বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক বৈচিত্র্য দিবসে (পর্ব-২)

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X এক বৈচিত্র্য দিবসে (পর্ব-২) আবুল ফাতাহ চার ‘ইয়ে...মানে...কেমন আছিস তুই?’ ‘কী করতে হবে সেটা বল।’ আমি একটা হাই তুলে আরিফের প্রশ্নের জবাবে বললাম।সকালে ঘুম ভেঙ্গেছে আরিফের ফোনে। ‘ইয়ে...আজ বিকালে একটু আসতে পারবি?’ মিনমিনে গলায় বলল আরিফ। ‘আজ আবার কী? কালকে না বাসায় গিয়ে গোসল করলি?জানিস আফ্রিকানদের কেউ যদি বছরে তিনবারের বেশি গোসল করে তাকে পরিষ্কার পরিচ্ছনতায় অবদানের কৃতিত্ব স্বরুপ এওয়ার্ড দেয়া হয়?’ ‘সত্যি?!’ ‘এওয়ার্ড দেয়া হয় কিনা জানি না।তবে ব্যাপারটা খুবই কৃতিত্বের।’ ‘ও।কিন্তু আমি তো গোসল করতে যাচ্ছি না।’ ‘তাহলে?’ ‘ইয়ে...একজনের সাথে দেখা করতে যাবো।’ ‘কোথায়।’ ‘তা দিয়ে কী করবি?’ ‘আমি আসতে পারব না। উদাসী ভঙ্গিতে বললাম।’ ‘চ্যাং পাই-এ।’ ‘তোর ভিসা হল কবে,বলিসনি তো?’ ‘কিসের ভিসা? ‘ওই যে প্যাং চাই?’ ‘চ্যাং পাই।চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এটা।ধানমন্ডিতে!’ ‘ও আচ্ছা,তাই বল।আমি ভাবলাম আবার চিন ফিনে যাচ্ছিস কিনা! যাকগে,কী যেন বললি,আবার বল।’ ‘একজনের সাথে দেখা করতে যাব।’ ‘ঝেড়ে কাশ।’ ‘একটা মেয়ের সাথে দেখা করতে যাবো।’ ‘ঝেড়ে কাশ,ব্যাটা।’ ‘আর কত কাশাকাশি করব?’ অসহায় গলায় বলল আরিফ। ‘যতক্ষন না মেয়েটার পরিচয় জানতে পারছি।’ ‘ওকে,বলছি।নাবিলা আমার সাথে পড়ে।’ আমি চুপ করে রইলাম। ‘কী হল,চুপ করে আছিস কেন?পরিচয় দেয়া তো শেষ।’ ‘ঝেড়ে কাশ!’ ‘ওকে আমি ভালবাসি।’ দুম করে বলে ফেলল আরিফ। ‘তো কাল খালাম্মার সামনে অত ঢং ঢাং করছিলিস কেন?’ ‘তো কি নিজের বিয়ের কথা বলব নাকি?’ ‘অবশ্যই বলবি।ঝোপ ঝাড়ের চিপায় চাপায় প্রেম করে বেড়ানো তো কোনো কাজের কথা না।ওকে সত্যিই বিয়ে করতে চাইলে বাসায় জানিয়ে দে।’ ‘বেকার মানুষকে মেয়ে দেবে কে?’ ‘আজীবন কেউ বেকার থাকে-তোর চোদ্দ পুরুষ দেখেছে কখনো? তোর কি ধারনা আল্লাহ তোকে সৃষ্টি করেছে বাতাস খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখার জন্য?’ ‘কথা সত্য।কিন্তু মেয়ের বাপ মা তো এই কথা মানবে না।’ ‘তোকে বলেছে!’ ‘তুই কি আসবি?’ প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলল আরিফ। ‘আজ আফরীনকে পড়াতে যাব।’ আমি আবারও উদাসী গলায় বললাম। ‘তো এত কথা শুনলি কেন?’ রেগে কাঁই হয়ে গেল আরিফ। ‘শোনার সাথে আসার তো কোনো শর্ত দেই নাই।’ ‘তুই আসলেই একটা ফালতু!’ লাইন কেটে দিল আরিফ। আমি মুচকি হেসে বিছানা ছাড়লাম। *** নাস্তা সেরে বাসা থেকে বেরিয়ে এলাম যখন,তখন বাজে সকাল ন’টা। ব্যাপারটা কেমন অভ্যেস হয়ে গেছে।প্রতিদিন সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ি।প্রতিদিনই যে বিশেষ কোনো কাজ থাকে ব্যাপারটা মোটেও তেমন না।