এইকাল-হেইকাল
X
আহ! আইজকালকার আবু-দুবাইন মোবাইলে ভিডিও গেইমস খেলে। আর আমরা ছুডুবেলা বাড়ির সামনে কুতকুত খেলতাম। এহনের মোবাইল দেহি ইডের লাগান বড়,আর আমরার আমলে মোবাইল কিতা চিনতামই না।
আমরার আমলে পাড়া দিগাইলে একটা রেডিও আছিন আর অহন দেহি বেহের ঘরে ঘরে টিভি। তাও কি এলইডি টিভি, দেওয়ালের লগে ঝুইল্লে থাহে।
কয়ডা ভাত রান্ধনের লাইগ্গে লাগে বেইট্টেনের রাইস কুকার,তরহারি রান্ধনের লাইগ্গে লাগে প্রেশার করকার,মাইক্রোওয়েভ আরো কত হন্নাতশকা!!!!!
আমরার মা চাচিরা জীবন ভরা কড়ির চুলাত ফুওয়াইয়া ফুওয়াইয়া রানতো।। তবুও বেইট্টেনের কত ঢং!!!
আমরা আগে চালাইতাম ফনিক্স সাইকেল আর অহনের পোলা পুড়ি চালায় পালসার,ইমাহা,এপাচি,আর অন ফাইভ আরো কত কি!!!!!
আমরা আগে চশমা ফিনতাম আর অহন দেহি বেবাকে কানা বেডাইনের লাগান কালা কালা কাউয়ার চোখ(সানগ্লাস) ফিনদে ভাব লয়,আর কত তামশা!!!!
আমরা আগে লুঙ্গি, পায়জামা ফিনতাম আর অহন পোলাফান উন্দুরের কামড়ানি ছিঁড়া বিড়া প্যান্ট ফিন্দে আর এইতাই নাহি ফ্যাশন, স্টাইল!"!
আমরার আমলে একটা সেরির লগে কথা কইলে পাড়াদিগাইলে ইজ্জত লইয়া টানাটানি আর অহন পোলপাইন হাত ধরাধরি করে রাস্তাঘাটে, ইস্কুল কলেজে হাটে।
আমরা আগে বছরে ছয়মাস-নয়মাসে যাত্রাপালা দেখতাম আর অহন পোলাফান চুঙ্গার মতন আকার ইঙ্গিত কইরা টিকটক ভিডিও বানায়।
আমরার সময় ১ আনা দে মুড়ি কিন্নে খাইয়া পেট ভরতাম আর অহনের পোলাফুড়ির রেস্টুরেন্ট ছাড়া চলে না!!!
না জানি বাইচ্চে থাকতে আর কত কি দেহন লাগবো!!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now