বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #পিচ্চি_ছেলে_আর_ সিনিয়র_পরী_!!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #পিচ্চি_ছেলে_আর_ সিনিয়র_পরী_!!! Writer : Pantha Shahria !!! - সবে কলেজ পাশ করে ভার্রসিটিতে উঠছি... নতুন জায়গা.. তবে আমার কাছে নতুন পুরাতন সব একই.. ছাত্র হিসেবে আমি ঝাক্কাস... না মানে ঝাক্কাস রকমের খারাপ.. তবে সকল টালেন্ট এর উৎপত্তি স্থল আমার মধ্যেই অবস্থিত.. তাই তো এখন ও লাইন চ্যুত হই নাই... খারাপ ছাত্র হলে ও পড়ার মধ্যই আছি..... মনে হয় না জীবনে কোনদিন আমি বইয়ের সাথে মিলিয়ে কিছু লিখছি পরীক্ষার খাতাই.. তবু যেন কেমন করে টপকে যাই। আমার বাপ বড়লোক.. তবে.. আমি সেই লেবেল এর গরিব... কারণ জীবনে কোনদিন আমারে পাঁচশো টাকার নোট দিছে কিনা সন্দেহ। আমার পিছনে এক টাকা খরচ করা মানে.. নাকি সব টাকা জলে ফেলে দেওয়া একি কথা... অনেক কাঠ খড়ি পুড়িয়ে ভার্রসিটিতে ভর্তি হওয়ার টাকা নিছি... মাত্র তিন মাসের থাকা খাওয়ার টাকা দিবে... তাও আবার একবারে...। কোন টেনশন নাই তাতেই চলবে.. আগে তো সব স্টার্ট করি পরে দেখা যাবে...। কপাল ভালো থাকাই প্রথমদিনই থাকার জায়গা পেয়ে গেছি... ভার্রসিটির একটা স্যারের বাড়ি, ছাঁদের উপরে,একটারুম ফ্রি আছে ওখানে থাকা যাবে... আর বেশি ভাঁড়া ও না। বাহ সব ফিটফাট....কাল থেকে ক্লাস শুরু... অযথা খাবার খেয়ে টাকা নষ্ট করা যাবে না... মান সম্মত সব খাবার খেতে হবে.. যেগুলোতে ভিটামিন, শক্তি, ক্যালারি এক সাথে সব থাকবে...। ওহহহহহ বসে থাকা যাবে না... এখনি সব কিছুর একটা লিস্ট করা দরকার....। লিস্টটা তৈরি করে দেওয়ালে লাগিয়ে দিলাম। সব কমপ্লিট... এখন একটা ঘুম দিতে হবে...। এক ঘুমে পরের দিন সকালে... লিস্ট এ গিয়ে দেখা... এখন কলা খাবার সময়... কলা আর রুটি নিচে থেকে নিয়ে আসলাম.. খেয়ে দেয়ে ভার্রসিটির দিকে রওনা দিলাম... ওহহহহ এত্ত রোদ কেন... অনেক শক্তি খরচ হচ্ছে... লিস্ট এ তাহলে আরো একটা জিনিস যোগ করতে হবে... তাঁর মানে হলো.. কলেজে যেতে যেতে প্রতিদিন একটা করে শক্তি প্লাস খেতে হবে.. তাহলে শক্তি টা অটুট থাকবে.. যেই ভাবা সেই কাজ.. বাচ্ছা দের মতো কাঠের কাঠিটা দিয়ে খাচ্ছি আর ভার্রসিটিতে ঢুকতেছি... সবাই কেমন হা করে তাঁকিয়ে আছে আমার দিকে... দূর যে যার মতো তাঁকিয়ে থাকবে আমার কী...। এমন ভাঁবে কয়েক দিন গেলো। আবারো ঠিক সেম ভাঁবে শক্তি প্লাস খেতে খেতে যাচ্ছি...। হঠাৎ সামনে দেখি একটা বড় আপু দাঁড়িয়ে আছে... দেখতে তো জটিল... কী যে পড়ে আছে.. আমি জীবনে দেখিই নাই নাম বলমু কেমনে । আমি ডানে যাচ্ছি তো সে ও ডানেই যাচ্ছে.. আমি বামে যাচ্ছি তো সে ও বামেই যাচ্ছে.. ওহহহহহ মহা ঝামেলা তো, এমন অযথা হাঁটলে আমার সব শক্তি অযথা নষ্ট হবে। - আপু আমাকে কিছু বলবেন। - হাতে ঐটা কী? - শক্তি প্লাস... হেঁটে হেঁটে আসি তো শক্তি যুগানোর জন্য .. হি হি..। - একটা থাপ্পড় দিমু। - কেনো... আমি