বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঘরে ফেরা

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাফায়েত হোসেন (০ পয়েন্ট)

X রাত ১০ টা রাশেদ রাতের খাবার খেয়ে ঘরে বসে নিজের ল্যাপটপ টা নিয়ে অফিসের কাজ করছে।কিছুক্ষণ পর রাশেদের স্ত্রী মেঘা ঘরে প্রবেশ করলো। মেঘা:-হ্যা গো কুরবানির ঈদের আর তো সাতদিন বাকি আছে আমরা গ্রামে ঈদ করতে যাবো কবে?অনেকদিন গ্রামে যাওয়া হয় না বাবা মায়ের সাথে দেখা করা হয় না। রাশেদ:-বাসায় যাওয়ার জন্য তো আমারো মন উতালা হয়ে আছে কিন্তু অফিস থেকে তো এখনো ছুটি পেলাম না।ছুটি পেলেই বাসের টিকিট কেটে বাসার দিকে রওনা দিবো। মেঘা:-কবে তোমার অফিস ছুটি হবে।আমাদের বিয়ের কিছুদিন পরেই তোমার চাকরির জন্য আমাদের ঢাকায় চলে এসে বাসা ভাড়া করে থাকতে হচ্ছে।তারপর তিনমাস চলে গেছে বাসায় যাওয়া নাই।ভাবলাম ঈদের কিছু দিন আগে বাসায় গিয়ে বাবা মার সাথে থাকবো আনন্দ করবো কিন্তু তুমি তো এখনো ছুটি পাচ্ছো না। রাশেদ:-কি করবো বলো মেঘা।অফিস থেকে যে ছুটি পাচ্ছি না দেখি বস কে বলে ঈদের কয়েকদিন আগেই ছুটি পাওয়া যায় কি না। মেঘা:-আবার দেইখো ছুটি নিতে গিয়ে ঈদ না চলে যায়। এই কথা বলে মেঘা অভিমান করে শুয়ে পড়লো। রাশেদ ও চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে থেকে মেঘার দিকে তাকিয়ে থাকলো।মেঘা আসলে খুব অভিমানী কিন্তু রাশেদ জানে সকাল হতে হতে মেঘার সকল অভিমান একেবারে দূর হয়ে যাবে।তাছাড়া মেঘা আর রাশেদ দুজন দুজনাকে যে খুব ভালো বাসে।আর ভালোবাসার মানুষের প্রতি বেশিক্ষণ অভিমান করে থাকা যায় না।তারপর পরেরদিন বিকেলে......... রাশেদের আব্বা শুনছো ঈদের আর ছয়দিন বাকি আছে কিন্তু রাশেদ আর বউমা এখনো তো কেউ এলো না আর ফোনোতো করলো না।শুভ আর উর্মি কে জিজ্ঞেশ করলাম যে তোদের ভাইয়ার সাথে তোদের কথা হয়েছে কি না কিন্তু ওরাও বললো যে কথা হয় নি ভাইয়ার সাথে।তাই তুমি একটু ফোন করোতো রাশেদকে। আচ্ছা আমি ফোন করছি রাশেদকে। ফোন দেওয়ার পর..... *হ্যালো রাশেদ =আসসালামু আলাইকুম আব্বা। *অলাইকুম আসসালাম। =আব্বা কেমন আছেন? *আলহামদুল্লিলাহ বাপ ভালো আছি তুমি কেমন আছো?বউমা কেমন আছে? =আমরা দুজনই ভালো আছি আব্বা।আর আম্মা,শুভ, উর্মি ওরা ভালো আছে? *হ্যা বাপ ওরা সবাই ভালো আছে।বাপ তোমার মা চিন্তা করছিল ঈদের আর মাত্র ছয়দিন বাকি আছে কিন্তু তোমরা এখনো আসছো না কেন?তোমরা কবে আসবে বাপ? =আব্বা আগে আসার জন্য আমিও চেষ্টা করছি।আপনার বউমাও বলছে আগে যাওয়ার জন্য কিন্তু আব্বা আমি নিরুপায় অফিস থেকে তো এখনো ছুটি পাচ্ছি না।তাই ইচ্ছে থাকলেও আগে আসতে পারছি না বাসায়। *দেখো তোমার অফিসের বস কে বলে ঈদের কয়েকদিন আগে ছুটি নিতে পারো কি না।তুমি আসলেই আমরা দুই বাপ বেটা মিলে কুরবানির গরু কিনতে যাবো। =আচ্ছা আব্বা আমি বস কে বলে দেখি আগে ছুটি নিতে পারি কি না। *আচ্ছা বাপ ভালো থেকো নিজের আর বউমার খেয়াল রেখো। =আচ্ছা আব্বা রাখি তোমরাও সাবধানে থেকো। তারপর ফোন কেটে দিলো রাশেদের বাবা।