বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #দুষ্টুমি_অভিমান প্লাস ভালোবাসা !!!

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #দুষ্টুমি_অভিমান প্লাস ভালোবাসা !!! Writer : Pantha Shahria !!! - ওই তাড়াতাড়ি উঠবা নাকি এবার প্যান্ট এর মধ্যে বরফ ঢুকে দিবো । - এই এই না না এইতো উঠে পরছি এক লাফ দিয়ে উঠে পড়লাম । যেমন মেয়ে সত্যি সত্যি প্যান্ট এর মধ্যে বরফ ঢুকে দিবে । আমার লাইফ এ আমি কোনদিন এমন শয়তান মেয়ে দেখি নাই । আপনারাই বলেন জামাই এর প্যান্টের মধ্যে কোন মেয়ে বরফ ঢুকে দিতে চায় । শয়তান মেয়ে আমাকে জোর করেই বিয়ে করছিল । - ওই ফিস ফিস করে কী বলছ শুনি । - হি হি কিছু না , সকাল সকাল তোমাকে ফাটাফাটি লাগতেছে তাই বললাম । - তুমি কেমন সেটা আমি ভালো করে জানি , এবার যাও তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসো । - আচ্ছা বউ একটা পাপ্পি দিবা । - ওই সকাল সকাল দুষ্টুমি , যাও ফ্রেশ হয়ে আসো । - পাপ্পি না দিলে যাবো না হুমমমম এই ঘুমালাম । - আচ্ছা কাছে আসো । - আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে । - ঐ চুপচাপ কাছে আসো । - আচ্ছা দাও । - উম্মম্মম্মম্ময়া ......। - আহা সকাল সকাল পেট ভরে গেলো .... আচ্ছা বউ আজকে থেকে প্রতিদিন বেডটি এর বদলে বেডপাপ্পি দিও কেমন । - ওকে বাবু ... আর পাপ্পি চাই । - আরো দিবা ... আচ্ছা দাও । - হুমমমমম কাছে আসো । - ওকে আসছি দাও ...। - এই দিচ্ছি । - আহহহহহহহহহহহহ ... ঐ কামড় দিলা ক্যান । - সকাল সকাল আর তোমার বেডপাপ্পি লাগবে । - না না থাক আমার এমন বেডপাপ্পি লাগবে না । ওহহহহহহ কী শয়তান মেয়ে পাপ্পি এর বদলে কামড় দিয়ে চলে গেল । আমি ও কম না হুমমমমম আমার নাম ও সাহরিয়া । আর আমার শয়তান বউটার নাম রিয়া । কী ভাবছেন আমাদের ভালোবেসে বিয়ে হয়েছে । আরে নারে ভাই আমি শুধু বাচ্চা ছেলের মতো ওর বিয়ে খেতে গেছিলাম । আর শয়তান মেয়ে আমাকে বিয়ে করে ফেললো । অত গুলো মানুষ এর সামনে আমাকে জরাই ধরে বলছিল সাহরিয়া আমি তোকে ভালবাসিরে । ব্যাস আসল বর পালাইগেলো , আর শয়তানটা আমার ঘাড়ে । রিয়ার বাবা ও উদার মনের মানুষ , মেয়ের সুখেই তাঁর সুখ । রিয়ার বাবা অনেক বড়লোক ছিল তাই আমার বাপটা ও আনন্দের সাথে আমাকে রিয়া শয়তানটার সাথে বিয়ে দিয়ে দিলো । ব্যাস তাঁর পর থেকে আর RAT & CAT এর সংসার শুরু । কলেজে ও আমরা দুইজন সব সময় RAT $ CAT এর মতো লেগেই থাকতাম আর এখন ও লেগেই আছি । - ওই তুই এখন ও ফ্রেশ হতে যাস নাই । - হুমমমমম