বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকাল 5:30
মোবাইল স্কিনের দিকে তাকিয়ে দেখি মোবাইলটা রেড এলার্ট মারতেছে।সারা রাত পাবজি খেলে মোবাইলেরর রীতিমতো নিউমোনিয়া হয়ে গেছে।মাঝে মাঝে কাঁপুনি দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে।আমি আছি এক ফাটা বাঁশের চিপায়।মোবাইলটার জন্য মায়া হচ্ছে কিন্তু কম্বলের সাথে ব্রেকআপ করে উঠতেও মন চাচ্ছে না।কি আর করার মোবাইল হচ্ছে স্ত্রীর মতো ১২ মাসই কাছে থাকবে আর কম্বল অনেকটাই গার্লফ্রেন্ড এর মতো,১৪ ই ফেব্রুয়ারির পর আর ভালো লাগবেনা। তাই চার্জ দেওয়ার জন্য উঠে পরলাম।মোবাইলটা চার্জে লাগিয়ে আবার এসে ঘুমিয়ে পরলাম।
,
,
৮:৩০ এ ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয় ভার্সিটি যাবো মোবাইল চার্জ থেকে খুলতে গিয়ে দেখি সুইচ অফ।
,
" ফিলিংস টা বিয়ের দিন বউ পালিয়ে যাওয়ার মতো"।
,
কি করার বউকে রেখেই ভার্সিটির দিকে ছুটলাম।ক্লাস টেস্ট পরিক্ষা আছে, পরিক্ষা না দিলে খাটাশ ম্যাডাম টা আবার বার্ষিক পরিক্ষা থেকে ৫ নাম্বার (-) করে দেয়।এক বুক কষ্ট নিয়ে ভার্সিটি তে গিয়ে দেখি ইফতি উপস্থিত হয়নি। হায় আল্লাহ ওর টা কপি করেই তো এতদিন বেচেঁ আছি।শালার মোবাইল টাও আনি নি।হঠাৎ দেখি নুসরাত ইশারা করতেছে ওর সাথে বসার জন্য।কলা গাছে পেয়ারা হতে পারে, আম গাছে কলা হতে পারে,কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব... ?? নুসরাত আমার চাচাতো বোন।মেজু চাচার মেয়ে।চাচা চাচি দেশের বাহিরে থাকলেও নুসরাত ছোটবেলা থেকে আমাদের সাথেই আছে।ওর সাথে আমার বোনের কম শত্রুর সম্পর্কই বেশি।জন্ম থেকে জালাইতেছে রে ভাই,বাংলা ছায়াছবি " জন্ম থেকে জ্বলছি ২"।ছবিটা আমার জীবনের কাহিনী নিয়েই লেখা হবে।সবাই দয়া করে ছবিটা দেখবেন।আমার সাদা মনে কাদা নাই, জান বাঁচাইতে শত্রুর পাশে বসলাম।
,
নুসরাত: কিরে তোর চামচা কই??
আমি : আসে নাই রে আজ...
নুসরাত: সমস্যা নাই এই বইটা রাখ কাজে লাগবে।।
,
আমিতো আবেগে কেঁদে পেলেছি মনে হয়, ভিজা ভিজা লাগতেছে।।৫ মিনিট পর পরিক্ষা শুরু হয়ে গেল। আমিতো ইচ্ছে মতো কপি মারতেছি।হঠাৎ দেখি নুসরাত দাড়িয়ে ম্যাডাম কে ডাকতেছে।আমি বুঝি না মেয়েরা এত লেখে কিভাবে..?? পাঁচ মিনিট হতে না হতে লুজ পেপারের দরকার হয়ে গেল। এগুলো ভাবতে ভাবতে আমি সাদা মন নিয়ে লেখতেছিলাম। নুসরাত ম্যাডাম রে ডাইকা আইনা...
,
,
নুসরাত:ম্যাডাম দেখেন দেখেন চোর টা কিভাবে বই নিয়ে কপি করতেছে।।
,
আমিতো পুরাই# দিলদার হয়ে গেলাম। গিরিগিটি ও তো এতো তাড়াতাড়ি রং বদলায় না।তখন আরমান আলিফ ভাইয়ের কষ্ট টা বুঝতে পারছিলাম। কতটা কষ্ট নিয়ে তিনি অপরাধি গান লিখেছেন তা বুঝতে আর দেরি হলো না।
,
ম্যাডাম : এই ছেলে তুমি ক্লাস থেকে বের হও। তোমার বার্ষিক পরিক্ষা থেকে ১০নাম্বার (-) করবো।হিরো আলমের মতো খেইলা দিলো আমাকে।হুদাই এক্সাম দিতে আইসা ১০ খাইলাম না দিলেই তো আরও ভালো হতো।আমি ক্লাস থেকে বের হয়ে এক বন্ধুর বাসায় আড্ডা দিচ্ছিলাম।হঠাৎ বড় চাচার ফোন.....
,
(চলবে)
আপনারা চাইলে বাকি পর্ব লিখবো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now