বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জিহাদ আজ মনের আবেগে হাটছে। অবশ্য রিসেন্টলি।জিহাদের ব্রেক আপ হইছে।খুবই কষ্টে দিন কাটছে তার। কিন্তু সে মনের দরজা বন্ধ মানে ফিলিংসের লাইট অফ কইরা রাখসে।
ফেসবুকে মেয়েদের ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতো কিন্তু এখন FIND FRIEND অপশনে সে কিল্ক করে না।যদি ছেলেদের মাঝে যদি কোন মেয়ে রিকুয়েস্ট পাঠায় তার ফিলিংসের লাইট অন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু সে কবির বক্তব্য মনে মনে দেয় "যতক্ষন দেহে আছে করব না ফিলিংসের লাইট অন,
এ আমার শর্ত প্রানপণ"অপূর্ব শর্ত নিয়ে নেমেছে জিহাদ। ইদানীং জিহাদের চাচার বিয়ে থুক্কু চাচাতো ভাইর বিয়ে।চাচাতো ভাইর একমাত্র বন্ধু জিহাদ। তার নাম কাউসার।
আজ তার সাথে জিহাদের দেখা।
-জিহাদ আরে আমার ভাই বন্ধু তোরই খুজি??
-কেন কি হইছে??
-বন্ধু ব্লুটথ ওপেন কইরা দেতো!!!
- হা হা হা!!!! আপনি আজকের পোলাপান হইয়া কি করলেন জিবনে।
-আমি কম্পিউটারের ব্লুটুথের কথা বলছি???
কম্পিউটার ব্লুটুথ ওপেন করতে পারছ?
-কেন কি করবেন??
-গার্লফ্রেন্ডের ফটো ব্লুটুথের মাধ্যমে নিমু।
-শেয়ার ইটে নে!!!
-হেইডা কি??
-ব্লুটুথের মতন অনেক তাড়াতাড়ি নেওয়া যায়!!
-ওহ,,, তোর কাছে যেই কারনে আসছি..!! তুই আমার বিয়েতে আসবি কিন্তু???
-নারে ভাই!!!
-(খুবই রাগের অবস্থায় কলার ধরিয়া বলে)শালা তুই যদি না আসছ নাইলে আমি তোর **** বললাম না!!! যদি তোরে কিছু না বলি আমার #bluetooth_boy_kawsar না।
-ভাই চেষ্টা করমু!!!
খুবই কষ্টে আমি আছি। জিহাদেরআব্বু আম্মু যাইতে পারব না। না হইলে জিহাদকে যাইতে হবে ৭দিন আগে। আমার মনে হয় জিহাদের সাতদিনে আমার মোমেন্ট অফ মাই লাইফ হতে পারে।যাইতে হবে।আস্তে আস্তে দিন ঘনিয়ে আসল। আসল তার তার জমের ৭দিন।
সকাল সে মোবাইলে আর্লামের কারনে ঘুম ভেঙ্গে চৌচির।
কলেজে যাবে তার হয়তবা মনে ছিলো না যে সে আজ তার চাচাতো ভাইর বিয়েতে যাবে।
ডেস্ক ক্যালেন্ডার সে হা করে তাকিয়ে থাকল।
না সুটকেস গুছিয়ে পাঞ্জাবি টুপি পড়ে রওনা দিলো।সে ভাবতে থাকলে কিভাবে সে বিয়ে বাড়িতে মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকবে।
হঠাৎ তার মাথায় বুদ্ধি আসল যে মেয়েদের ইগনোর করবে।আগামীতে দেখা যাক সে কি করে।
গিয়ে পৌছালো কাকার বাড়িতে।বাড়িতে দেখে মেয়েদের হাট। সে তার। চাচতো ভাইকে বলল।
-কাউছার ভাই! এতো মাইয়া কেন???
-আসলে জিহাদ এরকম বিয়ে বাড়িতে হয়!!!
-আমি কিন্তু কোন কাজ করব না।
জিহাদে হঠাৎ খেয়াল করল কাউসার তাকে দেখিয়ে একটি মেয়েকে কি যেন বলছে!!!
