের দেখলে আমার ভয় করত । কেন করত সেটা জানতাম না এই ফাস্ট নীলা আপুর দিকে তাকাইছি । দেখতে অনেক সুন্দরী তবে অনেকটা দুষ্টু ... তবে সুন্দরী হলেই আমার কী । পরের দিন কলেজে গিয়ে ওই জায়গায় গেলাম । সবাইকে সালাম দিয়ে চলে আসতে যাবো । এমন সময় নীলা আপুর ডাক । - ওই কালকে তোর গায়ে কে পানি দিছে । - আমি তো কাউকে চিনি না । - এমন বলদ মার্কা হলে চিনবি কেমনে । - আপু আমি বলদ না , আমি সাহরিয়া । - হুমমমম জানি সেটা , দেখলে চিনতে পারবি । - হুুমমমম কিন্তুু কেন । - কেন মানে তোর গায়ে যেহেতু পানি দিছে সেহেতু তুই ও তাঁদের গায়ে পানি দিবি । - না মানে আমি কেন , দিবো তা ছাড়া ওরা অনেক । আমাকে আবার পরে মাইর দিবে । - চুপ আমি আছি কিচ্ছু হবে না , তোরে ওদের গায়ে পানি দিতে বলছি মানে তুই পানি দিবি । না হলে আমি তোর পা ভেঙ্গে দিমু । - আচ্ছা ঠিক আছে , কিন্তুু পড়ে তো ওরা কিছু বলবে না । - ওই আমি আছি না কিচ্ছু হবে না । তবে তুই ওদের মাথাই আজকে পানি ঢালবি , এখন চল । - ঠিক আছে । - এবার বল কারা পানি ঢালছিল । - ওই যে ঐ সামনের চার জন । - হুমমমম ঠিক জানতাম ওরাই করবে । রাজু তোদের সাহরিয়ার সাথে ওমন মজা করা ঠিক হয় নাই । - ওহহহহহ তুই মজা করলে দোষ নাই কারণ তুই পিনসিপাল এর মেয়ে তাই । আর আমরা করলেই দোষ । - শোন আমি মোটে ও তোদের মতো এমন মজা করি না । তোর ওইটা অপরাধ আর অপরাধ যখন করছিস শাস্তি পাবি । সাহরিয়া এই নে বোতল সবার মাথাই পানি ঢেলে দে । - না মানে থাক না শুধু শুধু ঝামেলা করে কী লাভ , আর আমি কিছু মনে করি নাই । - আমি জানতাম তুই এইটাই বলবি । - এই বলে আমার হাত থেকে বোতল নিয়ে সবার মাথাই পানি দিল । তারপরে আমার হাত ধরে নিয়ে চলে এলো । আমি তো হা করে আছি , এই প্রথম কোন মেয়ের হাতের স্পর্শ পেলাম । নীলা আপুর হাত অনেক নরম হি হি হি । আমরা সেই আগের জাইগায় আসলাম । - আচ্ছা আপু ঝামেলা করার কোন মানে হয় বলো । - কেমন রাগি লুক নিয়ে আমার দিকে তাকালো । - না মানে সরি আমার না মুখ ফসকে তুমি বের হয়ে গেছে । - হয়েছে ভালো কথা এখন থেকে তুমি করেই বলবি । - আচ্ছা ওকে । আচ্ছা আজকে আর ক্লাস হবে না আমি বাসাই যাই । - ওকে ভালো করে যাবি । - ঠিকআছে । বাসাই আসছিলাম ...... আবার ওই ৪টা পোলা আমার সামনে আসলো । - বাহ নীলা যখন হাত ধরল খুব তো মজা নিচ্ছিলি । - না মানে ভাইয়া । - চুপ না মানে না মানে না বলে চুপ করে থাক । - ওলে বাবা বাবু আবার চশমা পরে । - দেখি তোর চশমা । - ভাইয়া আমি চশমা ছাড়া ভালো দেখতে পারি না । - ওই এই খানে না নীলা নাই , এবার ভালই ভালই চশমা দে । - চশমাটা খুলে তাঁদের হাতে দিলাম । - এইতো লক্ষি ছেলে , বলে একটা ধাক্কা দিলো । - রাস্তার মাঝ খানে চলে গেলাম , আর একটা রিক্সা এসে ধাক্কা দিলো । মুহূর্তের মধ্যে পরে গেলাম আর রিক্সার কী জানি লেগে কপালের সাইটে কেটে গেলো । - আরে মাম্মা পোলাটা তো সত্যি কানা । - হুমমমম তাইতো দেখছি । - এই বলে আমাকে রাস্তার সাইটে এনে হাতে চশমা দিয়ে চলে গেলো । চশমাটা পরে কোন রকমে বাসাই গেলাম । কপালটা অনেক ব্যাথা করছে । তাই ডাক্তার এর কাছে গেলাম । - গিয়ে দেখি নীলা আপু বসে আছে । - সাহরিয়া এখানে কেন আসছো । - না মানে বাতরুমে পরে গেছি । তুমি এই খানে কেন । - আরে এইটাতো আমার নানুর চেম্বার আচ্ছা তোমার কপালে কী হইছে । - না মানে ওই যে বাতরুম এ গিয়ে পরে গেছি । - ওইতো নানু চলে আসছে । নানু দেখতো ও না বাতরুমে পরে গেছে । - আচ্ছা তুমি একটু বসো , আমি আর একটা রুগী দেখে আসছি । - নানু ....... ও বসবে না তুমি এক্ষুনি দেখ কী হয়েছে । - আচ্ছা বাবা দেখছি । - এই দিকে আসো দেখি ... এটা কেমনে হল । - না মানে বাতরুমে পরে গেছি ... নীলা আপু সামনে আছে তাই মিথ্যা বলা ছাড়া উপাই নাই , না হলে আবার ঝামেলা শুরু করবে মেয়ে তো না যেন একটা গুন্ডা । - না না এটা তো পরে যাওয়ার মতো ক্ষত না , মনে হয় শক্ত কোন জাইগায় আঘাত লাগছে । - ওই সত্যি করে বলো কী হয়ছে (নীলা আপু) । - কলেজ থেকে আসার পথে রিক্সার সাথে ধাক্কা লাগছি । - ওহহহহ তাই না .... নানু ওকে তাড়াতাড়ি ঔষধ দিয়ে ছেঁড়ে দাও । - এরপরে ঔষধ দিলো , আমি চলে আসছি । হঠাৎ নীলা আপু সাহরিয়া রিক্সাই উঠো , উঠলাম .... কেউ কোন কথা বলছি না চুপচাপ আছি । একটু পরে রিক্সা থেকে নেমে একটা পার্কে হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো । - এবার কী হয়েছে সত্যি করে বলো । - না মানে কিছু না না হি হি । - ওই তুই বলবি নাকি .... ওদের দিয়ে বলামু (ধমক দিয়ে) । - আমি কলেজ থেকে আসছিলাম ওরা আমার চশমা কেরে নিয়ে রাস্তাই ধাক্কা দিছিল । এটা সোনার পর নীলা আপু একটু কাছে আসলো ... কপালে হাত দিয়ে বলল আর কোথাও লাগেনি তো । - মাথা নেরে না জবাব দিলাম । তারপর আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে কী যেন দেখল । - আচ্ছা কিছু যদি হয়ে যেত । - দূর কী হবে তাই , মরেই না হয় যেতাম আর কেউ মজা করতে পারত না । - একটা চর দিবো বোকা একটা । এর কিছুক্ষণ পরে বাসাই চলে আসলাম পরের দিন কলেজে গেলাম । নীলা আপুরা যেখানে বসে থাকে সেখানেই আমি বসে আছি একা একা। একটু পরে নীলা আপু আসলো । সবার সামনে হাত ধরে ওই ছেলে গুলার কাছে নিয়ে গেলো । - রাজু শোন এর পর যদি তোরা সাহরিয়া এর সাথে লাগছিস ... তা হলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না । কালকে যদি ওর কিছু হয়ে যেত । মনে রাখিস ...। এই বলে আমার হাত ধরে নিয়ে আসছিলো । পিছন থেকে রাজু বলল ... - বাহ এতো দরদ আগে কারো উপরে দেখি নাই তো ... এইটা কী তোর প্রেমিক নাকি । - প্রেমিক না তার থেকে ও অনেক বেশি কিছু । বলে আমরা চলে আসলাম । - আমি তো শুধু নীলা আপুর দিকে তাকাই আছি ... কী সুন্দর কিউট লাগছে । এরপরে একটা গাছের নিচে বসে আছি কেউ কোন কথা বলছি না ।। নীলা আপু নীরবতা ভাঙল ... । - কাউকে ভালোবাসো - কোন মেয়েকে কোনদিন প্রপোজ করছ । - না ...। - কোন মেয়েকে মনে মনে পছন্দ করো । - হুমমমমম । - কে শুনি । - ইউ ........। - বোকা একটা । - অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকাও । - না .... । - তাকানোর দরকার ও নাই । - কেন । - ওই আমি আছি না আমার দিকে তাকাবি , অন্য কারো দিকে তাকাবি তো মেরে ফেলবো । - আচ্ছা ..... । - হি হি হি হি ...... - হাঁসছ কেন । - তোমার মতো কিউট বোকা আমি আর একটা ও দেখি নাই তাই ...। - আচ্ছা পাপ্পি দিবা । - তুমি কেমনে বুঝলা । - যেমন বোকা বোকা ভাবে তাকাই থাকো সবাই বুজে যাবে পাগল । ওই পাপ্পি দাও ..। জানি এখানে ও ভয় করবা । বলেই নীলাই আমাকে পাপ্পি দিলো । বুঝতেই পারলাম না কেমনে কী হয়ে গেলো । - এই যে আমার বোকা বাবুটা এবার চলো বাসাই যাই ... । আমরা বাসাই যাইতাছি আপনারা ও আপনাদের কাজে চলে যান কেমন হি হি হি ... টা টা ...। >>সমাপ্ত>The End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৩৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : রাগী মেয়ে আর একটা কিউট বোকা ছেলে !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now