বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন খুনি part 3

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ৩ -কিরে তৃষা তুই এখানে? -রাতে কই ছিলি? -কই ছিলাম রাত বাসায়। -মিথ্যা বলিস না। -কিসের মিথ্যা? -ছবিগুলো দেখ তৃষা ওর ফোনটা হাতে দিলো।ফোনের ছবিগুলো দেখে বুঝা যাচ্ছে ছবিতে আমি।তখন রাত।আমি ওসি সাহেবের বাসার সামনে দাড়িয়ে। -এটা কিভাবে সম্ভব? -তুই ভালো জানিস -এক মিনিট তুই তো এতোক্ষণে পুলিশের কাছে যাবার কথা কিন্তু গেলি না কেন? -কারণ এরপর তুই ওসি সাহেবের বাসার সামনে এক লাফে বাসার ছাদে উঠে যাস আর আমি ডাকও দিই শুনিস নিই।ওটা তুই হতে পারিস না।আর হলে তোকে দেহে তুই ছিলি না। -আমার তো এমন কোনো কিছু মনে নেই। আমার শুধু মনে আছে রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে গেছি। -তাহলে তুই ওখানে গেলি কিভাবে? -এর আগেও এই রকম ঘটনা হয়েছে -কবে? -দুইদিন আগে ওই যে আরমান সাহেবের খুন হয়। রাতে পরের দিন সকালে আমি হাতে রক্ত দেখি। কিন্তু আমার হাত কাঁটা ছিলো না -এসব কিছু আগে তো তোর সাথে হয় নি -না। -আজ রাতে তাহলে তুই নিজের পা বেঁধে রাখিস।সকালে উঠে খুলে নিবি।দেখা যাক রাতে কিছু হয় কিনা।আমি রাতে আসবো নে। -ওকে। তৃষা চলে গেলে।আমার তো এখনো বিশ্বাস হচ্ছে।তার মানে কি আমি আরমান সাহেবকে খুন করেছি।ওসির উপর হামলা আমি করেছি।না আমি আরমান সাহেবকে চিনি না আমি ওসিকে।রাব্বি বলেছিলো ওসিকে বলেছে ৬৭ নং অসম্পূর্ণ কেসটা নতুন করে চালু করতে।তার মানে কি এতো বছর আগে আগুনে পুড়ে যাওয়া কেউ কি আমার শরীরে ভর করেছে নাকি।কিন্তু আমি তো ওদের কাউকে চিনি না তাহলে এসবে জড়ালাম কেনো? রাতে-তৃষা আসলাম আমার পায়ের সাথে হাতও বেধে রেখে দিলো। -এবার ঘুমা -কেমনে হাত পা বাধা একটু নড়তেও তো পারবো না অনেক কষ্টে ঘুমালাম। রাত তিনটা বাজে অরিককে বেঁধে রেখে দিয়েছি। আমার তো প্রচুর ঘুম পাচ্ছে।আবার ভোরে যেতে হবে বাড়ির কেউ জানে না।একটু উঠে পানি খেলাম।ফিরে এসে দেখি অরিক নেই।রাশি কাঁটাও নেই তাহলে খুললো কিভাবে?জানালা দিয়ে নিচে তাকালাম অরিক যাচ্ছে।পিছু নিলাম।অরিক অনেক দ্রুত হাঁটছে আমাকে দৌড়াতে হচ্ছে।অরিকের ভিতর কিছু ঢুকেছে।হঠাৎ অরিক একটা বাসার সামনে থেকে।তারপর অদৃশ্য হয়ে গেলো।কোথায় গেলো অরিক। শান্তি নিজে কক্ষে ঘুমিয়ে রয়েছে মিস্টার রায়হান খান।হঠাৎ মনে হলো কেউ ওনার পা ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।চোখ খুলে নিজেকে আবিষ্কার করলো ঠান্ডা একটা রুমে।শীতল থমে থমে পরিবেশ।পুরা রুম অন্ধকার।নিজেকে একটা বাঁধা অবস্থায় চেয়ারে পেলো। -কে আমাকে এখানে এনেছে।আমাকে চিনিস আমি রায়হান।রায়হান খান -চুপপপপ।নিরবতা আমি বেশি কথা পছন্দ করি না। -কে তুমি। -কন্ঠটা চিনতে পারো নি। -চিনা চিনা লাগছে...কে...তুমি? -আমি সেই যাকে তুই দুইবার মেরেছিস।