বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বসেছিলেন ৩৩ বছরের ইয়াদ সালেহ। ১৪ বছর ধরে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন তিনি। একটু পরেই খাবার শুরু করবেন তিনি। কিন্তু তার আগেই দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় সবকিছু ।মৃত্যু হইল তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, তিন বছরের কন্যা ও ভাইয়ের সঙ্গে প্রাণ যায় ইয়াদ সালেহরও।
বুধবার দুপুরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দেইর-এল-বালা এলাকায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আগ্রাসী মনোভাবের সঙ্গে সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের অসহায়ত্বের কথাও ফুটে উঠে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে,, ১০ মে থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইলি বিমান হামলায় ২২৭ জন নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৪ জনই শিশু।
বুধবার দুপুরে হুইলচেয়ারে বসে ইয়াদ সালেহ মধ্যাহ্নভোজের অপেক্ষা করছিলেন, আর কয়েকঘন্টা পরেই তার পুরো পরিবারের খোঁজ পাওয়া গেল লাশের মর্গে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বিস্ফোরণের পর ইয়াদ সালেহর লিভিং রুমের সবকিছু ভেঙেচুরে যায়। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়েছিল ছোট্ট মেয়েটির দুমড়েমুচড়ে যাওয়া লাল রঙের খেলনা সাইকেল। মধ্যাহ্নভোজের জন্য ফ্রিজ থেকে খাবার বের করছিলেন পরিবারের সদস্যরা। ভেঙে গেছে সেই ফ্রিজটিও। ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে টমেটো ভরা বাটিটি।
ইয়াদ সালেহর ভাই ওমর সালেহ (৩১) জানান, তার ভাই ১৪ বছর ধরে হাঁটতে পারতেন না। তিনি কোনো যুদ্ধ বা সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত নন।
একবুক ব্যথা নিয়ে তাই ওমর সালেহ’র জিজ্ঞাসা, ‘আমার ভাই কী করেছিল? তিনি তো হুইলচেয়ারে বসা। আমার ভাইয়ের মেয়ে কী করেছে? তার স্ত্রী কী করেছে। তারা তো মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করছিল।’
গাজার উপস্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউসুফ আবু আল রশিদ বলেন, ঘরের মধ্যে নির্দোষ ব্যক্তিদের হত্যা করা বড় অপরাধ। আর কত মৃত্যু হলে বিশ্বের বিবেক জেগে উঠবে?
☆দৈনিক যুগান্তর থেকে সংগৃহীত ☆
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now