বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #এতোটা_ভালোবাসি !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #এতোটা_ভালোবাসি !!! Writer : Pantha Shahria !!! - টুং টুং করে গান শুনছিলাম, আমি যেমনি হই না কেনো সব সময় ঠান্ডা গান শুনি... আমি সিওর আমি যেই গান গুলো শুনি... সেগুলো শুনলে যে কেউ একটুতেই ঘুমিয়ে যাবে... আমি ও কোন বাতিক্রম না আমি ও ঘুমিয়ে যাই.. এটাই হচ্ছিলো.. আমি যেখানে থাকি তার পাশে একটা পার্ক আছে... ঠিক পার্ক এর মাঝে বড় একটা পুকুরের পার ঘেঁসে কিছু গাছ লাগানো আছে, আর একটু পর পর বসার জায়গা করে দেওয়া আছে... যে কেউ আরাম সে ঘুমিয়ে যেতে পাড়বে। সেখানেই বসে কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনছিলাম... এর মধ্যে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নাই... হঠাৎ মনে হলো কেউ যেনো জোরে জোরে হাত দিয়ে ঠেলা দিতেছে। চোখটা খুলে দেখি একটা পিচ্চি হাতে কয়টা গোলাপ ফুল....। - ভাই একটা ফুল নিবেন প্লিজ.. আমার মা খুব অসুস্থ ঔষধ কেনার ও টাকা নাই। - দেখে মনে হলো ভালো ঘরের সন্তান, সিওর কোন একটা খারাপ অতীত আছে... পকেটে হাত দিয়ে দেখি পঞ্চাশ টাকা আছে... আচ্ছা আমি যদি তোর সব ফুল গুলো কিনে নেই কত টাকা নিবি...। - ভাই সব ফুল গুলো যদি কেনেন তাহলে বেশি না আশি টাকা দিয়েন...। - ঠিকআছে... তুই এই পঞ্চাশ টাকা নিয়ে এখানে কিছুক্ষণ বসে থাক আমা বাঁকি টাকা নিয়ে আসতেছি... আর ফুল গুলো আমাকে দে। - ঠিকআছে ভাই এই নেন...। ভাবতেছি ফুল গুলো সব বেঁচে দিয়ে ওই টাকা গুলো ও পিচ্চিটাকে দিয়ে দিবো। আমি ও ঠিক পিচ্চিটা মতোই কোন রকমে চলি, এই আর কী? - এই যে স্যার একটা ফুল নেন না অনেক সুন্দর ফুল গুলো......বেশি না মাত্র দশ টাকা দিয়েন। - ঐ কোন কাজ কাম করতে পারিস না.. এমন ফকিরের মতো আসছিস ফুল বেঁচতে। - ওকে... চলে আসছি আর ভাবছি, এই হলো আমাদের দেশের মানুষ দশ কোটি টাকা দামের গাড়ি চড়ে বেড়াই, কিন্তুু দশ টাকার ফুল কেনান মতো কোন সামর্থ্য নেই তাঁদের। হঠাৎ মনে হলো ছেলেদের থেকে মেয়েরে বেশি ফুল পছন্দ করে.... অন্য কোথাও ট্রাই করে দেখতে হবে। সামনে দেখি একটা মেয়ে গাড়ি থেকে নামলো। - ম্যাম... একটা ফুল কিনবেন... জোর করবো না.. না নিলে শুধু না বলে দেন...। - আচ্ছা দাও। - সব গুলো নিবেন...। - ওকে... সব গুলো কতো। - বেশি না এই একশো টাকা দিয়েন। - হুমমমমমমম.....ধরো। - একটা ৫০০ টাকার নোট দিলো.. ম্যাম একটা কথা বলবো। - আচ্ছা। - আমি যদি পুরোটাই নেই কোন কী প্রবলেম হবে আপনার.... আসলে মানে খুব দরকার ছিলো। আচ্ছা থাক আমি তাহলে টাকাটা ভাংতি করে এনে দিচ্ছি। - না থাক লাগবে না... রেখে দাও। - থ্যাংক ইউ ম্যাম.....। - এই নে ধর ৫০০ টাকা পাইছি... পঞ্চাশ দিয়ে কিছু খেয়ে নিস.. আর এই ৫০০ টাকা দিয়ে ঔষধ কিনিস। - ভাই আপনার মতো মানুষ হয় না...। - আরে দূর