যাচ্ছি তো । - তাড়াতাড়ি যাবি না হলে আজকে কে তোকে তুলে খাইয়ে দেই তাই দেখবো । - আরে বাবা যাচ্ছি তো । - হুমমমমম তাড়াতাড়ি যাও । - শয়তান মেয়ে গুলার এই সমস্যা , কখন তুমি আর কখন তুই বলে ঠিক নাই , আর কথাই কথাই তুলে খাইয়ে দিবে না বলে হুমকি দেই । আর একটা কথা আমি ও পাগলিটাকে অনেক ভালোবাসি , আর ও আমাকে অনেক ভালোবাসে কিন্তুু আমরা সব স্বামী স্ত্রী এর থেকে আলাদা হি হি হি । - না তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসি না হলে আবার একা একা তুলে খাইতে হবে । আর একটা কথা আমাদের দুই জনের কিন্তুু একটাই প্লেট । গোসল করার জন্য যেই না পানির ট্যাপ চালু করছি । ভুভুভুভুভুভুভুভুভুত রক্ত আল্লাহ্‌ রে আল্লাহ্‌ মরে গেলাম আমি বলে চিল্লানি দিয়ে দৌড়ে গিয়ে বউ কে জরাই ধরলাম । - ওই কী হয়েছে । - বাতরুম এর মধ্যে ভূত রক্ত (বাচ্চা দের মতো) । - হা হা হা হা হি হি হি । - ওই হাঁসো কেন । - না এমনি , চলো দেখি কোথায় তোমার ভূত । - না না আমি যাবো না , ওখানে ভূত আছে । - ওই এতো বড় একটা পোলা , দিনের বেলা ও এমন ভয় করো । - ভূত দেখলে না তুমি ও ভয় করবা হুমমমম । - ওই কই তোমার ভূত । - ওই বাতরুম এর মধ্যে আছে । - আমি সেখানেই আছি গাধা । - এবার পানির ট্যাপ চালু করো । - করছি তো । - ওই রক্ত পাওনাই । - হা হা হা এই গুলো রক্ত না গাধা রং । - কীইইইইই.... তাঁর মানে ওই সালা বাড়ি ওয়ালার পিচ্চি পোলাটার কাজ । ওর বাপ মা আর ওই পিচ্চিরে আজকে তো আমি নিচের পুকুরটাতে চুবামু । - এহহহহহ তোমার দৌড় কতটুকু সেটা আমি জানি । - নেহাত গাঁ ভেজা তাই বেঁচে গেলো সরো গোসল করমু । - ওকে ওকে যাও । - গোসল করতে চলে গেলাম । আমি জানি এটা ওই পিচ্চি না রিয়ার কাজ । আমি ও কম না খালি একটু সুযোগ পাইয়া নেই । গোসল করে ঘরে আসলাম । - ওমনি মাথাই শয়তানি বুদ্ধি আসলো । কিন্তুু রিয়া মেকআপ করে না , আমার মেকআপ করা দেখতে ভালো লাগে না তাই , আর লিপষ্টিক ও দেই না আমার ভালো লাগে না তাই । শুধু একটু পাউডার দেই , সাথে আমি ও দেই হি হি হি । ওকে এমনিতেই পরী এর মতো লাগে আর ঠোঁট দুইটা ফাটাফাটি । তাই পাউডার সব ফেলে দিয়ে তার মধ্যে আটা ঢুকাই দিছি , আর লিপষ্টিক এর মধ্যে চকলেট ঢুকাই দিছি । আমাকে ভয় দেখানো খালি ,আমি ও পারি । এর পড়ে রান্না ঘরে গেলাম । - কী করো বউ । - রান্না করছি , গোসল করছ । - হুমমমমম । - আচ্ছা রুমে যাও আমি রান্না শেষ করে গোসল করে আসছি । - ওকে । রুমে গিয়ে গেমস খেলতে খেলতে ঘুম চলে আসছে । এর মধ্যে রিয়া গোসল করে