বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এক বৈচিত্র্য দিবসে (শেষ পর্ব)
আবুল ফাতাহ
দারোগাবাবু নাবিলাকে দেখেই বলে
উঠলেন,‘আরে,নাবিলা মা না?কেমন আছো?!’
দারোগাবাবুকে চেহারা না দেখাবার ক্ষুদ্র
অপপ্রয়াসে আমি ঝট করে উপরের দিকে
তাকালাম।
‘এই তো আংকেল ভাল।আপনি তো এখন আর
বাসায়ই যান না।’
‘অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়,মা।এইতো অনেকদিন
পর সময় বের করে তোমার আন্টিকে নিয়ে
ঘুরতে আসলাম।’ লক্ষ্য করে দেখলাম দারোগাবাবু
এখন শুদ্ধ করে কথা বলছেন।তারমানে অশুদ্ধ ভাষা
ক্রিমিনালদের জন্য বরাদ্দ।
‘তা তুমি কোথায় যাচ্ছো,বাসায়?’ দারোগাবাবুর প্রশ্ন
শুনেই আমি প্রমাদ গুনতে আরম্ভ করলাম।
‘না আংকেল।’ খানিক ইতস্তত করতে লাগল নাবিলা।
এরপর কী ভেবে যেন বলল,‘ইনি হলেন ডিবির
লোক,আমার পরিচিত একলোককে
আইডেন্টিফিকেশনের জন্য পিজিতে যাচ্ছি উনার
সাথে।’
আমি গভীর মনোযোগে উপরের দিকে
তাকিয়ে সিলিং এর কারুকাজ পর্যবেক্ষন করে যাচ্ছি।
অবস্থা বেগতিক দেখলেই দরজার দিকে খিঁচে
দৌড় দেয়ার ইচ্ছা আছে!
‘ডিবির লোক?’ গলায় সন্দেহ নিয়ে বললেন
দারোগাবাবু।
আমি না তাকিয়েও বুঝতে পারছি দারোগাবাবু আমার
দিকে তাকিয়ে আছেন।আর সম্ভব না।এবার চেহারা
দেখাতেই হবে।আমি ধীরে ধীরে মুখ
নামিয়ে কাঁচুমাচু করে তাকালাম দারোগাবাবুর দিকে।
লক্ষ্য করলাম,আমাকে দেখেই দারোগাবাবু বার
দুয়েক খাবি খেলেন।চোখদুটো ইষৎ বিস্ফারিত।
আমি পায়ের পেশি শক্ত করে ফেললাম।
সেকেন্ডের নোটিশে দৌড় দেবার জন্য আমি
এখন প্রস্তুত।
বেশ কয়েকযুগ কেটে গেল অস্বস্তিকর
নীরবতায়।অন্তত আমার সেরকমই মনে হল।বেশ
কিছুক্ষন পর দারোগাবাবুকে মুখ খুলতে দেখে
আমি আবার প্রমাদ গুনলাম।
‘আরে অভ্র সাহেব?আপনি পুলিশ থেকে ডিবিতে
ট্রান্সফার হলেন কবে?!’
আমি মুখে ভেটকিমাছের হাসি নিয়ে
বললাম,‘এইতো!’
‘এবার আমাদের জন্য কিছু করতে পারেন কিনা
দেখেন।’
‘নিশ্চয়ই।’ আগের হাসির পুনরাবৃত্তি করে জবাব দিলাম।
ব্যাপারটা এখনো হজম করতে পারছি না।দারোগাবাবু
কী মনে করে এতটা দয়া করছেন?
আঁড়চোখে নাবিলার দিকে তাকিয়ে দেখি,ওর
চেহারায় লজ্জা।আমাকে সন্দেহ করবার কারণে।
‘ঠিকআছে মা,উনার সাথে যেতে পারো।উনি আমার
পরিচিত।’
মাথা ঝাঁকাল নাবিলা।
‘আসি স্যার।’ তড়িঘড়ি করে বলেই আমি দরজার
দিকে হাঁটা দিলাম।কখন আবার দারোগাবাবুর মতিগতি
চেঞ্জ হয়ে যায় কে বলতে পারে!
আমি নাবিলাকে নিয়ে দরজার কাছে চলে গেছি
এমন সময় আবার ডাক দিলেন দারোগাবাবু। ‘অভ্র
সাহেব!’
কী মুশকিল!
নাবিলাকে বললাম,‘আপনি নীচে গিয়ে অপেক্ষা
করুন,আমি কথা বলে আসছি।’
নাবিলা চলে যেতেই আমি দারোগাবাবুর কাছে
এলাম।তিনিও তার স্ত্রী আর দুই ছেলেকে
টেবিলে বসিয়ে দিয়েছেন।
‘এটা নিশ্চয়ই আপনার বৈচিত্র দিবসের কার্যক্রম?’