এমনিতেই ঘুরে বেড়াই রাস্তায়। আফরীন কলেজ থেকে বিকেলে ফিরলে কোনোদিন ওদের বাসায় যাই কোনোদিন সন্ধ্যাটা কাটে ব্যাস্ত রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছুটন্ত মানুষগুলোকে দেখে।রাত আরো গভীর হলে বাসার পথ ধরা।জীবনটা চলছে একই গতি নিয়ে। জীবনে চলার পথে বৈচিত্রেরও প্রয়োজন আছে।নয়ত মানুষ ক’দিন যেতে না যেতেই আত্মহত্যা করে বসত একঘেয়ে জীবনের অত্যাচারে।বৈচিত্র মানুষের জীবনেও আসে নানা বৈচিত্রময় পথে।একজন হত দরিদ্র মানুষের জীবনেও আছে বৈচিত্র,টুইস্ট,বাঁক।সেগুলোই হয়ত একজন ধনবান মানুষের জীবনের সেই একঘেয়ে বস্তুটা। একজন দরিদ্র মানুষের জীবনে একবেলা ভাল খাবারই হল বৈচিত্র আর পহেলা বৈশাখে পান্তাই হল ধনবানদের জীবনের টুইস্ট! কী অদ্ভুত এই পৃথীবী।কত রহস্যময় নিয়তি। আমি অবশ্য মাঝে মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার আশেপাশের মানুষদের জন্য বৈচিত্রের আয়োজন করি।আমার তৈরি কৃত্রিম বৈচিত্র তাদের মুখে যে অকৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে তোলে তাঁর দাম আমি কখনই দিতে পারব না। আজ আমি বৈচিত্র-দিবস হিসেবে ঘোষনা করলাম। দেখা যাক ক’জনের চলমান জীবনে সামান্য টুইস্ট আনতে পারি। শুরু হোক তবে এক 'বৈচিত্র্য' দিবস! পাঁচ আমি এইমুহুর্তে আফরীনের কলেজের গেটে দাঁড়িয়ে।অভিজাত কলেজ।যদিও এখানে ভর্তি হতে হলে ব্যাক্তিত্বের আভিজাত্যের ভূমিকা নিতান্তই নগন্য।পকেটের আভিজাত্যের উপরে নির্ভর করে এখানে এই অভিজাত কলেজে ভর্তি হওয়া। আমাকে আর যাইহোক,কোনোমতেই অভিজাত বলা যাবে না।সেজন্যই বোধহয় গেটের ওয়াচম্যান আমার দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাচ্ছে।এই ওয়াচম্যান নতুন এসেছে।আগের ওয়াচম্যান আমাকে চিনত।মাঝে মধ্যে খোশগল্পও হত তার সাথে।কিন্তু এই ব্যাটার নজর ভাল না।এই টাইপের ওয়াচম্যানরা সম্ভবত নিজেদের হলিউডি মুভির ওয়াচম্যান হিসেবে কল্পনা করে।অপরিচিত কাউকে দেখলেই ভ্রু কুঁচিমুচি করে তাকিয়ে থাকে।থাকুক।হু কেয়ারস! আর পনেরো মিনিট পরই কলেজ ছুটি হবে। ততক্ষন পর্যন্ত ওয়াচম্যান ব্যাটার বদনজর সহ্য করতে হবে।এই কলেজে পার্কিংলট নেই। পাশেই একটা জায়গায় ছাত্র-ছাত্রীদের গাড়ি অপেক্ষা করে।ছুটি হলে কলেজের সামনে এসে দাঁড়ায়।নয়ত আফরীনের গাড়িতে বসেও ড্রাইভার মাহবুব ভাইয়ের সাথে গল্পগুজব করে সময় পার করে দেয়া যেত।এখন সেখানে গিয়ে আফরীনের গাড়ি খুঁজে বের করতে ইচ্ছে হচ্ছে না।আশেপাশে কোন চায়ের দোকান টোকানও দেখতে পাচ্ছি না।দোকানে বসে বদনজর থেকে পর্দা করা যেত।নেই যখন,কী আর করা,আমি চোখে মুখে ড্যামকেয়ার ভাব ফুটিয়ে তুলে দাঁড়িয়ে থাকলাম কলেজ ছুটি হবার। নাহ,বেশিক্ষন ড্যামকেয়ার ভাবটা ধরে রাখা গেল না।একটু পর পরই ফিরে ফিরে তাকাচ্ছে ওয়াচম্যান। খানিক রগড়ে দেয়া দরকার।সেক্ষেত্র ে পুরনো একটা কৌশল বেশ ফলদায়ক। আমি ঠোঁটে একটা ফাজিল টাইপ দৃষ্টি নিয়ে ওয়াচম্যানের প্যান্টের চেনের দিকে তাকিয়ে ততধিক ফাজিল টাইপ হাসি দিলাম।