বাদ দে... নাম কী তোর। - সাহরিয়া ভাই। - কিছুটা ধাক্কা খেলাম। - আপনার নাম কী? - শুনেই আর কী করবি.. আমার নাম ও সাহরিয়া.. যা ঔষধ কিনে নিয়ে যা। পিচ্চিটা একটু দূরে গিয়ে.. আবার আমার দিকে আসলো..। - কীরে আবার কী হয়েছে। - ভাই এই পঞ্চাশ টাকা রাখেন.. আমি জানি ভাই আপনার কাছে ও আর কোন টাকা নাই.... আমরা গরীব হতে পারি কিন্তুু সবার দুঃখটা বুঝি ভাই। পিচ্চিটার কথা শুনে তো আমি অবাক হয়ে দাঁড়াই আছি... হাতে পঞ্চাশ টাকার নোট টা দিয়ে চলে গেলো। পৃথিবীর মানুষ গুলো সালা আসলেই আজিব। যা ভাবছিলাম তা আর হলো না.. না খেয়ে আর থাকতে হবে না.... এখন পঁচিশ রাতে পঁচিশ বাহ্ সুখের জীবন। - মামা দুইটা কলা আর একটা রুটি দেন। - এই নেন....। আগের ঐ ব্রেঞ্চটাতেই বসলাম... যেই খেতে যাবো এমন সময় আর একটা বুড়ো মানুষ আসলো... - বাবা দুই দিন থেকে কিছু খাই নাই কিছু খেতে দিবেন। - হুমমমমম ধরেন ... কলা আর রুটিটা দিয়ে দিলাম...। - বাবা দুইটা কলা লাগবে না একটা দিলেই হবে। - আল্লাহ্ সব মানুস কেই বড়লোক করেই দুনিয়াতে পাঁঠাইছে... কেউ টাকা পয়সা ওয়ালা বড়লোক... কেউ মনের দিক দিয়ে বড়লোক। মাথা হেলে কলাটা খেতে যাবো এমন সময় কেউ একজন বললো... - আমাকে কী কলাটা দিবেন। - মাথা হেলে থাকা অবস্থাই কলা সহ হাতটা বাড়িয়ে দিলাম। মাথাটা উপরে তুলতেই দেখি.. যেই ম্যামটার কাছে থেকে ফুল দিয়ে ৫০০ টাকা নিছিলাম সেই। - আরে ম্যাম আপনি... এই কলাটাই ভালো লাগলো। - কেনো তোমার কী সমস্যা আছে আমি কলাটা খেলে। - দূর কী যে বলেন না.... আপনি কতো বড় মানুষ.. আর এই রাস্তার কলা খাবেন। - হুমমমমমমম খাবো.... আচ্ছা তোমার নাম কী? - সাহরিয়া। - বাহ্ ভালো... সাহরিয়া জানো আমি এত দেশ ঘুরছি তোমার মতো এমন একটা ও মানুষ দেখি নাই। - দূর কী যে বলেন না ম্যাম... সব মানুষ ভালো.. শুধু একেক জনের কাছে একেক জনকে ভালো লাগে। - এতো কিছু বুঝি না তবে তোমার মতো কেউ হবে না... আর হ্যা আমাকে ম্যাম বলার কিছু নেই। - তাহলে কী বলবো। - আমাকে নিধি বলে ডাকতে পারো... আর আমি তুমি সেম এইজ এরই হবো...... আচ্ছা কী কাজ করছো এখন। - কাজ.. এই দেশে তাও আবার আমাকে.. দিবে কে...। - কেনো। - সব খানে টাকা লাগে ম্যাম.. আর আমার খাবার টাকা নাই.. এতো টাকা কই পাবো। - কত পর্যন্ত পড়েছো...। - কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং দুই বছর পড়ছি তার পরে আর টাকা অভাবে পড়তে পারি নাই.... শুধু সার্টিফিকেট টা নাই... তবে কারো থেকে কম না.. মুখের কথাই তো আর কেই চাকরি দিবে না... বাদ দেন ওই সব। - তোমাকে দেখেই বুঝছি.... তাই তো ফলো করছিলাম.. যে কী করো দেখার জন্য... আচ্ছা এখান থেকে যেয়ে কী করবা। - জানি না... সব মানুষের উপরে.. কেউ কোন কাজের জন্য ফোন দিলে, ওখানে গিয়ে কাজ করবো... পেঁটটা তো চালাতে হবে ম্যাডাম.. এটার জন্যই তো কী না কী করা। - ঐ তোমারে না বলছি ম্যাম, ম্যাডাম বলবা না। - ওকে। - আচ্ছা আমি যদি জব দিই। - হি হি ফাজলামি করছেন তাই নাই...। - আরে ফাজলামি না সত্যি..। - দূর বাদ দেন... এর আগে ও অনেকে বলছে.. তবে দুই দিন পরে আর যা তাই। - ঐ আমারে দেখে কী মনে হয় হুমমমমমম। - আচ্ছা কী জব দিবেন শুনি। - এই আমার সাথে থাকবা এইটাই.. মাসে কত টাকা নিবা বলো। - যা ইচ্ছা.....। - ওকে.....