বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন মা,এবং নি সোনার গল্প-০৩

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X (৩) কিশোরী চেহারার একটা মেয়ে। কেমন যেন নির্লিপ্ত ভঙ্গীতে দাঁড়িয়ে আছে। পাশে তার পুরুষ সঙ্গী,কিংবা স্বামী। দুজন গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে। হয়ত ভরসা খুঁজছে,একে অপরের স্পর্শে। ঠিক ওদের মতই একই ভঙ্গীতে দাঁড়িয়ে আছে অন্য পাঁচ যুগল। এরা কি জানে,কতটা অনিশ্চয়তা অপেক্ষা করছে এদের জন্য? কত বড় বিপদ! কাউন্সেল প্রধান হ্রুজান থমথমে গলায় বলল, "কী নাম তোমার মেয়ে?" কিশোরী চেহারার মেয়েটা নড়েচড়ে দাঁড়াল। স্পষ্ট কন্ঠে জবাব দিল, "ত্রিণা।" "ত্রিণা,তুমি কিংবা তোমরা জানো কতবড় অপরাধ করেছো? তোমরা নিয়ম ভেঙ্গেছো। এর ফলে আমাদের সবাইকেই বিপদের মুখোমুখি দাঁড়াতে হতে পারে,তার কোন ধারণা আছে তোমার?" "মহামান্য হ্রুজান,ভালবাসা কিংবা আজীবন পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি অপরাধ হতে পারেনা।অপরাধ হতে পারেনা, স্বামী কিংবা সংসারের স্বপ্ন দেখা ও। ছোট্ট একটা মেয়ে সন্তানের আশা করা,অপরাধ হতে পারে কী?" ত্রিণার কথায় আত্মবিশ্বাসের কমতি নেই। এমনটা আজকাল চোখেই পড়েনা! "নির্বোধ মেয়ে,এতে তোমার ক্ষতি হতে পারে এটা জানো না?" "আপনি কোন ক্ষতির কথা বলছেন,মহামান্য হ্রুজান? সেই ভ্রান্ত তেজস্ক্রিয়তার ব্যাপারে নয়তো?" "ভ্রান্ত?" এবার আমি প্রশ্ন করলাম। ত্রিণা আমার দিকে তাকাল। বড়বড় চোখজোড়ায় রাজ্যের সরলতা। "জ্বী,ভ্রান্ত ধারণা। আমি আপনাদের প্রমান করে দেখাতে পারব,সন্তান জন্মদান কোনভাবেই..." "নির্বোধ মেয়ে,তুমি বিজ্ঞান কাউন্সিলের সাথে এভাবে কথা বলতে পারো না!" নতুন কন্ঠস্বরটার আবির্ভাবে আমরা সবাই কিছুটা চমকে উঠলাম। আমাদের টেবিলটার শেষপ্রান্তে একটা হলোগ্রাফিক ইমেজ। এক মধ্যবয়স্ক গম্ভীর লোক দাঁড়িয়ে আছে। চোখে তার ভারী লেন্সের চশমা। কপাল কুঁচকানো। কম্পিউটার স্যাস! আমি যারপরনাই বিরক্ত হলাম। মানুষের সভায় একটা কম্পিউটারের এমন উপস্থিতি,স্রেফ অসহ্য! তাকে অগ্রাহ্য করলাম। ত্রিণাকে শান্ত গলায় বললাম, "তুমি তোমার কথা শেষ করো। আমি শুনব। অন্য কেউ শুনুক বা না শুনুক!"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন মা,এবং নি সোনার গল্প-০৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now