বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প : #কিউটুস_গার্লফ্রেন্ড !!!
Writer : Pantha Shahria !!!
- হ্যালো... বাবু.. কী করছো ।
- এই তো রাফির আম্মু বসে
বসে তোমার নাকের কথা ভাবছি।
- কী বললি আমি রাফির আম্মু মানে।
- তুমিই তো আমাকে বাবু বললা..
আর আমাদের পাশের বাসার পিচ্চি রাফি আছে না ওর বাবার নামই
তো বাবু।
তাই তো তোমাকে রাফির আম্মু বললাম।
- আজাইরা প্যাঁচাল পারস তাই
না।
- কই আজাইরা প্যাঁচাল পাড়লাম,
তুই বলো যদি আমি বাবু হই তার মানে আমি
রাফির বাবা, আর ওর মা আমার বউ
ছি. ছি আমি ওই রাফির মারে
জীবনে ও বিয়া করতে পারমু না,
তাই তো তোমারে রাফির আম্মু বলছি
হি হি।
- শয়তার পোলা আজকে তুই খালি
আমার সামনে আয় তোরে তো
আমি মেরেই ফেলমু,
আমার কথা নিয়া মজা করিস
না।
- আরে কী করলাম আমি।
- না না কিছু না... এক্ষুনি
একটা হ্যাফপ্যান্ট পড়ে আমার
বাসার সামনে আসি।
- ছি ছি কী কইতেছ... আমি বড়
হইছি না, আর লোকে
কী বলবে বলো,
আমাকে বলা মানে তোমাকেই তো
বলা তাই না বলো।
- তুই আসবি কী না তাই বল।
- হুমমমমম এ আবার কী,,,,
তুমি বললে তো আমি হ্যাফপ্যান্ট
কেনো জাঙ্গিয়া পড়ে যাইতে
পারি হা হা হা।
- আচ্ছা তা হলে জাঙ্গিয়া পড়েই
আসো।
- ও খোদা মোর কপালে এমন
পাগলি একটা গার্লফ্রেন্ড কেনো
দিলা।
যার সাথে কথা বলতেছিলাম
ওর নাম হইল গিয়ে টুসি...
না মানে ওইটা শুধু আমার জন্য
আর ভালো নাম হইল মৌ রহমান।
মেয়ের নামের পাশে বাপের নাম
ও লাগাইছে,,, তাই তো
আমি রহমানটা বাদ দিয়ে মৌ টুসি
বলে ডাকি, এখন
আবার মৌ ও বাদ দিছি শুধু
টুসি বলে ডাকি হি হি ভালো না
বলেন.... এটার জন্য
প্রতিদিন হাজার খানেক চর থাপ্পড়
কিল ঘুসি সব খেতে হয়।
হাজার হলে ও কিউটুস গার্লফ্রেন্ড
বলে কথা।
আমি ক্যান আপনারা ও ওর
দিকে তাঁকাইলেই ক্রাস খাবেন,
যেমন মেয়ের চলন বলন, আলটাইম
থ্রিকোয়াটার আর শার্ট পড়ে থাকবে।
আর ওনার সাথে সাথে আমাকে
ওই গুলো পড়তে হয়...
রাস্তা দিয়ে গেলে আমাদের লোকে
দুই বন্ধু ভাবে,
এই দিক দিয়ে বেশ ভালই ,
আমি আবার কম কী
সুযোগ পেলেই কাঁধে হাত
দিয়ে হাঁটতে লাগি....
সো ফালিজ হি হি হি।
সত্যি তো আজাইরা প্যাঁচাল পাড়তেছি.... তাড়াতাড়ি না
গেলে কী আপনারা কিল ঘুসি খাবেন
হুমমমমমম।।
ওকে টাটা......।
ওর বাসার সামনে দাঁড়াই আছি...
- হ্যালো.... সোনা, ময়না, কবুতরি,
দোয়েল পাখি তুমি কই আই আম
কামিং.... তোমাদে বাসার সামনে।
- ওকে দাঁড়াই থাকো আমি আসতেছি।
- হুমমমমমমমমম..... তাড়াতাড়ি আসো কেমন টুসি সোনা।
- ঐ তোরে বলছি না আসতেছি।
দশ মিনিট হয়ে গেলো কোন আসার
নাম নাই।
- ঐ টুসি বুড়ি কই তুমি....
আমারে এমন রোদের মধ্যে দাঁড়াই
রাখছ কেনো।
- তোরে আসতে বলছি পাঁচ মিনিটের
মধ্যে আর তুই আসছিস ২০ মিনিট
পরে।
আমি যেহেতু ২০ মিনিট দাঁড়াই
থাকছি রোদে, তুই ও থাকবি আর
আমি ১০ মিনিট পড়েই আসবো।
- কেমন গার্লফ্রেন্ড রে ভাই, একবার
ভাবেন.... তাও কোন ব্যাপার না
মৌ এর ওমন কিউটুস চেহারা
দেখলে সব কষ্ট টাটা বলে চলে
যাবে।
১০ মিনিট পরে....
- রিয়া বাবু তোমাকে না অনেক
সুন্দর লাগছে কেমন স্টবেরি এর মতো লাল হয়ে গেছ হি হি।
- মনডা চাইতেছি কানের নিচে একটা
দেই, কিন্তুু কী আর করার এমন কিউট মেয়েরে কেমনে মারমু আমি।
এমন রোদে দাঁড়াই রেখে আবার হাঁসতেছো হুমমম।
- ঐ তোমার না হ্যাফপ্যান্ট পড়ে
আসার কথা।
- আসলে কী হইছে জানু বাবু...
