বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ছেলেটি মেয়েটিকে কল দিয়ে বলে...
- আজ আমাদের ব্রেকাপ তাই না?
- হুম তাই।
- কাল থেকে আর কল দিব না?
- না। কাল আমি অন্য একজনের বউ হয়ে যাবো।
- কথাগুলা খুব সহজেই বলে দিলা যে?
- আমাকে নিয়ে পালাতে পারবা আজ রাতে?
- না। আমাদের মা বাবা মেনে নেয় নি,
পরেও মানবে না।
- হুম,ভালো থেকো। রাত বারটায় নদীর ধারে
চলে এসো। তোমার জন্মদিনটা শেষবারের মত
একসাথে করতে চাই।
- এটাই শেষ কিন্তু! এরপর আমরা আর
যোগাযোগ রাখবো না।
- অবশ্যই।
***রাত বারটা। নদীর ধারে বেঞ্চটিতে তারা
বসে আছে। মাঝখানে ছোট্ট একটি কেক।
মোমবাতি জ্বলছে।
দুজন একসাথে ছুড়িটা কেকের উপর বসালো
আর
সোহাগ বলল,"Happy birthday, সাদিয়া!"
তারপর একটুকরো কেক খাইয়ে দিল।
- কেকটা অনেক মজার না?
- হুম মজার।
- চকলেট কেক। তোমার ফেভারিট।
- সোহাগ?
- হুম বল।
- তুমি খুব ভাল একটা ছেলে।
***সোহাগ কিছু বলে না।
সাদিয়া তাকে বলে...
- তোমার সাথে কাটানো প্রতিটি সময় আমার
মনে থাকবে। খুব সুন্দর ছিল সময়গুলো। ভালো
থেকো আর আমাকে ভুলে যেও। আমাদের
রিলেশন এখানেই শেষ।
***সাদিয়া উঠে গিয়ে হাঁটতে থাকে। সোহাগ
নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকে। সাদিয়া একবারের জন্য
থমকে দাঁড়ায়। তারপর পিছনে ফিরে
সোহাগের দিকে এগিয়ে যায়।
- আমাদের রিলেশন শেষ। তাই না সোহাগ?
- হুম শেষ।
- তোমার প্রতি আমার কোন অধিকার নাই
এখন?
- না নাই।
- তবুও তোমার হাতটা ধরি? প্লিজ
- ধরবে? ধর।
- একবার শক্ত করে জড়িয়ে ধরবে?
*** সোহাগ মেয়েটিকে শক্ত করে জড়িয়ে
ধরে। তারপর দুজনই কেঁদে চলেছে। শেষ কান্না।
সাদিয়া আবার চলে যাচ্ছে।
সোহাগ তাকে ডাকে "এই সাদিয়া, I love u"!
সাদিয়া ঘুরে তাকালো। কিছু বললো না মেয়েটা।
শুধু একটা হাসি দিল।
***পরেরদিন বিয়েটা আর হয়নি। সকালেই
মেয়েটা আত্মহত্যা করে।
সোহাগও রাতে ঘরে ফিরেনি আর।
ছেলেটাকেও
আর কখনো দেখাও যায় নি...
জানি না সত্যিকারের
ভালবাসা এমন কেন হয়...???
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now