বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আপনারা হয়ত এই গল্পটি শুনেছেন তার পরও আবার বলছি।কারণ আপনাদেরকে কমেন্টে বলেছিলাম পরবর্তি গল্পের জন্য অপেক্ষা করতে। এই গল্পটি আমার লেখা না, আমি একটা বইয়ের মধ্যে পড়েছি।
নাছির গাজী নামে একজন বুদ্ধিজিবি ব্যাক্তি ছিলেন। তার বুদ্ধি ছিল অনেক।একদিন নাছির গাজীর বড়িতে এক ভন্ড লোক দাওয়াত খেতে আসল।নাছির গাজীর ঘড়ের সামনের রুমে নাছির গাজী এবং ঐ ভন্ড লোকটি বসে গল্প করতেছেন। হটাৎকরে ঐভন্ড লোকটি চিৎকার করে উটল!! যা,যা, বের-হ,বের-হ বলে।নাছির গাজী জিঙ্গাসা করলেন কি হয়েছে ভাই? হটাৎ করে এভাবে চিৎকার করে উটলেন কেন? ঐ ভন্ড লোকটি কি বলে জানেন? মক্কাশরীফে নাকি কুকুর ডুকেছে সে তাড়িয়ে দিচ্ছে। তখন নাছির গাজী মনে মনে ভাবলেন দাঁড়াও তোমার ভন্ডামি বের করছি।নাছির গাজী বললেন আপনি বসেন আপনার জন্য খাবার দাবারের ব্যবস্থা করছি বলে তিনি ছলে গেলেন।তিনি ঐ ভন্ডকে ভাত বেড়ে দিলেন আর তরকারি রেখে দিলেন ভাতের নিচে।ঐ লোকটি হাত মুখ ধুয়ে আসল খাওয়ার জন্য,এসে দেখে শুধু ভাত তরকারি নেই সে অপেক্ষা করতে লাগল তরকারির জন্য কিন্তু তরকারি নিয়ে কেউ আসছেনা!!এভাবে কয়েক মিনিট যাবার পর লোকটি নাছির গাজীকে ডাক দিলেন, ভাই তরকারি কোথায়?
তিনি বললেন এখান থেকে মক্ক্ কত দূর বলতে পারেন? লোকটি বলল অনেক দূর।তখন নাছির গাজী বললেন ঐ অনেক দূর মক্কাতে কুকুর ডুকেছে তোমি এখানে বসে দেখতে পেলে আর ভাতের নিচে তরকারি রাখা সেটা দেখতে পাওনি। ভন্ডামি করার আর যায়গা পাওনা।
বর্তমানে আমাদের সমাজে কিছু লোক আছে। ইসলামে আঘাত দিযে কতা বললে তাদের কানে বাঁঝে না বড় বড় মাওলানাদেরকে অন্যায় ভাবে শাস্তি দিলে তারা দেখতে পায়না। কিন্তু যা হওয়া অসম্ভব তা তারা দেখে ফেলে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now