ফোন কাটার পর রাশেদের মা কে বললো চিন্তা করিও না ওরা ঈদের আগেই চলে আসবে নি। এরপর আরো কয়েকদিন চলে গেল।এরমধ্যে রাশেদ ও মেঘা বাসার সকলের জন্য ঈদের শপিং করে নিলো।রাশেদ ও অফিসের বসকে বলে ঈদের ছুটি নেওয়ার চেষ্টা করলো কিন্তু রাশেদ ছুটি পেলো না।এর মধ্যে এই নিয়ে রাশেদ ও মেঘার বাড়িতে কথা হয়েছে কিন্তু সবারই মন খারাপ।রাশেদ ও তার বাবা কে বলেছে ঈদের আগেরদিন বা ঈদের দিন ছাড়া বাসায় যেতে পারবে না তাই কুরবানির গরুটা যেন শুভ কে সাথে করে নিয়ে গিয়ে যেন কিনে আনে।রাশেদের বাবাও তাই করে।তিনি শুভ কে নিয়ে গিয়ে কুরবানির গুরুটা কিনে আনে।তারপর ঈদের আগের দিন বিকেলবেলা...... রাশেদ অফিস থেকে বাসায় ফিরে এসে দেখে মেঘা টিভি দেখছে। রাশেদ:-এই যে এত টিভি দেখলে হবে।বাসায় যাওয়ার জন্য বাসের টিকিট এনেছি।তো গোছগাছ করতে হবে তো নাকি মেঘা:-তুমি তাইলে ছুটি পেয়ে গেছো।আর টিকিট পেয়ে গেলে কিভাবে আজ যা ভীড় হবে। মানুষ সবাই যে যার বাসার দিকে রওনা দিবে তাই টিকিট পাওয়াটাও অনেক কঠিন হয়ে যাবে। রাশেদ:-আসলে আমার এক বন্ধুকে জানিয়ে দিয়েছিলাম টিকিটের ব্যাবস্থা করতে পারবে কি না এবং আমার সেই বন্ধু আমাদের দুজনের জন্য দুইটা টিকিট কিনে এনেছে।তো এখন জলদি রেডি হয়ে নাও আর সব গোছগাছ করে নাও রাত দশটায় আমাদের গাড়ি।ভোরের দিকেই আমরা বাসায় পৌছে যাবো। বলে রাখা ভালো রাশেদের বাসা রংপুরে। তারপর রাশেদ আর মেঘা রেডি হয়ে সব গোছগাছ করে নিয়ে বাসার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লো।তারা যে আসছে সেই খবর বাসাতেও ফোন করে জানিয়ে দিলো রাশেদ।খবর পেয়ে রাশেদের বাবা মা ভাই বোন সকলেই খুব খুশি হলো। তো রাত দশটার কিছুক্ষণ আগে রাশেদ আর মেঘা গাবতলী বাস স্ট্যাণ্ডে এসে পড়লো।তারপর নির্ধারিত সময়ে তারা বাসে উঠে পড়লো।বাস ও এবার চলা শুরু করলো এবং রাশেদ ও মেঘা চলতে লাগলো রংপুরে তাদের বাসায়। মেঘা বসেছে জানালার পাশে আর তার পাশে রাশেদ।রাতের গভির অন্ধকার বাস ছুটে চলছে তার আপন গতিতে।বাসের মধ্যে মিটমিট করে আলো জ্বলছে।জানলা হালকা করে খুলে রাখলো মেঘা।আর বাইরে থেকে বাতাস এসে মেঘার চুল যেন উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।সেই চুলের ঝাপটা রাশেদের মুখেও লাগছে।আর রাশেদ আপনমনে সেই দৃশ্য দেখছে আর মুগ্ধ হচ্ছে।তার দুজনেই মনে মনে অনেক কৌতুহলি হয়ে আছে কারণ অনেকদিন পরে বাসায় ফিরবে বাবা মায়ের সাথে ঈদ উৎযাপন করবে।এসব ভাবতে ভাবতেই তারা এগিয়ে চলতে লাগলো।একসময় তারা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়লো।এরমধ্যে বাসের তেল তোলার জন্য পেট্রোল পাম্প এ গাড়ি থামানো হয়েছে।তারপর আবার গাড়ির চাকা বাস্ট হয়ে যাওয়াতে গাড়ির নতুন চাকা লাগানোতে অনেক সময় নষ্ট হয়েছে।এতে তাদের ভোরের দিকে বাসায় পৌছানো হবে কি না তাই নিয়ে চিন্তিতো তারা।তারপর নতুন চাকার লাগানোর পর গাড়ি আবার তার আপন গতিতে চলতে লাগলো।