আমি মাথা ঝাঁকিয়ে সায় জানালাম।
‘ওকে,নাবিলাকেও তাহলে বৈচিত্র দেখিয়ে আনুন।
তবে দয়া করে আর ছিনতাইকারী কিংবা ডিবি সাজতে
যাবেন না।সব জায়গায় কিন্তু আমি থাকব না।’ মুচকি
হাসলেন দারোগাবাবু।
এত কুৎসিত একজন মানুষের মুখের হাসি এত মায়াবী
হয় কী করে?
‘আপনার আইডিয়াটা আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।
দেখতেই তো পাচ্ছেন,একেবারে বউ
ছেলে নিয়ে বৈচিত্র দিবস সেলিব্রেট করতে
চলে এসেছি।’
এতক্ষনে ব্যাপারটা উপলব্ধি করতে পেরে আমি
হতবাক হয়ে গেলাম।এই মানুষটা আমার উদ্ভট
চিন্তাকে সেলিব্রেট করতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে
রেস্টুরেন্টে চলে এসেছেন?
‘আসি,স্যার।’ আমি আর দাঁড়ালাম না কিংবা বলা ভাল দাঁড়াতে
পারলাম না।আজকাল চোখে যেন কী হয়েছে
আমার। একেবারে তুচ্ছ সব কারনে ভিজে ওঠে।
নয়
সন্ধ্যা খানিক ঘনাতেই পিজিতে এসে দাঁড়ালাম আমরা।
সিএনজি ভাড়াটাও নাবিলাকে দিয়েই মিটিয়েছি।
‘আপনি এখানে একটু অপেক্ষা করুন,ঠিকআছে?’
‘কেন?’
‘একটা কারণ আছে।আপনার নাম্বারটা দিন।’
নাবিলা ওর ফোন নাম্বার আউড়ে গেল।আমি নাম্বার
সেভ করে বললাম,'এখানে অপেক্ষা করতে
থাকুন,আমি আপনাকে মিসকল দিলেই দোতলার
জেনারেল ওয়ার্ডে চলে আসবেন,ঠিকআছে?’
বাচ্চাদের মত করে মাথা ঝাঁকাল নাবিলা।আমি ওকে
ওখানে রেখে উপরে চলে এলাম।
জেনারেল ওয়ার্ডে ঢুকতেই দেখি আরিফ ওর
মা’র পাশে বসে আছে।আমার দিকে পেছন
ফিরে থাকা সত্বেও বুঝতে অসুবিধা হল না,ওর মুখটা
এইমুহুর্তে বাংলা পাঁচের মত হয়ে আছে।
আমি কথা না বলে ওর পেছনে দাঁড়িয়ে ঘাড়ে হাত
রাখলাম।আরিফ চমকে ঘুরে তাকাল।আমাকে
দেখতে পেয়েই ঝট করে উঠে দাঁড়াল।
‘তুই না বললি আসবি না?’
‘আসব না বলি নাই,বলেছি আজ আফরীনের কাছে
যাব।’
‘তো আফরীনের কাছেই থাকতি,আমার কাছে
আসার কী দরকার ছিল?’
‘এমনি,এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম,ভাবলাম,ছেলেটা এত
করে বলল,যাই,একটু পদধূলি দিয়ে আসি!’
‘তোর পদধূলির খেতায় আগুন!’
‘উত্তেজিত হচ্ছিস কেন?’
‘তো? তোকে কোলে বসিয়ে নাচানাচি করব?’
‘আরে নাহ,পড়ে যাব না তাহলে!’
আরিফ চোখে ভিসুভিয়াসের আগুন নিয়ে তাকাল।
যেকোনো মুহুর্তে আমার উপর ঝাপিয়ে কলার
টলার ধরে বসতে পারে।
‘আচ্ছা,নাবিস্কোর সাথে দেখা হয়েছিল?’
‘নাবিস্কো মানে?’
‘ওহ,সরি,নাবিলা। একই রকম শব্দ তো,গুলিয়ে
ফেলি! তা নাবিলার সাথে দেখা হয়েছিল?’
‘ইয়ার্কি করিস?’ গলা চড়ে গেল আরিফের।
‘শশশশ!’ আমি মুখে আঙ্গুল চাপা দিলাম।‘আস্তে।
রোগীদের আত্মীয় স্বজনরা দৌড়ানি দিতে
পারে।বারান্দায় যাই চল।’
বারান্দায় এসে আরিফ বলল,‘জানিস,লজ্জায় ফোন
বন্ধ করে রেখেছি।এতক্ষন পর ওকে কিভাবে
বলব,আজ দেখা হবে না?’
