বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : #বড়লোক_এর_মেয়ের_খোঁজে !!!

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X গল্প : #বড়লোক_এর_মেয়ের_খোঁজে !!! Writer : Pantha Shahria !!! - সাহরিয়া দেখ তোর কোন কাজকর্ম আমার ঠিক মনে হচ্ছে না... সত্যি করে বলতো তুই কেনো এখানে এসেছিস..। - এক কথা তোরে কত বার বলতে হয়.. বলছি না যে একটা বড়লোকের মেয়ে দরকার...। - মানুষ কত কিছু করার জন্য আসে... আর তুই বড়লোকের মেয়ে নিয়ে কী করবি। - ওহহহহহহহ...বিয়ে করমু হইছে, তুই যদি আমার সাথে থাকিস তো থাক... আর না থাকলে সামনে সোজা রাস্তা, তুই তোর রাস্তা দেখ.. আর আমার রাস্তা আমি নিজেই দেখমু। - দেখ ভাই... তুই কিন্তুু এবার একটু বেশিই বলতেছিস...আমি সিওর তুই এই চক্করে মারা পড়বি...। - পড়লে পরমু.. তবু ও আমার একটা বড়লোকের মেয়ে চাই... আর এক বাপের এক মাইয়া হওয়া লাগবে..। - নিজের দিকে একবার দেখছস... সালা তোর নিজের বলতে আছি কী যে.. একটা বড়লোক বাপের সু্ন্দরী মেয়ে তোরে বিয়ে করবে। - শোন ভাই...আর কিছু আছে কী নাই সেটা বড় কথা না.. ঐ উপর ওয়ালা আমারে কিছু দেই নাই ঠিক আছে... তবে গাধার মতো সুরত দিছে.. আর সব সু্ন্দরী মেয়ে এমন গাধাকেই বেশি ভালোবাসে...। - আমি সিওর ভাই তুই মরবি...। - আমার আগে পিছে কোন মহামূল্যবান জিনিস নাই যে.. আমি মরলে কারোর কোন ক্ষতি হবে... তার চাইতে যে দুই দিন বাঁচমু এই যে এই সিনা টান কইরা রাজার মতো বাঁচমু...। আর আমার কোন সম্পদ নাই যে হারানোর ভয় আছে.. - তোর যা ইচ্ছা তাই কর আমি তোর আগে ও নাই পিছে ও নাই। - এইটা কী চিনস।। - এইটা আবার চেনা লাগে.. এইটা হাত। - এইটা দিয়ে আদর ও করা যায়.. আবার খুন ও করা যায়, আবার থাপড়ানি ও দেওয়া যায়... আমি কী তোরে আমার সাথে থাকতে কইছি.. একটা কথা কান খুলে শোন.. সাহরিয়া অল টাইম সাহরিয়া, আমার কারো কোন দরকার নাই... আমার জন্য আমিই যথেষ্ট বুঝলি...। - হুমমমমমমমমমম। - এই তো শোনা ছেলে... এখন বলনা কই পামু বড়লোক মাইয়া। - ওরে বাপরে কী সুন্দর গাড়ি.. হেব্বি দামি তাই না। - ঐ দিকে চোখ দিস না... তুই যেই গ্রামে আগে থাকতি ওটা পুরোটা বিক্রি করলে ও ঐ গাড়ির চারটে চ্কার দাম হবে না। - চুপ কর... আহা এই গাড়িতে যদি একটা সু্ন্দরী মেয়ে থাকতো। - ডুবে ডুবে সপ্ন দেখা বন্ধ কর.. এটা কোন সিনেমা না। - হুমমমমমম সিনেমা না... ঐ যে সামনে দেখ তোর হবু ভাবি ঐ গাড়ি বের হচ্ছে। - সাহরিয়া তুই আমার কথা শোন... মেয়েটা কে জানিস। - কে শুনি। - এই শহরের সব থেকে বড় ডন সেলিম চৌধুরীর এক মাত্র মেয়ে...। - সেলিম হোক আর সোলেমান হোক, তা দিয়ে আমি কী করমু... মেয়েটারে ভালো লাগছে, তাঁরের আমার লাগবো... আমি তো আমার লাইন থেকে সরছি না ব্যাস। - সালা হারামি মেয়েটার আগে পিছে কত গুলা সিকিউরিটি দেখছোস। - হুমমমমমমমম দেখছি... আগে পিছেই তো আছে সাথে তো আর নাই.... আর এটা দেখেই বোঝা যায় আমার লাইন ক্লিয়ার। - কীইইইইই কেমনে। - আমির দৃঢ় বিশ্বাস যে আমার মতো চেঁচড়া আর একটা ও এই বাংলাই নাই যে...