গাড়ির চাঁকা বাস্ট হওয়ার পর রাশেদ আর মেঘার যেই না ঘুম ভেঙ্গে গেছে এখন আর তাদের ঘুম আসছে না।বাসের অন্যান্য অনেক যাত্রীরা গভির ঘুমে আছন্ন।মেঘা রাশেদের ঘাড়ে মাথা দিয়ে আছে।এভাবে যে কতক্ষণ ছিলো তারা জানে না একসময় আবার ঘুমিয়ে গেলো তারা। গভির অন্ধকার কেটে ভোর হলো।চারিদিকে আলো ফুটতে লাগলো।রাশেদ আর মিমির ঘুম ভাঙ্গলো।হেল্পারের থেকে তারা জানতে পারলো তার বগুড়া পার হয়ে এসেছে কিছুক্ষণের মধ্যে রংপুরে প্রবেশ করবে তারা।এতে তাদের মুখে হাসি ফুটলো।সকাল হয়ে আসছে আজ ঈদের দিন বাবা মায়ের সাথে দেখা হবে এসব ভাবতে ভাবতে তারা চলতে লাগলো।হঠাৎ একটা বিকট শব্দে তাদের ভাবনায় ছেদ পড়লো।তাদের বাস আর একটা ট্রাকের মারাত্তকভাবে সংঘর্ষ হলো। রাশেদ আর মেঘার অপেক্ষায় রাশেদের বাবা বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে।এই শুভ তোর ভাইয়া আর কতদূর কখন আসবে এদিকে সকাল তো হয়ে গেলো। শুভ:-আব্বা ভাইয়ার সাথে ঘন্টাখানেক আগে কথা হয়েছে ওরা বগুড়া পার করে এসেছে।তাই আর কিছুক্ষণের মধ্যে ভাইয়া আর ভাবি এই এলো বলে। তারপর হঠাৎ একটা এম্বুলেন্সের গাড়ি তাদের বাসায় আসলো।এম্বুলেন্সের গাড়ি আসাতে বাড়ি থেকে রাশেদের মা বোন ও বেরিয়ে আসলো।পাড়ার লোকেরাও ছুটে আসলো।সবাই অবাক।রাশেদের বাবা বুঝতে পারছে না এম্বুলেন্সের গাড়ি কেন আসলো।এম্বুলেন্সের গাড়ি বাসার উঠানে এসে গাড়ি থেকে দুইটা লাশ নামালো।রাশেদের বাবা আস্তে আস্তে লাশ দুটোর কাছে গেলেন সাদা কাপড় ঢেকে রাখা লাশের উপর থেকে কাপড়টি সড়ালেন।সড়িয়ে দেখতে পেলেন রাশেদ ঘুমিয়ে আছে।গভির ঘুমে আছন্ন হয়ে আছে।তার পাশে মেঘাও ঘুমিয়ে আছে তারা আর কখনো এই ঘুম থেকে উঠবে না।এই দৃশ্য দেখে রাশেদের বৃদ্ধ বাবা পড়ে যেতে লাগলেন শুভ গিয়ে ধরে ফেললো।রাশেদের মা বোন সবাই কাঁদতে লাগলো।রাশেদের বাবা কাদতে লাগলো শুভ তার আব্বাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে সেও তার ভাই ভাবিকে হারিয়ে কাদতে লাগলো।পুলিশ ও আসলো বাসায়।পুলিশ এসে রাশেদের পরিবারকে জানালো রাশেদ যেই বাসে করে আসছিল সেই বাসের একটা ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে ফলে ঘটনা স্থলেই মারা যায় রাশেদ আর মেঘা।এই খবর শুনে আরো ভেঙ্গে পড়লো রাশেদের পরিবার।খবর পেয়ে রাশেদের সকল আত্মীয় তার বন্ধু মেঘার বাড়ির লোকজন সবাই এসে পড়লো।সবাই এসে কাদতে লাগলো।তারপর ঈদের এই আনন্দের দিনে রাশেদ আর মেঘার জন্য পাশাপাশি দুইটা কবর খোড়া হলো।বিকেলে বেলায় রাশেদ আর মেঘার লাশ কবরস্থানে নিয়ে গেলো।রাশেদের লাশের খাটিয়ার এক কোণা রাশেদের বাবা ধরলো।বৃদ্ধ মানুষ হাটতে পারে না ভালো করে তাও কষ্ট করে লাশের খাটিয়ার এক কোণা ধরলো।সবাই মানা করলো কিন্তু তিনি শুনলেন না কাদতে কাদতেই লাশের খাটিয়ার এক কোণা ধরে কবরস্থানে নিয়ে গেলেন।বাবা হয়ে ছেলের লাশ বয়ে নিয়ে যাওয়া যে কি কষ্টের এই পরিস্থিতির সম্মুখিন হওয়া সেই বাবারাই জানেন।তারপর রাশেদ আর মেঘার কবর দেওয়া হলো।