বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একজন খুনি

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Fahim (০ পয়েন্ট)

X পর্ব ৪ সকাল সকাল মাথা নষ্টকরা ভৌতিক ঘটনা অরিক আর তৃষাকে চিন্তায় ফেলে দিলো।কিন্তু কি করার কাজ আগে।অফিস তো আছে।তৃষাকে বিদায় দিয়ে অরিক অফিসের দিকে রওনা দিলো।প্রতিদিনের মতো বাসে উঠলো।সিট পাচ্ছে না পিছনের দিকে একজন লোকের পাশে খালি সিট পেলো।লোকটা জানালার পাশে বসে বাহিরের দিকে তাকিয়ে ছিলো।অরিক প্রথমে খেয়াল করে নি।পরে খেয়াল করলো ৬০+ একজন লোক।লোকটাকে চিনা চিনা লাগছে। -আপনি নীলের প্রিয় স্যারটা না? -হুম।তুমি কি অরিক নাকি? -জি।আপনি আজ বাসে আপনার মতো বড় লোক মানুষ।স্যার হঠাৎ কি ভেবে বাসে? -আসলে আমার গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেছে।আশে পাশে কোনো গ্যারেজ দেখি নাই।কল করেছি আরেকটা গাড়ি কিন্তু দেরি হবে।আমার আবার দেরি হয়ে যাচ্ছে তাই বাসে উঠলাম। -আপনার গাড়িটা কোথায় আমি একটু চেক করি? -আসো। বাসের থেকে নেমে আবার পিছনে গেলাম। স্যারের গাড়িটা চেক করলাম।ওয়েল ট্যাংকে ময়লা জমলো। পরিষ্কার করে দিতেই কাজ করলো।গাড়ি স্টার্ট হলো। -স্যার দেখলে হাতের যাদু। -গুড।আমি তো আবার গাড়ি সম্পর্কে বেশি কিছু জানি না।ডক্টর মানুষ।ড্রাইবারটাও আজ ছুটিতে না হলে সমস্যাটা হতো না। স্যারকে বিদায় দিয়া চলে আসলাম।কিন্তু দুর্ভাগ্য বাসটা মিস করলাম।আরকি করার অফিসে যেতে দেরি হলো।বসের এক গাধা লেকচার দিনটাই খারাপ গেলো। কাজ শেষ করে অফিস থেকে বের হলাম।আর কিছু মনে নেই। শহরের পাশে থাকা একটা ব্রিজের কিনারে দাড়িয়া আছে অরিক।অরিক বললে ভুল হবে অরিকের উপর ভর করা নীল।আশা করি সবাই জানেন। অরিকের উপর ভর করা নীল- সেদিনটাও এমনেই একটা দিন ছিলো।আমাকে এই ব্রিজের নিচের নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।কষ্ট নেই তাতে কিন্তু হাতের কিছু কাজ তো রয়ে গেলো।অনিশা ওপাড়ের দুনিয়ায় তিন মাস ধরে অপেক্ষায় আছে।আমাকে দ্রুত কাছ সেরে ফিরতে হবে ওর কাছে।আমার বাবা মায়ের কাছে। অরিক- আরে আসি বাসার সামনে কি করে।আমার শুধু মনে ছিলো অামি অফিস থেকে বের হয়েছি।কি সব যে হচ্ছে আমার সাথে।রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত দুইটা বাজে আজ সকালে বাসে দেখা হওয়ার নীলের স্যার হ্যারিসন শান্তিতে ঘুমাচ্ছে।হঠাৎ মনে হলো কেউ গালে থাপ্পড় দিলো। -কে কে... আজব তো রুমে তো আমি ছাড়া আর কেউ নেই। অজানা একটা কন্ঠ-কি হলো স্যার ভয় পাচ্ছে। স্যার-কেহ কে ওনাকে।একটা ছায়া মূর্তি সরে যেতে দেখলাম।হঠাৎ কেউ গলা ধরে বসলো। অজানা কন্ঠ-চিনতে পারেন নি স্যার।আপনার প্রিয় ছাত্রটাকে এতো দ্রুত ভুলে গেলেন? স্যার-নীল তুমি।