কখন থেকে কাজে জইন করবা বলো। - এখন থেকেই...আমার আবার কে আছে তাই কাকে বলবো। - আচ্ছা চলো.... গাড়িতে উঠো.. রফিক ভাই চলেন। - এত্ত বড় বাড়িতে তুমি থাকো। - হুমমমমমমমম... ভিতরে এসো। - আচ্ছা আমি যাইতেছি একটু পড়ে তুমি যাও। - ওকে......! - এই যে রফিক ভাই শুনেন। - জ্বী বলেন। - আচ্ছা তোমার নিধি ম্যাডাম এর সম্পর্কে কী একটু বলবা...। - আরে মিয়ে তার মতো মানুষ হয় না.... ওনি আমাকে ও রাস্তা থেকে নিয়ে এসে চাকরি দিছে... তবে তোমার কপাল অনেক ভালো... এতো মানুষ কে নিয়ে এসেছে কাউকে তার কাছে থাকার চাকরি দেই নাই... কিন্তুু তোমাকে তো এক দিনেই নিজের কাছে নিয়ে নিছে..। - আচ্ছা ওনার বাবা মা কই। - ওনার মা নেই... বাবা কাজের জন্য আমেরিকা থাকে... আর ওনি এখানের সব দেখা শুনা করে। - আচ্ছা ওকে ঠিকআছে.....। - সাহরিয়া... রফিক ভাইয়ের কাছে থেকে কী শুনলা। - না মানে.... মালিকের সম্পর্কে একটু না জানলে হয় নাকি...। - বাহ্ ভালো...তো কী জানলে...। - সব ঠিকআছে.. তবে..একটা জিনিস খটকা লাগছে। - কী খটকা শুনি...। - না মানে.. সবাই কেই কোন না কোন কাজ দেন... আর আমাকে একবারেই নিজের কাছে রাখছেন এইটা..। - পরে সময় হলেই সব জানতে পারবা.. এবার যাও ফ্রেশ হয়ে আসো। - ওকে... কিন্তুু ম্যাডাম.. আমার তো অন্য কোন কাপড় নাই। - ঐ বলছি না ম্যাডাম বলবা না...। - ঠিকআছে বাট পড়মু কী। - এখন পড়তে হবে না....। - কীইইইই..... প্যান্ট খুলে থাকবো নাকি। - ওহহহহহহহ গাধা সেটা বলছি নাকি... এখন এই গুলোই একটু পড়ে থাকো.. বিকেলে শপিং এ গিয়ে সব নিও। - আমার কাছে তো টাকা নাই। - আমার কাছে আছে... এবার হইছে। - হুমমমমমমম... তবে একটা কথা আছে। - কী....? - ঐ যে রফিক ভাই আছে না... তারে অন্য কাজে লাগাই দাও। - কেনো। - বসে বসে তো আর খেতে পারবো না.. আমি ড্রাইভ করতে পারি...রফিক ভাইয়ের সামনে আপনারে তুমি বলতে সরম করে। - আচ্ছা ঠিকআছে.. এবার যাও ফ্রেশ হয়ে আসো। বিকেলে মার্কেট এ যাচ্ছি...। - আচ্ছা ম্যাডাম আপনা প্রেমিক আছে.... ও সরি সরি আচ্ছা নিধি তোমার প্রেমিক আছে। - কেনো শুনি.....। - না এমনি..... না বললে থাক। - আরে হুমমমমমমম আছে তো...। - সত্যি.......। - হুমমমমম।।। - কে............ সেই সৌভাগ্যবান। - পড়ে বলবো...। এবার নামো....। - ও মা গো .. এতো বড় মার্কেট... এটার মালিক এর অনেক টাকা তাই না। - হুমমমমমমম..... ভেঁতরে যাবা নাকি বাহিরেই থাকবা। - ওকে চলো....। - কোন গুলো নিবা....। - একটু শুনো....। - বলো..। - এক একটার দাম দেখছো...