বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আগে আমি ইংরেজি পড়তে চাইতাম না। কেমন যেন কঠিন কঠিন মনে হতো। তাই আমার বাবা আমাকে প্রচণ্ড ভাবে মারতো। তবু আমি ইংরেজি পড়তে পারি না। তখন একদিন আমার বাবা আমাকে একটা গল্প বলল। বাবার এক বন্ধু বেশি লেখাপড়া করে নি। কোনো রকম বাংলা পড়তে পারে। তো একদিন উনার বন্ধুর বিয়ে হয়ে গেল। বউ সেই শিক্ষিত। ইংরেজি বলার ওস্তাদ। তার
সাথে তার বউয়ের ঝগড়া লাগলে তার বউ তাকে ইংরেজিতে গালি গালাজ করতো। আর সে বোকার মতো চুপচাপ শুনে যেতো। আর না হলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে অন্যখানে চলে যেতো। তো একদিন ঝগড়া লেগেছে।সে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাবে। তাই উনাকে একটা নতুন শাড়ী কিনে আনতে বলে।
এই যে বলছিলাম যে বাবার বাড়ি তো যাবো। তো একটা নতুন শাড়ি কিনে আনো। সেটা পরে আমি বাবার বাড়ি যাবো।কি বললে! নতুন শাড়ী  আমার কাছে এখন টাকা নেই। নতুন শাড়ী কিনতে পারবো না। যেগুলো আছে সেগুলো পরে যাও।
আর যায় কোথায় ! শুরু হয়ে গেল ওনার ইংলিশের ঝড় ! তুমি আমাকে একটা নতুন শাড়ী কিনে দিতে পারো না। So why did you marry me? biggers son bigger. পুরাতন শাড়ী পরে আমি নাকি যাবো বাবার বাড়ি। mads delusion.All the crazy talk. Daddy why did you marry me this fool
- আরে কি বলছ। আমি বুঝতেছি না তো। -তোমাকে বুঝতে হবে না। nonsense. তো তখন তিনি বউয়ের প্রলাপ থামাতে শাড়ী কিনে আনেন। এরকম প্রতিদিন কোনো না কোনো বিষয়ে তার বউ ইংরেজি বলে তার জীবনটা তামা তামা করে দিয়েছিল। একদিন একটা দরকারে তিনি আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন আমার বাবার কাছে।
-আরে মোস্তফা যে! তা ভালো আছিস তো? -- আর ভালো। জীবনটা শেষ হয়ে গেলো।  --কেন, কি হয়েছে? --তোর ভাবির জ্বালায় আর ভালো থাকি কীভাবে!  --কি হয়েছে সেটা তো বলবি।  --আর বলিস না। তোর ভাবি আমাকে ইংলিশ বলে বলে জীবনটা পুড়িয়ে ফেললো। সবসময় ইংলিশে গালি দেয় না প্রশংসা করে, কে জানে   আমি তো বুঝতে না পেরে চুপ থাকি। --ও এই ব্যাপার ! তাহলে তো তুই অনেক সুখে আছিস  --হুমম। সুখ বলে সুখ। সেই ধরনের সুখ। আচ্ছা কি করা যায় বলতো?     --উপায় একটা আছে। তোকে নাটক করতে হবে।  --মানে? --মানে হলো তুইতো ইংলিশ জানিস না। --হু --তাহলে তুই অন্য ভাষায় কথা বলবি। --কিভাবে? --আচ্ছা আমি তোকে বুঝিয়ে বলছি। তুই আজ যখন খেতে বসবি, তখন খেতে খেতে হঠাৎ করে বলবি যে এন্টি মেন্টি সেন্টি আন। তখন ভাবি তো বুঝতে পারবে না। তখন সে তোকে আবার বলতে বলবে। তুই আবার বলবি। ও তো বুঝতে পারবে না। তখন তুই এমনিতেই একটা মানে বলবি। যেমন তোর লবণ চাই কিংবা জল চাই। আর তারপর তুই ভাবিকে টাইট দিবি। তখন তিনি খুশি হয়ে বলল, কি বুদ্ধি দিলি দোস্ত। আমি আজকেই এটা ব্যবহার করবো। তিনি চলে গেলেন। রাত হয়েছে। রাতের খাবার তৈরি। তার স্ত্রী তাকে খেতে ডাকলো। তিনি সেই একটা মুড নিয়ে খেতে গেল। কিছু খেয়ে হঠাৎ বললো যে, এন্টি মেন্টি সেন্টি আন! একথা শুনে ওনার স্ত্রী বললো, কী বললে? এন্টি মেন্টি সেন্টি আন! বুঝলাম না তো। তখন তিনি খাওয়া ছেড়ে উঠে এসে তার স্ত্রীকে একটা কষে চড় মারলো আর বললো শুয়োরের বাচ্চা ! না বুঝিস তা লবণ আন! চড় খেয়েও দমে গেল না তার স্ত্রী। প্রতিবাদ করে বললো, লবণের ইংরেজি তো সল্ট। এটা শুনে তিনি আরো ক্ষেপে গেলেন। আরো দুটি চড় মারলেন। আর বললেন, আমি তা জানি। আমি তো আর ইংলিশ বলি নাই। আমি ড্রক্ঠ ভাষা বলেছি। ইংলিশ তো খুব বলতে পারো। আর ড্রক্ঠ ভাষাটা শিখতে পারো নি। এখন থেকে যদি ইংলিশ বলো, আমিও ড্রক্ঠ ভাষায় কথা বলবো বুঝলে 
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now