বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #পুলিশ_গার্লফ্রেন্ড !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #পুলিশ_গার্লফ্রেন্ড !!! Writer : Pantha Shahria !!! - পড়ালেখা শেষ করে এখন দিনরাত , বাপের মুখের বকা খাচ্ছি ...। এখনকার জামানাতো আপনারা আমার থেকে ভালো করে জানেন । সরকারী কোন চাকরি হইলেই আমাগো সোনার দেশের মানুষ গুলো । ঠিক সোনার দামের মতো টাকা চায় । আমার বাপ ও দিতে রাজি কিন্তুু ভাই আমার ছোট থেকে ওই সব চাকরির কোন শখ নাই । আজাইরা কোন মানুষ এর কথা শুনতে আমি মোটেও রাজি না । যেখানে কাজ টাই আমার রাজি না , আমার বাপরে কত করে বললাম , যে আব্বা আমারে যেই টাকা দিয়া চাকরি দিবা সেই টাকা গুলা আমারে দাও । তারপর দেখ কেমন ফটাফট বড়লোক হয়ে যাই । কিন্তুু কে শুনে কার কথা , আমার ভাই কোন গফ ও নাই , আর বিয়ে করার কোন প্লান ও নাই , যে চাকরির জন্য এত্ত টেনসন করমু । তাইতো এখন খালি সারাদিন টো টো কইরা ঘুরে বেড়াই । ঐযে আছে না বাঁদর যেমন সারাদিন এখান থেকে ওখানে আবার ওখান থেকে এখানে , ঠিক তেমন । চুল আর দাঁড়ি গুলো ও হয়েছে ঠিক বাঁদর এর মতো । আমার বাপরে কইলাম যে আব্বা ১০০ টা টাকা দাও চুল কাটমু । কী কইল জানেন ... না থাক ওইটা আপনারা সবাই জানেন ...আরে ভাই কমন ডাইলগ কী এইবার বুচ্ছেন তাই তো । কিন্তুু আর যাই হোক দেখতে কিন্তুু মোটে ও খারাপ লাগতেছে না । পুরাই শাপিক খান ... না না তার থেকে ও ভালো হি হি হি । - কী আর করার প্রতিদিনের মতো সেই স্কুল লাইফ এর সাইকেল টা নিয়ে বিকেলবেলা ঘুরতে বের হচ্ছি । - তো রাজা মশাই কোথায় যাওয়া হচ্ছে ( আব্বা ) । - কেন জানো না রাজ্য শাসন এ যাচ্ছি । - হুমমমমমম , যান যান আপনার তো আবার মেলা কাজ । - সেটা তো জানোই , নতুন করে বলার কী আছে । - আচ্ছা তোর কী কোন প্রেমিকা ও নাই হ্যা , তোর বয়স এর ছেলেদের কম করে হলে ও একটা প্রেমিকা আছে , আর তুই কী বলতো , ভালোবাসার মানুষটার জন্য সবাই কী না কী করছে , তোর ছোট সজীব ও কেমন একটা চাকরির জন্য ছোটাছুটি করছে । - আচ্ছা যার হিসি চাপে সেই তো হিসি করার জন্য ছোটাছুটি করে তাই না , এর মধ্যে আমাকে টানার কী আছে । - আচ্ছা তার মানে তুই প্রেম বিয়ে কিচ্ছু করবি না আর চাকরি ও করবি না । - আমারে কী পাগল পাইছো যে বিয়ে করমু , আচ্ছা বাদ দাও আগে বড়লোক হইয়া নেই তারপর ওইসব চিন্তা । তারপরে সাইকেলটা নিয়ে বের হয়ে পরলাম । - নদীর পার ধরে সাইকেল চালাইতাছি , আর গান গাইতাছি , নিজেরে কেমন রাজা রাজা মনে হচ্ছে । হঠাৎ কই থেকে একটা মেয়ে এসে আমার সাইকেলটার আগে পরে গেল । জোরে ব্রেক করার ফলে ধপ করে পরে গেলাম । - ওই ওই মাইয়া কিউট পোলা দেখলে মাথা ঠিক থাকে না তাই না , যাদের ডাইলগ তাদেরকেই দিলাম হি হি হি । - এই যে আপনার সাহস তো কম না নিজের ভালো চাইলে তারাতারি কেটে পরেন । - ওলে বাবা সাহরিয়া ওই সব হুমকিতে ভয় পায় না , ভালই ভালই আমার সাইকেল আর আর পা ঠিক করে দিন , না হলে কানের গোরাই দিমু একটা । - ওই পোলা তোমার সাহস তো কম না । - এই সব তো শুধু ট্রেইলর পুরু সাহস তো পরেই আছে হু হা হা হা । - তোর দাঁত বের করে হাঁসা বন্ধ করছি দাঁড়া । - ওই.... ফাঁকা রাস্তাই নিজেই একটা অপরাধ করে আবার আমাকেই তুই তুকারি করছেন । সাহস তো কম না । নেহাত ভালো ছেলে তাই । তা না হলে । - ওই তা না হলে কী হুমমম , রফিক সাহেব তারাতারি রাস্তাই আসেন । - বাবা রে বাবা আমি তো ভয় পেয়ে গেছি । মেয়েটার দিকে তাকাই দেখি রাগে খালি ফুলতিছে । হঠাৎ একটা পুলিশ আসলো । - জ্বী .... ম্যাডাম বলেন । - আমি তো হা করে আছি , বিনা কারণে ফেঁসে গেলাম না তো আবার । - রফিক সাহেব এই বেয়াদপ আর ওর সাইকেলটাকে থানাই নিয়ে চলেন । - ম্যাডম ও ম্যাডাম এই শিশুর মতো ছেলেটাকে কী না নিয়ে গেলে হয় না বলেন , বাচ্চা মানুষ ২ একটা ভুল তো হবেই তাইনা । - বাচ্চা মানুষ বলেই তো গাড়িতে করে নিয়ে যাচ্ছি । কী আর করার , লোকে বলে না মেয়ে আর পুলিশ এর খপ্পরে পরেছ তো মরেছ । - আমার কপাল তো দিগুণ খারাপ তাই মেয়ে + আবার পুলিশ , কপালে কী আছে একমাত্র আল্লাহ্‌ যানে । আর যাই হোক মেয়েটা কিন্তুু ঝাক্কাস । আমার সাইকেল টা কে একটা রুমে ,আর আমি মেয়েটা সামনা সামনি লকাপের মধ্যে আছি । মেয়েটা একটা টেবিলে বসে কী যেনো করছে , আমার আবার কথা না বললে পেট ব্যাথা করে । দূর লকাপেই তো আছি মেয়েটার সাথেই কথা বলি । - ও ম্যাডাম হ্যালো ... - কেমন রাগী ভাবে তাকালো , এই জন্যই মনে হয় পুলিশ এর চাকরিটা পাইছে । - আচ্ছা ম্যাডাম আপনার নাম কী ? - রিয়া ......। - বাহ আমার নামের সাথে বেশ মিলতো সাহ+রিয়া=সাহরিয়া । আমার নাম সাহরিয়া । কী যেনো লিখছেই তো লিখছে , আমি যে একটা মানুষ কথা বলছি ওনার কোন কেয়ার নাই । না হওয়ারই কথা ,একে তো সুন্দরী তাঁর ওপরে আবার থানার হেড । সুন্দরী হলেই তো মাটিতে পা পরে না কী যে ঝামেলাই পরলামরে ভাই । - ও ম্যাডাম আমাকে ছেঁড়ে দেন না , আপনাকে প্রথম এ চিনলে কী অমন করতাম । আর আপনে বলেন দোষ কী আমার একা । - ওই আপনে এত্ত কথা বলেন কেন । - কথা না বললে আমি থাকতে পারি না তো , কেমন বাচ্চা বাচ্চা ভাবে বল্লাম । এবার কী ভেবে যেন একটু হাসলো । - মুজনু মিয়া বাচ্চাটাকে এখানে নিয়ে আসেন । - ওকে ম্যাডাম ...। বলে বাইরে নিয়ে আসলো । - নাম কী ? - সাহরিয়া । - বাবার নাম ? - ইকবাল হোসেন হাবিব । - মায়ের নাম ? - আমার মা নাই । - আচ্ছা তোমার বাবার ফোন নাম্বারটা দাও । - হি হি হি আমার বাবা জীবনে ও এখানে নিতে আসবে না । - ওই দাঁত বন্ধ করে নাম্বার দাও । নাম্বার দিলাম । - হ্যালো . আঙ্কেল আপনার ছেলে কে সিনিয়র পুলিশ অফিসার এর সাথে বেয়াদবি করার জন্য থানাই নিয়ে আসা হইছে ... আপনে এসে ওকে নিয়ে যান । - ওই শয়তান কে তো আমি কোন দিন নিয়ে আসব না ওখানেই ওকে রেখে দিন , তাও যাতে একটু মানুষ হয়ে ফিরে আসে । - আচ্ছা ঠিক আছে , এই যে সাহরিয়া তোমার বাবা কী বলল শুনলে তো । - হুমমমমম । - এখানেই রাখব নাকি বাড়ি যাবে । - আমি বাড়ি যাবো । - এবারের মতো ছেরে দিলাম নেক্সট যেন এমন বেয়াদবি না করো কেমন , তা হলে আর ছাড়া পাবা না বুঝলা । - হুমমমমমমমমমম ওকে । - যাও এবার । - এক দৌড়ে চলে আসলাম , কে যেন বলল বেয়াদপ পোলা একটা । যাক বাবা আজকের মতো বাঁচলাম ...। বাসাই এসে ভাতের সাথে বকা খেয়ে শুয়ে পরলাম । - পরেরদিন সকাল সকাল রাস্তাই ব্রাশ করতে করতে ক্রিকেট খেলছি পিচ্চি গুলার সাথে । - সাহরিয়া ভাই এইবার কিন্তুু জোরে মারলে তুমি আউট । - ওকে ওকে বল কর , বল মারলাম আর বলটা গিয়ে রিয়ার গায়ে লাগলো , মানে কালকের ওই পুলিশ মেয়ে । বলটা নিয়ে আমার দিকে কেমন রেগে আসলো , আর কেমন কিউটুস ও লাগছিল হি হি হি । - এটা কী হল শুনি । - না মানে আমার দোষ নাই , বলটা তোমার গায়ে লাগছে ওকে বলো । বলেই ব্যাটটা নিয়ে দৌড় দিলাম । পরে একটা পিচ্চির কাছে থেকে শুনলাম । ও নাকি গতকাল রাতে আমাদের পাশের বাসাই ভাঁড়া আসছে । - দূর মেজাজ টা কেমন লাগে দেখে দেখে এই মেয়েকেই আসতে হবে । - বিকেলে ছাঁদে বসে বসে গিটার বাজাইতেছি আর গান গাইতেছি । - বাহ বেশ ভালো গান গাও তো । - পিছনে তাকাই দেখি রিয়া । এই মেয়েকে দেখলেই কেমন ভয় লাগে না জানি কখন জেলে পাঠাই দেই । - আচ্ছা সকালের ঘটনার জন্য ও কী থানাই নিয়ে যাবা । - হা হা আরে না না । এর পরে টুকটাক কথা , তারপরে অনেক দুষ্টুমি করলে ও কিছু বলে না । এখন আমি আর রিয়া অনেক ফ্রী । - ওই সাহরিয়া কাল আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবা কিন্তুু । - আচ্ছা ওকে । আমি আর রিয়া ঘুরতেছি হঠাৎ কয়েকটা ছেলে রিয়েকে উদ্দেশ্য করে বাজে কথা বলল । - রিয়া সাথে থাকাই অনেক সাহস হয়ে গেছে , রিয়া তুমি থাকো আমি দেখতেছি । - গিয়ে ওই ছেলে কে ঠাসসসসসসসসস করে একটা দিলাম , জীবনের ফাস্ট কাউকে এমন চর দিছি । সব পোলাপান আমার দিকে আসতিছে । আমি তো ভয় এ শেষ । রিয়া ও আমার সামনে আসলো । - ওদের মধ্যে একজন বলল ভাই মেয়ে টা থানার এস আই । পোলা গুলো শুনে কেমন দৌড়ে পালাই গেল । - আরে তুমি আসতে গেলে কেন আমি একাই সব গুলারে । - কী করতে সেটা ভালো করেই বুচ্ছি প্রথম দিন । সেদিন অনেক ঘোরাঘুরি করে সন্ধাই বাসাই আসতেছি । - রিয়াদের বাসার সামনে এসে বল্লাম । রিয়া আমাকে আমাদের বাসার গেট অব্দি দিয়ে আসবে । - ওই কেন । - না মানে আমার ভুতের জন্য ভয় করে । - এত্ত বড় একটা ছেলে তুবু ভয় করো ঠিক আছে চলো । - এই তো এসে গেছি । - ওকে এবার যাও কেমন পিচ্চি বাবু । - আচ্ছা টাটা কেমন । - বলে বাসাই চলে গেলাম । যাবার পর থেকেই মশার জ্বালা শুরু । তাই ভয়ে কয়েল নিতে গেলাম । - কয়েল নিয়ে আসতেছি , কই থেকে জানি একটা কুকুর চিল্লাইতেছে , আমি তো ভয়ে দিছি একটা দৌড় । জোরে দৌড়ে আসার ফলে একটা মাইক্রোর সাথে ফটাস করে ধাক্কা খাইলাম । মাথাটা কেমন ঝিম ঝিম করল তার পরে আর কিচ্ছু মনে নাই । - যখন জ্ঞান ফিরল দেখলাম রিয়া আমার পাশে বসে আছে , আর কেমন ফুফাই ফুফাই ক্যানতেছে । বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে । - আমি উঠে বসার চেষ্টা করতেই রিয়া আবার আমাকে শুইয়ে দিয়ে , আর বকা দিতে সুরু করল । - ওই নিজের দিকে তো কোন খেয়াল থাকে না , কোন দিন কী একটু ভালো ভাবে চলতে পারো না হুমমমমম । - আচ্ছা তুমি কেমনে জানলা । - আঙ্কেল আমাকে সব বলছে । - আচ্ছা আমি কয়দিন ধরে এখানে আছি । - তিন দিন ধরে বেয়াদব , আচ্ছা কেমনে এক্সিডেন্ট করলা শুনি । - আরে আমার কোন দোষ নাই জানো ওই হারামি কুত্তা চিল্লানি দিছে আর আমি দৌড়ানি দিয়েই তো আজ এখানে । - হবেই শয়তান যে একটা । আচ্ছা চাকরি করবা না ক্যান বলো । - ওই সব আমার ভালো লাগে না । - আচ্ছা বিয়ে করলে কী করবা । - হা হা হা দূর বিয়েই করব না আমি । - ওকে আমি গেলাম আমার কিছু কাজ আছে । - কেমন রিয়ার চোখে পানি টলমল করছে , আমি জানি ও আমাকে ভালবেসে ফেলেছে । ও হাত ধরে টান দিলাম আচ্ছা তুমি আমার গার্লফ্রেন্ড হবা । - দূর শয়তান । - একটা কথা বলব থানাই নিয়ে যাবা না তো । - না বলো । - আচ্ছা একটু জরাই ধরবা প্লিজ । বলার সাথেই জরাই ধরল । আহা কী শান্তি চাকরিটা মনে হয় আর করা লাগবে না । - ওই কী বল্লা । - না মানে সবসময় তোমার সাথে থাকার কোন চাকরি থাকলে করব । - ঠিকআছে আমার গাড়ির ড্রাইভার এর পদ টা দিবো কেমন । - অক্কে ... ওই ছারলা কেন জরাই ধরো । এই যে আপনার চুপি চুপি পইড়া চলে যান ... নো ডিস্টাব তা হলে কিন্তুু থানাই ধইরা নিয়া যাইব হি হি হি !! >>সমাপ্ত>The End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : #পুলিশ_গার্লফ্রেন্ড !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now