বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
৬
উপসংহারঃ
"ছেলেগুলো যা ফাজিল ! শুধু শুধু খোঁচা মারে ।
মাঝে মাঝে পালক ধরে টান মারে, মাঝে মাঝে
মাথায় ঠুঁয়া দেয় । ইচ্ছে করে ঠোঁকর মেরে
এক-একটার চোখ খুলে নিই । কিন্তু তাতেও ভয়
আছে । বাচ্চাদের কোন ক্ষতি হলে মালিক জানে
মেরে ফেলবে ।" খাঁচায় বন্দি বিরক্ত পাখিটি আপন
মনে নানা চিন্তার জাল বুনে চলে । কিন্তু তার
বিরক্তিকে বাচ্চারা খুব একটা পাত্তা দে না । তারা
মনের সুখে তাদের প্রিয় খোঁচা-খুঁচির খেলাটা
খেলতে থাকে । তাদেরই বা আর কি দোষ ? তারা
কি আর জানে পাখির ছদ্মবেশে থাকা কোন এক
তান্ত্রিককেই তারা প্রতিনিয়ত খুঁচিয়ে যাচ্ছে ?
সেদিন বিড়ালটাকে ঢলে পড়তে আর রাজাকে
উঠে দাঁড়াতে দেখেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়
সূফীর কাছে । রাজাকে তলোয়ার নিয়ে এগিয়ে
আসতে দেখে তখনই উড়ে প্রাসাদ থেকে
বেরিয়ে যায় । কিন্তু ভাগ্য খারাপ বলতে হবে তার ।
প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে সে যে গাছটাতে
বসেছিল, কোন এক পাখি শিকারি তাতে ফাঁদ
পেতেছিল । অজান্তেই সেই ফাঁদে আটকা পড়ে
সূফী । শিকারি তাকে এনে এক পাখি ব্যবসায়ীর
কাছে বেছে করে দেয় । ব্যবসায়ীর কাছ
থেকে তাকে কিনে নেয় বর্তমান মালিক ।
অন্যদিকে, রাজার সংসারে এখন চাঁদের হাট
বসেছে । রাণীর কাছে কিছু বিষয় অস্পষ্ট, কিন্তু
রাজার ভালবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি আর সেসব নিয়ে
মাথা ঘামান না ।
সেদিন তার পাখিটি উড়ে চলে যাওয়ায় অনেক কষ্ট
পেয়েছিলেন । কিন্তু দুদিনেই সব সামলে নেন
। প্রিয়জন মারা গেলে হয়ত তাকে স্মরণ করে
দীর্ঘদিন কষ্ট পাওয়া যায়, কিন্তু চোরের মত
পালিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের জন্য দীর্ঘদিন মনে
কষ্ট পুষে রাখার কোন অর্থ হয় না । তাছাড়া
সেদিনের পর থেকে রাজাও কেমন জানি একটু
বদলে গেছেন । তাকে এখন অনেক বেশী
সময় দেন, অনেক বেশী ভালবাসেন ।
নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত
ঘটনাগুলোকে রাজা রাণীর কাছে চেপে যান ।
পাছে, অন্য পুরুষের সাথে দীর্ঘ সময়
কাটিয়েছেন ভেবে রাণী যদি হিন্যমনতায় ভুগেন,
সেজন্যে । পুরো ঘটনায় তো তার কোন
দোষ নেই । তিনি তো জানেনও না যে আসলে
কি ঘটেছে ! তাই এসব কথা এখন তাকে জানিয়ে
কষ্ট দেয়ার কোন অর্থ হয় না । কিছু সত্য
গোপন থাকাই ভাল ।
মর্ত্যের স্বর্গে এখন আবার আগের সেই
আনন্দ ফিরে এসেছে । রাজা রাণীর ঘরও
উজ্জল করে এসেছে একজন চাঁদবদন রাজকুমার ।
রাজপুত্রের বয়স রাজপুত্রের বয়স যখন সাত, তখন একদিন হলো
কি......
থাক সেসব । সেসব বলতে গেলে যে নতুন
আরেকটা রূপকথা শুরু হয়ে যাবে ! এই রূপকথার
আপাতত এখানেই পরিসমাপ্তি !
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now