বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ইংল্যান্ডের_ইতিহাসে_জঘন্যতম_খুন

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ইংল্যান্ডের_ইতিহাসে_জঘন্যতম_খুন ১৯৯৬ সালের ১৬ই এপ্রিল জেমস প্যাটারসন স্মিথ স্থানীয় একটি পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বিবৃতি দেন যে, তার গার্লফ্রেন্ড কেলি এন্যা বেটস দুর্ঘটনাবশত তার বাসার বাথটাবের পানিতে ডুবে মারা গেছেন। সে দাবী করেন যে,তার ফুসফুসে পানি ঢুকে যাওয়ার কারনেই মারা যায় এবং সে মাঝে মাঝেই অজ্ঞান হয়ে যেত। স্মিথের দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী পুলিশ ঘটনাস্তলে পৌছানোর পর কেলির একটি নগ্ন দেহ বাথটাবে পরে থাকতে দেখতে পায়। তারা বাড়িটির প্রত্যেকটা রুমে কেলির রক্ত দেখত পায় এবং পোস্টমর্টেম রিপোর্টে তার শরীরে ১৫০ টি পৃথক রকমের আহত হওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। জীবনের শেষ কয়েক মাস তাকে বাড়ির ভেতরে বেঁধে রাখা হতো। কখনো চেয়ারের সাথে কখনো বা রেডিয়েটারের সাথে। প্যাথলজিস্ট উইলিয়াম লোয়ার, যে কেলির মৃতদেহের পরীক্ষানিরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন, বলেন, "আমি আমার জীবনে প্রায় ৬০০ টি নরহত্যার পরীক্ষা করেছি, কিন্তু আমি কখনোই এতো গুলো ইনজুরি একবারে দেখিনি।" নিচের ইনজুরি গুলো তার শরীরে পাওয়া গিয়েছিল। ১. তার পশ্চাৎদেশ এবং বাম পায়ে পুড়ে ফোস্কা পরে গিয়েছিল। ২. গরম লোহা দ্বারা তার উরু পোড়ানো হয়েছিল। ৩. একটি বাহু ভেংগেছিল। ৪. অনেক গুলো ক্ষত ছিল যেগুলো ছুরি, কাচি এবং কাঁটাচামচ ব্যাবহার করে করা হয়েছিল। ৫. তার মুখের ভেতরেও ছুরিকাঘাতের ক্ষত ছিল। ৬. তার দুই হাতই থেঁতলানো ছিল। ৭. তার কান, নাক, আইভ্রু, মুখ, ঠোঁট, জীভ এবং যৌনাঙ্গ ছোট ছোট টুকরা করে আস্তে আস্তে কাটা হয়েছিল। ৮. হাতুরি এবং বেলচা দিয়ে আঘাত করার ক্ষত পাওয়া গিয়েছিল। ৯. দুটি চোখই উপড়ে ফেলা হয়েছিল। ১০. পরে সেই অক্ষিকোটরে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। ১১. আংশিকভাবে মাথার খুলি বের হয়েছিল। প্যাথলজিস্ট আরো ধারনা করেন যে " তার চোখ উপড়ে ফেলার সময়কাল ৫ দিনের কম নয় এবং তিনি মারা যাওয়ার ৩ সপ্তাহের বেশিও নয়।" তাকে সব সময় না খায়িয়ে রাখা হত এবং মরার আগে প্রায় ২০ কেজি ওজন কমে ছিল। আসলে স্মিথ ছিল একজন পেডোফেলিয়াক এবং ভয়ানক সিরিয়াল কিলার।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ইংল্যান্ডের_ইতিহাসে_জঘন্যতম_খুন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now