বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : কমিশনারের মেয়ের সাথে প্রেম !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (guest) (০ পয়েন্ট)

X গল্প : কমিশনারের মেয়ের সাথে প্রেম !!! Writer : Pantha Shahria !!! - সকালে আব্বার চিল্লানিতে ঘুম হয় না, আর বিকেলে ওই হারামি ফ্রেন্ড গুলা জ্বালাই ঘুম হয় না। ফোন অফ করে রাখছিলাম শয়তানের বাচ্চা গুলা জানালাই এসে ডাকতে শুরু করে দিছে। মেজাজটা কেমন লাগে ,, বহু কষ্টে চোখ দুইটারে ঘোড়া বুঝ দিয়ে ঘুমাই ছিলাম আর সেই ঘুমটা হারামিরা নষ্ট করে দিছে। কী আর করার এই সব আমারই শিক্ষা,,, কিন্তুু কথায় আছে ওস্তাদের মাইর শেষ রাতে আমি ও সালাগো ঘুমের বারোটা না পুরাই চব্বিশটা বাজামো। - চোখ ঘুসতে ঘুসতে গেলাম জানালাই.... । - ঐ তুই এখন ও ঘুমাইতেছিস (সজিব)। - হারামি ঘুমাতে দিলি কই মাত্র একটু হেলান দিছি। - বাহ্ ৪ ঘন্টা যদি তোর হেলান দিতেই লাগে... ঘুমাইলে যে কত ঘন্টা লাগবে আল্লাহ্ জানে (রাজু)। - ঐ চুপ করে এখন বল কীইইই হইছে, এত চিল্লাফাল্লা ক্যান করতেছিলি। - আরে ভাই আজকে আমাদের এলাকার সাথে পাশের এলাকার দাবা খেলা আছে, আর আমাদের পক্ষ থেকে তুই খেলবি মাম্মা। - কসসসস কী হালাই আগে বলবি তো নাকি,,,,,, চটপট রেডি হয়ে বেড়িয়ে পড়লাম। আসলে ভাই এই দাবা খেলা ক্যান যে আমারে টানে বুঝিনা,,,, দাবা হইলে তো আর কিচ্ছু লাগবে না... । শুধু আমার সাথে খেলার মতো ঠিকঠাক একটা মানুষ চাই।। তো যথাক্রমে খেলা শুরু হল.... । সবাইরে টপাটপ হারাই দিলাম,, হঠাৎ হুই হুই হুই করতে করতে একটা পুলিশের গাড়ি আসলো। আমরা সবাই নিজের মতো খেলে যাচ্ছি.... গাড়ি থেকে একটা পুলিশ নেমে এসে বলল। - এই এখানে কী চলতে শুনি। - কিছু না স্যার আমরা দাবা খেলছি (রাজু) । - তো এত জন মিলে। - না স্যার দাবা খেলার টুর্নামেন্ট চলছে তো তাই। পুলিশটা গাড়িতে গিয়ে কী যেন বলল,,, আরো একটা পুলিশ নেমে আসলো, মনে হয় ওনি সবার হেড। কমিশনার টাইপ এর। মনে মনে ভাবছি কী যুগ আসলোরে ভাই দাবা খেললে ও আজকাল পুলিশে ধরে। - তো এখানের রাজা কে। - সব সালা আমার দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে আছে, আর আমি আসল রাজার দিকে আঙ্গুল দিয়ে আছি,,,,, এবার মনে হয় আমার লকাপে যে হয়। - তো ইয়াং ম্যান চলো আমার সাথে একবার হয়ে যাক। - না মানে কী বলছেন স্যার, আপনি কত বড় মাপের মানুষ আপনার তুলনাই আমি