তাঁর নিজের জীবন বাঁজি ধরে এই মেয়ের পিছনে ঘুরবো। তবে এটাই খেলা মামা, একবার সব ফিট তো তখন দেখবি আমি কেমন হিট.... এখন কথা বাদ দিয়ে দৌঁড়া... গাড়ি চলে যাচ্ছে... কোন সুযোগ হাত ছাঁড়া করা যাবে না। - ঐ সালা এমন ভাঁবে দৌঁড়ানি দিলে ও কী ঐ গাড়ির সাথে যাইতে পারবি হুমমমমম....। - গাড়ির সাথে যাইতে পারমু না তবে... মেয়েটার কাছে যাইতে পারমু এটা সিওর থাক। - কীইইইইই কেমন নে....। - চুপ চাপ দেখে যা। ওরে বাপ রে কী বিশাল বাড়ি.... এইটা যদি আমার শ্বশুর বাড়ি হইতো না ওহহহহহহহহ... পুরাই মাখন। - চল বাড়িত ভিতরে যাই। - তুই কী পাগল... জানিস সেলিম চৌধুরী যদি জানতে পারে.. তাহলে কী করবে আমাদের...। - জানতে পারলে না করবে... চল কী ম্যাজিক টাই না দেখাই। - এই যে ভাই সেলিম চৌধুরী আছে...। - স্যার বিজি ভেঁতরে যাওয়া যাবে না...। - কিন্তুু আমার তো ভেঁতরে যাইতেই হবে। - ঐ তোরে বলছি না স্যার বিজি। - আর তোরে আমি কইছি না আমার তাঁর সাথে দেখে করতে হবে। এই যে স্যার.... স্যার.... আমার আপনার সাথে কিছু কথা ছিলো। - ঐ ওরে ভেঁতরে আসতে দে...। - স্যার.. আপনার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো। - কীইইইইই কথা। - একে বারে কান্নার অভিনয় করে.. স্যার আমার বাপ আপনার বিশাল বড় এক জন ভক্ত স্যার.. তিনি আজকে সকালেই মারা গেছে.. আপনাকে সে অনেক বার টিভিতে দেখছে.. তার পরে থেকেই আপনার ভক্ত হয়ে গেছে... তাঁর একটা শেষ ইচ্ছা আছে স্যার.. তিনি মরার আগে বলছিলো যে.. আমি মরে গেলে তো আর সেলিম সাহেব এর পরিবার কবরে নিয়ে যেতে পারবো না... তার পরিবারের সবার একটা করে সাইন যেন আমি নিয়ে গিয়ে তাঁর দাফনের কাপড়ের উপরে রাখি... এখন বলেন স্যার আমার বাবা এই শেষ ইচ্ছে টা কি পূরণ করবেন না...। এদিকে তো দেখি সেলিম সাহেব পুরাই চুপসে গেছে....। - তাঁর জন্য আমার খুব কষ্ট হচ্ছে.. কোথাই সাইন করতে হবে.. এই যে এখানে করেন স্যার। এতেই চলবে স্যার... আচ্ছা আপনার আর কোন ফ্যামিলি মেম্বার নাই...। - আছে তো.... তোমার নাম কী বাবা। - সাহরিয়া স্যার সাহরিয়া। - ঐ কে আছিস সাহরিয়া কে নীলার ঘরে নিয়ে যা। আহা কী সুন্দর নাম...। ওহহহহহ এটা তো ঘর না যেনে সর্গ.. আর ওই তো আমার সর্গের পরীটা.. দেখে তো মনে হচ্ছে বন্দি পাখি। আর কোন চিন্তা নাই গো সাহরিয়া আগেয়া...। - এই যে ভাই সাব আপনি ও কী আমার সাথে ভেঁতরে যাবেন নাকি আজব। বাহিরে থাকেন। ঘরের ভেঁতরে গেলাম...। - এই যে... এমন টমেটোর মতো মুখার করে রাখলে চলবে হুমমমমমম। - ঐ কে আপনে.. আর আমার ঘরে কেমনে আসলেন। - আমি সাহরিয়া.. আর তোমার নাম আমি জানি..