বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এমিম্যান-(১৬)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X লিডিয়া তিষার কাছে এসে তার মুখে লাগানো ধূসর রঙের ডাক্ট টেপটা একটান দিয়ে খুলে ফেলল, তারপর কিছুক্ষণ তার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল,“তুমি তাহলে সেই মেয়ে।” তিষা কোনো উত্তর দিল না। সেই মেয়ে বলতে কোন মেয়েবোঝানো হচ্ছে সে জানে না। লিডিয়া তার চোখের দিকে তাকিয়ে ক্রান্তগলায় বলল, “তোমার জন্যে আমাদের খুব যন্ত্রণা হল । তুমি নির্বোধ একটামেয়ে আর তোমার ছোট একটা নিরুদ্ধিতার জন্যে আমাদের কতো ঝামেলা ।তুমি একা হলে তবু একটা কথা ছিল, তোমার সাথে এখন যোগ দিয়েছে এইপ্রতিবন্ধী।” লিডিয়া তখন জনের কাছে গিয়ে তার মুখে লাগানো ডাক্ট টেপটাওটান দিয়ে খুলে ফেলল । জন সাথে সাথে তার বুক ভরে একবার নিঃশ্বাসনেয় । তাকে দেখে মনে হয় সে অনেকক্ষণ থেকে এই সময়টার জন্যেঅপেক্ষা করে আছে । লিডিয়া কিছুক্ষণ তাদের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপরটেবিলের কোথায় জানি চাপ দিয়ে নিচু গলায় ইন্টারকমে কাউকে বলল,“এদের সরিয়ে নিয়ে যাও ।” তিষা জিজ্ঞেস করল, “আমাদেরকে এখানে কেন এনেছ?” “তোমরা দুই নির্বোধ যে নির্বৃদ্ধিতা করেছিলে সেগুলো শুদ্ধ করারজন্যে। “তুমি বার বার বলছ আমরা নিবু্ধিতা করেছি, কিন্তু সেটি কী বলছনা।” “যদি নির্বোধ না হতে তাহলে বুঝে যেতে । নির্বোধ বলে বুঝতে পারছনা।“ তিষা বলল, “কিন্তু তুমি একজনকে জোর করে ধরে আনতে পার না। এটা বেআইনী।” লিডিয়া কিছুক্ষণ স্থির দৃষ্টিতে তিষার দিকে তাকিয়ে আছে, সেইভয়ংকর দৃষ্টি দেখে তিষার বুক কেঁপে উঠল। এটি মানুষের নয় এটি যেনএকটি অশরীরি প্রেতাত্মার দৃষ্টি । তিষা ভয় পাওয়া গলায় বলল, “আমাদেরকে এখন কী করবে?” “সময় হলেই দেখবে ।” ঠিক তখন দরজা খুলে দুজন মানুষ এসে ঢুকল, তাদের পাহাড়েরমতো শরীর, তারা তিষা আর জনকে ধরে প্রায় শূন্যে তুলে ফেলল । তিষাসেই অবস্থায় জিজ্ঞেস করল, “মিশকা কোথায়? আমার মিশকা?” কেউ তার প্রশ্নের উত্তর দেয়া প্রয়োজন মনে করল না । তিষা আর জনকে যে ঘরটাতে আটকে রেখেছে সেই ঘরটা খুব সুন্দর, পাশেএকটা ছোট ছিমছাম বাথরুম | বাথরুমে পরিষ্কার তোয়ালে, সাবান, টুথব্রাশ । ঘরের কোণায় ছোট একটা ফ্রীজ সেখানে কোন্ড ড্রিংকস, স্যান্ডউইচএবং কিছু ফলমূল । ঘরের দুই পাশে দুটো সোফা, সোফার উপর ভাজ করেরাখা কম্বল ৷ সোফায় বসে থাকা যায় ইচ্ছে করলে শুয়ে থাকা যায় । এই ঘরে এনে তাদের হাতের বাধন খুলে দিয়েছে । মধ্যবয়স্ক যেমানুষটি তাদের ধরে এনেছে সে নিজেকে প্রফেশনাল বলে দাবী করেছিল,কথাটি নিশ্চয়ই সত্যি । তাদেরকে ধরে রীতিমত প্রেনে উড়িয়ে অন্য স্টেটেনিয়ে এসেছে কোথাও বিন্দুমাত্র ঝামেলা হয়নি । যাদের আকাশে ওড়ারজন্যে নিজেদের প্লেন থাকে নিজেদের রানওয়ে থাকে তাদেরকে মনে হয়গুরুত্ব দিয়েই নেয়া উচিৎ। তিষা আর জন এখন তাদেরকে খুব গুরুত্ব দিয়েনিচ্ছে । ভয়ে এবং আতংকে তিষার শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে, সেই তুলনায়জন মনে হল বেশ শান্ত । সে ফীজ খুলে একটা স্যান্ডউইচ বের করে খেয়েফেলল । শুধু যে খেল তা নয়, বেশ তৃপ্তি করে খেল এবং খাওয়া শেষ করে তিষাকে বলল, “খেয়ে দেখতে পার । বেশ ভালো স্যান্ডউইচ।” তিষা স্যান্ডউইচের ধারে কাছে গেল না, ভয় পাওয়া গলায় বলল,“আমাদের কী হবে?” জন বলল, “এখন কী করবে জানি না কিন্তু শেষ পর্যস্ত নিশ্চয়ই মেরে ফেলবে।” তিষা আতংকিত হয়ে বলল, “মেরে ফেলবে? মেরে ফেলবে কেন? আমরা কী করেছি ।” “আমরা মনে হয় ওদের বিলিওন বিলিওন ডলারের ব্যবসার অনেকক্ষতি করেছি ।” “কখন ব্যবসার ক্ষতি করেছি?” “এ যে তুমি ভিডিওটা আপলোড করে দিলে তখন | ওটা আপলোডকরা ঠিক হয়নি ।” “আমি বুঝতে পারিনি_ আমি ভেবেছিলাম--” “এখন চিন্তা করে লাভ নেই ।” তার কথা শেষ হবার আগেই ঘরের দরজাটা খুলে যায় । দরজায় প্রায়যমদূতের মতো দুজন মানুষ তাদের হাতে দুটো স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, তারারাইফেলটি তাদের দিকে তাক করে গুলী করতে শুরু করে । বাচার আদিমপ্রবৃত্তির কারণে দুজনেই চিৎকার করে মাথা নিচু করে মেঝেতে শুয়ে পড়ল এবং তাদের মাথার উপর দিয়ে বুলেটগুলো ছুটে যেতে থাকে, সেগুলোপিছনের দেওয়ালে আঘাত করতে থাকে । তারা দুজন মাথা নিচু করে ঘাপটি মেরে পড়ে রইল এবং বেশ কিছুক্ষণ তাদের মাথার উপর দিয়ে বুলেটগুলোছুটে গেল । স্বয়ংক্রিয় রাইফেলের প্রচণ্ড আওয়াজ তাদের কানে তালা লেগে যায় । ঘর ধূলো বালিতে অন্ধকার হয়ে যায় । যমদূতের মতো মানুষগুলো যে-ভাবে হঠাৎ করে গুলী শুরু করেছিল,ঠিক সেরকম হঠাৎ করে গুলী থামিয়ে, দরজা বন্ধ করে চলে গেল । প্রথমে জন তারপর তিষা উঠে দীড়ায় ৷ তিষা ভয়ে থর থর করেকাপছে, ফিস ফিস করে বলল, “কী হয়েছে? কী হয়েছে এখানে?” জন বলল, “আমাদেরকে মারতে চায়নি । শুধু ভয় দেখিয়েছে।” “কেন? ভয় দেখাবে কেন?” “জানি না। মারতে চাইলে আমাদের গুলী করতে পারত। গুলীকরেনি ।” দুইজন ঘরটার দিকে তাকায় । রাইফেলের গুলীতে ঘরটা লন্ডভন্ড হয়ে গেছে । ঘরের ভেতর ধুলো, ধোয়া এবং বারুদের গন্ধ । ঠিক তখন এই বিল্ডিংয়ের অন্য মাথায় লিডিয়া একটা কনফারেন্স রুমেবসেছে । টেবিলে বেশ কয়েকজন নানা বয়সী মানুষ নিঃশব্দে বসে আছে। তাদের মুখ পুরোপুরি ভাবলেশহীন, দেখে মনে হয় তাদের মুখে কখনোআনন্দ দুঃখ বেদনা বা কোনো কিছুরই ছাপ পড়ে না। ভূমিকা না করে সরাসরি শুরু করে দিই । আমাদের হাতে একেবারে সময়নেই ।” সবাই নিজ নিজ চেয়ারে সোজা হয়ে বসে নিরুত্তাপ দৃষ্টিতে লিডিয়ারদিকে তাকাল | লিডিয়া বলল, “বারো ঘন্টা আগে তিষা আহমেদ নামে একটা ছেলে ইন্টারনেটে একটা ভিডিও আপলোড করেছে । ভিডিওরবিষয়বস্তু হচ্ছে এনিম্যানকে সাইন ল্যাংগুয়েজ শিখিয়ে দিলে সেটি সাইন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে কথা বার্তা বলতে পারে । তারা তার উদাহরণহিসেবে তাদের এনিম্যানকে সাইন ল্যাংগুয়েজ শিখিয়ে তার কাছ থেকেঅনেক তথ্য বের করে এনেছে, যেগুলো আমাদের কপোরেশনের জন্যে ভয়ংকর বিপদজনক । “ভিডিওটা আমরা