এসব কি করছো আমার গলা ছাড়ো বলছি নীল-ছাড়তে ধরি নি মারতে ধরেছি।যে অপরাধ করেছেন মৃত্যুই তার শাস্তি। স্যার-আমি কি করেছি।আসি তোমায় পড়িয়েছি আর তুমি আমাকে মারবে কেনো? নীল-হাসি পেলো।ড.হ্যারিসন ফরেন্সিক ডক্টর ছিলেন কোনো এক সময় তাই না? স্যার-তুমি কি করে জানলে?আমি তো কখনো বলি নি নীল-মানুষ মৃত্যুর পর অনেক কিছু জানতে পারে। -তু..তুমমি মৃত? -হুম।অনেক আগেই মরে গেছি।প্রতিশোধ আর নিজের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছি।আজ আপনাকে মারবো আর কাল আরেকজনকে মারলেই আমার মুক্তি। স্যার-আমাকে কেনো মারবে? নীল-অনেক বছর আগে একটা পোস্ট মার্টম রিপোর্ট দিয়েছিলেন।মিথ্যা রিপোর্ট। সেখান থেকেই সব কিছুর শুরু। অনেক খুজেছি কে দিলো কে সে।মরার পর জানতে পারলাম আর কেউ না আমার প্রিয় স্যারটা। স্যার-তু....তুম্মি নীল ওয়েল্স? নীল-হ্যাঁ। আর কি বলার সুযোগ দিই নি মাথা একটানে আলাদা করে দিলাম।শান্তি পাচ্ছি অনেক।এখানেই শেষ নয়।পুরো শরীরে আগুন ধরিয়ে দিলাম।যেভাবে আমার পরিবার মরেছে সেই কষ্টটা দিতাম কিন্তু প্রিয় স্যার বলে কথা কষ্ট কম দিলাম।মাথাটা আগে আলাদা করে দিলাম যাতে আগুনের পুড়ার কষ্টটা না পায়।কিন্তু ইস্টাইস তো আমার পাল্টাবে না যে যে কাজ করেছে তাকে সেইভাবে মারা।আমি বেঁচে থাকতেও খুনী ছিলাম এখনো মরার পর খুনি। আমি আসছি খুব দ্রুত ফিরে তোমারদের কাছে মা বাবা।আমি আসছি...... সকালে-অরিক-ঘুম থেকে উঠে হাতে কিছু ফিল করলাম।আরে এটা তো ঘড়ি।কিন্তু আমি তো কাল ঘড়ি পড়ে শুই নি।এটা আসলো কি করে হাতে। অন্যদিকে-হ্যারিসনের বাড়িতে পুলিশ রাব্বি হ্যারিসনের রুমে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।এবার খুনটাও একই।মাথাটা আলাদা। কিন্তু এবার বাকি বডি আগুন দিয়ে পুগানো হয়েছে।সেটা দেখে সে অবাক নয়।দেওয়ালে লিখা ৬৭নং কেসটা ওপেন করছো না কে পাগলা।রাব্বি ভালো করে জানে কে পাগলা বলে ডাকে। ভালো করেই জানে।সে বুঝতে পেরেছে চার মাস আগের খুনীটাকে কে ছিলো।এখনও কে করছে।শুধু তাই নয় আরো কিছু দেখা গেছে হ্যারিসনের বাড়ির বাহিরের ক্যামেরায়।অরিকের ছবি।রাব্বি ভালো করেই জানে অরিক করে নি।করেছে অন্য কেউ।অরিকের সাথে সে দেখা করতে যাচ্ছে।বাইক চালিয়ে দ্রুত যাচ্ছে।রহস্যটা কি তাহলে রাব্বির ধরা খাবে? নাকি অন্য কোনো মোড় নিবে?জানতে পারবেন পরের পর্বে। চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ একজন খুনি Last part
→ একজন খুনি part 8
→ একজন খুনি part 7
→ একজন খুনি part 6
→ একজন খুনি part 5
→ একজন খুনি
→ একজন খুনি part 3
→ একজন খুনি part 2
→ একজন খুনি part 1

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now