কই, আপনার সাথে কেমনে পাড়ব বলেন। - হা হা হা আমার সাথে খেলতে সবাই ভয় করে... কী রফিক সাহেব আপনি খেলবেন নাকি আমার সাথে। - না না স্যার । - তো ইয়াং ম্যান দাবা নিশ্চয় ভালো খেল। - এই তো একটু আকটু স্যার। - ওকে আমার সাথে যেহেতু পাড়বা না আমার মেয়েকে হারিয়ে দেখাও দেখি। - এই লোকের শখ আছে বলতে হবে, আর মনটা ও ঝাক্কাস না হলে এত গুলো পুলিশকে দাঁড়িয়ে রেখে কেউ দাবা খেলতে নামে। মেয়েটা কেমন আল্লাহ জানে। - নীলা মা কই একটু নেমে আয় তো। - জ্বী বাবা আসছি। - যে মেয়ের ভয়েজ এত মিষ্টি দেখতে না জানি কেমন। মন হয় তার ভয়েজ শুনরে এমনি মেঘ গুলো গলে বৃষ্টি হয়ে পড়বে। আমি তো সেই গাড়ির দিকেই তাকাই আছি, একটু পড়ে একটা........................ দূর এইটা মেয়ে না অন্য কিছু, পুরাই পোলাগো মতো, কী সব ছেঁড়া প্যান্ট পড়ে আছে আর একটা শার্ট। দেখতে পুরাই গুন্ডা গুন্ডা , কিন্তুু ভাই নামের সাথে চেহারা ও ঝাক্কাস , কী সুন্দর চুল, মনে হয় দৌড়ে গিয়ে টেনে দিই, কেমন কমলা লেবুর মতো গাল দুইটা, ঠোঁট দুইটা তো স্টবেরি। পুরাই ফলের দোকান হি হি হি। হঠাৎ আবির পিছন থেকে লাথি দিলো। - ঐ হারামি কমিশনারের মেয়ে ওমন ভাবে তাঁকাইলে সিওর আমাগো সবার ক নসিবে জেলের ভাত আছে। - দূর সালা তাই বলে এমন ভাবে লাথি দিবি। - নীলা তুই এই ...... আচ্ছা তোমার নাম কী? - সাহরিয়া । - কীসের বিয়া। - বিয়া না স্যার সাহরিয়া, সাহরিয়া। সালা কমিশনারের কান ও গেছে। - নীলা তুই সাহরিয়া কে হারাই দেখিয়ে দে তুই আমার কাছে দাবা শিখছিস। - ওকে বাবা। খেলা শুরু। - ওলে বাবা যে মেয়ের চাল দেওয়ার সাইজ..... এক মিনিট ও টিকবে না। অপর দিকে পুলিশ গুলারে দেখে ভয় ও লাগছে.... এই মেয়েকে যদি হারাই আজকে তাহলে আমার কপালে দুঃখ আছে। তাই মন্ত্রী ঘোড়া, হাতি, নৌকা সব খেতে দিয়ে ইচ্ছে করেই হেরে গেলাম,,,,,, জীবন থাকলে বহু খেলে জিততে পারমু। ওরে বাবা মেয়ে আর বাপের আনন্দ গাছে ধরে না, তাঁর সাথে পুলিশ বাহিনী গুলার ও। - সবাই মনযোগ দিয়ে শোনো, আমি এখানের নতুন কমিশনার আর এটা আমার এক মাত্র মেয়ে নীলা, আমরা আজ থেকে এই এলাকাই থাকবো, আর সবাই ভালো হয়ে থাকবে। আর হ্যা দাবা ও চালাই যাও হা হা। - অফিসার চলো। - জ্বী স্যার চলেন। কী খেলা কী করে দিয়ে চলে গেল। - সাহরিয়া ঐ মেয়েকে এমন করে জিতাইলি ক্যান। - ওরে হারামি, যখন বলল এখানের রাজা কে খুবতো দাঁত কেলিয়ে হাতটা আমার