যেন আমি প্যান্টের জিপার না কোনো রঙ্গশালার দিকে তাকিয়ে আছি! পুরোপুরি বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল ওয়াচম্যান।চোখের সন্দেহজনক দৃষ্টি সরে গিয়ে একটা দ্বিধা ফুটে উঠল। যদিও আমার পকেটে এইমুহুর্তে সর্বসাকুল্যে দুইশত আটষট্টি টাকা আছে,এরপরও আমি আমার সর্বস্ব বাজি রেখে বলতে পারি লোকটা একটা আর নিজের জিপারের দিকে তাকাবার ভেতরে ভেতরে আকুলিবিকুলি করছে।কিন্তু আমি তাকে সে সুযোগ দিলাম না।একবার তার মুখের দিকে,পরক্ষনই প্যান্টের জিপারের দিকে তাকিয়ে ফিচলামি হাসি হাসছি। আমার নিজেকে এই মুহুর্তে অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী মনে হচ্ছে।দশগজ দুর থেকেও লোকটার ঘাম বের করে ছেড়েছি! আরো আধমিনিট আমি লোকটার দেহ থেকে ছটাক খানেক ঘাম বের করে রেহাই দেয়ার মনস্থির করলাম।চোখ সরিয়ে নিলাম জিপার থেকে। আঁড়চোখে তাকিয়ে দেখি,লোকটা ঝপ করে একবার প্যান্টের দিকে তাকিয়েই কপালের ঘাম মুছল!বেচারা!এই আধমিনিট লোকটার জীবনের অন্যতম দীর্ঘ মুহুর্ত। এইমাত্র আরো একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম।আমার বৈচিত্র-দিবসের প্রথম বৈচিত্র এই ওয়াচম্যানকে দিয়ে শুরু হল।প্যান্টের জিপার বন্ধ দেখে যে পরিমান স্বস্তি সে লাভ করেছে তাতে করে আজকের দিনটাকে অন্যতম সূখী দিবস হিসেবে চাইলে লোকটা ঘোষনা দিতেই পারে! ছুটির ঘন্টা পড়তে আর দেরী নেই। আফরীনের গাড়িটাকে আসতে দেখলাম এদিকে। শেষবারের মত ওয়াচম্যানের দিকে চালবাজ টাইপের একটা হাসি দিয়ে এগিয়ে গেলাম গাড়ির দিকে। ‘কেমন আছেন মাহবুব ভাই?’ জানালা দিয়ে উঁকি মেরে বললাম। কিছুটা ভড়কে গেল মনে হচ্ছে ড্রাইভার।ঢাকা শহরের ড্রাইভাররা সবসময় তটস্ত হয়ে থাকে। ‘জী,ভাল।’ আমার দিকে একটা নার্ভাস হাসি দিয়ে মাহবুব ভাই বলল। আমি হাসিটা ফিরিয়ে দিয়ে বললাম,‘মাহবুব ভাই,আপনি কি জানেন,আজ বৈচিত্র দিবস?’ আরো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল মাহবুব ভাই।‘কী দিবস?’ ‘বৈচিত্র-দিবস।এই দিনে সবাইকে চমকে দেয়া হবে।একঘেয়ে জীবনে টুইস্ট আনা হবে।’ মাহবুব ভাই কী বুঝল কে জানে,গম্ভীর ভঙ্গিতে মাথা দোলাল। ‘শোনেন,মাহবুব ভাই।আপনি আফরীনকে নিয়ে বাসার দিকে রওনা দেবেন।আমি সামনে যে স্পিডব্রেকারটা আছে না,ওখানে থাকব।ওখানে গতি কমতেই আমি মুখে রুমাল পেঁচিয়ে ভয়াবহ ভঙ্গিতে গাড়িতে উঠব।আফরীনকে ভড়কে দেবার একটা চেষ্টা আরকি।ঠিক আছে?’ ‘জী,’একগাল হেসে মাথা নাড়ল মাহবুব ভাই। আমি তার কাছ থেকে সাময়িক বিদায় নিয়ে কিছুটা দুরে এগিয়ে গেলাম। এখানে একটা স্পিডব্রেকার আছে।আমি ওটার পাশে অপেক্ষা করতে লাগলাম। আফরীন প্রথমে কতটা ভড়কে যাবে এবং পরবর্তীতে আসল ব্যাপার জানতে পারার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস কতটা দীর্ঘ হবে সেটা নিয়ে মনে মনে একটা কাল্পনিক হিসেব করে ফেললাম।