আসছে । পাগলিটা কে দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে । ওর হাতটা ধরে টান দিয়ে আমার কাছে আনলাম । আর ওর কোলে মাথা দিয়ে মাজাটা জরাই ধরে ঘুমাই গেলাম । কতক্ষণ গুমাইছি জানি না , ঘুম ভাঙলে দেখি পাগলিটা আমার চুল গুলো নিয়ে খেলছে । - ওই বউ ঘুমাই গেছি ডাক দিবা না । - আমার বাবুটা ঘুমাই গেছে কেমনে ডাক দিবো । - হি হি হি পাগলি । - দূর পাগল এতো হাঁসো কেন । - এমনি ... ওই তারাতারি চলো খাইয়ে দিবা । - কেন কী হয়েছে । - ওই তোমার মনে নাই আজকে বেড়াতে যাবো । - ওহ হ্যা তাইতো চলো । খেয়ে ধেয়ে দুইজন রেডি হচ্ছি । - রিয়া আজকে লিপষ্টিক ও দিও কেমন । - ওই কেন । - না মানে এমনি । - ওকে । একটু পড়ে সাহরিয়য়য়য়য়য়া বলে চিল্লানি দিলো । - কাজ হইছে মনে হয় । কী হয়েছে । - ওই পাউডার এর জায়গাই আটা কে রাখছে , আর লিপষ্টিক দিতে বললা এখানে চকলেট কেন । - আমি কেমনে বলব । - ওই এই খানে তুমি আর আমি ছাড়া কে আছে হুমমমম , আর এই চকলেট শুধু তুমি খাও । - না মানে সকালের ভূত ও হতে পারে হি হি হি । - শয়তান একটা দাঁড়াও । - আচ্ছা বাবা আমি সব ঠিক করে দিচ্ছি দাঁড়াও । এর পড়ে আটা গুলো মুছে দিলাম আর - ওই শয়তান কী করছ । - আরে চকলেট গুলো তুলছি তো । - বেয়াদব একটা কিস করার বুদ্ধি তাই না । - না মানে ইয়ে হ্যা , আরে চলো তো এবার অনেক সুন্দর লাগছে । তারপরে বেড়াতে চলে গেলাম । - সাহরিয়া আমি ফুচকা খাবো । - ওকে আমি চকলেট আর আইসক্রিম খাবো । - ওকে আমি ফুচকা খাচ্ছি তুমি চকলেট আর আইসক্রিম নিয়ে আসো । আর হ্যা বেশি আইসক্রিম খাবা না একটা নিয়ে আসবা । - হুমমমমম ওকে আসছি । আমি চকলেট আর আইসক্রিম সাইটে খাচ্ছি । একটু পড়ে । - ওহ ওহ ওহ ... - ওই এমন করছ কেন ঝাল লাগছে । - হুমমমম । - আইসক্রিম খাবা , বলতে যা দেরি আমার এঁটো করা আইসক্রিম কেমন বাচ্চাদের মতো খাচ্ছে । অনেক ঘুরাঘুড়ি করে সন্ধ্যাই বাসাই আসলাম । - ওই কয়েল তো নাই যাও কয়েল নিয়ে আসো দোকান থেকে । - ওকে আনছি । কয়েল এনে যেই বাসাই ঢুকব ওমনি শুনতে পেলাম রিয়া কারো সাথে কথা বলছে । - ভেতরে এসে বললাম , কার সাথে কথা বলছ । - বলব না তোমার কী । - রিয়া আমি তোমার সেই কলেজ এর সাহরিয়া না , এবার বলো কার সাথে কথা বলছিলে । - হা হা হা বলব না । - না না থাক ক্যান বলবা , আমি কে তাই । - ওই এই সব কী কথা হুমমমম । - হুমমমম এটাই কথা । - ওই এই সব বললে কিন্তুু আমি চলে যাবো বাবার কাছে । - হুমমমমম এখন যাবাই তো , এখানে থাকলে তো কইফিওত দিতে হবে । যাও যাও চলে যাও কে ধরে আছে । - সাহরিয়া সত্যি চলে যাবো কিন্তুু । - যাও ....