দিকে দেখিয়ে ছিলি, ওই মেয়ে কে না জিতাইলি না আমি লকাপে যেতাম, হেরে গিয়ে যদি বাপে সামনে কান্না করত। - আর যাই বল, মেয়েটা কিন্তুু একদম বুকের সাথে লেপটে রাখার মতো। তারপরে থেকে মেয়েটার পিছনে ঘোরা শুরু। বাট কেমনে যে কথা বলি আশেপাশে গেলেই ভয় লাগে। হঠাৎ একদিন।।। - এই যে নীলা শুনছো। - কেমন রেগে কাছে আসলো। - কীইইইইইই। - না মানে কিছু না (মনে হয় গলাটা কেউ টিপ্প দিয়ে ধরছে)। - ঐ যা বলবা সোজাসুজি জোরে বলবা। - না মানে একটা কথা বলছিলাম, সেটা হলো গিয়ে। - হুমমমমম কী কথা। - কী যে বলি.... পকেটে একটা কলম ছিলো,,,, ওটা এগিয়ে দিয়ে বললাম এটা তোমার সেদিন ফেলে আসছিলে.... বলেই দৌড়। - ওহহহহহ কী বাঁচাটাই না বাঁচলাম রে ভাই। এবার একটু সাহস হইছে। - সকালে ওদের বাসার সামনে দাঁড়াই আছি, আমি জানি ওর বাবা এখন বাসাই নেই। নীলা বারান্দাই আসলো। - ঐ এখানে কী করো। - না কিছু না.... নিচে আসো তোমার বাবা তোমার জন্য চকলেট পাঠিয়েছে। আগের থেকেই চকলেট কিনে রাখছিলাম। - হুমমমমম দাও। - চকলেট দিয়ে ওর বাবার আসা শব্দ পেয়েই দৌড় দিলাম। এই মনটারে হাতে কাছে পাইলে শুধু থাপড়ানি দিতাম আর থাপড়ানি দিতাম। ভালো লাগার আর মাইয়া পেল না। কী ভয়েই না থাকতে হয়। ভালবাসার কথা তো বাদ ঠিকঠাক কথা বলতে ও ভয় লাগে। এমন করে ছয় মাস চলে গেল। একটা কিছু ওছিলা নিয়ে যাই আর দিয়েই দৌড়, নীলা ও কিছু বলে না, আমাকে দেকলেই শুধু হাঁসে। এমনি একদিন আবার... - নীলা একটা কথা আছে শুনবা। - হুমমম সেই ছয় মাস থেকে তো শুনেই আসছি, আর কত মিথ্যা ওছিলা দিবা শুনি। - এই যা ধরা খেয়ে গেছি। না না আজকের এটা মিথ্যা না হুমমম একদম সত্যি কথা। - তো শুনি কী কথা। - আসলে মনে হয়ে নীলা। - এ গুলোই কী কথা। - না না এই সব কথা হবে কেন। - তো কী সব কথা শুনি। - তাহলে বলেই ফেলি কেমন। - হুমমমম তাই ভালো। - তোমারে প্রথম যেদিন ছেঁড়া প্যান্ট এ দেখছি না, ঠিক সেদিন থেকে আমার গাধা মনটা তোমারে পার্মানেন্ট ভাবে সেভ করে নিছে, অনেক মুছার চেষ্টা করছি জানো, বাট কোন লাভ হয় নাই, এখানে আমার কোন দোষ নাই দিতে হলে মনটারে জেলে দিও। আমি যেদিন থেকে ছেঁড়া প্যান্ট দেখছি ঠিক সেদিন থেকে ভাবতাম আহা আমার যদি একটা বউ এমন ছেঁড়া প্যান্ট ওয়ালী হইতো। আসলে আমার কিছু করার নাই আমি তোমাকে ভালবাসি I LOVE YOU। আর আমি সাহরিয়া ।। বলেই এমন জোরে দৌড় দিছি। ১৫ দিন পরে বাসাই আসছি এতদিন নানুর