দুজন পাশা পাশি চিরনিন্দ্রায় শায়িত হয়ে গেল।বাসায় এসে দুজন ঈদ পালন করবে কত ইচ্ছা ছিল তাদের কিন্তু তারা বাসাতে ঠিকই পৌছালো কিন্তু প্রাণহীন দেহ নিয়ে।তারা আর কখনো ঈদ পালন করতে পারবে না বাবা মায়ের সাথে। তারপর রাশেদ আর মেঘাকে কবর দিয়ে আসার পর সন্ধ্যাবেলায় পুলিশ রাশেদের বাসায় এসে কিছু শপিং এর ব্যাগ দিয়ে চলে গেল।রাশেদের বাবা সবার সমানে সেই ব্যাগ খুলে দেখে তার জন্য একটা পাঞ্চাবী পায়াজামা,মায়ের জন্য শাড়ি,ছোট ভাইবোনের জন্য জামা কাপড়।এসব দেখে বাসার সবাই আবার কাদতে লাগলো।তারপর হঠাৎ রাশেদের বাবা তার পাঞ্চাবীর মধ্যে একটা কাগজ পেল।কাগজটে খুলে দেখলো কিছু লিখা আছে।লেখাগুলো হলো.... আব্বা আসসালামু আলাইকুম।আমার সালাম নিবেন।আব্বা জানেন আপনাকে আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক ভালোবাসি কিন্তু কখনো মুখে এই কথা বলতে পারি নি।তাই আজ এই কাগজের মাধ্যমেই আপনাকে বলছি আব্বা আমি আপনাকে অনেক ভালোবাসি।এই লেখা পড়ার পর অবিরাম ধারায় চোঁখ থেকে পানি পরতে লাগলো রাশেদের বাবার।তিনি কাদতে কাদতে বলতে লাগলেন রাশেদ রে আমার বাপ তুই ফিরে আয়।আমরা সকলেই তোকে খুব ভালোবাসি।বৃদ্ধ বাবা মা কে রেখে কোথায় চলে গেলি।তোকে ছাড়া আমরা কিভাবে থাকবো। তিনি এসব কথা বলতে লাগলেন আর ডুকরে ডুকরে কাদতে লাগলেন।রাশেদের বাবার এগুলো কথা কি রাশেদের কানে পৌচাচ্ছে?রাশেদ কি কখনো জানতে পারবে তার বাবা মা তার জন্য এভাবে কষ্ট পাচ্ছে।বাড়ির বড় ছেলেকে হারিয়ে তার বাবা মা খুব কষ্ট পাচ্ছে আর কখনো ফিরে পাবে না তারা তাদের বড় ছেলেকে।রাশেদের ভাই বোন রাও আজ তাদের বড় ভাইয়াকে হারালো।যেই বড় ভাইয়া তাদের এত ভালোবাসতো সেই বড় ভাইয়া আর ফিরবে না আর ভালোবাসবে না তাদের।এসব কষ্ট নিয়েই তাদের এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হবে। সড়ক দূর্ঘটনা বর্তমানে বাংলাদেশে একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে।প্রতিদিন কত তাজা প্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে এই সড়ক দূর্ঘটনার জন্য।কোনো মানুষ আজ নিরাপদ নয় এই সড়কে।ঈদ আসলে যেন সড়ক দূর্ঘটনার প্রকোপ আরো বেড়ে যায়।পেটের দায়ে মানুষ গ্রাম ছেড়ে নিজ বাড়ি ছেড়ে বাবা মা কে ছেড়ে শহরে পাড়ি জমায়।ঈদ আসলে নাড়ির টানে সবাই বিভিন্ন মাধ্যমে বাসায় ফিরে আসে।সবার তখন ইচ্ছা থাকে গ্রামে গিয়ে নিজ বাসায় গিয়ে বাবা মা আত্ময় স্বজনের সাথে ঈদ পালন করার কিন্তু দেশের ভয়ংকর এই রাস্তায় সড়ক দূর্ঘটনার কবলে পড়ে অনেক মানুষ নাড়ির টানে বাসায় ফিরতে গিয়ে রাশেদের মতো নিজ প্রাণটাই হারিয়ে ফেলে।তাই এখনই এই সড়ক দূর্ঘটনার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা না নিলে ঈদের খুশি মানুষের কাছ থেকে হারিয়ে যাবে স্বজন হারানোর বেদোনায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঘরে ফেরা
→ ঘরে ফেরার গান

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now