বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ৮
দুই দিন পর-রাত তিনটে বাজে মাতাল অবস্থায় নিজ আড্ডায় রাজুক আর তার চার সঙ্গী পড়ে আছে।আশে পাশে মদের বোতল পড়ে আছে।দেখে ভালোই লাগলো কষ্ট কম হবে মারছে।একটু সময়ের মধ্যে সব রেডি কেরে নিলাম।একটা ম্যাচের কাঠি হাতে নিয়ে বসে রইলাম।একটু পর ওদের মধ্যে একজন জেগে উঠলো।মাতাল অবস্থায় বললো,"কেরে তুই এখানে কি করিস?"
নীল-গুড বায়।ম্যাচের কাঠিটায় আগুন ধরিয়ে পিছুতে লাগলাম।ম্যাচের কাঠিটা ছুড়ে ফেলে দিলাম।সাথে সাথে আগুন ধরে গেলো।যার করর্ম যেমন ফলও তেমন।কালকে ব্রেকিং নিউজ হবে পাচ খুনের পলাতক অপরাধী রাজুক ও তার সঙ্গীরা আগুনে পুড়ে মারা গেছে।বাইকটা চালু করে বাড়ির দিকে রউল দিলাম।একটা অন্য রকম শীতল বায়ু আমার পাশ দিয়ে গেলো।হ্যাঁ তার মানে সে মুক্তি পেয়েছে।
মুখে একটু বিজয়ী হাসি দিলাম।
সকালে-ব্রেকিং নিউজ হয়ে গেলো পাচটা খুন করা রাজুককে কেউ পরিকল্পিতভাবে আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে।ঘটনা স্থল থেকে আগুন ধরানোর যায় এমন কিছু ভয়ঙ্কর তরল পাওয়া গেছে।
ঘটনা স্থলে-অফিসার-মনে হচ্ছে কোনো প্রোফেশনাল খুনীর কাজ।কোনো চিহ্ন,প্রমাণ কিছু নেই।আর যে তরল ব্যবহার করা হয়েছে খুবেই ভয়ানক সাধারণ দোকানে বিক্রি নিষেধ তাহলে পেলো কি করো।আজকের এই পাচ জন আর কয়দিন আগের সেই দুইজনের খুনের কোনো প্রমাণ পাচ্ছি না।কে করছি?
----------------কয়েক ঘন্টা পর----------------
থানায় ওসি সাহেব আমায় ডেকেছে।ওসি সাহেবের রুমে প্রবেশ করলাম ভিতরে ঢুকতেই বসতে বললো।
ওসি-কয়দিন আগে দুইজন ছেলের মৃত দেহ পাওয়া যায়।সি সি টি ভি ছবি অনুসারে তুমি সে পথে একটা গাড়ির পিছু নিতে নিতে গিয়েছিলে রাইট?
নীল-আপনার প্রশ্ন উত্তর দেবার আগে আসি একটা প্রশ্ন করবো।তাহলে আপনি গাড়িটার মালিককে কেনো ধরেন নি?সেও তো হতে পারে তাই না?তার মানে এটা নির্দেশ করছে যে হয়ত আপনি জানেন খুনটা কে করছে, না হয় গাড়ির যে মালিক তাকে চিনেন,না হয় আমার আগে তাতে ডাকা হয়েছে?
ওসি-স্মার্ট বয়।২য় টা সঠিক আমি চিনি গাড়ির মালিককে।এবার আমার প্রশ্নের উত্তর।
নীল-যাক জেনে ভালো লাগলো আমার কিউটিটার বাবা ওসি।
ওসি-মনে?কি সব বলছিস জেলে ভরবো।
নীল-শান্ত হও চাচ্চু নিজের জামাইকে ভুলে গেলে।এটা কথা।
ওসি-নীল?
নীল-স্মার্ট মেন রাইট।
ওসি-মনে কেমনে?তুমি বেঁচে আমি কি বলো?
নীল-ওতি খুশিতে দেখি প্রশ্নও ভুল করছেন।আচ্চা আসি পরে কথা হবে আরো খুন করতে হবে যে!
ওসি-কিহ তার মানে তুমি ওই দুইজনকে মেরেছো?
নীল-হুম কারণ অনিশাকে টিজ করেছিলো।
ওসি-তোমাকে আমি জেলে দিতে পারি
নীল-প্রমাণ কি?পিতা মেয়েকে নিরাপত্তা দিতে পারে নি?
ওসি-নীল বেশি কথা না বলো।
নীল-ধরলাম জেলে ভরলেন কিন্তু কয়খুনের জন্য কাল রাতে আপনার গলার পাচটা কাটা সরিয়েছি থ্যাংকুও দিলেন না মিয়া
ওসি-ওহ তুমি সাতটা খুন করছো।পাগল হলা মরার সখ।ছাগল ছেলে।
নীল-এই নিন রেকর্ডার আমার সব কথা রেকর্ড আছে।লাগলে প্রমাণ সহ জেলে ভরতে পারেন
ওসি-বদলাবে না আর তাই না।জানো ভালো করে কিছুই করবো না। আচ্চা কাল ওই পাচজনকে খুজে পেলে কিভাবে?
নীল-স্মৃতিশক্তির ঘটনাটা বললাম আগে তারপর দুইদিন আগে-স্মৃতি ফিরার পর দুইজনকে মারার পরের দিন রাতে যাই একা আমার সেই বাড়িটাতে।ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম আর নতুন নতুন দৃশ্য ভেসে উঠছিলো।কিন্তু কোনো ভাবেই মনে করতে পারি নি আমি কিভাবে বাড়ি থেকে গেলাম বা বাবা মায়ের সাথে কি হলো আমি কিভাবে বাঁচলাম মনে আসে নি।ফিরার আগে আরেক বার বাগানে যাই।গিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখি হঠাৎ কিছুর সাথে উস্ঠা খেয়ে পড়ে যাই।চেক করে দেখি হাড়।প্রথম ভেবেছি কোনো সাধারণ প্রাণির হাড় পরে হাড়ের সাইজ দেখে মনে হলো মানুষ হাতের হাড় ভয়ে পেয়ে যাই।উঠে দাড়াই পা বাড়াতে নিই তখনেই মাটি থেকে একটা হাত বের হয়ে আমার পা ধরে বসে।আর কোথায় থেকে জেনো কাদার শব্দ আসছিলো।আমাকে শুধু বলছিলো ওকে মুক্তি দিতে।ধিরে ধিরে ভয়টা কেটে যায় আর বুঝি আমার সাথে সাহায্য চাচ্ছে।জিগাস করি কে মেরেছে তখন কোথায় থেকে শীতল একটা বাতাস বলে দেয় রাজুক। আমি বলি কি করতে পারি?আত্মাটা বলে রাজুককে খুন করলেই ওর মুক্তি হবে।আমি রাজি ছিলাম না।আত্মাটা রাজুকের ঠিকানা থেকে সব দেয়।আমি না রাজি হওয়ায় সে বলে বদলে তোমায় তোমার একটা কঠিন অতীত বলবো।আমি রাজি হই কারণ আমারও জানার সখ এরপর সেদিন রাতে মেরে ফিরার পথে শীতল বাসাত বয়ে যায় আর একটা ছোট্ট মেসেজ দেয় তোমার বাবা মাকে মারা হয়েছে........
চলবে.............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now