তোমার বাবার অনুমিত নিয়েই আমি আসছি.. তাই বেশি সময় নাই.. আর বেশি কথা বলা ও যাবে না... আসল কথা হইলো যে আমি তোমাকে ভালোবাসি... আর রাতে ঐ পিছনের দরোজা খোলা রাখবা... রাতে সব খুলে বলবো... এখন গেলাম টাটা... রাতে আসবো কিন্তুু, এখন দরোজা খোলা রাখবা নাকি বন্ধ রাখবা তোমার ব্যাপার। - এই যে ভাইসাব চলেন.... কাজ হয়ে গেছে.. তাহলে স্যার আমি গেলাম কেমন...। - আচ্ছা তোমার বাবার আর কোন ইচ্ছে ছিলো না...। - ওয়াও মুরগি ডিম দেওয়ার জন্য ছটফট করছে.... হ্যা স্যার ছিলো তবে কেমনে যে বলি। - আরো বলো... যেই মানুষটা আমাকে না দেখেই এত ভালো বাসতে পারে.. তার জন্য কিছু করতে পারলে আমি ধন্য। - আসলে স্যার বাবা বলছিলো... আপনি যদি দাফন থেকে শুরু করে চল্লিশা পর্যন্ত সব দায়িত্বটা নিতেন এই আর কী...। - ঠিকআছে কত টাকা লাগবে...। - এই বেশি না স্যার তিন চার লাখ হলেই হবে। - জাহিদ... সাহরিয়া রে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে দে...। - থ্যাংকু স্যার...এখন গেলাম তাহলে স্যার। - সাহরিয়া ভাই তুই একটা জিনিস বটে... ওনার মেয়েকে পটানোর জন্য ওনার কাছে থেকেই টাকা নিলি...। - হুমমমমমম...এই ধর দুই লাখ টাকা নে আর এখান থেকে বহু দূরে চলে যা.. যানি না কী আছে কপালে...। রাতে আবার নীলার সাথে দেখা করতে যেতে হবে....। - ঠিকআছে ভাই ভালো করে থাকিস।। - এতো ইমোশোনাল হওয়ার কিছু নাই.. তুই থাকলেই ঝামেলা.. এখন যা দূর হ.. আর ভূলে ও আমার সামনে পড়বি না....। - ছি..... সালা তোরে আমি ভালো মনে করছিলাম.. আর তুই। - হুমমমম আমি তো আমি যা এবার। রাত দশটা.... সালা ভিতরে যামু কেমনে... বাড়ির চারিদিকে ঘুরতেছি.. চারিদিকে পাঁচিল তো না যেনো চিনের বর্ডার। ওয়াও একটা বুদ্ধি পেঁয়ে গেছি.. এই গাছে আগে চরমু তাঁরপরে. ভেঁতরে নামমু... অনেক কষ্টে ভেঁতরে ঢুকলাম.. এরপরে চুপি চুপি নীলার ঘরে গেলাম..। সত্যি সত্যি দেখি দরোজাটা খোলা। গিয়ে দেখি ঘুমিয়ে আছে... আস্তে করে ডেকে তুললাম। - হাই... ঘুমিয়ে গেছো এত তাঁড়াতাড়ি। - কী করবো বাবা আমাকে ফোন ও কিনে দেই নাই .. যদি অন্য ছেলের সাথে কথা বলি তাই। - হি হি ভালো করছে.. এই যে এখন আমি চলে আসছি। - আচ্ছা তুমি কেমনে আসলে শুনি। - আমি তো তোমার জন্যই পয়দা হইছি পাগলি... আজকে সকালেই তোমাকে দেখছি.. আর দেখেই তো ভালোবেসে ফেলছি। - কী এত তাঁড়াতাড়ি সব...। - হুমমমমমম... আর এই যে এই সব দেখছো এই গুলো ও তোমার বাবার টাকাই কেনা। - আচ্ছা তুমি কী করো। - কিছু না খাই দাই আর ঘুরে বেড়াই.. আর এখন তোমার পিছনে ঘুরছি। - তুমি না সত্যি অনেক লাকি... তোমার জীবটা মুক্ত পাখির মতো.. আর আমি দেখো নিজের ইচ্ছাতে কিছু করতে ও পারি না। - আরে পাগলি কিচ্ছু ভেঁবনা, আমি তো আছি নাকি... চলো বাহিরে যাবা...। - এখন।।। - হুমমমমমমমম... দিনে তো তোমার বাবার অনেক বাহিনি থাকবে... আর আমিতো কোন সিনেমার হিরো না যে সবাইকে মেরে তোমাকে নিয়ে যাবো। - হি হি.... ঠিকআছে চলো। - আচ্ছা আমি যেমন যেমন ভাঁবে আসছি তুমি ও ঠিক তেমন ভাঁবে আসবা কেমন। - ওকে....। বাহিরে চলে আসলাম। কী সুন্দর বাতার বইতিছে..। - আচ্ছা নীলা তুমি কী কখন ও এমন রাতে বাহিরে আসছো। - দিনের বেলাতেই আসি নাই আবার রাতে... আমার কী মনে হচ্ছে জানো, আমি আমার লাইফ এর সব থেকে সুখের মুহূর্ত টা কাটাচ্ছি...। - তাই না পাগলি..