বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান টি.বি তৌহিদ (০ পয়েন্ট)

X মহান পদার্থবিদ আইনস্টাইন ঢাকা শহরে এসেছেন। তিনি খবর পেয়েছেন ঢাকায় গবেষনার মত অনেক কিছুই নাকি আছে। স্পেশালী ঢাকনা খোলা ম্যানহোল। খবর পাওয়ামাত্র চলে এসেছেন। প্রথম ভ্রমন হিসাবে পুরান ঢাকার ঠাটারিবাজার এলাকায় এসে তিনি দেখলেন কোমড় পানি উঠে গেছে। পানির কালার কুচকুচে কালো। এই কালারের পানি তিনি এর আগে দেখেন নি। অসাধারণ পানি। আইনস্টাইন ডায়েরি বের করে লিখলেনঃ স্থান – ঠাটারি বাজার, বাংলাদেশ। এখানে এক ধরনের কালো পানির সন্ধান পাওয়া গেছে। পানিতে আলু বেগুনের মত কিসব যেন ভাসছে। পানিটা উচ্চশ্রেনীর পারফিউমের মত গন্ধময়। এই পানিতে নৌকা চলছে, আবার প্রাইভেট কারও চলছে। তার মানে কালো পানিতে যেকোন যানই চলতে পারে। এতটুক লিখে আইনস্টাইন তার ডায়েরিটি পকেটে ভরে রাখলেন। অনেকেই লুংগি উপরে উঠিয়ে সেই কালো পানিতে হাটছে। তিনি পানির মধ্যে হাটতে সাহস করলেন না। রাস্তায় ঢাকনা খোলা ম্যানহোল থাকতে পারে। তিনি একটি নৌকা ভাড়া করে তাতে উঠলেন। মাঝিকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হে, তুমি কি নৌকা চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ কর নাকি? মাঝি বলল, জে না, আমি রিকশা চালাই, তয় পার্ট টাইম মাঝি। বিষ্টির দিনে রিকশা চালায়া ফায়দা নাই। তারপরও কিছু বেকুব বিষ্টির দিনেও রিকশাই চালায়। আইনস্টাইন অবাক হয়ে খেয়াল করলেন, আসলেই নৌকার পাশ দিয়ে কিছু রিকশাও চলছে। একটা রিকশা তার চোখের সামনে দিয়েই ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে আটকে গেল। তিনি শিউরে উঠলেন এই সিন দেখে। মাঝি বলল, ঘাবড়ায়েন না। নৌকা ম্যানহোলে আটকাইবোনা। আইনস্টাইন লক্ষ্য করলেন একজন লোক কালো পানির মধ্য দিয়ে হাটতে হাটতেই গায়েব হয়ে গেলেন হঠাত। তিনি দ্রুত ডায়েরি বের করে লিখলেনঃ দুর্ঘটনার সাপেক্ষে ঢাকনা খোলা ম্যানহোল খুবই বিপজ্জনক, কিন্তু দেশের জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানের সাপেক্ষে ঢাকনা খোলা ম্যানহোল খুবই উপকারী। লেখা শেষ করে আইনস্টাইন ভয়ে ভয়ে মাঝিকে আবার জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা, তুমি কি পদ্মা নদীর মাঝি নাকি? ‘জে না, আমি ঠাটারিবাজারের সিজনাল মাঝি। বিষ্টি নামলেই মাঝি হইয়া যাই।’ আইনষ্টাইন কিছুটা অবাক হলেন। তিনি সামান্য ভয়ও পেলেন। এই লোক ঠিকমত নৌকা চালাতে জানে তো? আধাঘন্টা নৌকা চললো। আইনস্টাইন মনযোগ দিয়ে কালো পানি দেখছেন। আচ্ছা, এই পানিতে কি জাহাজ চলতে পারবে? নাকি ডুবে যাবে? কালো পানির ঘনত্ব কেমন? তিনি হাতে করে একটু পানি নিয়ে মুখে দিয়ে দেখলেন। পানিটা গন্ধযুক্ত হলেও স্বাদ খারাপ না। তিনি হঠাত বললেন, আচ্ছা মাঝি, তুমি কি জান যে, একজন যাত্রী যদি চোখ বন্ধ করে নৌকাতে বসে থাকে তাহলে সে ধরতে পারবেনা সেটা চলছে কিনা। ‘জে না, আমি এইসব কিছুই জানিনা।’ ‘ঠিক একই কারণে কিন্তু পৃথিবীর ঘূর্ণণটাও আমরা বুঝতে পারিনা।’ ‘পিথিবী ঘুরতাছে নাকি? পয়লা শুনলাম।’ ‘অবশ্যই ঘুরছে। পৃথিবী আমাদের সাথে করে নিয়েই ঘুরছে। তাই আলাদা করে আমরা কিছু টের পাচ্ছিনা।’ ‘বড়ই আজিব কারবার। আমি মূর্খ মানুষ, এগুলা বুইঝা আমার কোন লাভ নাই। ‘লাভ নেই - কথাটা ঠিক না। তুমি যত জানবে জগতটা তোমার কাছে তত সহজ হবে।’ ‘জগতের রহস্য যে জানে সেও মারা যাইব একদিন, যে জানেনা সেও মারা যাইব একদিন। তাইলে এত কষ্ট কইরা এইসব জাইনা লাভ কি?’ ‘তা অবশ্য ঠিক। তোমার যুক্তি ঠিক আছে। সবকিছুই মৃত্যুতে শেষ হয়, জ্ঞানী মানুষও শেষ হবে। তবে তার জ্ঞান বেচে থাকবে। তোমার সাথে কথা বলে ভালো লাগলো। তোমাকে আমি দুই টাকা বখশিশ দেব।’ ‘আপনার জন্য আমি দোয়া কইরা দিব দুই টেকার।’ ‘জেনে ভালো লাগলো।’ আইনষ্টাইন গন্তব্যে এসে ডায়েরি বের করে লিখলেনঃ বাংলাদেশের মানুষ মূর্খ শ্রেনীর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এরা যে যুক্তি দেখায় সেটা খন্ডন করা দুনিয়ার বড় বড় বিজ্ঞানীর পক্ষেও সম্ভব না। এদের যুক্তিগুলো বিজ্ঞানের আপেক্ষিক তত্ত্ব মেনেই চলছে। দুই বিশেষ একটা কাজে আইনস্টাইন চানখানপুলের ওইদিকে এসেছেন। তিনি সেখানে দেখলেন এক লোক গাড়িতে করে লেবুর শরবত বিক্রি করছে। ডাবল লেবু হলে দশ টাকা, সিংগেল লেবু পাচ টাকা। তিনি কৌতুহলবশত এক গ্লাস ডাবল লেবুর শরবত কিনে খেলেন। জিনিসটা খারাপ না, আরেক গ্লাস খাওয়ার মত। তিনি আরেক গ্লাস নিলেন। তারপর শরবত বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হে, তুমি কি শরবত বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ কর নাকি? শরবত বিক্রেতা বলল, জে না, আমি শীতের দিনে চা বেচি, গরমের দিনে শরবত। ‘তোমার শরবতটার স্বাদ ভালো। আচ্ছা, তুমি কি জান যে, মানুষের জিহ্বা নির্দিষ্ট কিছু স্বাদই অনুভব করতে পারে? এর বাইরে কোন স্বাদ সে বুঝতে পারেনা?’ ‘জে না, আমি এগুলা জানিনা। আপনের বিল হইছে বিশ টেকা।’ ‘ও আচ্ছা।’ বিল মিটিয়ে আইনস্টাইন রওনা হলেন। শাহবাগের ওইদিকে এসে দেখলেন প্রচন্ড ভিড়। মঞ্চ বানানো হয়েছে। গলাভাংগা এক লোক বড় করে দম নিয়ে নিয়ে মাইকে কি যেন বলছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে যেকোন সময় সে কাশতে কাশতে রক্তবমি করে মারা যাবে। আইনস্টাইন সামনে এগিয়ে গেলেন। তিনি এখন এলিফ্যান্ট রোড বাটা সিগনালের ওদিকে দাঁড়িয়ে আছেন। রাস্তা পার হবেন। সিগনালে লালবাতি জ্বলছে, আইনস্টাইন সামনে এগিয়ে গেলেন। তিনি এখন এলিফ্যান্ট রোড বাটা সিগনালের ওদিকে দাঁড়িয়ে আছেন। রাস্তা পার হবেন। সিগনালে লালবাতি জ্বলছে, গাড়িগুলোও সব চলছে। প্রায় আধাঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তিনি লক্ষ্য করলেন গাড়ি চলছেই, এবং লালবাতিও লালই হয়ে আছে। যারা রাস্তা পার হচ্ছে এরা সেই চলমান গাড়ির ফাক ফোকড় দিয়েই পার হচ্ছে। লালবাতির সাথে গাড়ির কোন রিলেশান তিনি খুজে পেলেন না। বাতির দিকে হা করে তাকিয়ে থেকে আধাঘন্টা সময় তিনি নষ্ট করেছেন ভেবে তার রাগও হল। আইনস্টাইন ডায়েরি বের করে লিখলেনঃ স্থান - এলিফ্যান্ট রোড, বাটা সিগনাল। এখানে গাড়িগুলো আলোর গতিবেগে