‘ও তোকে সত্যিই ভালবেসে থাকলে কিছুই
মনে করবে না। কিন্তু,দ্যা কোয়েশ্চেন
ইজ,মেয়েটা কি তোকে সত্যিই ভালবাসে?’
‘ইয়ার্কি করিস?’
‘না,ব্যাপারটা দেখ,তুই তোর মা'কে নিয়ে
হাসপাতালে আছিস,এটা জেনেও সে নিজে না
এসে তোকে যেতে বলল কোন
আক্কেলে?’
‘ও এসব জানে না।ব্যস্ততায় কথা হয় না কয়েকদিন
ধরে।আজও হয়নি।সকালে এসএমএস করে
যেতে বলেছিল।আর জানলেও বা কী।একা
মেয়ে মানুষ এই সন্ধ্যাবেলায় আসত না।’
‘অবশ্যই আসত।’ তোদের তো দেখা হবার কথা
ছিল বিকেলে।
‘দেখ,ফালতু কথা বলিস না।মেজাজ গরম হয়ে
আছে।তুই এখন আমার চোখের সামনে থেকে
যা।’
‘মেয়েটা তোকে সত্যি ভালবাসলে অবশ্যই
আসত।’ আমি আরিফের কথায় কান দিলাম না।
‘আচ্ছা,ও আমাকে ভালবাসে না,খুশি? এখন বাড়ি যা।’
‘কে বলেছে ও তোকে ভালবাসে না? অবশ্যই
বাসে!’
‘তোর সমস্যা কী,অ্যাঁ?’
‘কোনো সমস্যা নাই তো।আমি বলেছি,ও
তোকে ভালবেসে থাকলে ঠিকই আসত।
যেহেতু এসেছে,সেহেতু থিওরি অনুযায়ী
ধরে নিতে হয় ও তোকে সত্যিই ভালবাসে।’
‘তুই আমার চোখের সামনে থেকে যা।’
‘আমাকে যেতে বলছিস কেন?আমার মুখ
দেখতে ইচ্ছা না করলে মুখ ঘুরিয়ে রাখ।’
সেটাই করল আরিফ।বারান্দা থেকে ওয়ার্ডে যাবার
জন্য ঘুরে দাঁড়াল,এবং সাথে সাথেই মুখোমুখি হল
জীবনের অন্যতম বিস্ময়ের।ওর ঠিক সামনেই
দাঁড়িয়ে আছে নাবিলা।একটু আগেই মিসকল দিয়েছি
ওকে।
পেছন ফিরে থাকায় আরিফের খাবি খেতে থাকা
মুখটা দেখতে পেলাম না বলে কিঞ্চিত
আফসোস হল।
‘ত...তুমি? এখানে?’ফের গলা চড়ে গেল
আরিফের।আমি এবার কিছু বললাম না।এইই পরিস্থিতিতে
নীচু স্বরে কথা বলার ক্ষমতা কারো থাকে না।
‘হ্যাঁ,উনি নিয়ে এসেছেন আমাকে।’ আমার দিকে
ইশারা করল নাবিলা।
আরিফ ঘুরে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে
রইল কয়েকমুহুর্ত।‘ও নিয়ে এসেছে?’
‘হ্যাঁ,ডিবির লোক উনি।কিন্তু তুমি নাকি অসুস্থ? কারা নাকি
তোমাকে মেরে পুলিশে হ্যান্ডওভার করেছে?
পরে ওরা তোমাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।’
এতগুলো কথার মধ্যে আমি ডিবির লোক,এই
কথাটাই বেশি আশ্চর্যজনক মনে হল আরিফের
কাছে।আমার দিকে তব্দা খাওয়া দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে
বলল,‘ও ডিবির লোক?’
‘হ্যাঁ,আসার আগে আমার এক পুলিশ আংকেলও সে
কথাই বললেন।’
আরিফ চোখে আগের চাইতেও বিস্ময় নিয়ে
তাকাল।আমি ঠোঁটে একটা চালবাজ হাসি নিয়ে তাকিয়ে
রইলাম ওদের দিকে।আরিফ একবার আমার দিকে
আরেকবার নাবিলার দিকে তাকাতে লাগল।
নাহ,বেচারাদের আর টেনশনের মধ্যে ফেলে
রাখাটা ঠিক হবে না।আমি নাবিলার দিকে তাকিয়ে
বললাম,‘নাবিলা,তোমাকে একটা ভুল তথ্য দিয়েছি।’
ইচ্ছে করেই তুমি করে বললাম।‘আমি ডিবি নই।আজ
আমার বৈচিত্র দিবস চলছে।আজকের দিনে আমার
কাছের মানুষদের জীবনে সামান্য বৈচিত্র আনতে
চেয়েছিলাম।তোমরা দুজনও সেই প্রক্রিয়ারই
অংশ।’
‘আপনি ডিবি নন?’ চোখ বড় বড় করে বলল নাবিলা।
মাথা নাড়লাম।‘হাবিলদারও না।’
‘তাহলে দুলাল আংকেল যে বললেন?’