বাসাই গেছিলাম ভয়ে। বাসাই আসতেই বাবা বলল। - তোরে এতো পুলিশ খোঁজে কেন কী করছিস সত্যি করে বল। - ঠিক যা ভাবছি তাই। বাহিরে যেতেই। - ভাই তোরে নীলার বাবা পাগলের মতো খুঁজতেছে। আমাকে বলছে তুই যদি নিজের ভালো চাস তারাতারি নীলাদে বাসা গিয়ে ওর বাবার সাথে দেখা করিস। - নিজের মাথাই নিজেই থাপ্পড় দিতে মন চাচ্ছে। ক্যান যে বলতে গেলাম দূর। ভয়ে ভয়ে নীলাদের বাসাই গেলাম, দরোজা খোলাই ছিল, আর নীলার বাবা সোফাই বসা ছিল। আমাকে দেখতে পেয়ে মনে হলো খেয়ে ফেলবে। সোফাই বসতে বলল। চুপচাপ বসে আছি। - খুব পাখনা গজিয়েছে না তোমার, একবারে যাবৎ জীবন জেল দিয়ে দিবো, আমার সাথে বেয়াদবি, আবার আমার মেয়েকে কষ্ট দাও। এর মধ্যেই এক এস আই আসলো। - স্যার ব্যাটাকে লকাপে নিয়ে যাবো। - রফিক সাহেব ভালো ভাবে কথা বলুন। - ওকে স্যার। কিচ্ছু বুঝলাম না। - তো এতদিন কই ছিলে। - স্যার আমাকে মাফ করে দিন আমি নীলার কাছে থেকে মাফ চেয়ে নিবো, আমার ভুল হয়েছে স্যার আমি আবেগে ওকে বলে ফেলছি। - আরে বোকা মেয়েটা আমার তোমার জন্য এতদিন কত কষ্ট করছে জানো, আর কোনদিন যদি ওকে কষ্ট দাও সোজা জেলে যাবে। নীরা ছাঁদে আছে ওর সাথে দেখা করে এসো যাও। বলতে যা দেরি দৌড়ে চলে গেলাম। - ওমা সত্যি তো পাগলিটা অনেক শুকাই গেছে। আর ছেঁড়া প্যান্ট পড়ে আছে। দেখতে না সেই লাগছে, আমি ওর কাছে যেতেই ঠাসসসসসসসসসস করে একটা চর। - ওহহহহহহহ। কোন কথা বলছে না, ভাবছি চর দিয়ে হয়তো কোন কথা বলবে। - আরে বাবা আমি কী করব আমি তো ভাবছি, তুমি তোমার বাবাকে বলে দিবা, তার ভয়ে তো আমি এতদিন লুকাই ছিলাম। ওমনি আমাকে জরাই ধরে কাঁদতে লাগলো। - আমি কত তোমাকে মিস করছি জানো, তোমান পাগলামি গুলো, কত যায়গায় খুঁজছি তোমাকে আমি। আমার কত কষ্ট হইছিল, আরে বোকা বলার হলে তো আরে ছয় মাস আগেই বলে দিতাম। তোমার মনটা যে গাধা তুমি ও ঠিক তেমন একটা গাধা বুঝলা ।। - হুমমমমমম একদম ঠিক বলছ, তা না হলে কী এমন ভয়ে ভয়ে থাকতাম। আচ্ছা থাক বাদ দাও। একটা কথা বলব। - কী আবার। - ওমনি একটা পাপ্পি দিলাম। - ঐ কী হল এটা। - না মানে এটাই বলার ছিল হি হি হি। - বেয়াদব একটা। - হুমমমম ,,, তাই তো একটা ছেঁড়া প্যান্ট ওয়ালী বউ পাইছি।।। হি হি হি হি।।।।। >>সমাপ্ত The End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : কমিশনারের মেয়ের সাথে প্রেম !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now