চলে। অর্থাত এরা গতিশীল। আর ট্রাফিক পুলিশগুলো এক সাইডে বসে ঘুমায়। গাড়ির সাপেক্ষে ট্রাফিক পুলিশগুলো স্থির। তবে সামগ্রিকভাবে চিন্তা করলে ট্রাফিক পুলিশও গতিশীল কারণ পৃথিবী নিজেই ঘুরছে। পুলিশেরাও তাহলে ঘুরছে। আপেক্ষিক তত্ত্ব এখানে মানা হচ্ছে। তিন রাত তিনটা বাজে। আইনস্টাইন রাতের ঢাকা দেখতে বের হয়েছেন। এই সময়ে রহস্যময় কিছু ব্যাপার চোখে পড়লেও পড়তে পারে। তিনি শুনে এসেছেন, এই শহরই নাকি একমাত্র শহর যেখানে রাতের বেলা ভূতেরাই মানুষের ভয়ে তটস্থ থাকে। আইনস্টাইন টিএসসির সামনে এসে দেখলেন হলুদ পাঞ্জাবী পড়া কয়েকজন খালি পায়ে বসে আছে। তিনি এদের একজনকে জিজ্ঞেস করলেন, ভাই ঘটনা কি? সে উত্তর দিল, ঘটনা কিছুই না। ‘তাহলে খালি পায়ে বসে আছেন কেন?’ ‘আমি হিমু হতে চাই। হিমুরা জুতা পড়তে পারেনা।’ ‘ও আচ্ছা। হিমু নিজেও কি কারো অনুসারী ছিলেন?’ ‘জি না, উনি কাউকে অনুসরণ করতেন না।’ ‘কিন্তু আপনি তো অনুসরন করছেন। অনুসরণই করছেননা শুধু, পাগলামি করে বোঝাতেও চাচ্ছেন যে আপনি হিমু। হিমু কাজগুলো পাগলামি করে করতোনা, আপনি করছেন। তার মানে আপনারটা হিমু সাজার অভিনয়। ঠিক বলেছি?’ ‘জি।’ ‘তাহলে মানেটা দাড়ালো এমন যে, আপনি সাধারণ মানুষের সাপেক্ষে হিমু, কিন্তু হিমুর সাপেক্ষে সাধারণ মানুষ। অর্থাত এখানে আপেক্ষিকতার থিওরি কাজ করছে।’ ‘আপনার যুক্তি ঠিক আছে। তবে যাকে ভালো লাগে তার মত হওয়ার অভিনয় করেও আনন্দ পাওয়া যায়।’ ‘এটা ঠিক বলেছেন।’ আইনস্টাইন ডায়েরি বের করে লিখলেনঃ স্থান – টিএসসি, এখানে একদল হিমু নামক রহস্যময় প্রাণী খালি পায়ে বসে থাকে। এরা আপেক্ষিকতার থিওরি মেনেই নিজের সাথে নিজেরা অভিনয় করছে। তবে এই অভিনয়ে তারা ভালো আনন্দ পাচ্ছে। আইনস্টাইন কিছুদুর গিয়েই ছিনতাইকারীর হাতে পড়লেন। ছিনতাইকারী বলল, যা আছে সব দে। তিনি অবাক হয়ে বললেন, ভাই আপনিও কি ছিনতাইকারী হওয়ার অভিনয় করছেন নাকি? ‘চুপ কর হারামজাদা। যা আছে তাড়াতাড়ি দে, নাইলে ফুটুস।’ ‘ভাই ভদ্র ভাষায় কথা বলুন। আমি দুনিয়া কাপানো পদার্থবিদ আইনস্টাইন।’ ‘তুই কি আইনের লোক নাকি?’ ‘জি না আমি বিজ্ঞানী।’ ‘তাইলে যা আছে সব দে তাড়াতাড়ি।’ আইনস্টাইন সব বের করে দিয়ে দিলেন। শুধু তার ডায়েরিটা দিলেন না। ছিনতাইকারী চলে যাওয়ার পর তিনি ডায়েরিতে লিখলেন, চুরির সাপেক্ষে ছিনতাই একটি বিশাল অপরাধ, কিন্তু যে দেশের আইনশৃংখলা বাহিনীই সাতটা মানুষ খুন করে নদীতে ফেলে রাখে সেই ঘটনার সাপেক্ষে ছিনতাই কোন অপরাধ নয়। এখানে আপেক্ষিকতার থিওরি ঠিক আছে। চার ছিনতাইকারীর হাতে পড়ার পর থেকে আইনস্টাইন ভয়ে আর বাসা থেকে বের হন না। তিনি সারাদিন টিভি দেখেন হোটেলরুমে বসে। বাংলা চ্যানেলের খবর আর টক শো গুলো মনযোগ দিয়ে দেখেন। তিনি দেখলেন, এক চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধীর ফাসি কেন জরুরি সেটা ব্যাখ্যা করছেন এবং জনগনকে রাস্তায় নেমে মঞ্চ বানানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। আরেক চ্যানেলে দেখলেন, এক মুক্তিযোদ্ধা আত্নহত্যা করে মারা গেছেন, সেই