খুব সাবধানে পর্যবেক্ষণ করছি । এখনো খুব বেশীমানুষ দেখেনি । কিন্তু যারাই দেখছে তারাই এটা অন্যকে দেখার জন্যউৎসাহিত করছে । কাজেই আমাদের হিসেবে আগামী ছত্রিশঘন্টার মাঝেএটা ভাইরাল হয়ে যাবে, বিয়ালিশ ঘন্টার মাঝে এটা জাতীয় পত্রিকায় আরআটচনল্লিশ ঘন্টার মাঝে আন্তর্জাতিক খবরে চলে আসবে । এক কথায় আমরা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাব ।” লিডিয়া চুপ করে সবার দিকে তাকাল। সবাই ভাবলেশহীনভাবেধ্বংস হয়ে যাব কথাটার অর্থ বুঝতে পারছ? তার অর্থ এই প্রতিষ্ঠানের সবাইআইনী ঝামেলায় পড়ে যাবে । আমাদের বাকী জীবন জেলে কাটাতে হবে । “আমাদের বেচে থাকার একটা উপায় । কোনো না কোনোভাবে পৃথিবীর মানুষকে বোঝাতে হবে যে এই টিনএজ ছেলেমেয়ের তৈরিভিডিওটা ভূয়া এবং এই ছেলেমেয়ে দুটো আসলেগ্রহণযোগ্য চরিত্রের নয় । তারা অসৎ, অসামাজিক এবং ড্রাগ এডিক্ট। “আমরা সেই কাজ শুরু করেছি । তোমরা সবাই জান আমরা পৃথিবীরচলচ্চিত্র জগতের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রাফিক্স সফটওয়ার কিনেছি। একটা সময় ছিলযখন কোনো চলচ্চিত্র তৈরী করার জন্যে অভিনেতা অভিনেত্রীদের পুরা সময়অভিনয় করতে হতো। এখন তার প্রয়োজন হয় না, তোমরা নিশ্চয়ই ব্লকবাস্টার ছবি দ্য থার্ড আই দেখেছো, সেখানে অভিনয় করেছে ক্যারেন মাহিলাআর রিচি কর্ডোনা । তোমরা সবাই জান ছবি তৈরী করার আগে ক্যারেন আররিচির শরীরের সম্ভাব্য সকল অঙ্গভঙ্গীর ভিডিও করা হয়েছিল । তারপরগ্রাফিক্স সফটওয়ার সেই সম্ভাব্য সকল অঙ্গভঙ্গীকে ব্যবহার করে মুল ছবিটাতৈরী করেছে । ছবিটি দেখে কেউ বুঝতে পারে না যে আসলে এখানেক্যারেন বা রিচি অভিনয় করেনি । “আমরা এই সফটওয়ার ব্যবহার করে তিষা আর জনের একটাভিডিও তৈরি করব । যেখানে দেখানো হবে তিষা আর জন তাদেরএনিম্যানকে দিয়ে জোর করে একটিং করিয়ে এই ভিডিওটা তৈরী করেছে । শুধু তাই না আরো একটা ভিডিওতে দেখানো হবে যে তারা আসলে ড্রাগএভিক্ট, তারা দুইজন ড্রাগ নেয়, নানা ধরনের অপকর্ম করে।” দেখতে শুকনো খিটখিটে একজন মানুষ বলল, “আমরা স্ক্রিপ্টটা তৈরীকরেছি । এখন গ্রাফিক্সের কাজ শুরু করব । সে জন্যে আমার এই ছেলেমেয়ের ভিডিও গুলো দরকার।” লিডিয়া বলল, “ভিডিও নেয়া শুরু হয়েছে । তাদেরকে একটা ঘরেআটকে রাখা হয়েছে সেখানে নানা ধরনের পরিস্থিতি তৈরী করে তাদেরভিডিও নেয়া হচ্ছে।তাদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে, অপমান করা হবে, যন্ত্রণা দেয়া হবে, আনন্দ দেয়া হবে-” “আনন্দ? আনন্দ কেমন করে দেবে?” “দুইভাবে । ড্রাগস দিয়ে এবং তাদের পোষা এনিম্যান দিয়ে। পোষাএনিম্যানটা তাদের কাছে রাখব, সেটাকে দেখলে তারা নিশ্চয়ই এক ধরনের আনন্দ পাবে?” শুকনো “খিটখিটে মানুষটা বলল, “ যাই হোক আমি ডিটেলসে যাচ্ছিনা । আমার টিম রেডি | তুমি যত তাড়াতাড়ি আমাকে ভিডিও ফুটেজটা দেবেআমি তত তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করব ।” লিডিয়া মাথা নাড়ল, বলল, “আজ রাতের মাঝে তুমি পেয়ে যাবে ।” “আমি অন্য একটা শরীর ব্যবহার করে কাজ শুরু করে দিয়েছি।