বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন পিতার আর্তনাদ

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ইতুর দুষ্টু জেরি(প্রমি) (০ পয়েন্ট)

X একজন পিতার করুণ আর্তনাদ... এক লোক তার দুই বছর বয়সী একমাত্র সন্তান হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে গেল। বাচ্চাটিকে কবরে শোয়ানোর সময় সহ্য করতে না পেরে তাকে জড়িয়ে ধরে বাবা কবরেই শুয়ে পড়লো,পাশে থাকা মানুষগুলো অনেক কষ্টে তাকে কবর থেকে উঠিয়ে আনে। এর পর থেকে সে দিনরাত শুধু তার বাচ্চার জন্য কান্না করতেই থাকে। তার চোখের জল যেন শুকাচ্ছেই না। সে হয়ে পরে নিদ্রাহীন। একটা মুহূর্তের জন্য ও সে তার বাচ্চার স্মৃতি ভুলতে পারছিলো না। ???? একদিন হঠাৎ ঘুমে.. তন্দ্রা লেগে আসছিলো লোকটির। সে তখন ঘোরের মধ্যে দেখলো এক বৃদ্ধ লোক এসে রীতিমতো ধমকে উঠলো۔ "কি ব্যাপার??? এত কাঁদছো কেন? যথেষ্ট হয়েছে! এবার সামলাও নিজেকে। বাবাটি বললো: আমি কি করে বাঁচবো? " আমি কোনোভাবে মানতে পারছি না যে আমি আমার বাচ্চা কে আর কখনো দেখবো না। ???? বৃদ্ধ লোক টি বললো: তুমি কি তাকে আবার দেখতে চাও? লোকটি বললো : হ্যাঁ হ্যাঁ l অবশ্যই দেখতে চাই, স্পর্শ করতে চাই। বৃদ্ধ বললো: ঠিক আছে। এসো আমার সাথে! এরপর বৃদ্ধটি লোকটি বাবাটাকে নিয়ে বিশাল এক গেটের সামনে হাজির হলো۔ গেট খুলে ভেতরে ঢুকতেই লোকটি দেখলো অনেকগুলো ফুটফুটে বাচ্চা লনে খেলা করছে। তাদের খুব আনন্দিত ও উচ্ছসিত মনে হচ্ছিলো। কিন্তু লোকটি তার বাচ্চা কে কোথাও দেখতে পেলো না। বৃদ্ধ লোকটি বললো: এই বাচ্চাদের খুব তাড়াতাড়ি এখানে ডেকে নেয়া হয়েছিল। এখানে ওরা অনেক খুশিতে থাকে। লোকটি বললো : কিন্তু আমার বাচ্চা কোথায় ? বৃদ্ধ তখন লোকটিকে নিয়ে আরেকটা গেটের সামনে দাঁড়ালো। লোকটি দেখলো এখানেও অনেক বাচ্চারা আছে,, তবে সবার হাতে একটি প্রজ্জ্বলিত মোমবাতি। লোকটি তার বাচ্চা কে খুঁজতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষন পর সে খেয়াল করলো তার বাচ্চা টা গেটের কোনায় একটা আলোবিহীন মোমবাতি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। লোকটি তৎক্ষণাৎ দৌড়ে গিয়ে তার বাচ্চাটিকে জড়িয়ে ধরে আদরে আদরে ভরিয়ে দিলো। একটু শান্ত হলে লোকটি জিজ্ঞেস করলো কি বাবা? তোমার হাতের বাতিটা নিভানো কেন? বাচ্চাটা বললো: বাবা আমি তো বারবার বাতিটা জ্বালাই কিন্তু তোমার চোখের পানিতে আমার বাতিটা জ্বলতেই পারছে না। বাবা তুমি কেন এত কান্না করো? এই কথা শুনে বাবা কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বললো: ঠিক আছে বাবা। আজ থেকে আমি আর কান্না করবো না। তোমার বাতিটা আবার জ্বালিয়ে নাও। বাচ্চা টার বাতিটা আবার জ্বলে উঠলো। বাচ্চাটা তার বাবাকে শেষ বারের মতো জড়িয়ে ধরে অন্য বাচ্চাগুলোর সাথে প্রজ্জ্বলিত মোমবাতি নিয়ে মিশে গেল। আসলে মৃত মানুষদের জন্য কখনোই আহাজারি করে জীবন দুর্বিষহ না করে,, বরং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা উচিত। কারণ আমরাও ওই একই গন্তব্যের দিকে ছুটে চলছি যা নির্ধারিত হয়ে আছে আমাদের জন্মের আগে থেকেই। ???????? #কালেক্টেড


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন পিতার আর্তনাদ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now