আরে এটা তো কিছুই না। তোমাকে একটা সত্যি কথা বলি। - হুমমমমমম বলো...। - আমি তোমাকে সত্যি ভালোবেসে ফেলেছি... আমি চাই যে আমি যাঁকে ভালোবাসি সে ও যেন আমাকে ভালোবাসে... এখন তুমি যদি চাও আমি আর তোমাকে ডিস্টার্ব করবো না... এক দিনেই কত কিছু করে ফেলছি তাই না হি হি হি। - আরে পাগল দূর... আমি তো তোমার মতো করো একজনের অপেক্ষাই ছিলাম। যে আমাকে এই বন্দি খানা থেকে মুক্ত করবে। - সত্যি.....। - হুমমমমমমমম সত্যি। - আচ্ছা আমাকে দেখতে কেমন বলেতো। - মোটামুটি ভালো। - কীইইইইই মোটামুটি হুমমমমমমম। থাক তাহলে আমি গেলাম। - হা হা হা... আরে বোকা তোমাকে যদি ভালো নাই লাগতো তাহলে কী দরোজাটা খুলে রাখতাম..। - তাহলে বলো আমি কেমন। - অনেক কিউট... ঠিক আমার সপ্নের রাজ পুত্রের মতো। - ওমন ভাবে বলো না গো পাগলি... সরমে তো এক্কেবারে মরে যাবো। - তাই না....। - হুমমমমমমমম ... চলো এবার তোমাকে বাড়িতে রেখে আসি..কালকে রাতে আবার বেঁড়াতে আসবো। - আর একটু থাকি না। - আরে না.... বেশি থাকলে ধরা পড়ে যাবো তো। - ওকে.. তাহলে চলো। এমন ভাঁবে প্রায় অনেক দিন কেঁটে গেলো.. আমি ও নীলাকে পাগল এর মতো ভালোবাসি.. আর নীলা ও আমাকে। একদিন তো নদীর পারে আমি নীলার কোলে মাথা দিয়ে শুঁয়ে ছিলাম... আর পাগলিটা আমার মাথাই হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলো... তখন নিজেকে পৃথিবী শ্রেষ্ঠ মানুষ বলে মনে হচ্ছিলো... এখন বুঝতে পাড়তেছি ভালোবাসা গরিব বড়লোক দেখে হয় না... ভালোবাসা তো ভালোবাসাই। সেদিন কোন দিক দিয়ে যে ভোঁর হয়ে গেছিলো বুঝতেই পারি নাই.. নিলাকে রুমে রেখে আসার সময় দেখলাম সবাই জেগে গেছে... তাই আর সেদিন নীলার রুম থেকে আসতে পারি নাই সারাদিন ওখানেই ছিলাস... নীলার সাথে আবার কখন ও খাটের নিচে....। সেদিন রাতে...। - সাহরিয়া.. আজকে আর আমরা বাহিরে যাবো না... তুমি কিছু একটা করো আমার আর এমন চোরের মতো থাকতে ভালো লাগছে না...। - আমার তো সব কিছু ভাবাই আছে পাগলি... শুধু তোমার বলার অপেক্ষাই ছিলাম...। - আচ্ছা শুনি কী ভাবছো। - তুমি যেহেতু তোমার বাবা এক মাত্র মেয়ে.. আর তোমার বাবা কিছুতেই তোমাকে হারাতে চাইবে না... তুমি যা বলবে তাই করবে। কিন্তুু পৃথিবী সব বাবা গুলা এক মেয়ে প্রেমিক কে সহ্য করতে পারে না...