তোমার ভিডিও ফুটেজ পেলে আসল শরীর বসিয়ে দেব।” “চমৎকার |” লিডিয়া বলল, “মনে রেখো তোমাদের সবার সম্মিলিতপ্রচেষ্টাতেই শুধু আমরা এই বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে পারি । এটা হচ্ছে আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন।” কেউ কোনো কথা বলল না । সবাই পাথরের মুখ করে লিডিয়ার দিকেতাকিয়ে রইল। ঘন্টা খানেক পর লিডিয়া সিস্টেম ম্যানেজারকে তার অফিসে ডেকেপাঠালো । সিস্টেম ম্যানেজার কমবয়সী একজন মেয়ে, লিডিয়ার ঘরে ঢুকেশংকিতভাবে দাঁড়িয়ে রইল | লিডিয়া জিজ্ঞেস করল, “তোমাকে যে দায়িত্বটি দিয়েছিলাম তার কী খবর?” “কাজ চলছে । যতই ডাটা আসছে ততই ভবিষ্যত্বাণী ভালো হচ্ছে।” “আমাকে দেখাতে পারবে?” “হ্যা, অবশ্যই পারব ।” মেয়েটি লিডিয়ার টেবিলে বড় মনিটরটিতে লগ ইন করল কিছু গোপনপাসওয়ার্ড দিয়ে সে সরে দাড়াল, বলল, “বাম দিকে আসল মানুষ দুজন। ডানদিকে তাদের ভবিষ্যৎবাণী।” লিডিয়া তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দুটো ছবির দিকে তাকিয়ে থাকে | বামদিকেরজন মেঝেতে বসে আছে । ডান দিকের ছবিটিও প্রায় একই রকম শুধু জনসোফায় হেলান না দিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে মেঝেতে বসে আছে । সুপার কম্পিউটারের সবচেয়ে চমকপ্রদ যে প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা হচ্ছে এটি সেইসফটওয়ারের আউটপুট । একজন মানুষ সম্পর্কে তার সব তথ্য দিয়ে দেয়ার পর সেই মানুষটি কখন কী করবে সেটি এই সফটওয়ার প্রায় নিখুঁত ভাবেবলে দিতে পারে। বাম দিকের ছবিতে দেখা গেল জন উঠে দাঁড়িয়ে ঘরে পায়চারী শুরুকরেছে । ডানদিকেও দেখা গেল জন উঠে ঘরে পায়চারী করছে।সফটওয়ারটি নিখুঁতভাবে সেটি বলে দিতে পেরেছে । লিডিয়া সন্তুষ্টির ভঙ্গী করে বলল, “তুমি কতোক্ষণ পর্যস্ত ভবিষ্যৎবাণীকরতে পারবে?” “এক ঘন্টা প্রায় নিখুত হয় । তারপর ধীরে ধীরে ছোটখাটো বিচ্যুতিদেখা দিতে পারে ।” “কীভাবে পরীক্ষা করতে চাও?” লিডিয়া বলল, “যদি আমরা এই দুজনের ঘরের দরজা খুলে তাদেরকেছেড়ে দিই তাহলে তারা কখন কোথায় থাকবে সেটা কী ভবিষ্যতবাণী করতে পারবে?” “পারার কথা।” “কখন কোথায় যাবে, কী করবে সেটা বলতে পারবে?" “পরের এক ঘন্টা নিখুঁতভাবে পারব । যদি এই ছেলে মেয়ের আরোকিছু ডাটা থাকে তাহলে আরো নিখুঁতভাবে পারার কথা।” “চমৎকার।” লিডিয়া বলল, “তুমি এখন যেতে পার ।” রইল তারপর কী বোর্ডটি নিজের কাছে টেনে নিয়ে সেখানে নিজের নামটিটাইপ করে | লিডিয়া তার নিজের সম্পর্কে ভবিষ্যৎবাণীটি দেখতে চায়। লিডিয়া দেখল আটচল্লিশ ঘন্টার মাথায় একজন মানুষ তার মাথায়গুলী করছে। মানুষটির চেহারা এখনো স্পষ্ট নয় । ধীরে ধীরে হয়তো স্পষ্টহয়ে উঠবে । লিডিয়া হিংস্র মুখে কী বোর্ডটি ছুঁড়ে দিয়ে হিস হিস করে বলল, “না! এটা হতে পারে না। এটা হতে পারবে না।”


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এমিম্যান-(১৬)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now