পাঁচ হাজার টাকা.... সব গুলো চোর.. এই সব প্যান্ট আমাদের ওখানে পাঁচশো টাকায় পাওয়া যায়। - সাহরিয়া.... মাইর খাবা কিন্তুু...। এই সব গুলে প্যাকেট করে দেন, শার্ট প্যান্ট সব। - ঐ সব গুলোর দাম জানো.. ওহহহহ আমি এত টাকার জিনিস কেমনে পড়বো। - চুপচাপ চলে আসো...। - ম্যাডাম কেমন আছেন.. (ওখানের ম্যানেজার)। - ভালো শফিক ভাই... সব ঠিক ঠাক তো। - জ্বী ম্যাডাম.. আপনার পিছনের ওই স্যার টা কে। - এটা আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড সাহরিয়া। সাহরিয়া চলো। - আচ্ছা নিধি ওনি টাকা নিলো না ক্যান.. আর আমাকে কেমন স্যার বলছে হি হি হি.. বলদ একটা। - ওহহহহহ সাহরিয়া চুপ করবা... এটা আমার বাবার শপিং মল। - কীইইইইইইইইইইইইই................ । - ঐ কী হলো আবার তোমার....। - ম্যাডাম... আপনি মানুষ না আপনি তো জ্বীন.. না থুক্কু আপনি তো পরীর রাণী। - ঐ কী হলো আবার তোমার। - আমি তো সাধারণ একটা রাস্তার ছেলে আর তুমি তো.... মনে হচ্ছে মাটি থেকে চাঁদ ধরে ফেলছি........। - হইছে এবার চুপ করে চলো...। - হুমমমমমমমমমমমম। এক মাস পড়ে... আবার সেই পার্কে বসে আছি...। - ঐ বললা না তো তোমার প্রেমিক এর নাম কী....। - প্রেমিক না তবে... তাকে আমি এতোটা ভালোবাসি । - ঐ হইলই..... আহারে হেতের কপালডা কত্ত ভালো.... একটা পরীর সাথে সম্রাজ্য ফ্রি... আমার তো সম্রাজ্য না এমন একটা পরী পাইলেই হবে। - ঐ চুপ করে বসো... এমন বিরবির করে কী বলছো। - ভাবছি... আচ্ছা তাঁড়াতাড়ি বলো না কাকে ভালোবাসো। - এই তো আমার সামনেই দাঁড়াই আছে। - আরে কই... কেউ তো নাই। - আরে বোকা তুমিই তো। - আআআআআআমমমমমমি... বলেই ধপ করে পড়ে জ্ঞান হারাই ফেলছি। - ঐ সাহরিয়া... কী হলো আবার তোমার,,, চোখে মুখে পানি দিতেই লাফ দিয়ে উঠলাম। - ঐ কী হইছে তোমার। - না মানে তুমি আমাকে আই লাভ হউ.....। - হুমমমমমমমমমমম। - মরে যাইতাম রে আমি... এতো সুখ লাগে ক্যান আমার....। - ঐ গাধা এমন করছো কেনো। - আমি ও তোমারে আই লাভ হউ। - হি হি জানি সেটা..তাই তো তোমাকে এতোটা ভালোবাসি...। - আমি ও তোমাকে এতোটা ভালোবাসি - এবার চলো বাড়িতে যাবো। - হুমমমমমমমমম... কী কথা শুনাইলা গো পাগলি... মাথাটা খালি ঘুরতাছে...। - দাঁড়াও সেটা ও বন্ধ করে দিচ্ছি। - উমমমমমমমমমম্মা...। - এক গালে পাপ্পি দিতে নাই পাগলি.... এতে অন্য গালটা কষ্ট পায়। - হা হা ওকে উমমমমমমমমমম্মা.. হয়েছে এবার চলো। - একটা কথা ভাবছি। - আবার কী ভাবছো। - কে যেনো বলছিলো কপাল আর লুঙ্গি কখন যে খুলে যায় তাঁর কোন গ্যারান্টি নাই...। - এতে ভাবার কী হলো। - না মানে... ওনার কী আমার মতো কপাল খুলে গেছিলো... নাকি লুঙ্গি খুলে গেছিলো সেটাই ভাবছি...... হি হি হি হি। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : #এতোটা_ভালোবাসি !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now