তো আপনাকে কিছু বলি নাই। - না কিছু বলোনাই ঠিক আছে... তবে এই সব কী খাও প্রতিদিন। - মাত্রই তো বললাম। - তো ছাগল... এইটা ভালো করে পড়ো, এটা তিন থেকে বারো বছরের বাচ্চাদের কাজে লাগবে। - ওমা তাই তো.... তাহলে কী এতদিন শুধু বেকার খাইলাম... আচ্ছা বাচ্ছা আর পিচ্চি তো একই তাই না। - হুমমমমমমমমমমম। - তাহলে.... ঠিকআছে উপকার এই লাগছে। - মানে। - আরে সবাই বলে... আমি নাকি পিচ্চি.. আর এইটা তো বাচ্ছা আর পিচ্চিদের জন্যই তৈরি। - ওহহহহহহহহহহহহ.... এখানে দেখো তিন থেকে বারো বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের জন্য...। - কী আর করার এতদিন তো খেয়েই ফেলছি...। - হুমমমমমমম..কালকে থেকে আর যদি খাইতে দেখি.. তাহলে ঘুসি দিয়ে নাক ফাঁটিয়ে দিবো... মনে থাকে যেনো। - আচ্ছা ওকে...। কী মেয়ে আজব তো.... রাতে শুয়ে শুয়ে... গান গাইতেছি আর রেকর্ড করছি... হায় হায় ভয়েজ তো মোটা হয়ে গেছে.. এখন কী করবো। বুচ্ছি কিছুদিন আগে পান খাইছিলাম তাই হয়তো জিব্বা মোটা হয়ে গেছে... ছোট বেলাই পান খাইতে চাইলে দাদি বলতো পান খেলে জিব্বা মোটা হয়... কেনো যে সেদিন পান খেতে গেলাম দূর....। বুচ্ছি এখন চিকন করতে হলে... লজেন্স খেতে হবে... লজেন্স এ বেশি কাজ হবে না ললিপপ এর ডাট ধরে জোরে জোরে চুষতে হবে..... তাহলেই কাজ হয়ে যাবে। পরের দিন আবার ললিপপ খাইতে খাইতে... ভার্রসিটিতে যাচ্ছি...। আবার দেখি সামনে ঐ আপুটা। - ঐ তুমি কোন ক্লাসে পড়ো। - আমি তো অনার্স ১ম বর্ষ। - দেখেতো মনে হয় ক্লাস থ্রি এর বাচ্চা.. কী শুরু করছো কী হুমমমম। - আমি আবার কী করলাম। - মুখে ঐটা কী শুনি। - ওহহহহহহ এটা তো ললিপপ.. জিব্বা মোটা হয়েছে তো তাই ললিপপ চুষে চুষে চিকন করছি হি হি হি। - বাহ্ বাহ্ খুব সুন্দর বুদ্ধি তো। - হুমমমমমমমমম... আমার অনেক বিদ্ধি... খোঁসা সহ বাদাম খাই তো তাই... তুমি ও খোঁসা সহ বাদাম খাবে তোমার ও আমার মতো বুদ্ধি হবে। - আমার বুদ্ধি লাগবে না... নাম কী? - নাম আবার কী বুদ্ধির নাম বুদ্ধি... আচ্ছা এটা ছাঁড়া ও কী অন্য নাম আছে। - ছাগল তোমার নাম কী? - আমার নাম সাহরিয়া.. আর ছাগল নামটা ও কিন্তুু তুমি অনেক সুন্দর করে বলো হুমমম। - ঐ আবার জিহ্বাই কামড় দিলে কেনো শুনি। - সরি....। - সরি কেনো। - তোমাকে না সেই প্রথম থেকে তুমি করে বলছি.... না মানে আপনাকে। আসলে আমার সবাইকে তুমি বলে অভ্যাস তো তাই। - হি হি... বোকা ঠিক আছে তুমিই বলো। - আচ্ছা তুমি কোন ক্লাসে পড়ো... আর তোমার নাম কী শুনি। - আমার নাম হলো নিধি... আর আমি তোমার এক ধাপ উপরে....। - হুমমমমম সেটা তো প্রথন দিনই বুঝছি... আচ্ছা এত ছেলে থাকতে আমার সাথেই কথা বলছো কেনো। - এখানে তো সবাই বড়ো... আর তুমিই এক মাত্র বাচ্চা, পিচ্চি তাই । - আচ্ছা আমি অনেক কিউট তাই না। - হুমমমমম হনুমানের মতো..