যদি বলি যে আমরা দুই জন দুজন কে খুব ভালোবাসি তাহলে জীবনে ও মেনে নিবে না..। তাই আমরা উল্টো গেম খেলবো। - কেমন গেম..। - তুমি কিছু খেতে চাইবে না... তবে লুকাই খাবে কেউ যেন না দেখে। অন্য রকম আচরণ করবে, মন খারাপ করে থাকবে...। এটা দেখার পড়ে যেই তোমার আব্বু বলবে যে নীলা মা তোর, কী হইছে এমন করছিস কেনো। - তখন... কান্নার এ্যাকটিং করে বলবা, যে বাবা আমি একটা ছেলে কে খুব ভালোবাসি.. কিন্তুু সে আমাকে ধোকা দিয়ে চলে গেছে.. তাঁকে না পেলে আমি মরে যাবো.. তোমার না অনেক ক্ষমতা যাও না ওকে এনে দাও..। - তখন বলবে কে ও কে... তুমি বলবা ওই যে সেদিন যেই ছেলেটা আমাদের বাড়িতে আসছিলো সে ... ব্যাস কাজ হয়ে গেছে... তার পরে খালি দেখতে থাকো। - এই না হলে আমার জামাই.. তোমার এত্ত বুদ্ধি ক্যান শুনি। - হি হি হি.. এমন একটা বউ আছে তো তাই। যে কথা সেই কাজ.. নীলার কথা শুনে তো তাঁর বাবা রেগে মেগে আমাকে তুলে নিয়ে আসে.. আসলে মানে আমি ও আশেপাশেই ঘুরছিলাম...। নীলা বাবা বসা.. আমি আর নীলা মুখো মুখি দাঁড়ানো। - তোর এক বড় ক্ষমতা তুই আমার মেয়েকে কষ্ট দিস। - আমার কোন দোষ নাই স্যার, এইটা আপনার মেয়ে কোন চেহারা হইলো। - কীইইইইই... এত বড় কথা.. আমার মেয়ের কী কম আছে.. সাহরিয়া তোরে ভালোই ভালোই বলতেছি.. আমার মেয়ের সাথে তুই থাকবি না হলে তোরে আমি কেঁটে ফেলমু। - আমি মরলে আপনার মেয়ে ও মরবে স্যার.. আচ্ছা আপনি বুঝতেছেন না কেন.. আমি অন্য মেয়েরে ভালোবাসি তাঁর বাবার অনেক টাকা.. সব আমার নামে করে দিতে চায়। আর কই আপনি আর আপনার মেয়ে। দেখি নীলা রেগে চলে গেলো। - দেখ বাবা.. আমি ও আমার সব তোর নামে করে দিমু...শুধু আমার মেয়েটাকে খুশি রাখবি। - ঠিকআছে... তবে হ্যা.. আমি যাই করি না কেনো.. আপনার বাহিনী যেন কিছু না করে। - ঠিকআছে করবে না... ঐ কেউ তোরা সাহরিয়ার কোর কাজে বাঁধা দিবি না... ওর যা মন চাইবে করবে.. এবার তো রাজি হয়ে যা। - ঠিকআছে আমি রাজি...। - ঐ দিকে কই যাইতেছো। - আপনার মেয়ের রাগ ভাঙ্গাতে হবে নে..। - সো কিউট বয়... যাও...। - থ্যাংকু ....। গিয়ে দেখি নীলা তো রেগে ফায়ার...। - বাবু সোনা...রাগ করো না এমনি এ্যাকটিং করছি তাই না। - না না আমি তো ভালো না যাও না যাও...। - দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা...। - ঐ বেয়াদব ছেঁড়ে দাও বলতেছি..। - তাহলে বলো রাগ কমছে। - হি হি হুমমমমমম। - চলো বাবু তোমাকে নিয়ে খালি ঘুরবো আর ঘুরবো। - কই যাবা। - তোমার এই বন্দি খাঁচাকে ভেঁঙ্গে ফেলতে। - চলো...। - শ্বশুর মশাই... আপনার গাড়িটা নিতে পারি...। - ওরে জামাইরে সবই তো তোমার। - ওকে.... কিছু টাকা লাগতো... কিছু কী.. এই যে ধরো সব কার্ড নিয়ে যাও.. যা খুশি খরচ করো.. খালি আমার মেয়েকে খুশি দেখতে চাই। ঐ তোরা ও সাথে যা। - শ্বশুর মশাই কী কথা ছিলো..। আমি কিন্তুু চলে যামু। - না না কেউ যাবে না তো.. ঐ কেউ যাবি না.. এই যে বলে দিছি কেউ আর যাবে না। - থ্যাংকু..... জান্টুস.. তাহলো চলো এবার আমরা একটু উঁড়ে বেড়াই... কেমন। গাড়িতো ফুল স্পিডে ছুটাইলাম... কী আর লাগে জীবনে... হি হি হি। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ গল্প : #বড়লোক_এর_মেয়ের_খোঁজে !!!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now