সে বেশী গুরুত্ব না দিয়ে মনের আনন্দে ফেসবুক চালাছে। হঠাৎ কাউসার এসে মোবাইল নিয়ে কি করে আবার তাকে দিয়ে দিলো।
কাউসার জিহাদের থেকে ফোনটা নিয়ে কি করল আল্লাহ ভালো জানে।হঠাৎ একটা মেয়ে মেসেজ জিহাদকে মেসেজ করল। জিহাদ সাধরনত মেয়েদের মেসেজের আন্সার দেয় না।
আর মেয়েটাকে নতুন নতুন লাগছে। মনে হয় যে,এখনি রিকুয়েস্ট আকস্পেট করছে। মেসেজের পর মেসেজ করে যাচ্ছেতো করেই যাচ্ছে।এখন জিহাদকে মেসেঞ্জারে কল দেওয়া শুরু করল। কল অবশ্য জিহাদ না ধরলেও মেসেজের আন্সার দিতে হয়।
-কে আপনি??? কাকে খুজছেন??? কোথাথেকে এলেন?? সব মেয়েদের আনফ্রেন্ড করে দিছিলাম??
-ওয়েট ফোন নাম্বারটা দিন??
-আজবতো আপনাকে কেন ফোন নাম্বার দেবো???
-প্লিজ দেন।
-না না। পাগল হয়েছেন নাকি???আপনি কে??
-আমি সাবিহা।
-সেটাতো দেখতেই পাচ্ছি!!! কি আমাকে চেনেন???
-প্লিজ নাম্বারটা দেন না।
(এবার ফালতু ভাষায়)
-এই ছেমরি। তোরে একবার কইলাম না যে তোরে দিমুনা মুই।তুই এরকম করছ কেলা??
-অই পোলা তোর মোবাইল নাম্বার দিলে তোর প্রবেলমটাকি??
-(নো আন্সার)
-অই পোলা কথা কছনা কেন???
-(নো আন্সার)
জিহাদ ভাবছিল যে, সাবিহাকে দুইটা ঝাড়ি মারলে ভয় পেয়ে চুপ করে থাকবে। আসলে বুঝতে পারি নাই যে,জিহাদ এই ভাষা যার থেকে
শিখেছে সেও একজন মেয়ে। মাথাটা গরম হয়ে গেল জিহাদের।কিছুক্ষণ পর আরেকটা মেয়েদের একাউন্ট থেকে মেসেজ।
-হাই!
-(নো আন্সার)
-হাই!
-(নো আন্সার)
-অই পোলা!!!কথা কস না কেলা।
-কি??
(আসলে সোজা কথায় জিহাদ আবার নড়ে না।)
-ভালো কথা বলছিলাম তুমি আন্সার দিলা না।
-ওই মেয়ে!আপনার আমি ক্লাসমেট???
-নাতো।
-তাহলে মনে হয় আপনার ভাই ছেলে??
-নাহ!
-তাহলে নিশ্চয় নিজের ছেলে??
-ছিঃ ছিঃ ছিঃ এসব কি বলো তুমি আমার ছেলে হতে যাবে কেন???
-তাহলে তুমি করে বলেন কেন??
-ওওও। এই সামান্য ব্যাপরে ক্ষেপে যাওয়ার কি আছে।
-আমাকে দেখে কি মনে আমি রাগ করছি???
-যাইহোক!আপনার সাথে কথা আছে আপনার নাম্বারটা দেন??
(জিহাদের মেজাজ যে কতো বেগে দৌড়াদৌড়ি করতাছে সে নিজে বলতে পারতাছেনা।)
-যদি আপনাকে সামনে পেতাম তাহলে খাইয়া ফেলতাম???
-খেয়ে ফেলেন??
-(রাগের অবস্থায় একটি ইমোজ)
-আচ্ছা জগড়া হইছে!! নাম্বারটা দেন??
-ধুর!!!
-কি দেন??
-(নো আন্সার)
সে ভাবল জিহাদতো আর কারো ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহন করে নাই করলটাকে??
বিয়ে বাড়ি কাজে ব্যস্ত জিহাদ।নিচে তাকিয়ে হাটা চলা করে ইদানীং। এটা করতে অসুবিধা হয়না। কাল সকালে গায় হলুদ। হলুদ কিনতে যাওয়ার কথা জিহাদ আর ফারদিনা একটি মেয়ের।যখনি শুনল জিহাদ একটা মেয়ের সাথে যেতে হবে তখন কি আর দুনিয়াতে আছে। জিহাদকি আর যাবে!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now