তোমার মনের সাথে আমার কত
মিল জানোই তো তাই না,
ঐ দিকে চোখ গেল একবার দেখছো
দুইজন কেমন সেম ড্রেস পড়ে আসছি।
- ওকে আজকের মতো মাফ চলো
বেড়াতে যাবো।
- কী এখন।
- হুমমমমমমম।
- এই ভাবে।
- ঐ তোরে কী বিয়ে করাতে নিয়ে
যাচ্ছি হুমমমম।
- এই না না ছি ছি।
- তাহলে চলো।
- ওকে।
- রিক্সা দিয়ে দুই জন যাচ্ছি।
হঠাৎ টুসসসসসসসি বাবু,
ক্যাপ আছে তোমার কাছে।
- হুমমমমমম।
- তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলো।
- কেনো।
- সামনে বাবা।
- তো কী হইছে।
- তোমার না আমার খাঁটাস বাবা।
- ওহহহহহ তাই বলো।
- আমি ক্যাপ পড়বো না।
- তোমারে মা কইতেছি।
- কী বললা।
- না মানে সরি, একশো বার
কান ধরে ওঠ বস করবো তাও পরো
না হলে আমার বাড়ির ভাত বন্ধ
হয়ে যাবে।
- ওকে।
- ওর মধ্যেই বাবা হাজির।
- সাহরিয়া এই দুপুর বেলা কই যাচ্ছিস।
- কোথাও না বাবা,ও বলল নদী
তে গোসল করবে তাই।
- ওটা কে শুনি।
- আমার বন্ধু এই তো দুইদিন
আগে আস্ট্রেলিয়া থেকে আসছে
পরে একদিন ওকে নিয়ে যাবো বাসাই কেমন...
- আচ্ছা যা তাড়াতাড়ি ফিরিস।
- ওকে বাবা......
ওহহহহহহ বাঁচলাম...
বাবু তুমি এম ড্রেস না পড়লে
কবে যে আমার পথে নামতে
হতো।
- হুমমমমম হইছে...চলেন মামা এবার।
- হঠাৎ মুখ থেকে
বেড়িয়ে গেলো,,,, মেয়েটা কী সুন্দর।
- কী বললা তুমি।
- কই কিছু না তো হি হি।
- না আমি শুনছি বলো কী
বললা।
- না মানে মুখ ফসকে বের হয়ে
গেছে।
- তাই না, আমি বুঝে গেছি তো,
আমাকে আর ভালো লাগে না।
- আরে বাবা আমি ইচ্ছে করে বলি নাই সত্যি।
- হুমমমম থাক.... মনে যেটা থাকে
মুখেই সেটা আসে.... আজকে থেকে
ব্রেকআপ ব্রেকআপ ব্রেকআপ,,,
আর আমারে ফোন দিবা না, আর আমার পিছনে ও ঘুর ঘুর করবা না
বাই।।
আমি গেলাম...
- আচ্ছা যাবা ঠিক আছে রিক্সা ভাড়াটা দিয়ে যাও আমার কাছে টাকা নাই তো।
কী মেয়ে আজব.... কী বললামম আর ব্রেকআপ... এই দিকে সেঞ্চুরি
হয়ে গেছে আজকে দিয়ে।
তাই যাওয়া সময় একটা কেক
কিনে নিয়ে গেলাম।
আমি জানি সন্ধাই ফোন দিয়ে
বলবে,
তোর সাথে ব্রেকআপ করে লাভ
নাই।
তোরে আমাকেই ঠিক করতে হবে।
যথারীতি তাই হয়ে আসছে, আর
তাই হলো, তবে একটু কাঁদো কাঁদো
কন্ঠে।
- সন্ধাই কেক নিয়ে পাঁচিল
টপকে, ওদের পুকুর পারে
গেলাম, না পাগলিটা আমার এখন
ও আসে নাই তাই বসে বসে ফোন
দিলাম।
দুইবার কেঁটে দেওয়া পরে পিছনে
তাঁকিয়ে দেখি মৌ বুড়িটা আমার
মাথা নিচু করে আসছে।
- দেখলাম পাগলিটা কাঁদছে।
আরে বাবা আমি সরি, সত্যি আমি
বলতে চাইনি।
ওমনি কিল ঘুসি শুরু।
এর পরে জরিয়ে ধরে বলল।
- আর কোনদিন যদি ওমন বলো
তা হলো আমিই মরে যাবো,
- আর বলবো না সোনা পাখি আমার
সত্যি এই কান ধরছি পিলিজ।
- ওকে।
- ঐ পকেটে গ্যাসলাইট কেন।
- সিগরেট খেয়ে আছো তো,
ওকে ব্রেকআপ।
- আরে বাবা না আজকে আমাদের
ব্রেকআপ এর সেঞ্চুরি হয়েছে তাই
কেক নিয়ে আসছি হি হি।
- শয়তান একটা।
- চলো কেক কাটি।
- আচ্ছা চলো।।
এমন ভাবেই আমাদের খুনসুটি
ভালোবাসা চলছে... জানি না
আরো কত বার যে ব্রেকআপ হবে।
আপনারা কেক খেতে চাইলে
চলে আসুন, না থাক
পাঁচিল টপকাতে পারবেন না ।
- ঐ কাকে কী বলছো পাগল।
- কিছু না বাবু এমনি হি হি হি।।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now