বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি আশ্চর্য যাত্রা উপক্রমনিকা-০৬ (শেষ)

"রূপকথা " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ৬ উপসংহারঃ "ছেলেগুলো যা ফাজিল ! শুধু শুধু খোঁচা মারে । মাঝে মাঝে পালক ধরে টান মারে, মাঝে মাঝে মাথায় ঠুঁয়া দেয় । ইচ্ছে করে ঠোঁকর মেরে এক-একটার চোখ খুলে নিই । কিন্তু তাতেও ভয় আছে । বাচ্চাদের কোন ক্ষতি হলে মালিক জানে মেরে ফেলবে ।" খাঁচায় বন্দি বিরক্ত পাখিটি আপন মনে নানা চিন্তার জাল বুনে চলে । কিন্তু তার বিরক্তিকে বাচ্চারা খুব একটা পাত্তা দে না । তারা মনের সুখে তাদের প্রিয় খোঁচা-খুঁচির খেলাটা খেলতে থাকে । তাদেরই বা আর কি দোষ ? তারা কি আর জানে পাখির ছদ্মবেশে থাকা কোন এক তান্ত্রিককেই তারা প্রতিনিয়ত খুঁচিয়ে যাচ্ছে ? সেদিন বিড়ালটাকে ঢলে পড়তে আর রাজাকে উঠে দাঁড়াতে দেখেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায় সূফীর কাছে । রাজাকে তলোয়ার নিয়ে এগিয়ে আসতে দেখে তখনই উড়ে প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে যায় । কিন্তু ভাগ্য খারাপ বলতে হবে তার । প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে সে যে গাছটাতে বসেছিল, কোন এক পাখি শিকারি তাতে ফাঁদ পেতেছিল । অজান্তেই সেই ফাঁদে আটকা পড়ে সূফী । শিকারি তাকে এনে এক পাখি ব্যবসায়ীর কাছে বেছে করে দেয় । ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তাকে কিনে নেয় বর্তমান মালিক । অন্যদিকে, রাজার সংসারে এখন চাঁদের হাট বসেছে । রাণীর কাছে কিছু বিষয় অস্পষ্ট, কিন্তু রাজার ভালবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি আর সেসব নিয়ে মাথা ঘামান না । সেদিন তার পাখিটি উড়ে চলে যাওয়ায় অনেক কষ্ট পেয়েছিলেন । কিন্তু দুদিনেই সব সামলে নেন । প্রিয়জন মারা গেলে হয়ত তাকে স্মরণ করে দীর্ঘদিন কষ্ট পাওয়া যায়, কিন্তু চোরের মত পালিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের জন্য দীর্ঘদিন মনে কষ্ট পুষে রাখার কোন অর্থ হয় না । তাছাড়া সেদিনের পর থেকে রাজাও কেমন জানি একটু বদলে গেছেন । তাকে এখন অনেক বেশী সময় দেন, অনেক বেশী ভালবাসেন । নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলোকে রাজা রাণীর কাছে চেপে যান । পাছে, অন্য পুরুষের সাথে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন ভেবে রাণী যদি হিন্যমনতায় ভুগেন, সেজন্যে । পুরো ঘটনায় তো তার কোন দোষ নেই । তিনি তো জানেনও না যে আসলে কি ঘটেছে ! তাই এসব কথা এখন তাকে জানিয়ে কষ্ট দেয়ার কোন অর্থ হয় না । কিছু সত্য গোপন থাকাই ভাল । মর্ত্যের স্বর্গে এখন আবার আগের সেই আনন্দ ফিরে এসেছে । রাজা রাণীর ঘরও উজ্জল করে এসেছে একজন চাঁদবদন রাজকুমার । রাজপুত্রের বয়স রাজপুত্রের বয়স যখন সাত, তখন একদিন হলো কি...... থাক সেসব । সেসব বলতে গেলে যে নতুন আরেকটা রূপকথা শুরু হয়ে যাবে ! এই রূপকথার আপাতত এখানেই পরিসমাপ্তি !


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একটি আশ্চর্য যাত্রা উপক্রমনিকা-০৬ (শেষ)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now