আমার হিসেব মিলতে না মিলতেই দেখতে পেলাম আফরীনের গাড়িটা এগিয়ে আসছে। আমি পকেট থেকে রুমাল বের করে ফেললাম। মাঝখান থেকে আড়াআড়ি ভাঁজ করে তিন কোনা আকৃতির রুমালটা মুখে বেঁধে নিলাম।আশেপাশে আয়না নেই।তাহলে দেখে নেয়া যেত আমাকে আসলেই গলাকাটা ডাকাতের মত দেখাচ্ছে কিনা। আমি গলাকাটা ডাকাতের মত দেখাবার জন্য চোখেমুখে ভয়াবহ একটা ভাব ফুটিয়ে তুললাম। চোখ বাংলা ছবির এক নামকরা ভিলেনের মত চোখ বড় বড় করে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে এগিয়ে গেলাম রাস্তার দিকে এবং স্পিডব্রেকারে এসে গাড়ির গতি কমতেই আমি ছুটে গেলাম দরজার দিকে।এক ঝটকায় দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে পড়ার ইচ্ছা। এমন সময় দুটো বিচ্ছিরি ব্যাপার ঘটে গেল। আমাকে দৌড় দিতে দেখে জনৈক মহিলা সত্যি সত্যি আমাকে ছিনতাই ভেবে চিল চিৎকার ছাড়ল।‘বাঁচাও!’ আর দ্বিতীয় ঘটনা হল,দরজা ধরে টানাটানি করতে গিয়ে বুঝতে পারলাম দরজা ভেতর থেকে লক করা! এদিকে মহিলার চিৎকারে লোক জড়ো হয়ে গেছে।আঁড়চোখে দেখতে পেলাম কয়েকজন ষন্ডামার্কা লোক আমার দিকে ছুটে আসছে।অবশ্য এমন পরিস্থিতিতে সবাইকেই ষন্ডা বলে ভ্রম হওয়াটা স্বাভাবিক! মহিলা আবার চিৎকার ছাড়ল,‘বাঁচাও!’ আমার তখন “ছেড়ে দে খালাম্মা কেঁদে বাঁচি” টাইপ অবস্থা।গাড়ি ছুটছে সেই সাথে লক ধরে টানাটানি করতে করতে আমিও গাড়ির সাথে সাথে ছুটছি!ভয়াবহ পরিস্থিতি।বাংলা ছবির সেই নামকরা ভিলেনের দ্বারা অনুপ্রাণিত চেহারার ভীতিকরভাব বেমালুম উধাও হয়েছে। আমি গাড়ির কালো গ্লাসের ওপাশ দিয়ে আফরীনকে দেখতে পাচ্ছি না।কী আশ্চর্যের কথা! ও তো আমাকে দেখতে পাচ্ছে,নাকি? দরজা খুলছে না কেন? সর্বনাশ! চিনবে কিভাবে? আমার মুখে তো রুমাল বাঁধা! রুমাল খুলতে গিয়েই মনে হল কাজটা ঠিক হবে না। পেছনে ধাওয়ারত ষন্ডাগুলো একবার চেহারা চিনে ফেললে এই এলাকায় আসার পথ পাকাপাকিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে আমার জন্য। মহিলা তৃতীয়বারের মত চিৎকার ছাড়ল,‘বাঁচাও!’ আ মলো! তোকে আবার কে মারল? কী মুশকিল,আফরীন না হয় জানে না কিছুই কিন্তু মাহবুব তো সব জানে।সে কেন গাড়ি থামাচ্ছে না? স্পিডব্রেকার পার হয়ে গাড়ির গতি আরো বেড়ে গেল।আমি দাঁতমুখ খিঁচিয়ে প্রাণপণ দৌড়াচ্ছি গাড়িটার পেছন পেছন।আমাকে ছাড়িয়ে গেল গাড়িটা।এমন সময় গাড়ির নাম্বার প্লেটের দিকে নজর পড়তেই বুকের রক্ত হিম হয়ে গেল। আমি মনে মনে তিনবার বললাম,খাইছে!খাইছে! খাইছে! এটা কার গাড়ি?! গাড়ির রঙ দেখেই মুখে রুমাল বেঁধে দৌড় দেবার আগে একবার ভেবে নেয়া আবশ্যক ছিল,দেশে একই কালারের একাধিক গাড়ি থাকতে পারে! এদিকে ষন্ডাগুলো দ্রুত এগিয়ে আসছে আমার দিকে।আমি মারাত্মক মাত্রার অসহায়বোধ করছি। এমন সময় মহিলা চতুর্থবারের মত চিৎকার করে উঠল,‘বাঁচাও!’


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now