ওখানে গেলে আর ভালো করে কথা বলতে পারবা । ব্যাগ নিয়ে কিছু না বলে চলে গেলো । - যাক না যাক আমার কি , ক্যান অন্য জনের সাথে কথা বলতে হবে , আবার নাম ও বলবে না । রাতে কিছুতেই ঘুম আসছে না । তাই ফোন দিলাম পাগলিটাকে । মনে হলো ফোনটা ঘরের মধ্যে বাঁজতেছে । বাইরে এসে দেখলাম পাগলিটা ফোনটা ফেলে দিয়ে গেছে । ফোনটা একটু ঘেঁটে দেখলাম । তখন ও বাবার সাথে কথা বলছে , আমি ও না একটা গাধা । আসলে রিয়া কোন পোলার সাথে কথা বললে আমার রাগ লাগে সেই কলেজ লাইফ থেকেই সেটা ও জানে তাই হয়তো মজা করছিল , আর আমি রেগে ছিলাম । তাই আজকে বউটাকে জরাই না ধরেই ঘুমাতে হবে । পরের দিন সকাল সকাল রিয়াদের বাসার ওইদিকে ঘুরঘুর করছি । আগে এমন অনেক করছি । কিন্তু আজকেরটা আলাদা , বিকেল হয়ে গেছে তাও পাগলিটার কোন দেখা নাই । একটু পড়ে রিয়াদের বাসার ফোন থেকে ফোন আসলো । - হ্যালো ..... কেমন ভয়ে ভয়ে । যদি রিয়া এর বাপ হয় তাই । - ওই কই তুমি । - এইতো গার্ল কলেজ এর সামনে মেয়ে খুঁজতে আসছি , তুমি তো একটা পাইয়া গেছ । আমি কী বসে থাক্মু নাকি । - হুমমমম হয়েছে , আর উঁকি ঝুকি মারতে হবে না ওপরে এসো । - দূর ধরা খেয়ে গেলাম । ওপরে গেলাম । - রিয়া উল্টো দিক হয়ে দাঁড়াই আছে । - আরে আমার কী দোষ বলো , তুমি কোন পোলার সাথে কথা বললে আমার মাথা ঠিক থাকে না তাই তো অমন বলছি । - তাই বলে আটকাবে ও না শয়তান । - হি হি হি আচ্ছা এবার থেকে আটকাবো এমন করে । বলেই জরাই ধরলাম । - ওই ওই ছাড়ো । - না না তুমি আটকাতে কইলা তো । - হুমমমম অনেক হয়েছে এবার বাসাই চলো । - কী মেয়েরে বাবা আমি ভাবলাম তোমাকে নিতে যাবার ওছিলাই কয়দিন শ্বশুর বাড়ি পেট ভরে মিষ্টি সন্দেস খাবো তা না । বাপের টাকা বাঁচানোর জন্য না খাইয়ে বাসাই নিয়ে যাচ্ছে । কিপটুস বাপের কিপটুস মাইয়া । - ওই কী বললা শয়তান । - না মানে একটা পাপ্পি দিবা । - হুমমমমম কাছে আসো । - না না থাক , আগের বারের মতো আবার কামড় দিবা । - দূর পাগল কামড় দিবো না আসো । - আচ্ছা ওকে , ভয়ে ভয়ে কাছে গেলাম ...। ওমনি .................................... । মনে হল ঠোঁট দুইটা মিষ্টির রসের মধ্যে ডুবানো আছে হি হি হি হি ...।। এবার জানতো পারলে একটা বিয়ে করে বউয়ের সাথে রোমাঞ্চ করুন । হা হা হা ...... । >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : #দুষ্টুমি_অভিমান প্লাস ভালোবাসা !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now