ব্যাপারে সরকারী দলের নেতারা মঞ্চ তো দূরের কথা, কোন আগ্রহই দেখাচ্ছেন না।। দুটি খবর দেখে তিনি ধরতে পারলেন না যে, একটি যুদ্ধাপরাধীকে ফাসি দেয়া বেশী জরুরি নাকি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে বাচানো বেশী জরুরি। আইনস্টাইন তার মোবাইল ফোনে দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ কোম্পানী টেলিটকের একটি সিম ভরলেন। তারপর কল দিলেন পদার্থবিদ্যার সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী নিউটনকে। বিজ্ঞানী নিউটন তখন গরম শিক কাবাব দিয়ে নানরুটি খাচ্ছিলেন। আইনস্টাইনের ফোন পেয়ে চমকে তার হাত থেকে নানরুটি খসে পড়ে গেল। ‘হ্যালো, কে আইনস্টাইন নাকি?’ ‘জি, নিউটন ভাই ভালো আছেন? ভাবী ভালো আছে?’ ‘একজন ভিক্ষারীর সাথে নিজেকে তুলনা করলে সেই তুলনায় ভালো আছি, একজন রাজার সাথে নিজেকে তুলনা করলে ভালো নেই। বিষয়টা আসলে আপেক্ষিক। আর তোমার ভাবী বাপের বাড়ি চলে গেছে। তার ধারণা, আমার যে অবস্থা সেই সাপেক্ষে নাকি বাপের বাড়িই উত্তম। অথচ বোকাটা বুঝলোনা যে, একজন ভিক্ষারির সাপেক্ষে ভাবলে আমার অবস্থা অনেক ভালো। তোমার ভাবী আসলে বিজ্ঞানে একদম কাচা।’ ‘একটা সমস্যায় পড়েছি ভাই। যদি একটু হেল্প করেন। টিভিতে দেখলাম, একটি দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে রাজাকারের ফাসি দিচ্ছে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের বাচানোর ব্যাপারে তারা আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এই ব্যাপারে পদার্থবিদ্যার ব্যাখ্যা কি।’ ‘তোমার প্রশ্নটি সুন্দর। মহান বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এটি খোলাসা করে গেছেন। তুমি যদি রাজনীতিক ফায়দার দিক থেকে ভাব তাহলে যুদ্ধাপরাধীর বিচারই বেশী জরুরি। আর যদি মানবতার দিক থেকে ভাব তাহলে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে বাচানো বেশী জরুরি।’ ‘আর যদি আমি ইমোশনালী ভাবি?’ ‘পদার্থবিদ্যায় ইমোশনের কোন জায়গা নেই।’ ‘আচ্ছা, ধন্যবাদ মহান নিউটন ভাই। ফোন রাখি।’ আইনস্টাইন ফোন রেখে তার ডায়েরি খুলে লিখলেনঃ পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী, রাজনীতির সাপেক্ষে যুদ্ধাপরাধীর বিচার জরুরি, আর দেশপ্রেমের সাপেক্ষে মুক্তিযোদ্ধাকে রক্ষা করা বেশী জরুরি। পাচ আইনস্টাইন বাংলাদেশ ভ্রমন করে তার নিজের দেশে ফিরে গেছেন। দেশে গিয়েই তিনি একটি কলাম লিখেছেন। কলামের নামঃ পদার্থবিদ্যা ও বাংলাদেশ। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করছেন, প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী অনেকেই মনে করে যে বাংলাদেশ চলছে ‘মদীনা সনদ’ অনুযায়ী। কিন্তু এই ধারণা ভুল। বরং বাংলাদেশই বিশ্বের একমাত্র দেশ যেটি বিজ্ঞান অনুযায়ী চলে। এটি পদার্থবিদ্যার খনি বলা যেতে পারে। তিনি বাংলাদেশের মাঝি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবাইকে পদার্থবিদ্যার আপেক্ষিক তত্ত্ব মেনে চলতে দেখেছেন


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now