আমি রহস্যময় একটা হাসির রেখা টেনে বললাম,‘কিছু
ব্যাপার না হয় রহস্যই থাক।’
‘ইয়ে...ভাইয়া,একটা কথা বলি?’
‘শিওর।’
‘আপনি যখন প্রথম আমার সাথে কথা বলতে
এলেন, তখন আপনার মুখ নড়তে দেখে
ভেবেছিলাম আপনি বোধহয় চুইংগাম খাচ্ছেন।
সেজন্যই বলেছিলাম,আপনাকে পাড়ার চুইংগাম
চিবানো রংবাজের মত দেখাচ্ছে। পরে আর
চুইংগাম না দেখে বুঝতে পারি, ভুল দেখেছিলাম
তখন।কিছু মনে করবেন না।’
‘ন..না,মনে করিনি!’ একটা ঢোক গিলে বললাম।
‘থ্যাংকস।’
‘আরে নাহ।ওহ,ভাল কথা,আমার এই কাজের
পেছনে আরেকটা উদ্দেশ্যও কিন্তু ছিল।
তোমাদের পরস্পরের ভালবাসার গভীরতা
দেখতে চেয়েছিলাম আমি।আমি এখন
জানি,তোমরা পরস্পরকে কতটা ভালবাস।তোমরা
নিজেরা তারচাইতেও ভাল জানো নিজেদের
ভালবাসার খবর।এজন্যই বলছি,ভালবাসা হল একটা পবিত্র
জিনিস।এজন্য ভালবাসা লাভ করতেও হয় বিয়ে নামক
এক পবিত্র বন্ধনের মাধ্যমে।নাবিলা তী বাসায় সব
কিছু জানিয়ে দিয়েইছে।আজ যেহেতু নাবিলা
এসেই পড়েছে,ওকে খালাম্মার সাথে পরিচয়
করিয়ে দিবি।’শেষ কথাটা আরিফের
উদ্দেশ্যে।‘আশা করি কারো আপত্তি নেই
তোদের বিয়েতে।বিয়ে করে চুটিয়ে প্রেম
করবি দুজনে মিলে।এরপর তোর চাকরি হলে
বউকে উঠিয়ে আনবি,ঠিকআছে?’
আমার কথা শেষ হতে না হতেই আরিফ ছুটে এল
আমার দিকে।আমি ভীত হয়ে পড়লাম।মারবে নাকি!
আরিফ ছুটে এসে আমাকে বজ্রআঁটুনিতে জড়িয়ে
ধরল।
‘তুই কি জানিস, তুই আসলেই একটা ফালতু?’
আমি মুখে হাসি নিয়ে মাথা ঝাঁকিয়ে সায় জানালাম ওর
কথায়।
‘নাবিলাকে তুই এনেছিস,মা’র সাথেও তুই পরিচয়
করিয়ে দিবি।’ গলা জড়িয়ে ধরে থেকেই বলল।
‘না রে,এই কাজটা আমি পারব না।আমার একটা জরুরি
কাজ আছে।’
আরিফও বোধহয় আমার “জরুরি” কাজের গুরুত্ব
অনভব করতে পারল।একটা চাপ দিয়ে ছেড়ে
দিল।‘যা,তাহলে।এতকিছু করে দিয়েছিস,আর সামান্য
এই কাজটা করতে পারব না?’
আমি মুচকি হেসে ফিরতি পথ ধরলাম।এমন সময়
পেছন থেকে ডেকে উঠল নাবিলা,‘ভাইয়া।’
‘বলো।’ ঘুরে দাঁড়িয়ে বললাম।নাবিলা আর আরিফ
পাশাপাশি দাঁড়িয়ে।
‘আপনি অনেক ভাল।’
আমি কিছু না বলে অভদ্রের মত আবার ঘুরে
দাঁড়ালাম।দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে আমাকে।
চোখের সেই সমস্যাটা আবার অনুভব করতে
পারছি।ভিজে উঠতে চাইছে।
পরিশিষ্টঃ
জনাকীর্ণ রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছি এক বৈচিত্র
দিবসের রাতে।আমি আমার আশেপাশের
মানুষগুলোর জন্য এমন বৈচিত্রের আয়োজন
সারাজীবন করে যেতে চাই।তাদের একঘেয়ে
জীবনে এক চিলতে হাসি আনতে চাই।তুচ্ছ সব
কারনে চোখ ভিজে ওঠার রোগে সারাজীবন
আক্রান্ত থাকতে চাই।কাঁদতে পারার আনন্দেও আমি
কাঁদতে চাই।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now