বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
এক শিকারীর আত্মত্যাগ
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Akash (০ পয়েন্ট)
X
এক শিকারি একদিন জঙলে হরিণ শিকার করার জন্য জাল পাতলো। আর আশেপাশের জঙলে নাঠি দিয়ে নরাতে থাকল। জঙলের মধ্যে এক হরিণ আপন মনে ঘাস খাচ্ছিল। শব্দ পেয়ে হরিনটি দৌড় শুরু করল। এবং শিকারির জালে আটকা পড়ল। শিকারি হরিনটিকে নিয়ে যেতে পারছে না। কারন হরিণটি অনেক ভার ছিল। তাই টানতে টানতে নিয়ে যাচ্ছে। এক সময় শিকারি হয়ড়ান হয় এবং হরিণটিকে গাছের সাথে বেধে চলে যায়। হরিণটি কাদতে কাদতে বলে শিকারি আমাকে ছেড়ে। আমার ছোট ছোট দুইটি বাচ্চা। ওরা দুধ না খেয়ে মারা যাবে।কিন্তু হরিণ কথা গুলো মনে মনে বলতে থাকে। এই সময় হযরত মুহাম্মদ (সঃ) সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হরিণটি আল্লাহকে বলল আমার জবান খুলে দাও। আমি নবীজির সাথে কথা বলব।আল্লাহ তায়ালা সাথে সাথে হরিণের জবাব খুলে দিল। বলুন মারহাবা। হরিণ সাথে সাথে কাদতে কাদতে বলল নবীজি আমাকে ছেড়ে দিন। আমার ছোট ছোট দুইটি বাচ্চা আছে। তারা দুধ না খেতে পারলে। তারা মারা যাবে। হয়ত এতোখন আধামরা হয়ে গেছে। আমি একটান দুধ খিলাইয়া চলে আজব। আমাকে ছেড়ে দিন। নবীজি হরিণটিকে ছেড়ে দিল। হরিণ চলে গেল। শিকারি এসে বলল হরিণটিকে ছেড়ে দিলেন কেন। নবীজি বলল হরিণ আবার আজবে। শিকারী আসলো যে হরিণ আবার ফিরে আসবে। আপনাদের কি মনে হয় হরিণ আবার ফিরে আসবে। এইদিকে হরিণ বাচ্চাদের গিয়ে বলল। দুধ খাবি নাকি খা আমি যে নবীজিকে হাতে রশি লাগিয়ে এসেছি খা। বাচ্চারা মাকে বলল আমরা তোমার দুধ খাবনা। তুমি নবীজির হাতে রশি লাগিয়ছো। আমরা তোমার দুধ খাবনা। চলো নবীজির কাছে মাফ চাইলে নবীজি যদি তোমাকে মাফ করে তাহলে আমরা তোমার দুধ খাব। তাই মা ও বাচ্চা দুইটি নবীজির কাছে চলল। শিকারী দেখলো হরিণ একটি গিয়েছিল এখন তিনটি এসেছে। বাচ্চা দুইটি এসে নবীজির পায়ে ধরে বলল। আমার মাকে মাফ করে দেন। আমার মাকে যদি মাফ না করে দেন। আমরা মায়ের দুধ খাব না। নবীজি শিকারীকে বলল এখন বলো তুমি কাকে চাও। মা হরিণটিকে নাকি বাচ্চা গুলোকে নাকি যে নবীজি একটি হরিণ ছাড়লে তিনটি হরিণ আসে সেই নবীজিকে। শিকারী বলল আমি আপনাকে চাই। যে নবীজি একটি হরিণ ছাড়লে তিনটি হরিণ আসে। আমি তাকে চাই। তাই সে কালেমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেল।
হরিণ যদি তার সমস্যা দুর করতে পারে। আমরা কেন পারি না। কারন আমরা নবীজিকে চিনি না। তাই আমাদের সমস্যা দুর হয় না। আসোন আমরা সবাই নবীজির কথামত চলি। তাহলে সবারী মনের আসা পূরণ হবে।
আহা মন যদি দিতে হয় নবীকে দিও।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now