বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন মা,এবং নি সোনার গল্প-০৬

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X (৬) রুহিতা সব শুনে অবাক হল। রিশান হাতের ফাইলগুলো দেখাতে লাগল তাকে। "আমি কিছুটা আন্দাজ করতাম,রিশান। কিন্তু এত বেশী! রুবাই কোথায়?" রিশান ফিসফিসিয়ে বলল, "ও আমার কথা শোনেনি রুহিতা। কোথায় যেন চলে গেছে,অসুস্থ শরীর নিয়ে। কে জানে..." "হাউ ইউ কুড রিশান? কম্পিউটার স্যাস ওকে পেলেই খারাপ কিছু একটা ঘটে যেতে পারে! আর এই ডাটাগুলো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ামাত্র আমরাও.." " তোমাকে বিপদে ফেলতে চাইনা,রুহিতা। আমি একাই পারব।" "দয়া করে চুপ থাকো। ভাবতে দাও আমাকে। .... রুবাই সবসময় একটা কথা বলত। একজন মানুষ অন্য একজন মানুষকেই হুট করে বিশ্বাস করতে পারে। যন্ত্রকে নয়। ...আমাদের কিছু স্বেচ্ছাসেবী দরকার। সাথে ত্রিণা নামের মেয়েটাকেও পেলে ভাল হয়।" "ও শুশানের দায়িত্বে আছে।" "তাহলে চিন্তা নেই। ......কম্পিউটার স্যাস তোর হার্ডডিস্ক উড়িয়ে দিতে আসছি আমরা। ব্যাটা আবর্জনার স্তূপ কোথায়কার!" (৭) আমি একটুও চমকালামনা। আসলে একটা পর্যায়ে মানুষের অবাক হওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে যায়। ক্লান্ত ভঙ্গীতে জানতে চাইলাম, "স্যাস,মা কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছে?" "এখন থেকে পাবে। আমি আপনার মায়ের মস্তিষ্কের সাথে একটা স্পীকার সংযুক্ত করে দিয়েছি। আর উনার প্রোগ্রামকে কিছুক্ষণের জন্য স্বতন্ত্র করে দিয়েছি। আপনি কি কিছু বলতে চান,উনাকে?" "না স্যাস। আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই।" "বলুন শুনতে পাচ্ছি।" "এভাবে নয়। আমার যন্ত্রের সাথে কথা বলতে ভাল লাগেনা। তুমি দেখা দাও।" সাথে সাথেই ঘরের ঠিক মাঝখানটায় আমি একজনকে দেখতে পেলাম। মধ্যবয়স্ক ছোটখাট এক লোক। চোখে মোটা ফ্রেমের ভারী কাচের চশমা। রাগত দৃষ্টি। মাথার চুল পাতলা হয়ে এসেছে। দাঁড়ানোর ভঙ্গীতে অহংকার ছিটকে বেরুচ্ছে। পরিপাটি পোশাকে সম্পূর্ণ এক ভদ্রলোকের প্রতিচ্ছবি। তবুও,যন্ত্রতো! "এবার বলুন।" আমি চুপ করে রইলাম। কথা গুছিয়ে নিচ্ছি। ভাবছি। আচ্ছা,রিশানদের আর কত সময় দরকার? "জানো স্যাস,মস্তিষ্ক থেকে স্মৃতি কখনো হারায় না। মুছে ফেলা যায়না। স্মৃতিরা স্থান পরিবর্তন করে শুধু। সুপ্ত থাকে কোন একটা অংশে। যান্ত্রিক ভাষায় এটাকে তোমরা রিসাইকেল বীন বলো।" "আপনি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছেন। সময়ের কি দারুণ অপচয়!" আমি তাচ্ছিল্যের ভঙ্গীতে হাসলাম। রাগ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। চেপে রাখতে কষ্ট হচ্ছে খুব। "তুমিতো কোন প্রসঙ্গ সাজেস্ট করোনি বরাবরের মত। কিংবা আমিও বেছে নিইনি। অতএব চুপ থাকো! .... সেই সুপ্ত স্মৃতি কোন একটা হিট পয়েন্ট কিংবা পরিস্থিতর অপেক্ষায় থাকে। আর তেমন কিছু ঘটামাত্রই সেই সুপ্ত স্মৃতি নিজের পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।তেমনি ছোটকালের অনেক স্মৃতিই আমার এখন মনে পড়ছে। এর একটা তোমাকে শোনাব আমি।" "জ্বী বলুন,আমি শুনছি।" আমি ঘড়ি দেখলাম। কতক্ষণ পেরিয়েছে,এখানে আসার পর? এক ঘন্টা হবে হয়ত। আশা করলাম,রিশান কোন ঝামেলায় পড়েনি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন মা,এবং নি সোনার গল্প-০৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now