আবার ফিরে এসেছি -কে...নী.. বলার আগেই জোড়ালো এক চিৎকার। রায়হান খানের গলাটা টেনে ছিড়ে ফেলেছে অরিক।অরিক না অরিকের উপর ভর করা আত্মাটা। হাসপাতালের মর্গের গার্ড রহতম একটু বাথরুমে যায়। হঠাৎ সে জোড়ালো এক চিৎকারের আওয়াজ শুনে দৌড়ে মর্গের ভিতরে ঢুকে।দেখে একজন লোকের গলা বিহিন লাশ চেয়ারের সাথে বাধা অবস্থায় পড়ে আছে।হঠাৎ উপর থেকে এক ফোঁটা রক্ত পড়লো।সেটা ওনার পায়ে লাগলো।উপরে তাকিয়ে দেখে একটা মাথা।কাঁটা মাথা।সেখানে রক্ত পড়ছে।তিনি সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এইদিকে তৃষা অরিককে না পেয়ে অরিকের বাসায় ফিরে আসে।রুমে ঢুকতেই অরিককে খাটে বাঁধা অবস্থায় দেখে। একি অরিক এখানে কিভাবে পুরা বাঁধা অবস্থা।হঠাৎ শীতল একটা বাতাস বয়ে গেলো মনে হলো।চেনা একটা গন্ধ নাকে লাগলো।আর কানে মনে হলো কেউ বললো- -তৃষ বন্ধ কর পিছু। তৃষ বলে তো আমাকে অনেকেই ডাকে কিন্তু কন্ঠা চেনা লাগলো।এটাই সে অাত্মা যেটা অরিকের উপর ভর করেছে। সকালে -বিনা ঘুরে রাতটা পার হলো।অরিক ঘুম থেকে উঠে বললো -খুল হাত পা খুলে দিলাম। -কিরে তৃষা কাল রাতে যাই নি তো? -গিয়েছিলি।টিভিটা ছেড়ে নিই দেখি কাকে মেরেছিস টিভি ছাড়লাম ব্রকিং নিউজ হাসপতালের মর্গে গলা কাঁটা রায়হান খানের লাশ পাওয়া গেছে। -এবারের শিকার রায়হান খান -এবার তো হাত পা বাঁধা ছিলো -আমি জানি তুই করিস নি। -তাহলে কে? -একটা অাত্মা।সে প্রতিশোধ নিচ্ছে।সে পরিচিত কেউ আমাদের পরিচিত -কি বলিস -সে যাবার আগে আমার কানে বলে,"বন্ধ করো পিছু নেওয়া তৃষ" পরিচিত একটা কন্ঠ -তাহলে ৬৭নং কেসের সাথে কি সম্পর্ক আত্মাটার? -বের করতা হবে। উঠে ফ্রেস হতে যাচ্ছিলাম তখনেই তৃষা বললো -কিরে তোর হাতে তো এই ঘড়িটা আগে দেখি নি। -আরে ঘড়িটা হুবহু নীলের ঘড়িটার মতো।তাই কিনে নিই। -নীল। ওই যে তোর সাথে থাকতো যে। -হুম ওর তো এখনো খোঁজ পেলাম না। হাসপাতালের মর্গে-রাব্বি এসেছে ওসি এখনো অসুস্থ।লাশের ঝুলন্ত মাথা নামানো হলো।চোখে সেই ভয়টা যেটা অারমানের চোখেও ছিলো।মাথায় লিখা খুনী ফিরে এসেছে।ভুল ভয়ানক খুনটা।বডিটার কাছে গেলাম।হাত পা বাঁধা আছে।হঠাৎ খেয়াল করলাম মর্গের এক কোণে ক্যামেরা। গত মাসে এখানে লাশ চুরি হয় পরে ক্যামেরা লাগলো হয়।ক্যামেরা চেক করলাম কিছু রেকর্ড হয়েছে কিনা।দেখলাম পুরা অন্ধকার রুমটা।শুধু দুইজনের কন্ঠ শুনা যায়।কথাগুলো কেমন রহস্যময়।শেষে রায়হান বলে নী. বাকি কথাটা আর বলতে পারলো না।কে খুন করছে কেনো করছে? চলবে.......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন খুনি Last part
→ একজন খুনি part 8
→ একজন খুনি part 7
→ একজন খুনি part 6
→ একজন খুনি part 5
→ একজন খুনি part 3
→ একজন খুনি part 2
→ একজন খুনি part 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now