হি হি। ঐ তোমার ক্লাস নাই। - ক্লাস দিয়ে কী হবে... আমি তো সব কিছু আমার নিজের মতো বুঝি... আর তোমার হাঁসিটা কিন্তুু একদম। - কী একদম। - একদম আমার মতো হি হি হি। - ঠিকআছে চলো কফি খাবো। - না...... কুসার এর রস খেঁতে পারি...। - ঠিকআছে চলো...। - আহা... কী সুন্দর পেঁটটা ঠান্ডা হয়ে গেলো... আর দেখছো বিশ টাকাই সব কমপ্লিট। - হুমমমমমমমমমম। সেদিন এর মতো বাসাই....। এই দিকে টাকা ও শেষ হয়ে আসছে.. কী যে করি... আর আমি যেই লেভেল এর স্টুডেন্ট.. কোন টিউশানি ও পারো না... কী যে করি। পরের দিন চুপ চাপ বসে আছি... - কী ব্যাপার পিচ্চিটার মুখে আজকে কোন হাঁসি নাই কেনো (নিধি)। - মনে হয় আর থাকা হবে না। - কেনো। - টাকা শেষ... আর আমার আব্বা ও যে এক কথার মানুষ... জীবনে ও আমাকে টাকা দিবে না... কী যে করি.. টিউশানি ও করতে পারবো না। - কেনো শুনি....। - আমার লাইন এ চললে... সব বাচ্চা.. ওহহহহ কী যে করি। - আচ্ছা.. সাহরিয়া... একটা কাজ যদি করি কেমন হয়। - কী কাজ। - তুমি সব থেকে কোন জিনিস টা ভালো পারো। - আমি দৌঁড়াতে পারি ভালো...। - অন্য কিছু...। - রুবিক্স কিউব মিলাতে পারি.. আর মোবাইল টিপটে পারি...। - ওহহহহহহ ভালো কিছু পারো না...। - হ্যা আর একটা জিনিস পারি... কম্পিউটার এর সব কাজ পারি... সব কিছু খুলে ৫ মিনিট এ সাজাই দিতে পারি... না মানে বাড়িতে আগে সব সময় কম্পিউটার নিয়ে পরে থাকতাম তাখনই সব শিখছি। - ওয়াও... তাহলে কাজ পেয়ে গেছো... তিন হাজার টাকা মাসে... আর আমি দিবো দুই হাজার... পাঁচ হাজার হলে চলবে না। - আরে কাজটা কী? - কালকে থেকে... আমাকে কম্পিউটার শিখাবা...। - কোথায় শিখাবো...। - আমাদের বাসাই..... এসে শিখাবা পাগল। - ওকে.... আর একটা কথা....। - আবার কী কথা....। - আমাকে এক বেলা খেতে দিতে হবে। - হা হা.. দুই বেলা দিবো চলবে। - হুমমমমমমম.... এতেই অস্থির পাগলি.... হায় হায় সরি ভুলে পাগলি বলে ফেলছি। - আচ্ছা ঠিকআছে পাগল... তাহলে কালকে থেকে আসবা কেমন। - যাবো তো কিন্তুু... কখন যাবো.. বিকেলে তিনটার দিকে। - আচ্ছা ওকে....। পরের দিন ঠিকানা মতো গেলাম.. কলিং বেল দিলাম...। দরোজাটা খুললো নিধি...। বাহ্ নীল ড্রেস পড়েছে.. দেখতে যা লাগছে না... পুরাই প্রজাপতি। - ঐ হা করে দেখবা নাকি ভেতরে আসবা। - হুমমমমমমমমম.. আসছি তো... বাট চোখ দুইটা খালি তোমার দিকেই যাচ্ছে...। - কী বললা....। - না না কিছু না চলো....। - হুমমমমমমমমম। ভেঁতরে ঢোকার পরে মনে হলো... এক শীতল পরিবেশে চলে এসেছে.. অদ্ভুত এক সুঘ্রাণ কেন যেন পাগল করে দেওয়ার মতো। বাহিরে থেকে সেমনটা সুন্দর লাগছিলো বাড়িটা ভেঁতরে ঢুকার পড়ে তাঁর চাইতে হাজার গুণ সুন্দর। আমি কখন ও কোন বাড়ির এমন সুন্দর্য দেখি নি..... ওই সব বাদ দিয়ে... নিধির সাথে গল্প করতে লাগলাম আর... কম্পিউটার শিখাতে লাগলাম....। কিছুদিন পড়ে এক ফ্রেন্ড বললো.. কিরে প্রতিদিন বিকেলে তুই কই যাস... তিনটার পরে আর তোর কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না.... তাঁকে বললাম আমি উমুক জায়গায় নিধিকে কম্পিউটার