বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
Writing by #md sumon al hasan.Part-3
.
অনেকক্ষণ যাবত পার্কে এসে
খোজাখুজি করার পরও
ছেলেটাকে পেলাম না,
হতাশ মনে পার্ক থেকে বের
হয়ে গেলাম।
কিছুদূর হাটার পর মিম বল্লো
ফুঁসকা খাবি?
-না রে ভালো লাগছেনা।
>তোরর কি মন খারাপ?
-কিছুটা।
>ছেলেটার জন্য?
অামি বলার মতো কিছুই
পাচ্ছিলাম না।
>দোস্ত চিন্তা করিসনা।
যদি উপরওয়ালা তোর
ভাগ্যে সেই ছেলেকে লিখে
রাখে তাহলে ঠিক একদিন
পেয়ে যাবি। এভাবে খুঁজতে
হবেনা।
-তা অবশ্য ঠিক বলেছিস।
একটা ব্যাপার অামার
মাথায় ঠুকতেছেনা তুই যে
ছেলেটাকে মন দিয়ে বসে
অাছিস তুই কি অাদৌ
জানিস ছেলেটা সিঙ্গেল
অাছে না ডাবল?
এই কথা শুনার পর নুহা অামার
দিকে এমনভাবে তাকিয়ে
অাছে যেনো অামি বেজি
অার ও সাপ।
>কিরে এভাবে তাকিয়ে
অাছিস কেনো?
-অামার এখন কি করতে মন
চাচ্ছে জানিস?
>কি করতে মন চাচ্ছে?
-লাত্থি দিয়ে তোর ড্রেনে
ফালাই দিতে মন চাচ্ছে।
তুই অামার বান্ধবী হয়ে
সতীনের মতো কথা
বলতেছিস কেনো?
>এই জেনারেশনে পারফেক্ট
সিঙ্গেল ছেলে খুজে পাওয়া
অনেক বড় ব্যাপার তাই
বল্লাম, অার অামি ভুলেও
তোর সতীন হবোনা,
প্রয়োজনে হারপিক খেয়ে
মরে যাবো
হাটতে হাটতে বাসার
সামনে চলে অাসলাম। মিম
একটা রিক্সা দাড়া করিয়ে
বিদায় নিয়ে চলে গেলো।
.
চারদিন পর বিকেল বেলা
মৃধাকে নিয়ে শপিং শেষ
করে বাসায় ফিরবো এমন
সময় মিম ফোন দিলো। ফোন
রিসিভ করার পর ফোনের
ওপাশ থেকে মিম বল্লো এই
তুই কইরে?
-শপিং এ অাসছিলাম এখন
বাসায় ফিরবো।
>তুই কি ফ্রি অাছিস?
-কেনো?
>তোকে নিয়ে একটা
জায়গায় যাবো।
-কোথায়?
>অাসলেই দেখতে পাবি।
মিম লোকেশন বলার পর
বল্লো তাড়াতাড়ি অায়
অামি অপেক্ষা করছি তোর
জন্য।
শপিং এর ব্যাগ গুলো মৃধাকে
ধরিয়ে দিয়ে একটা রিক্সা
ঠিক করে বাসায় পাঠিয়ে
অন্য একটা রিক্সা নিয়ে
অামি মিম এর কাছে
গেলাম।
-এখন বল কোথায় যাবি?
>দোতালায় যাবো।
সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে
উঠতে মিমকে বল্লাম
দোতালায় কি?
>ক্যাম্পাসের এক বড় ভাই
ইনভাইট করেছে অাজ
তাদের ফটোগ্রাফি
এক্সিভিশন হচ্ছে।
-ও অাচ্ছা। ভেতরে ঢুকার পর
দেখলাম প্রতিটা দেয়ালে
দেয়ালে বাহারি ছবির
সমাহার। অবশ্য এর অাগে
কখনো অামি কোন ফটো
এক্সিভিশনে যাইনি।
এদিকে মিমের ফোনে কল
অাসলো। মিম ফোন রিসিভ
করে বল্লো তুই দেখ অামি
অাসছি।
কি অার করার একটা একটা
করে ছবি দেখছি অার
সামনের দিকে এগোচ্ছি,
হঠাৎ একটা ছবির কাছে
গিয়ে পা দুটো থেমে
গেলো। সেদিন যখন ছবিটা
দেখেছিলাম ততটা
ভালোলাগেনি এখন যতটা
লাগছে। ছবির এডিটিংটাও
সেই হয়েছে। মনে হচ্ছে
জীবন্ত একটা বিড়ালের
বাচ্চা বসে অাছে। মিমটা
যে কই গেলো। এখন এই
ফটোগ্রাফারের নাম
ঠিকানা জোগাড় করি
কিভাবে। কিছুটা দূরে
গলায় ক্যামেরা ঝুলানো
একটা ছেলেকে দেখতে
পেলাম। এগিয়ে গিয়ে
বল্লাম এক্সকিউজমি
ভাইয়্যা এই এক্সিভিশনে
যাদের ছবি এসেছে তাদের
ঠিকানা কোথায় পাওয়া
যাবে বলতে পারবেন?
ছেলেটা অাঙ্গুল দিয়ে
একটা লোককে দেখিয়ে
দিয়ে বল্লেন অাপু অাপনি
উনার কাছে জিজ্ঞেস করে
দেখতে পারেন।
-ধন্যবাদ।
~ওয়েলকাম।
লোকটার কাছে গিয়ে
ছবিটা দেখিয়ে বল্লাম
ভাইয়্যা এই ছবিটা যে
উঠিয়েছেন তার ঠিকানা
কি পাওয়া যাবে।
লোকটি বল্লো মেম
এক্সিভিশনে যাদের ছবি
এসেছে তাদের সম্পর্কে
অামি কিছুই জানিনা তবে
অাপনি অফিসে গিয়ে
যোগাযোগ করে দেখতে
পারেন।
-অফিসটা কোথায়।
>মেম নিচতলায়।
হলরুম থেকে বের হবার পর
দেখি মিম বারান্দায়
দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে।
অামি ওর সাথে কোন কথা
না বলে সোজা নিচে নেমে
অাসলাম। হঠাৎ দরজা খুলে
সিঁড়ির পাশের রুম থেকে
অামার কাজিন হিমেল
বেরিয়ে অাসলো।
হিমেল অামাকে দেখে
একটা হাসি দিয়ে বল্লো
কিরে এখানে কি করছিস?
-পরে বলবো অাগে বল
দোতলায় যে ফোটো
এক্সিভিশন হচ্ছে ঐটার
অফিসটা কোথায়?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now