শিখাতে যাই....। - নিধি আবার কে.... আর কোন জায়গাতে যায়....। - আরে সালা... ঐ যে সামনের যেই তিন মাথা আছে তাঁর ডান সাইটে যে রাস্তাটা গেছে... তাঁর একটু সামরে যেয়ে হাতের ডান পাশে যেই বাসাটা ওখানে। - আমাকে পাগল পাইছিস তাই না... সামনে আবার কই তিন মাথা.. সামনে তো দুই মাথা। - ওর কথা শুনে কিছুটা খটকা লাগলো। ওকে কিছুই বললাম না। সেদিন আবার নিধির কাছে গেলাম....। - নিধি তোমাকে আমার কিছু কথা বললার আছে। - সাহরিয়া তোমাকে ও আমার কিছু কথা বলার আছে। - আচ্ছা বলো...। - সাহরিয়া আমি একটা পরী... আমার মানুষদের খুব ভালো লাগে তাঁদের জীবন যাপন করা, চলা ফেঁরা সব কিছু... আমি মানুষদের মাঝে থাকতেই ভালোবাসি...। তাই আমাদের পরীদের রাণী আমাকে একটা অফসান দিছে.... যদি কোন মানুষ আমাকে দেখতে পায়... তাহলেই আমি মানুষদের সমাজর বসবাস করতে পারবো.. আর সেই শুধু আমাকে দেখতে পাবে... আমার কপালটা অনেক ভালো তাই তোমার মতো একজন কে আমি পেঁয়েছি, তুমি যেদিন মারা যাবে আমি ও সেদিনই মারা যাবো... সাহরিয়া আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি... জানি এই সব শুনার পরে তুমি আর থাকবে না... আর এটাই সত্যি। আমি একশো বছর ধরে সবার সামনে যাই কেউ আমাকে দেখতে পায় নি.. এক মাত্র তুমিই আমাকে প্রথম দেখছো... সেদিন আমি ও খুব অবাক হয়েছিলাম... তুমি আমাকে স্পর্শ ও করতে পারবে... আমি তোমার কোন ক্ষতি করবো না, শুধু তোমার সাথে একটা থাকতে চাই..... এই কথা কাউকে বলো না প্লিজ। - সেদিন কী যেনো মনে করে ওখান থেকে দৌঁড়ে চলে আসছিলাম... আর ভাবছি... তাইতো সেদিন কুসার এর রস খেয়ে বিশ টাকা দিতে যেয়ে দোকানি কেন ওমন ভাঁবে আমার দিকে তাঁকালো। কিছুই বুঝতেছি না... তবে শুধু নিধির মুখটাই চোখের সামনে ভেঁসে উঠছে.. নিশ্চয় সে আমার জন্যই এসেছে.. তা না হলে তো এতদিনে অন্য কেউ ওকে দেখতে পেত... না ও যাই হোক না কেনো নিধিকেই আমার চাই.. আমি তো দেখতে পাবো আর স্পর্শ করতে পারবো... তাহলেই হবে। অন্য কারো দেখতে হবে না। পরের দিন সকালে উঠে নিধির বাড়িতে দৌঁড়ে গেলাম। কলিং বেল দিতেই.. দরোজাটা খুলে গেলো.. দেখলাম আমার পরীটা দাঁড়িয়ে আছে... কোন কিছু না বলেই জরিয়ে ধরলাম। - কোনদিন আমাকে ছেঁড়ে যাবে না তো। - পাগল ছেঁড়েই যদি যাবো... তাহলে এতদিন অপেক্ষা করলাম কেন হুমমমমমমম। - আমাকে অনেক ভালোবাসবে তো.... - হুমমমমমমম অনেক। - আচ্ছা পরী আমি কী তোমাকে পাপ্পি দিতে পারি। - না শুধু আমি তোমাকে দিতে পারবো.... হি হি হি হি। - কেনো. - গাধা স্পর্শ করতে পারলে পাপ্পি ও দিতে পারবা বুঝলা। - হুমমমমমম.... তাহলে একটা পাপ্পি দেই...। - ওকে....। - উমমমমমমমমমমমমমমমমম মমমমমমমম্মা...... কোন টেনশন নাই আমি ছাঁড়া আর অন্য কেউ দেখতে পাবে না হি হি হি।।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : #পিচ্চি_ছেলে_আর_ সিনিয়র_পরী_!!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now